শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন

সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০২১
  • ৮৭
সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

প্রেমের সালিশে কিশোরীকে বিয়ে : সেই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এবার মামলা

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট

সালিশ বৈঠকে কিশোরীকে বিয়ে করা আলোচিত সেই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এবার পটুয়াখালীর আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে প্রেমিকের বড় ভাই আল ইমরান বাদী হয়ে পটুয়াখালী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত আগামি ৩০ দিনের মধ্যে পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার বিবরণ পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদী আল ইমরানের ছোট ভাই হাফেজ রমজানের সাথে একই এলাকার নজরুল ইসলামের মেয়ে নাজনিন আক্তারের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। কিন্তু নাজনিনের বয়স ১৮ বছর না হওয়ায় এতদিন তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারেননি। কথা ছিল নাজনিনের বয়স পূর্ণ হলে তারা উভয়েই বিয়ে করবে।

নিয়ে উভয়ের পরিবারে টানা-হেঁচড়া চলছিল। এর ফাঁকে গত ২৪ তারিখ নাজনিন রমজান বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। খবর নাজনিনের বাবা নজরুল ইসলাম কনকদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারকে জানান। পরে ২৫ তারিখ সকালে ছেলে-মেয়েসহ তাদের পরিবারের সকলকে সালিশের জন্য চেয়ারম্যান তার আয়লা এলাকার বাড়িতে হাজির হতে বলেন। এক পর্যায়ে নাজনিন, রমজান তাদের পরিবারের সদস্যরা সবাই চেয়ারম্যানের বাড়িতে উপস্থিত হলে সেখানে সালিশি বৈঠক শুরু হয়। পরে সেখানে রমজানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দিয়ে তাকে মারধর করে তার মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে সেখানে থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করেন বাদী রমজানের ভাই আল ইমরান। তিনি বলেন, এক পর্যায়ে সেখান থেকে নাজনিনকে ঘরের মধ্যে নিয়ে যান চেয়ারম্যান শাহিন। পরে লোকমুখে শুনতে পান যে, চেয়ারম্যান তার ভাইয়ের প্রেমিকা নাজনিনকে পাঁচ লাখ টাকা কাবিন দিয়ে ওইদিন বিয়ে করেন।

ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এবং বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচার হলে পরদিন সন্ধ্যায় চেয়ারম্যান নাজনিনের কাছ থেকে তালাকনামায় স্বাক্ষর করে নাজনিনকে তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়। সময় নাজনিনের সাথে তার প্রেমিক রমজানকেও জোর করে আবার বিয়ে করিয়ে দেয় চেয়ারম্যান তার লোকজন। রমজানের ভাই জানান, বর্তমানে তাদের গোটা পরিবার আতঙ্কে রয়েছে। চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে তাদের বারবার হুমকি দেয়া হচ্ছে এলাকা ছাড়ার।

উল্লেখ্য, আলোচিত ঘটনায় হাইকোর্টে চেয়ারম্যানের বিচারের দাবি জানিয়ে একটি পিটিশন দায়ের করেন আইনজীবীরা। পরে হাইকোর্ট আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক, পটুয়াখালী পিবিআই এবং জেলা রেজিস্ট্রারকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। এর পরদিন আজ সোমবার দুপুরে প্রেমিকের ভাই আল ইমরান বাদী হয়ে পটুয়াখালীর আদালতেও বিচার চেয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। হাইকোর্টের ওই আদেশের ব্যাপারে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত এরকম কোনো হাতে এসে পৌঁছেনি। আদেশ হাতে পেলে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবো।

মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য ড্রাইভার তারু মিয়া’ইন্তেকাল

ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি

খুলনা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য ড্রাইভার তারু মিয়া ২৭ জুন রবিবার ভোর সাড়ে ৫টায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫০ বছর। তিনি স্ত্রী মেয়ে সহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার নিজ গ্রামের বাড়ী গোপালগঞ্জ এলাকায় জানাযা শেষে তাকে দাফন করা হয়। মরহুমের মাগফেরাত কামনা শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন, ফুলবাড়ীগেট মটরশ্রমিক ইউনিয়ন শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক হোসেন, মোঃ রহিম খান ড্রাইভার, সাবেক মেম্বর মোঃ শামিম আহম্মেদ, মোঃ মনির হোসেন ভুঁইয়া, মোঃ সিদ্দিক ড্রাইভার, সেন্টু ড্রাইভার, শেখ আনিস, মেহেদী হাসান, নজরুল ইসলাম, হালিম মিয়া, রওশন আলী, মোঃ দুলাল, মোঃ মিজান, শেখ জাহিদ হোসেন, হারুন ব্যাপারী, মোঃ লুৎফর, হ্যাপি খান, মোঃ মাসুম, আনোয়ার হোসেন আনু প্রমুখ।

মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য ড্রাইভার তারু মিয়া’রুহের মাগফেরাত কামনায় আজ ২৯ জুন মঙ্গলবার বাদ আছর ফুলবাড়ীগেট দরবার শরিফ জামে মসজিদে ফুলবাড়ীগেট মটরশ্রমিক ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে এক দোয়ার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

খানজাহান আলী থানা এলাকায় ঘরে ঘরে জ্বর, কাঁশি,গলাব্যাথায় আগ্রহ নেই করোনা পরীক্ষায় : হঠাৎ উধাও প্যারাসিটামল ঔষধ

ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি

নগরীর খানজাহান আলী থানা এলাকায় হঠাৎ করেই বেড়েই চলেছে সর্দি-কাশি-জ্বর, এতে কওে আক্রান্ত হচ্ছে রুগীর সংখ্যা। থানা এলাকার  প্রায়ই ঘরে ঘরে এখন ধরনের রোগীর আনাগোনা, তাদের মধ্যে জ্বর নিয়ে ভীতি থাকলেও করোনা পরীক্ষায় তেমন আগ্রহ নেই। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে গিলাতলা, শিরোমনি, মশিয়ালী, মাত্তমডাঙ্গা, যোগিপোল, বাদামতলা, তেলিগাতিসহ থানা এলাকার বেশিরভাগ বাড়িতেই কেউ না কেউ জ্বর-কাশিতে আক্রান্ত। তবে করোনা আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে অনেকেই চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছে না। বাড়িতে বসেই গোপনে চিকিৎসা নিচ্ছে। আবার কেউ কেউ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে যেয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। যার ফলে ঔষধের ফার্মেসিতে প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধসহ অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যাপক চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। সচেতনতা না থাকায় স্বাস্থ্যবিধি না মেনে অসুস্থ অবস্থায়ও হাটবাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন আবার কেউ কেউ।  ফুলতলা  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সুত্রে  জানা গেছে, সর্দি-কাঁশি,জ্বর গলাব্যথাসহ বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে গত এক সপ্তাহে বহির্বিভাগে প্রায় শতাধিক  রোগী চিকিৎসা নিয়েছে। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায় সপ্তাহের বেশি সময় জ্বর-কাশিতে ভুগলেও কিছুই হবে না বলে অনেকে করোনা পরীক্ষায় আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

 করোনাকালিন সময়ে শিরোমনি বাজারে নিয়মিত রোগি দেখছেন ‘ ডাঃ আলাউদ্দিন শিকদার’ তিনি বলেন, জ্বর-সর্দি, কাশি এধরনের রোগি এখন বেশি আসছে এবং অনেকেই করোনার উপসর্গ নিয়ে আসছে, তাদের বারবার করোনা নমুনা পরীক্ষা করতে বলা হলেও তারা করোনা পরীক্ষায় আগ্রহ দেখাচ্ছে না। অনেকে আবার পরীক্ষা না করে হাট-বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছে দেদারচে। করোনা মহামারির এই সময়ে যে কারণেই সর্দি-কাশি-জ্বর দেখা দিক না কেন অবহেলা না করে সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন এই চিকিৎসক

