সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন

সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৫ জুন, ২০২১
সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

সিটি মেয়রের সুস্থতা কামনা করে কাউন্সিলর পিন্টুর উদ্যোগে ওয়ার্ডে বিভিন্ন মসজিদে দোয়া

খবর বিজ্ঞপ্তিঃ

খুলনা সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেকের শাররীক সুস্থতা কামনা করে নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদ পিন্টুর উদ্যোগে ওয়ার্ডের বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল জুম্মা বাদ উত্তর কাশিপুরের টি মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সময় সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেকে ইউরোলজী সমস্যায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন থাকায় তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি শেখ সেলিম অঅহমেদ, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, শরিফ সিরাজুল ইসলাম লাভলু, বিডিআর গোলাম মোস্তফা, শেখ নাসির হোসেন, শেখ আঃ জব্বার, শেখ আঃ মান্নান, শেখ নুর ইসলাম, শেখ তারেক, আমানত বিশ^াসসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গরা মসজিদে উপস্থিত ছিলেন।

বাগেরহাটে চলছে দ্বিতীয় দিনের লকডাউন, ৪৯জনকে জরিমানা,  আক্রান্ত ৭৩

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

বাগেরহাট জেলায় চলছে কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিন। লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে জেলা প্রশাসন পুলিশ। জেলা প্রশাসন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চলছে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রয়েছে পুলিশের চেক পোস্ট। লকডাউনের প্রথম দিনে বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) দিন ব্যাপি ভ্র্রাম্যমান আদালতের অভিযানে স্বাস্থ্য বিধি না মানার অপরাধে ৪৯ জনকে ২৪ হাজার একশ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এদিকে গেল ২৪ ঘন্টায় ১৫৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৭৩ জন।এই হিসেবে সংক্রমনের হার দাড়িয়েছে ৪৬ শতাংশ। তবে এই সময়ে বাগেরহাটে করোনা আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি। এই নিয়ে বাগেরহাটে বাগেরহাটে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাড়িয়েছে হাজার ৮৬৭ জনে। মারা গেছেন ৭৩ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ৩৮ জন। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৮২৯ জন। শুক্রবার (২৫ জুন) বেলা ১১টায় বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কেএম হুমায়ুন কবির এসব তথ্য জানিয়েছেন।

অন্যদিকে লকডাউনের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (২৫ জুন) সকাল থেকে বাগেরহাটের বেশিরভাগ সড়ক জনাকীর্ণ স্থান ফাকা ছিল। ঔষধ নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের দোকান ছাড়া সব দোকান ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে প্রথম দিনের মধ্যে দ্বিতীয় দিনেও কিছু মানুষকে বাধ্য হয়ে হেটে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কেএম হুমায়ুন কবির বলেন, গেল দুই দিনে বাগেরহাটে করোনা আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি। তবে আক্রান্তের হার কমেনি। লকডাউন চলছে। স্বাস্থ্য বিধি নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। আসাকরি খুব দ্রুত সংক্রমণের হার কমাতে সক্ষম হব আমরা।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক বলেন, লকডাউন বাস্তবায়নে আমরা সব ধরণের চেষ্টা করছি। জেলার বিভিন্ন প্রবেশদ্বারসহ ১৩টি স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। চিকিৎসা, খাদ্য পন্য জরুরী প্র্রয়োজন ছাড়া কাউকে বাইরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। সকল ধরণের গনপরিবহন বন্ধ রয়েছে। এই অবস্থায় সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরে থাকার আহবান জানান তিনি।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ আজিজুর রহমান বলেন, গেল ১৫ দিন ধরে বাগেরহাটে সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা লকডাউন ঘোষনা করেছি। লকডাউন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হচ্ছে।  প্রথমদিনে জেলার উপজেলায় ৪৯ জনকে ২৪ হাজার একশ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সকলকে মাস্ক পরিথধানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। মাস্ক ছাড়া জরুরী কাজে বাইরে বের হওয়া দরিদ্র মানুষের মাঝে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাস্ক বিতরণ করা হচ্ছে। মানুষকে সচেতন করতে এবং ঘরে থাকতে মাইকিং চলছে।

প্রশাসনের আড়াল হলেই মুখের মাস্ক চলে যায় থুতনিতে

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

প্রশাসনের চোখের আড়াল হলেই স্বাস্থ্যবিধির ধার ধারে না কেউ। তখন মুখের মাস্ক চলে যায় থুতনিতে। অসচেতন মানুষ সামাজিক দুরত্ব ভেঙে ফিরে যায় স্বাভাবিক অবস্থায়। এমন ইঁদুর-বিড়াল খেলার মধ্য দিয়ে চলে বাগেরহাটের লকডাউনের প্রথম দিন। হঠাৎ করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বৃহস্পতিবার (২৪জুন) থেকে ৩০জুন পর্যন্ত বাগেরহাট জেলার সকল উপজেলায় এই লকডাউন ঘোষনা দেয় জেলা প্রশাসন।করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে খুলনা বিভাগসহ গোটা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে। এই বিভাগের জেলা-উপজেলাগুলোয় প্রতিদিনি হু হু করে বাড়ছে করোনায় মৃত্যু আক্রান্তের সংখ্যা। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করলে মহামারি আকার ধারণ করবে করোনার সংক্রমণ। এজন্য প্রশাসন কঠোর অবস্থানে গেলেও মানুষ তা মানতে নারাজ। ফাঁক পেলেই বিধি ভঙ্গের প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ছে সবাই।

এদিকে, লকডাউন বাস্তবায়নে সকাল থেকেই মাঠে নামে প্রশাসন। শহরের প্রবেশ মুখে বেরিকেড দিয়ে বসানো হয় পুলিশি চৌকি। তারপরও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, অটোভ্যান নিয়ে বের হয় যে যার মতো। তখন এদের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যায় প্রশাসন। উপজেলা শহরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব ক্ষুদ্র যানবাহনের চাবি কেড়ে নেওয়া হয়। এছাড়া, নিয়ম ভেঙে দোকান খোলা রাখায় জরিমানাও করা হয় ব্যবসায়ীদের।

বন কর্মকর্তার বদলীতে এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি !

