মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শীত মুমিনের বসন্ত | ওয়াফিলাইফ ব্লগ ট্যুর বিডি ট্রাভেল গ্রুপের অ্যাডমিন হতে চান ইবনে বতুতা মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২১ এ ৮৮ কোটি টাকা মূল্যের ১ কোটি ১৩ লাখ মিটার অবৈধ জাল আটক করেছে নৌবাহিনী ডুমুরিয়ায় দেদারসে চলছে থ্রী হুইলার, প্রতিনিয়ত ঘট‌ছে দুর্ঘটনা গোপালগঞ্জে দুলাল শেখ হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদন্ড শুটকি মৌসুমকে ঘিরে দুবলার চরে যেতে শুরু করেছেন জেলেরা ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করে রাজত্ব হারালেন জাপানের রাজকুমারী জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি ভিনিসিয়াস বার্সা ভক্ত, বার্সার জন্য সে কেঁদেছিল! – স্পোর্টস প্রতিদিন ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞায় খুলনা ৪৯ মামলায় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা

জোর করে খাওয়ানো হচ্ছে জন্মনিয়ন্ত্রক ওষুধ, আদালতে বাবার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৫ জুন, ২০২১
  • ১২
জোর করে খাওয়ানো হচ্ছে জন্মনিয়ন্ত্রক ওষুধ, আদালতে বাবার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স

বিনোদন ডেস্ক : দীর্ঘদিন মুখ বুজে ছিলেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স। যদিও পপ তারকার জীবন নিয়ে বিতর্ক কম নেই।

এবার বাবার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন তিনি। তার অভিযোগ, প্রায় ১৩ বছর ধরে জীবনযাত্রা ও আর্থিক সমস্ত কিছু নিয়ন্ত্রণ করছেন তার বাবা জিমি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কনজারভেটরশিপ আইনের অধীনে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল জিমিকে। এবার বিচারকের কাছে আর্জি জানিয়ে এই ‘বন্দিদশা’ থেকে মুক্তি চাইলেন ব্রিটনি।

তিনি জানান, যত দ্রুত সম্ভব এই ‘অপমানজনক’বন্দিজীবন শেষ করতে চান তিনি, যা তার মন ভেঙে দেয় ও দাসত্ব অনুভব করায়।
এই প্রথম খোলা আদালতে তার বাবা ও যারা তাকে ‘নিয়ন্ত্রণ’ করছেন, তাদের নিন্দা জানালেন ব্রিটনি।

তিনি জানান, তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে জন্মনিয়ন্ত্রক ওষুধ খেতে বাধ্য করেন তারা। এমনকি, প্রেমিককে বিয়ে করতে ও আরেক সন্তান নিতেও তাকে বাধা দেওয়া হচ্ছে। লস এঞ্জেলেসের আদালতের বিচারককে ব্রিটনি বলেছেন, তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন এবং দিনের পর দিন কেঁদেছেন। ‘আমি আমার জীবন ফিরে পেতে চাই’, আদালতকে জানান ব্রিটনি।

ব্রিটনি আরও জানান, ‘এই কনজারভেটরশিপ ভালোর চেয়ে আমার জন্য খারাপই বেশি করছে। আমারও স্বাভাবিক জীবন কাটানোর অধিকার আছে। আমাকে আমার প্রেমিকের সঙ্গে লং ড্রাইভে যাওয়ারও অনুমতি দেওয়া হয় না।’

ব্রিটনির দাবি, তার বাবা তার ওপর অত্যাধিক নিয়ন্ত্রণ করে তার জীবন অতিষ্ট করে তুলেছেন।

ব্রিটনির প্রাক্তন বয়ফ্রেন্ড জাস্টিন টিম্বারলেক আরও অনেকের মতো ব্রিটনিকেই সমর্থন জানিয়েছেন। টুইটে লিখেছেন, “ওর সঙ্গে যা হচ্ছে তা হতাশাজনক। কোনও নারী তার শরীর নিয়ে কী করবে সেই সিদ্ধান্ত অন্য কেউ নিতে পারে না।”

২০০৮ সালে আদালতের এক আদেশে ব্রিটনির বাবা জেমিকে যাবতীয় সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়। সে সময় উদ্বেগ ও অবসাদের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল ব্রিটনিকে। তখন ১৩ বছর আগে কনজারভেটরশিপের রায় দিয়েছিল মার্কিনি আদালত। আদালতের পক্ষ থেকে এখনও কোনও রায় দেওয়া না হলেও বিশ্বজুড়ে ‘ফ্রি ব্রিটনি’ হ্যাশট্যাগে ছেয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া।



Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০২১
Designer: Shimulツ
themesba-lates1749691102