সভা-সমাবেশ জমায়েত না করার জন্য অ্যাডভোকেসি টিমের আহ্বান

খবর বিজ্ঞপ্তি

সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সভা-সমাবেশ জমায়েত না করার জন্য রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে খুলনার মাল্টি পার্টি অ্যাডভোকেসী ফোরাম। ফোরামের সদস্যরা খুলনাসহ সারাদেশে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ করেন। তারা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো ভার্চুয়াল মাধ্যমে সভা-সমাবেশ করলে সাধারণ মানুষ আরও সচেতন হবেন।

ডেমোক্রেসী ইন্টারন্যাশনাল(ডিআই)’সহযোগীতায় সোমবার (২৮জুন) সকালে জুম ভার্চুয়াল সভায় এসব কথা বলা হয়। ডেমোক্রেসী ইন্টারন্যাশনালের খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী আমেনা সুলতানা সভা সঞ্চলনা করেন। বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা জোবায়ের আহমেদ খান জবা, নারী নেত্রী রেহেনা ঈশা, অ্যাডভোকেট শামীমা সুলতানা শিলু, অ্যাডভোকেট তসলিমা খাতুন ছন্দা,উন্নয়ন সংগঠক অসীম আনন্দ দাস, তেরখাদা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনে আরা চম্পা, জেলা পরিষদ সদস্য শোভা রাণী হালদার, সাংবাদিক কৌশিক দে, মুহাম্মদ নুরুজ্জামান, বিএনপি নেতা মেহেদী হাসান দিপু, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মিজানুর রহমান জিয়া, নারী নেত্রী জেসমিন সুলতানা, কামরুন্নাহার হেনা, ডেমেক্রোসী ইন্টারন্যাশালের রুবায়েত হাসান প্রমুখ।

সভায় নগরবাসীর দুর্ভোগ বিবেচনায় দ্রুত উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত, ইজিবাইক চলাচলে শৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতি আহ্বান জানানো হয়। তারা আরও বলেন, শতভাগ মাস্ক পরিধান স্বাস্থ্যবিধি না মানলে কোনভাবেই অদৃশ্য শক্রকে পরাস্ত করা যাবেনা।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর’শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি’মেঝভাই নৌ কমান্ডো জহুরুল হক খোকা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না……রাজিউন)সোমবার (২৮ জুন) বেলা ১১টায় খুলনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। জহুরুল হক খোকার মৃত্যুতে গভীর শোক দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার এক শোকবার্তায় বিএনপি মহাসচিব বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী জহুরুল হক খোকার মৃত্যুতে তাঁর শোকাহত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছি। তিনি ৭১’রণাঙ্গনে মাতৃভুমির স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করে যুদ্ধাহত হয়েছেন। এজন্য জাতি তাঁকে চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। ব্যক্তিজীবনে অত্যন্ত সৎ নীতিবান মানুষ ছিলেন মরহুম জহুরুল হক খোকা। দোয়া করি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেন তাঁকে বেহেস্ত নসীব করেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শোকবার্তায় মরহুম জহুরুল হক খোকার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যবর্গ, আত্মীয়-স্বজন, গুণাগ্রাহী শুভাকাঙ্খীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। 

বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক খোকার ইন্তেকালে খুলনা মহানগর বিএনপির শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি’মেঝভাই নৌ কমান্ডো যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক খোকা (৭৫) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না….রাজিউন)সোমবার (২৮ জুন) বেলা ১১টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে খুলনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়ে, ভাইবোন-আত্মীয় স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমের নামাজে জানাজা বাদ আছর খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর গার্ড অফ অনার শেষে তাকে টুটপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক খোকার মৃত্যুতে গভীর শোক, শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা মহানগর নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল¬াহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, এড. বজলুর রহমান, এড. এস আর ফারুক, আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মো. মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।