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

অবশেষে সুন্দরবনের দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত সেই বন কর্মকর্তাকে বদলী করা হয়েছে। প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসেন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক আদেশে পূর্ব-সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক জয়নাল আবেদীনের বদলীর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বন-বিভাগ সূত্র জানায়, প্রধান বন সংরক্ষক স্বাক্ষরিত ৭০৬ নং স্মারকের এক অফিস আদেশে জয়নালকে আগামী সাত কর্ম দিবসের মধ্যে (নবাগত) সহকারী বন-সংরক্ষক (এসিএফ) ৩৮বিসিএস (বন-ক্যাড়ার) সামছুল আরিফিনের নিকট দ্বায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে বলা হয়েছে। অপরদিকে, জয়নালের বদলীর খবর সুন্দরবন-সংলগ্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে নির্যাতিত পেশাজীবিসহ সাধারণ মানুষের মাঝে অনেকটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।

স্থানীয় পেশাজীবিদের কয়েকজন বলেন, জয়নাল আবেদীন ২০১৮ সালে নন-ক্যাড়ার (এসিএফ) হিসেবে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জে যোগদান করেন। তার কয়েক মাস পর থেকে বন সংলগ্ন সোনাতলা, বকুলতলা, শরণখোলা, বগী, তেরাবেকা, চালিতা বুনিয়া, গাবতলা সহ বিভিন্ন এলাকার বন্যপ্রানী এবং বনজ সম্পদ পাচারকারী চক্রের সদস্যদের সাথে গোপনে গভীর সখ্যতা গড়ে তুলে নানা অপকর্মে জড়িয়ে অর্থ-বানিজ্যে মেতে ওঠেন। যার ফলে তার সময়ে ব্যাপকভাবে বাঘ, হরিণসহ বিভিন্ন বন্য প্রাণী নিধনের পাশাপাশি বিশ প্রয়োগে সুন্দরবনের নিষিদ্ধ এলাকায় অবাধে মাছ শিকারের মহোৎসব শুরু হয়।

শরনখোলা বাজারের মৎস্য ব্যবসায়ী এস এম মাহাবুব সেলু, পলাশ মাহমুদ ফেরদৌস হোসেন সহ কয়েক জন বলেন, (এসিএফ) জয়নালের দ্বায়িত্বকালে আমরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হয়েছি। তিনি অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অংকের অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তাদেরকে বনের নিষিদ্ধ এলাকায়ও মাছ ধরার সুযোগ দিয়েছেন। আর আমরা বৈধভাবে নদী সমুদ্র হতে মাছ আহরণ করতে গেলেও অনেক সময় অনুমতি পাইনি।

উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা হাসানুজ্জামান পারভেজ বলেন, সুন্দরবনের ইতিহাসে শরণখোলা রেঞ্জে জয়নাল আবেদীনের মতো এতো বড় দুর্নীতি পরায়ণ কর্মকর্তা আর কেউ আসেনি।

এদিকে জয়নাল আবেদীন বদলীর বিষয়টি স্বীকার করলেও তার বিরুদ্ধে ওঠা সকল অভিযোগ কাল্পনিক বলে দাবি তার। পূর্ব সুন্দরবণ বন-বিভাগের (ডিএফও) মুহম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন-সংরক্ষক (এসিএফ) হিসেবে (নবাগত) সামছুল আরিফিনকে পাঠানো হয়েছে এবং জয়নাল আবেদীনকে বাগেরহাট জেলা অফিসে পদায়ন করা হবে।

বর্ষায় নৌকা তৈরির কারিগরদের ব্যস্ততা

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

বাগেরহাটের চিতলমারীতে বর্ষার আগমনে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নৌকার চাহিদা বেড়েছে। ফলে উপজেলায় নৌকা তৈরি বেচাকেনার শুরু হয়েছে। নৌকা তৈরিতে কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা রাতদিন একটানা কাজ করেও চাহিদা পূরণে হিমশিম খাচ্ছেন।

সাবোখালী গ্রামের পংকজ রাজবংশী, কাঙাল রাজবংশীসহ অনেকে জানান, বর্ষার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এলাকার অধিকাংশ জেলে নৌকা দিয়ে মাছ শিকার করেন। নিম্নাঞ্চলের কৃষকেরা সারা বছর জুড়ে তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য বিপণনের জন্য নৌকা ব্যবহার করে থাকেন। চিংড়ি সাদা মাছের ঘেরেও নৌকা ব্যবহার হয়।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বড়বাড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে কারিগররা নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। কেউ করাত দিয়ে কাঠ কাটছে কেউ হাতুড়ি দিয়ে নৌকায় পেরেক লাগাতে ব্যস্ত।

নৌকা তৈরির কারিগর (মিস্ত্রি) মোঃ হাসান শেখ, মোঃ রুহুল আমিন মোঃ হাবিল রহমান বলেন, ছোটবেলা থেকে বর্ষার সময় নৌকা তৈরি করি। বড় নৌকার চেয়ে ছোট ডিঙ্গি কোশা নৌকার চাহিদা বেশি। এতে প্রতিটি ১২ হাতের নৌকা বানাতে হাজার থেকে হাজার টাকা খরচ হয়। বিক্রি করা যায় থেকে হাজার টাকায়।

নালুয়া এলাকার স্মিল মিস্ত্রি নৌকা তৈরির কারিগর মোঃ জাহাঙ্গীর বলেন, বর্ষা মৌসুম এলে নৌকা তৈরির কাজে ব্যস্ত থাকি। এই সময় নৌকার চাহিদা বেড়ে যায়। আমরাও অতিরিক্ত কিছু আয় করতে পারি। একটি ছোট নৌকা তৈরি করতে হাজার টাকার কাঠ লাগে। একটি নৌকা বানাতে দুইজন মিস্ত্রী দুই দিন সময় লাগে। তাদের মজুরী দিতে হয় হাজার টাকা। তবে কাঠের দাম হেলপারদের মজুরী বেড়ে যাওয়ায় লাভ তুলনামূলক ভাবে কম হয়। বাণিজ্যিক ভাবে বড় আকারের ৫০ হাতের একটি কাঠের নৌকা তৈরি করতে প্রায় চার লাখ টাকা খরচ হয়।

