সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মহাকাশ থেকে রহস্যময় ভুল তথ্য পাঠাচ্ছে নাসার যান! স্যাটেলাইট ‘অন্ধ’ করে দেয়ার মতো লেজার অস্ত্র আছে রাশিয়ার – টেক শহর এমবাপ্পে চায় জিদানকে, রাজি হচ্ছেনা জিদান – স্পোর্টস প্রতিদিন চিত্রনায়ক রিয়াজের ছবি দিয়ে একক আলোকচিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করলো ল্যুভ মিউজিয়াম ‘ভাদাইমাখ্যাত’ কৌতুক অভিনেতা আহসান আলী আর নেই শরণখোলায় ভাইয়ের মারপিটে ভাইয়ের মৃত্যু, মামলা নিচ্ছে না পুলিশ অভিযোগ পরিবারের! পোশাকের জন্য তরুণীকে হেনস্থা, ‘মূল হোতা’ আরেক নারী বাইডেনসহ ৯৬৩ মার্কিন নাগরিকের বিরুদ্ধে রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি BOU Job Circular 2022 খুলনা সহ আট বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস

মসজিদে নববির পাশে ৫০ বছর কাটিয়ে শতবর্ষী সেই বৃদ্ধের মৃত্যু

  • আপডেট সময় রবিবার, ২০ জুন, ২০২১
মসজিদে নববির পাশে ৫০ বছর কাটিয়ে শতবর্ষী সেই বৃদ্ধের মৃত্যু

ইসলাম ডেস্ক- সৌদি আরবের পবিত্র মসজিদে নববির পাশে অবস্থানকারী প্রবীণতম ব্যক্তিত্ব শায়খ মহিউদ্দিন হাফিজুল্লাহ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০৭ বছর। গতকাল শনিবার মসজিদে নববিতে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, দীর্ঘ ৫০ বছর যাবত তিনি মসজিদে নববিতে অবস্থান করেছেন এবং মৃত্যু অবধি নিয়মিত মসজিদে নববিতে যাতায়াত করতেন।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, শায়খ মহিউদ্দিন ছিলেন মদিনা নগরীর প্রবীণদের অন্যতম। ইসলামে দ্বিতীয় খলিফা উমর বিন খাত্তাব (রা.)-এর বংশধর। ইসলামের বিখ্যাত ইতিহাসবিদ ও আলেম মহিউদ্দিন ইবনে আরাবি (রহ.) ছিলেন তার পূর্বপুরুষ।

সৌদির পবিত্র মক্কা-মদিনার ইসলামী স্থাপনার ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিশেষজ্ঞ মুহাম্মদ আবু মালিক জানান, ‘প্রয়াত ব্যক্তি অত্যন্ত হাস্যোজ্জ্বোল ও কোমল মনের অধিকারী ছিলেন। সর্বদা আল্লাহর জিকির করতেন। পবিত্র কোরআনে পাঠের সঙ্গে তার ছিল গভীর বন্ধুত্ব।’

এক টুইট বার্তায় তিনি জানান, ‘মরহুমের কোনো স্ত্রী ও সন্তান ছিল না। একজন দানশীল ব্যক্তির সহায়তায় তিনি মসজিদে নববির পাশে অবস্থান করতেন। গত ৩০ বছর যাবত আমি তাকে পিঠ বাঁকা করে মসজিদে যাতায়াত করতে দেখছি। মসজিদে নববিতে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে আদায় করতেন। মদিনার পবিত্র হারাম শরিফ থেকে তার বাসার দূরত্ব ছিল প্রায় তিন কিলোমিটার। প্রতিদিন ফজরের দুই ঘণ্টা আগে ঘর থেকে বেরিয়ে জিকির করতে করতে তিনি মসজিদে আসতেন।

মুহাম্মদ আবু মালিক আরও জানান, ‘তিনি সব সময় নিচের দিকে তাকিয়ে হাঁটতেন। এদিক সেদিক তাকাতেন না। মদিনা নগরীর কারবান ও তাজুরি এলাকা থেকে তিনি প্রায় হেঁটে আসতেন। বাবুস সালাম ফটক দিয়ে তিনি মসজিদে নববিতে প্রবেশ করতেন। ফজরের নামাজ পড়ে ইশরাক পর্যন্ত অপেক্ষা করতেন। এরপর ঘরে ফিরে আবার জোহরের আগে মসজিদে এসে রাতের বেলা এশার নামাজ আদায় করে ঘরে ফিরতেন। এভাবেই মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি মসজিদে আসা-যাওয়া করতেন।’

‘হারামের মধ্যে আমি তার সঙ্গে অনেক সাক্ষাত করেছি। মসজিদ নববি দীর্ঘ দিন বন্ধের পর খোলা হলে তার সঙ্গে সাক্ষাত করি। তখন আমাকে দেখে তিনি কেঁদে ফেলেন। তার দুচোখ বেয়ে আনন্দের অশ্রু গড়িয়ে পড়ে। তখন মসজিদে নববি ও রওজা শরিফে যাওয়ার জন্য তার গভীর ভালোবাসা ও আক্ষেপ দেখতে পাই’ জানান মুহাম্মদ আবু মালিক।



Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102