রামপালে বিধি নিষেধ না মানায় ২৫০০ টাকা জরিমানা

মোংলা (বাগেরহাট)  প্রতিনিধি

বাগেরহাটের রামপালে চলমান বিধি নিষেধের পঞ্চম দিন সোমবার তিনজনকে জরিমানা করা হয়েছে। বিধি নিষেধ না মানায় উপজেলার শ্রীফলতলা, গিলাতলা সরাবপুর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তিনজনকে ২৫০০ টাকা নগদ জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কবীর হোসেন। ঘটনায় তিনটি সংক্রমণ প্রতিরোধ আইনে মামলা হয়েছে। অভিযানকালে বিভিন্ন এলাকায় পথচারীদের  মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন ইউএনও কবীর হোসেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কবীর হোসেন বলেন, বিধি নিষেধ বাস্তবায়নে প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক এনজিও কর্মীরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন। প্রশাসনের ব্যাপক প্রচারণা কঠোর অবস্থানের কারণে রামপালে বিধি নিষেধ পালনে সকলের মধ্যে সচেতনতার সৃষ্টি হয়েছে।

সেখ জুয়েল এমপি’র ‘‘ফ্রি এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসে’’ যুক্ত হলো আরও একটি এ্যাম্বুলেন্স

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা-আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল এমপি’র ‘‘ফ্রি এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসে” যুক্ত হলো নতুন আরো একটি এ্যাম্বুলেন্স। খুলনায় করোনার উচ্চ সংক্রমন থাকায় করোনা রোগী সহ অন্যান্য রোগীদের ফ্রি এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস দেওয়ার লক্ষ্যে এ্যাম্বুলেন্সের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হলো। প্রয়োজনে আরো বৃদ্ধি করা হবে। জরুরী ফ্রি এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের সেবা পেতে যোগাযোগ করতে হবে +৮৮০১৯৪৯৮৮৩৭৭৩ নম্বরে।

খুলনা মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক নগর ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন জানান, করোনাকালিন সময়ে খুলনাবাসির সেবায় ত্রাণ সহায়তা, চিকিৎসা সহায়তা নগদ অর্থসহায়তা থেকে শুরু করে সব ধরনের মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন খুলনা-আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল। তার ধারাবাহিকতায় গত ১২জুন একটি মাত্র এ্যাম্বুলেন্স দিয়ে আমাদের চালূ করা হয় সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল এর “ফ্রি এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস”বর্তমানে খুলনায় করোনার উচ্চ সংক্রমন চলায় অসুস্থ নগরবাসিকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে এই ‘‘ফ্রি এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস’’ চালু করা হয়েছে।

খুলনা মহানগর যুবলীগের সদস্য শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, জুনের ১২ তারীখ থেকে শুরু করে পর্যন্ত ২২জন রোগীকে ‘‘ফ্রি এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস’’ এর সেবা দেওয়া হয়েছে।

নগর যুবলীগের আরো একজন সদস্য মশিউর রহমান সুমন যানান, এই এ্যাম্বুলেন্সটি আধুনিক মানের। এতে অক্সিজেন সাপোর্টসহ নানা ধরনের সুবিধা রয়েছে।

সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনিরের ভাই-এর মৃত্যুতে উন্নয়ন কমিটির শোক সমবেদনা