নৌকা কিনতে আসা হাবিব শেখ বলেন, বর্ষা মৌসুম এলেই নিচু এলাকাতে নৌকার প্রয়োজন দেখা দেয়। নিচু এলাকায় হওয়ায় বন্যার পানিতে রাস্তা তলিয়ে যায়। নৌকা ছাড়া চলাচলের কোনো উপায় থাকে না। তখন নৌকাই যাতায়াতের একমাত্র ভরসা। ছাড়া অনেকেই পুরাতন নৌকা মেরামত করে নিচ্ছেন ব্যবহারের উপযোগী করে তোলার জন্য।

প্রধানমন্ত্রী বিত্তবানদের সহযোগিতা চান বাগেরহাটে ইমরানের দুটো কিডনিই নষ্ট, অর্থাভাবে বন্ধ চিকিৎসা

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

রেমিট্যান্স যোদ্ধা (বিদেশ ফেরত) ইমরান পাইক মুক্তির দুটো কিডনি-নষ্ট। অর্থাভাবে চিকিৎসাও বন্ধ। তিন সন্তান স্ত্রী নিয়ে খেয়ে না খেয়ে বিছানায় শুয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন ৫০ বছর বয়সী এই রেমিট্যান্স যোদ্ধা। মাত্র সাত মাসে লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করেও সুস্থ্য হতে পারেননি। এখন টাকার অভাবে ডায়ালাইসিসও বন্ধ তার। এই অবস্থায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

বাগেরহাট পৌরশহরের পূর্ববাসাবাটি এলাকার আব্দুল হামেদ পাইকের ছেলে ইমরান পাইক মুক্তি। ২০০৮ সালে আত্মীয় স্বজনের কাছ থেকে ধার দেনা করে একটু ভাল থাকার আসায় দুবাই যায় ইমরান। বিধিবাম, ট্যুরিস্ট ভিসা হওয়ায় কিছুদিন পালিয়ে থেকে বাড়িতে ফিরে আসেন। বাবার জমি বিক্রি করে আত্মীয় স্বজনের দেনা পরিশোধ করেন। বাবার জমি বিক্রির টাকায় ২০০৯ সালে আবারও তিন বছরের ভিসায় দুবাই যান ইমরান পাইক। তিন বছরের বৈধ ভিসায় দুবাই গেলেও দশ বছর কাজ করেন পালিয়ে থেকে। এক পর্যায়ে বৈধ কাগজপত্র তৈরি করে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে দেশে আসেন ইমরান পাইক মুক্তি। এসে কিছুদিন থেকে আবারও দুবাই যান তিনি। এবারও ভাগ্য সহায় হয়নি মুক্তির। করোনায় কাজবন্ধ থাকায় বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে ভরন পোষন মিটিয়েছেন নিজের। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে ২০২০ সালের নভে¤॥^আবারও দেশে ফিরে আসেন ইমরান পাইক মুক্তি।

বাড়িতে পৌছানোর তিনদিন পরেই অসুস্থ্য হয়ে পড়েন তিনি। চিকিৎসদের  পরামর্শ পরীক্ষা নিরিক্ষার মাধ্যমে জানতে পারেনে তার দুটো কিডনি-নষ্ট।বাগেরহাট সদর হাসপাতাল, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খুলনা শেখ আবু নাসের বিষেশায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েও সুস্থ্য হতে পারেননি ইমরান পাইক মুক্তি। সর্বশেষ গেল তিনমাস ধরে রাজধানীর মিরপুরস্থ কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসকদের তত্বাবধায়নে রয়েছেন।প্রতি সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস করতে হয় তাকে।

ইমরান পাইক মুক্তি বলেন, ১০-১১ বছর বিদেশে থেকেছি। জীবনে কিছুই করতে পারিনি।করোনাকালে প্রায় একবছর বেকার থেকে বাড়ি এসেই অসুস্থ্য হয়ে পড়েছি। ৬-মাসে চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিজের, পরিবারের সবই শেষ করেছি। সর্বশেষ বাড়ির দুই কাঠা জমিও বন্ধক রেখে ঋণ এনেছি। প্রতিসপ্তাহে খুলনা আবুনাসের বিষেশায়িত হাসপাতালে দুইবার ডায়ালাইসিস করি। ডায়ালাইসিস, ইনজেকশন, ঔষধ সব মিলিয়ে সপ্তাহে বার তের হাজার টাকা ব্যয় হয়। টাকা জোগার করতে না পাড়ায় গত সপ্তাহে ডায়ালাইসিস করতে পারিনি। তিনটি সন্তান স্ত্রী নিয়ে খুব বিপদে রয়েছি। জানি না আল্লাহ কি করবেন।চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

প্রতিবেশী মনিরা পারভীন বলেন, তিনটি সন্তান নিয়ে ইমরান তার স্ত্রী যে কত কষ্টে দিন কাটায় তা না দেখলে বোঝা যায় না। প্রায় দিন ঠিক মত খেতে পারে না তারা। করোনার সময় মাঝে মাঝে আমরা যতটুকু পারি সহযোগিতা করি।যদিকোন ধনী মানুষ একটু এই পরিবারটার উপর দয়া করত তাহলে হয়ত পরিবারটি একটু স্বস্তিতে থাকতে পারত।

বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম বলেন, ইমরান পাইকের বিষয়টি আমি শুনেছি। তার পরিবারকে সরকারি সহায়তার জন্য আবেদন করতে বলেছি। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়মের মধ্যে তাকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন এই কর্মকর্তা

ইমরানের স্ত্রী আমেনা আক্তার লাকি বলেন, আমাদের এমন অবস্থা যে নবম শ্রেণিতে পড়া ছেলে আসিফ ৬ষ্ট শ্রেণিতে পড়া মেয়ে আবিদা সুলতানার পড়াশুনা তো বন্ধ-ই। মাস বয়সী ছোট মেয়ে আফিফাকেও একটু বাড়তি খাবার খাওয়াতে পারি না। স্বামীর চিকিৎসার জন্য ব্যাংক থেকে ঋণ করেছি। বাবা, মা, ভাইসহ এমন কোন আত্মীয় নাই যে তাদের কাছ থেকে কম বেশি টাকা ধার করি নেই। আসলে এখন আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। এখন নিয়মিত স্বামীর ডায়ালাইসিসও করাতে পারছি না। ধনী মানুষদের দয়া ভিক্ষা চাই। আমার স্বামীকে নিয়ে দুটো ডাল ভাত খেয়ে বাচতে চাই এই বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন মধ্য বয়সী এই নারী।

ইমরান পাইক মুক্তিকে সাহায্য পাঠাতে পারেন ব্যাংক হিসাবে অথবা বিকাশে। ব্যাংক হিসাবের নামঃ এমডি ইমরান পাইক মুক্তি, হিসাব নং-১৫৩০৬, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ, বাগেরহাট শাখা। বিকাশ নং-০১৭২৬-৪৬৪১৭৭

রামপালে চলমান বিধি নিষেধের দ্বিতীয় দিনে মানুষের মাঝে সচেতনতা বেড়েছে

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বাগেরহাটের রামপালে চলমান বিধি নিষেধের দ্বিতীয় দিন শুক্রবারও জনসচেতনতা সৃষ্টিতে স্থানীয়

প্রশাসন ব্যাপক তৎপরতা চালিয়েছে। বিধি নিষেধ বাস্তবায়নে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কবীর হোসেন শুক্রবার বাঁশতলী ইউনিয়নের কালিগঞ্জ খেয়াঘাট ভোজপাতিয়া ইউনিয়নের বেতকাটা বাজারের মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে প্রচারণা চালান। সময় তিনি খেয়াঘাট বাজারের লোকজনের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন। সময় তার সাথে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এনজিও কর্মী, স্বেচ্ছাসেবক সাাংবাদিককেরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কবীর হোসেন বলেন, জেলা প্রশাসনের জারিকৃত বিধি নিষেধ বাস্তবায়নে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এতে কাজও হচ্ছে, আগের তুলনায় এখন দেখছি লোকজনের মধ্যে বেশ সচেতনতা বেড়েছে। সবাই বিধি নিষেধ মানছেন, মুখে মাস্ক পরছেন। বৃহস্পতিবার বিধি নিষেধের প্রথম দিন মাস্ক ব্যবহার না করায় কয়েকজনকে জরিমানা করেছিলাম। কিন্তু মাস্ক ছাড়া দ্বিতীয় দিনে কেউকে পাইনি, তাই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেও কেউকে জরিমানা করা যায়নি। #

সিআইপি শেখ ফারুক আহমেদের মাতার মৃত্যুতে উন্নয়ন কমিটির শোক সমবেদনা

খবর বিজ্ঞপ্তি

বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির দাতার পরিষদের সদস্য, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সিআইপি, ওহাব জুট মিলস লিঃ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিশিষ্ট সমাজসেবক শেখ ফারুক আহমেদের মাতা মোসাঃ লাইলী বেগম (৮৭)-এর মৃত্যুতে গভীর শোক সমাবেদনা প্রকাশ করে বিবৃতি প্রদান করেছেনÑবৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান, মহাসচিব কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মাদ আলী, সহ-সভাপতি শাহীন জামাল পন, মোঃ নিজাম-উর রহমান লালু, জেড মামুন ডন, মিজানুর রহমান বাবু, অধ্যাপক মোঃ আবুল বাসার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার বদিয়ার রহমান, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, চৌধুরী মোঃ রায়হান ফরিদ, চৌধুরী মিনহাজ উজ-জামান সজল, আরজু ইসলাম আরজু, মামনুরা জাকির খুকুমনি, সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব শেখ মোশাররফ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব এড. শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, মীর বরকত আলী, মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম, মিজানুর রহমান জিয়া, শেখ ইফতেখার চালু, কোষাধ্যক্ষ মিনা আজিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার মনিরুল ইসলাম, মহিলা সম্পাদক রসু আক্তার, দপ্তর সম্পাদক নুরুজ্জামান খান বাচ্চু, প্রচার সম্পাদক মোঃ মফিদুল ইসলাম টুটুল, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. লুৎফর রহমান, তথ্য গবেষণা সম্পাদক ইলিয়াস মোল্লা, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সরদার রবিউল ইসলাম রবি, যুব বিষয়ক সম্পাদক মতলেবুর রহমান মিতুল, ক্রীড়া সম্পাদক শেখ আবিদ উল্লাহ, সমাজসেবা সম্পাদক মোঃ আব্দুস সালাম, শ্রম সম্পাদক মোঃ খলিলুর রহমান, শিক্ষা সম্পাদক অধ্যাপক আযম খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোল্লা মারুফ রশীদ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান মুরাদ, পরিবেশ সম্পাদক এস এম ইকবাল হোসেন বিপ্লব, সাহিত্য প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ এনামুল হাসান ডায়ম-, কৃষি সম্পাদক আহমেদ ফিরোজ ইব্রাহিম, বাণিজ্য সম্পাদক এস এম আখতার উদ্দিন পান্নু, লাইব্রেরী সম্পাদক মল্লিক মাসুদ করিম, নির্বাহী সদস্য রকিব উদ্দিন ফারাজী, এড. আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর, শেখ মুর্শরফ হোসেন, এড. কুদরত-ই-খুদা, আলী আকবর টিপু, আনিসুর রহমান বিশ্বাস, অধ্যক্ষ রেহেনা আক্তার, মোঃ মামুন রেজা, মোঃ তরিকুল ইসলাম, মোঃ শফিকুর রহমান, এস এম জাহিদুর রহমান, জুবায়ের আহমদ খান জবা, শেখ আব্দুস সালাম, ফেরদৌস হোসেন লাবু, মোঃ হায়দার আলী, কামরুল করিম বাবু, রফিকুল ইসলাম বাবু, প্রমিতি দফাদার প্রমুখ।

সাতক্ষীরায় করোনা আক্রান্তে উপসর্গে জনের মৃত্যু, স্বাস্থ্যবিধি মানাতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন

খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসটিতে আক্রান্তে উপসর্গে জেলায় জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে জন করোনা আক্রান্ত হয়ে ৭জন করোনা উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বেসরকারী হাসপাতালে মারা গেছেন। এনিয়ে, জেলায় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন মোট ৬৪ জন। আর উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরো ৩০৪ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৫৮ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে ৪৮ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। যা শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ৩৭ শতাংশ। নিয়ে জেলায় আজ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন হাজার ১৮২ জন। প্রতিদিনই নতুন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছেন সরকারী-বেসরকারী হাসপাতাল গুলোতে।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন শাফায়াত জানান, জেলায় বর্তমানে ৪০৭ জন করোনা আক্রান্ত উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রয়েছেন ৪৪ জন। তিনি সময় সকলকে মাস্ক পরার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান।

এদিকে, চলমান লকডাউনের মেয়াদ চতুর্থ দফায় আরো এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। লকডাউন শুরু হয়েছে শুক্রবার রাত ১২ টার পর থেকে। যা চলবে জুলাই বৃহস্পতিার রাত ১২ টা পর্যন্ত। এর আগে গত জুন শুরু হওয়া লকডাউনের তৃতীয় সপ্তাহ শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার রাত ১২ টায়। জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির কমিটির এক ভার্চুয়াল সভায় বৃহস্পতিবার বিকালে লকডাউন বৃদ্ধির বিষয়টি ঘোষনা দেওয়া হয়। তবে, চলমান লকডাউনের মধ্যেও মানুষ বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন নানা অজুহাতে। স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন বালাই নেই তাদের মাঝে। হাটবাজরেও মানুষের ভিড় লক্ষনীয়। যদিও পুলিশ মোড়ে মোড়ে চেকপোষ্ট বসিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করছেন। বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। স্বাস্থ্যবিধি মানাতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। লকডাউনে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে খুলনা যশোর থেকে সাতক্ষীরায় প্রবেশের পথ। ভোমরা স্থলবন্দরেও সীমিত পরিসরে চলছে আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম। তবে ভারতীয় চালক হেলপাররা যাতে খোলামেলা ঘুরে বেড়াতে না পারেন এবং সীমান্ত দিয়ে কেউ যাতে পারাপার না হতে পারেন সে জন্য পুলিশ বিজিবির নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। লকডাইনের মধ্যে যারা দোকানপাট খোলা রাখছেন এবং স্বাস্থবিধি মানছেননা তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে জেল জরিমানা করা হচ্ছে।

সাতক্ষীরার নবাগত জেলা প্রশাসক মোঃ হুমায়ুন কবির জানান, করোনা সংক্রমনের হার না কমা পর্যন্ত লকডাউন থাকতে পারে।

সাতক্ষীরায় জুয়াড়িসহ বিভিন্ন মামলায় ২০ আসামি আটক

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় জুয়ারিসহ ২০ আসামীকে আটক করেছে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা কুলিন পাড়ার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়। এসময় বিভিন্ন মামলায় আরও ১১ জনকে আটক করা হয়। আটককৃত ওই জুয়াড়িসহ বিভিন্ন মামলায় আটক ২০ আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়।

আটক জুয়াড়িরা হলেন, পুরাতন সাতক্ষীরার এলাকার নয়ন, মারুফ, সাগর, আল আমিন, মধু মোল্যা, আবদুল্লাহ, তুহিন, আসাদুল মোমিন। এছাড়া অন্যান্য মামলায় আটককৃতরা হলেন, প্রীততিশ মন্ডল, মুক্তা মন্ডল, টুটুল, সুজিত ঘোষ, খাদিজা খাতুন, আরিফা খাতুন, সেলিম পাড়, আক্তারুল ইসলাম আনারুল ইসলাম।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হুসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে শহরের পুরাতন সাতক্ষীরার কুলিনপাড়ার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি অভিযান চালিয়ে উক্ত জুয়াড়িকে আটক করা হয়। ওসি আরও জানান, আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা উপলক্ষে মহানগর পূজা পরিষদের বিশেষ বর্ধিত সভা সিদ্ধান্তসমূহ

 খবর বিজ্ঞপ্তি

শ্রীশ্রীজগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠান-২০২১ উপলক্ষে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখা শুক্রবার বেলা ১১:৩০ টায় সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক বিশেষ বর্ধিত সভা সংগঠনের সভাপতি শ্যামল হালদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কু-ুর সঞ্চালনায় উপস্থিত মহানগর পূজা পরিষদ, থানা কমিটি, আয়োজক কমিটি বিভিন্ন মন্দির কমিটি’নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে তাঁদের মতামত ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন, মহামারী করোনা ভাইরাস সারা দেশে উদ্বেজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং লকডাউনের কারণে বর্তমানে মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে। আগামীদিনে সরকার সারাদেশে শাটডাউনের চিন্তাভাবনা করছে। রকম একটি পরিস্থিতিতে আগামী ১২ জুলাই শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠান সীমিত পরিসরে সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে মন্দির অভ্যন্তরে করার জন্য মতামত ব্যক্ত করেন। তাছাড়া বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা সীমিত আকারে ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে মন্দির অঙ্গণে পালনের জন্য অনুরোধ করেন। সেই ক্ষেত্রে যেসব মন্দিরে শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসবের আয়োজন হয়ে থাকে, সে সকল মন্দিরে এবার উৎসব না করে পুরোহিতসহ সর্বোচ্চ ১০ জন ভক্তের উপস্থিতিতে মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠান চলাকালীন যদি সরকার কর্তৃক শাটডাউনের সিদ্ধান্ত বলবৎ হয় সেক্ষেত্রে পুরোহিত ম-পীসহ সর্বোচ্চ জনের উপস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠান চলাকালীন সংশ্লিষ্ট মন্দির কমিটিকে মহামারী করোনা থেকে দেশবাসী বিশ্ববাসীর মুক্তি কামনায় প্রতিদিন প্রার্থনা করার অনুরোধ জানানো হয়। উক্ত বর্ধিত সভায় পর্যন্ত যাঁরা করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁদের আত্মার সদগতি কামনা এবং যারা অসুস্থ হয়ে আছেন তাদের সুস্থতা কামনা করে মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করা হয়। বিশেষ করে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকের সফল অস্ত্রপচার সম্পন্ন হওয়ায় দ্রুত সুস্থ হয়ে পরিবারসহ জনগণের মাঝে ফিরে আসার কামনা করে প্রার্থনা করা হয়। উক্ত বর্ধিত সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেনÑবাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, খুলনা মহানগরের সাবেক সভাপতি শ্রীশ্রীসত্যনারায়ণ মন্দির কমিটির নির্বাহী ট্রাস্টি গোপী কিষণ মুন্ধড়া, কোষাধ্যক্ষ রতন কুমার নাথ, খুলনা মহানগর পূজা পরিষেদের কার্যনির্বাহী সদস্য টুটপাড়া গাছতলা মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা নিখিল কুমার বিশ্বাস, যুব ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর সভাপতি বিশ্বজিৎ দে মিঠু, সদর থানা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি বিকাশ কুমার সাহা, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব সাহা লব, সোনাডাঙ্গা থানা সভাপতি বিপ্লব মিত্র, সাধারণ সম্পাদক রামচন্দ্র পোদ্দার, খালিশপুর থানা সভাপতি রজত কান্তি দাস, দৌলতপুর থানা সভাপতি তিলক গোস্বামী, সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ অধিকারী, লবণচরা থানা সভাপতি ডাঃ শেখর চন্দ্র পাল, সাধারণ সম্পাদক পার্থ রায় মিঠু, হরিণটানা থানা সভাপতি মনোজ কান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক রঞ্জন রায়, খানজাহান আলী থানা সভাপতি দুলাল সরকার, সাধারণ সম্পাদক সুভাষ দত্ত, আড়ংঘাটা থানা আহ্বায়ক আশিষ কবিরাজ, সদস্য সচিব দেবদাস ম-দেবু, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সম্পাদকম-লীর সদস্য উজ্জ্বল ব্যানার্জী, শরৎ কুমার মুন্ধড়া, বাবলু বিশ্বাস, গৌরাঙ্গ সাহা, সঞ্জীব দাস, তাপস সাহা, শিবু রায়, বিদ্যুৎ দাস, সুশান্ত ব্যানার্জী, রূপন দে, সুরেশ কুমার আগরওয়ালা, মুকেশ রাম, রাজকুমার শীল, রবিন দাস, বিধান রায়, পলাশ রায় প্রমুখ।

৪০ বছরের গ্রামের রাস্তা,সেই রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিলেন ইউপি সদস্য

মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ

৪০ বছর ধরে মাটির রাস্তা দিয়ে যাওয়া আসা করে আসছেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ধান্যহারিয়া গ্রামের দুই হাজার পারিবার। ইতি মধ্যে গ্রামের অনেক রাস্তায় পিচ করন ইটের হেরিং রাস্তা হয়েছে। আর মাত্র বাকি রয়েছে প্রায় ৪০০ শো হাত মত। তাও আবার সংসদ সদস্য শফিকুল আজম খান চঞ্চল ঐরাস্তা টুকু নির্মানের জন্য নির্দেশও দিয়েছে। সে মোতাবেক রাস্তা নির্মান কাজও চলছিলো। কিন্তু রাস্তাটা একটু ব্যাক হওয়ার কারনেই ইউপি সদস্য মইদুল ইসলাম ওরয়ে মহিফুল গ্রামের কিছু নেতার ইন্ধনে বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানান গ্রামের মহর আলী নামের এক ব্যাক্তি।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক ব্যক্তি জানান, যারা মাদক ব্যবসায়ীদের টাকায় নেতা হয়েছেন তারা কখনওই চায়না রাস্তাটির উন্নয়ন হোক। আজ সেই বস নেতারাই মাদক ব্যবসায়ীদের কথায় রাস্তা নির্মান কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।

ধান্যহারিয়া গ্রামের সামছুল ইসলাম জানান, রাস্তাটি আগে যে ভাবে ছিলো এখন আর সেভাবে নেই। সরকারী ম্যাপে হাত দুই সরে গেছে। তার পরও গ্রামের রাস্তা হবেই। প্রয়োজনে আমি আমার সীমানার ভিতর থেকে দুই হাত জমি দেব। কিন্তু রাস্তা চায়।

যাদবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ সালাউদ্দীন আহাম্মেদ জানান, গ্রামের এক মাত্র রাস্তাটি ইতি পুর্বে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফিকুল আজম খান চঞ্চল বরান্ধ দিয়ে ছিলো। তার পরও এখনও অনেকটাই বাকি রয়েছে। তার পরও আমি তার নির্দেশে ইট দিয়ে ফ্লাট সলিং করার সময় রাস্তাটি গ্রামের কিছু ব্যক্তি বন্ধ করে দিয়েছিলো। আজও বন্ধ অবস্থায় পরে আছে। যারা গ্রামের রাস্তা চায়না তারাই আজ নেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখছে সেই গ্রামে বসেই।

মহেশপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছে স্বামী

মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ

মহামারী করোনার মধ্যেও থেকে নেই যৌতুক লোভী স্বামীর নির্যাতন। বাবার বাড়ী থেকে যৌতুকের টাকা এনে দিতে না পারায় ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ভাটামতলা গ্রামের যৌতুক লোভী স্বামী সাগর হোসেন তার স্ত্রী এক সন্তানের জননী শিখা খাতুনকে (২০) পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ভাটামতলা গ্রামে।

আহত শিখা খাতুন জানান, তিন বছর পুর্বে আমার বাবা দুই লাখ টাকার দেন মহর ধার্য্য করে ফতেপুর ইউনিয়নের ভাটামতলা গ্রামের ইনামুল ইসলামের ছেলে সাগর  হোসেনের সাথে বিবাহ হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন সময় আমাকে মারপিট করে আসছিলো।

তিনি আরো জানান, শুক্রবার দুপুরেও আমাকে আমার অসহায় বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দেওয়ার জন্য মারপিট শুরু করে।

এঘটনায় আহত শিখা খাতুনের বাবা শরিফুল ইসলাম বাদি হয়ে সাগর,সাগরের বাবা ইনামুল ইসলাম রাজুকে আসামী করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

মহেশপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, তদন্ত করে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

দেবহাটায় ইউপি সদস্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সাংবাদিক সম্মেলন

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা

দেবহাটা উপজেলার ২নং পারুলিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রার্থী ফারহানা পারভিন মুক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়েছে। দক্ষিন পারুলিয়া পল্লী মাতৃকেন্দ্রের সম্পাদিকা পারুলিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রার্থী ফারহানা পারভিন মুক্তি শুক্রবার বিকাল সাড়ে টায় দেবহাটা প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, তার ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য মোকারম শেখ বিভিন্ন মহিলাদের নিকট থেকে ভাতার কার্ড করে দেয়ার নাম করে দীর্ঘদিন ধরে হাজার হাজার টাকা অবৈধভাবে গ্রহন করছে। এমনকি তার (ফারহানা) এর শাশুড়ি আনোয়ারা বেগমের নিকট থেকে বিধবার ভাতার কার্ড করে দেয়ার নাম করে হাজার টাকা নেয়। যার সকল প্রমান তার নিকট আছে বলে ফারহানা বলেন। কিন্তু কার্ড করে না দিলে ফারহানা এর প্রতিবাদ করে এবং মোকারমের বিরুদ্ধে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দেয়ার প্রস্তুতি নিলে মোকারম শেখ বিষয়টি জানতে পেরে সংশ্লিষ্ট গ্রাম পুলিশ মনোরঞ্জন কুমারের মারফতে ফারহানার বাড়িতে বসে তার শাশুড়ি আনোয়ারা বেগমের হাজার টাকা, রাঙাশিশা গ্রামের মৃত গনেশ বাছাড়ের স্ত্রী সুভাষী বাছাড়ের হাজার টাকা, কৌখালী গ্রামের দ্রোনো পরামানিকের স্ত্রী মালতি পরামানিকের হাজার টাকা চালতেতলা গ্রামের তাছেন আলীর স্ত্রী জরিনা খাতুনের হাজার টাকা মোকারম ফেরত দেয়। যার কারনে মোকারম দীর্ঘদিন ধরে ফারহানাকে হেয় প্রতিপন্ন মান সম্মান নষ্ট করার জন্য বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করছে। ইতিপূর্বে মোকারম নাছিমা পারভিন নামে এক মহিলার নিটক থেকে প্রতিবন্ধী ভাতার সাড়ে হাজার টাকা নিয়ে নিজে আত্মসাৎ করলে নাছিমা দেবহাটা থানায় অভিযোগ দেয় এবং বিষয়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্তমান উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার নির্দেশনায় মোকারম আত্মসাৎকৃত সাড়ে হাজার টাকা ফেরত দেয়। সমাজকল্যান মন্ত্রনালয়ের আওতায় বয়স্ক, বিধবা প্রতিবন্ধীদের ভাতা ২০২০-২১ অর্থবছরে জিটুপি পদ্ধতিতে সকল ভাতাভোগীকে মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে ভাতা প্রদানের কার্য্যক্রম শুরু হয় এবং মন্ত্রনালয়ের সাথে “নগদ” কোম্পানীর চুক্তি হলে ভাতা আগ্রহীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করে। তালিকা অনুযায়ী ইউপি চেয়ারম্যান ইউপি সদস্যদের সুপারিশক্রমে উপজেলা কমিটির সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে সকল তালিকা নগদ কোম্পানীর কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং প্রতিটি ইউনিয়নে মাইকিং করে নগদ কোম্পানী তাদের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে ভাতাভোগীদের জাতীয় পরিচয়পত্র মোবাইল নম্বর যাচাই বাছাই করে চুড়ান্ত করে। পরে নগদ কোম্পানীর কিছু ত্রকটির কারনে কতিপয় মোবাইল নং ভুল হলে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় সকল ইউপি সদস্যদের সমন্বয়ে উপজেলার ১৫টি মাতৃকেন্দ্রের ১৫জন সম্পাদিকাকে মোবাইল নং সংশোধনের কাজে লাগানো হয়। ফারহানা বলেন, তিনি নিজেও একজন সম্পাদিকা হিসেবে সেই কাজে সহযোগীতা করেছেন মাত্র। এখানে কোন ভাতাভোগীকে অর্ন্তভূক্ত বা বাদ দেয়ার ক্ষমতা তাদের ছিলনা। কিন্তু গত ২৩জুন, ২১ ইং তারিখে কয়েকটি পত্রিকায় “দেবহাটায় দেড় হাজার বয়স্ক, বিধবা প্রতিবন্ধীর ভাতার টাকা উধাও” শিরোনামে সংবাদে যা প্রকাশিত হয়েছে সেটা সম্পূর্নভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ভিত্তিহীন। এছাড়া সমাজকল্যান মন্ত্রনালয় থেকে ভুল মোবাইল নং এর তালিকা চেয়ে পাঠালে ইতিমধ্যে উপজেলা সমাজসেবা অফিস থেকে ১০৫জনের তালিকা মন্ত্রনালয়ে প্রেরন করা হয়েছে বলে তিনি জানেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি উক্ত মোকারম শেখকে ভূমিদস্যূ সাবেক সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারকে হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক পুলিশ সুপারসহ উপজেলা প্রশাসনের নিকট বিচার দাবী করেছেন।

ডুমুরিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় মা-ছেলে জখম

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি

ডুমুরিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় মা-ছেলে রক্তাত্ব জখম হয়েছে। আহত মা-ছেলে ডুমুরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।গতকাল শুক্রবার সকালে উপজেলার শোভনা ইউনিয়নের চিংড়া পালপাড়া এলাকায় ঘটনা ঘটে।আহতের পরিবার সুত্রে জানা যায় চিংড়া পালপাড়া এলাকার বিষ্ণু পালের সাথে একই পাড়ার সন্যাসী পালের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।তারই জের ধরে ঘটনার দিন সকালে বিষ্ণু পালের স্ত্রী সুমিত্রা পাল সন্যাসীদের নলকুপে পানি আনতে গেলে তাকে অশ্লীল গালিগালাজ করা হয়।এ সময় কারন জানতে চাইলে সন্যাসী পালের ছেলে বিপুল পাল,আাকাশ পাল  সহ ৩/৪  জন হাতুড়ি,লোহার রড নিয়ে তার উপর হামলা চালায়। মায়ের চিৎকার শুনে ছেলে উজ্বল পাল ঘটনা স্থলে গিয়ে পৌছালে তার উপরও হামলা চালানো হয়।এতে পতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধা মা সুমিত্রা পাল (৫৫) ছেলে উজ্বল পাল (২৬) রক্তাক্ত জখম হয় এবং সুমিত্রার একটি হাত ভেঙ্গে যায় বলে জানান।এরপর স্থানীয়রা মা-ছেলে কে গুরুত¦আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে।রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা অনুর্ধ্ব-১৭ গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা বিভাগীয় পর্যায়ে কুষ্টিয়ার ছেলেরা মাগুরা মেয়েরা চ্যাম্পিয়ন

ক্রীড়া প্রতিবেদক

যুব ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া পরিদপ্তরের সার্বিক ব্যবস্থাপনায়, খুলনা বিভাগীয় প্রশাসন খুলনা জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে সম্পন্ন হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিব অনুর্ধ্ব-১৭ জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতার খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ের খেলা।

খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে শুক্রবার (২৫ জুন) প্রতিযোগিতার দুই গ্রুপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু গ্রুপে ছেলেদের বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কুষ্টিয়া জেলা। আর বঙ্গমাতা গ্রুপে মেয়েদের বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মাগুরা জেলা। বঙ্গমাতা গোল্ডকাপে মেয়েদের গ্রুপে দিনের প্রথম ফাইনালে মাগুরা জেলা ১-গোলে সাতক্ষীরা জেলাকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। বিজয়ী দলের হয়ে খেলার ২২তম মিনিটে একমাত্র জয়সূচক গোলটি করেন নম্বর জার্সি পরিহিত খেলোয়াড় বৃষ্টি। বঙ্গবন্ধু কাপে ছেলেদের গ্রুপে দিনের দ্বিতীয় ফাইনালে কুষ্টিয়া জেলা ১-গোলে ঝিনাইদহ জেলাকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। ফাইনালে বিজয়ী দলের হয়ে খেলার ৪৫ মিনিটে গোলটি করেন ১১ নম্বর জার্সি পরিহিত খেলোয়াড় তানভীর। ফাইনালের দু’টি ম্যাচ পরিচালনা করেন মোশাররফ হোসেন, নাজমুল ইসলাম, রিয়াজ আহমেদ, মুন্সী এনামুল, কামাল হোসেন, আব্দুর রহমান ঢালী, বাশির আহমেদ লালু সিদ্ধার্থ সরকার। ম্যাচ কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন নৃপেন রায় চৌধুরী। খেলা পরিচালনার সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন খুলনা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান।

ফাইনাল খেলা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এস এম মোয়াজ্জেম রশিদী দোজা। এসময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা শেখ হেমায়েত উল্লাহ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক জিএম রেজাউল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ হাসান জহির মুকুল, সদস্য মোল্লা খায়রুল ইসলাম, নাজমুল ইসলাম, ইনামুল কবীর মন্নু, বাফুফের খুলনা জেলা কোচ মো. আশরাফ হোসেনসহ বিভিন্ন জেলার ক্রীড়া কর্মকর্তাবৃন্দ।

কেএমপির অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার

গত ২৪ ঘন্টায় খুলনা মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ দু’মাদক ব্যবসায়ী মাদক সেবনের অপরাধে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন নগরীর হরিণটানা থানাধিন আরাফাত প্রকল্পের ছট্টুর বাড়ীর মো. আলমগীর হাওলাদার এর ছেলে মো. সাকিল ওরফে সাজু (২০) পল্লী বিদ্যুৎ এর সামনে মনোরমা আবাসিক এলাকার মৃত. বেলায়েত হোসেনের ছেলে হৃদয় হোসেন (২১) এবং মাদক সেবন করার অপরাধে গ্রেফতার সোনাডাঙ্গা বাস স্ট্যান্ডের পিছনে রনির প্লাস্টিকের কারখানার মৃত. শেখ খোরশেদ আলীর ছেলে শেখ আলিউজ্জামান ওরফে আলী (৩২)

কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শাহ্ জাহান শেখ জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ দু’মাদক ব্যবসায়ী মাদক সেবনের অপরাধে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায়  মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রূপসায় র‌্যাবের অভিযানে চিংড়ি মাছে জেলি পুশ করায় ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা জেলার রূপসা থানাধীন খানজাহান আলী সেতুর টোল প্লাজার সামনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে চিংড়ি মাছে অবৈধভাবে জেলি পুশ করায় ব্যবসায়ীকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা মাসের বিনাশ্রম কারাদ- দিয়েছে র‌্যাব-৬। বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) বিকেল ৪টা থেকে রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত জেলা মৎস্য কর্মকর্তা খুলনা জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর সহযোগিতায় অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযুক্তরা হলেন, সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি থানার কাদাকাটি গ্রামের সমরেশ সরকার এর ছেলে উত্তম সরকার (৩২), কচুয়া গ্রামের মৃত. আফছার সরদার এর ছেলে মো. বাপ্পারাজ সরদার (২৫), দূর্গাপুর আব্দুর রহমান গাজীর ছেলে হাফিজুল গাজী ওরফে সালাউদ্দিন (৩৩) খুলনা জেলার পাইকগাছা থানার শ্রীকান্তপুর গ্রামের ইউসুফ সরদার এর ছেলে আলামিন সরদার (২৩)

র‌্যাব-জানায়, ২৪ জুন বিকেল ৪টা থেকে রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত খুলনা জেলার রূপসা থানাধীন খানজাহান আলী সেতুর টোল প্লাজার সামনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় ১৪০০ কেজি অবৈধভাবে জেলি পুশকৃত চিংড়ি জব্দ করে ব্যবসায়ীর প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং মাসের বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করা হয়। উক্ত চিংড়ি মাছ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ নিরাপদ না হওয়ায় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর তত্ত্বাবধানে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়।

সাতক্ষীরায় র‌্যাবের অভিযানে ৩৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার

সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা থানাধীন গড়ানবাড়ীয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৩৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ দু’মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। শুক্রবার (২৫ জুন) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে গোপন সংবাদের মাধ্যমে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার দু’মাদক ব্যবসায়ী হলেন, সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা থানার দেবহাটা গ্রামের  মো. রমজান সরদার এর ছেলে নাজমুল সরদার (২৫) আশাশুনি থানার বসুখালী গ্রামের মৃত. নজরুল ইসলাম গাজীর ছেলে  মো. আব্দুর রাজ্জাক (৩২)

র‌্যাব-জানায়, শুক্রবার বিকেল পৌনে ৩টার দিকে সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা থানাধীন গড়ানবাড়ীয়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময়  আনছার গাজী এর বসত বাড়ীর দক্ষিণ পার্শ্বে পুকুরের সামনে সাতক্ষীরা টু কালীগঞ্জ গামী পাকা রাস্তার উপর থেকে ৩৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ নাজমুল সরদার আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দেবহাটা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।


Post Views:
1



Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি
সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102