খবর বিজ্ঞপ্তি

সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মনিরুজ্জামান মনি’ভাই মোঃ জহুরুল হক খোকার মৃত্যুতে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি গভীর শোক শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেনÑবৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান, মহাসচিব কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মাদ আলী, সহ-সভাপতি শাহীন জামাল পন, মোঃ নিজাম-উর রহমান লালু, জেড মামুন ডন, মিজানুর রহমান বাবু, অধ্যাপক মোঃ আবুল বাসার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার বদিয়ার রহমান, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, চৌধুরী মোঃ রায়হান ফরিদ, চৌধুরী মিনহাজ উজ-জামান সজল, আরজু ইসলাম আরজু, মামনুরা জাকির খুকুমনি, সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব শেখ মোশাররফ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব এড. শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, মীর বরকত আলী, মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম, মিজানুর রহমান জিয়া, শেখ ইফতেখার চালু, কোষাধ্যক্ষ মিনা আজিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার মনিরুল ইসলাম, মহিলা সম্পাদক রসু আক্তার, দপ্তর সম্পাদক নুরুজ্জামান খান বাচ্চু, প্রচার সম্পাদক মোঃ মফিদুল ইসলাম টুটুল, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. লুৎফর রহমান, তথ্য গবেষণা সম্পাদক ইলিয়াস মোল্লা, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সরদার রবিউল ইসলাম রবি, যুব বিষয়ক সম্পাদক মতলেবুর রহমান মিতুল, ক্রীড়া সম্পাদক শেখ আবিদ উল্লাহ, সমাজসেবা সম্পাদক মোঃ আব্দুস সালাম, শ্রম সম্পাদক মোঃ খলিলুর রহমান, শিক্ষা সম্পাদক অধ্যাপক আযম খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোল্লা মারুফ রশীদ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান মুরাদ, পরিবেশ সম্পাদক এস এম ইকবাল হোসেন বিপ্লব, সাহিত্য প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ এনামুল হাসান ডায়ম-, কৃষি সম্পাদক আহমেদ ফিরোজ ইব্রাহিম, বাণিজ্য সম্পাদক এস এম আখতার উদ্দিন পান্নু, লাইব্রেরী সম্পাদক মল্লিক মাসুদ করিম, নির্বাহী সদস্য রকিব উদ্দিন ফারাজী, এড. আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর, শেখ মুর্শরফ হোসেন, এড. কুদরত-ই-খুদা, আলী আকবর টিপু, আনিসুর রহমান বিশ্বাস, অধ্যক্ষ রেহেনা আক্তার, মোঃ মামুন রেজা, মোঃ তরিকুল ইসলাম, মোঃ শফিকুর রহমান, এস এম জাহিদুর রহমান, জুবায়ের আহমদ খান জবা, শেখ আব্দুস সালাম, ফেরদৌস হোসেন লাবু, মোঃ হায়দার আলী, কামরুল করিম বাবু, রফিকুল ইসলাম বাবু, প্রমিতি দফাদার প্রমুখ।

নিসচায়ের খুলনা মহানগর শাখার ভার্চুয়াল মিটিং অনুষ্ঠিত

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনার সংকট কালে করণীয় নিয়ে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) খুলনা মহানগর শাখার এক ভার্চুয়াল মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় খুলনা মহানগর শাখার সভপতি এসএম ইকবাল হোসেন বিপ্লবের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মুন্নার সঞ্চলনায় ভার্চুয়াল মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। সময় বক্তব্য রাখেন নিসচার খুলনা মহানগর শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক মো: রকিবউদ্দিন ফারাজী, অর্থ সম্পাদক মো: নাজমুল হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম সাগর, মহিলা সম্পাদক শিরিনা পারভীন, সদস্য মো. আবু তৈয়ব, মো: আব্দুল্লাহ চৌধুরী, মাহমুদা আক্তার লিজা, নওশিন জাহান প্রমুখ।

মিটিংয়ে বক্তারা বলেন, করোনার মহাসংকটের মধ্যেও নিসচার নতুন কমিটির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। করোনাকালে সারা বিশ্বেই অনলাইনে কার্যক্রম বাড়ছে। ঘরে বসেই চলছে মিটিং, পড়ালেখাসহ সবকিছু। স্বাভাবিকভাবেই সরকারের বিভিন্ন নির্দেশনা, সিদ্ধান্ত আসছেও ভার্চুয়াল মিটিংয়ের মাধ্যমে। ঠিক সেভাবেই সচেতনতামূলক বিভিন্ন ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে প্রচার বিশেষ করে সড়কের বেহাল অবস্থা নিয়ে ভিডিও তৈরি করে প্রচার করা হবে ভার্চুয়াল মাধ্যমে। নিসচায়ের কেন্দ্রিয় কমিটির চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন ভার্চুয়াল মিটিংয়ের মাধ্যমে সারা দেশে সভা করে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন।

মিটিংয়ে বৃক্ষ রোপন মাস্ক বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। লকডাউন চলাচালে রিক্সাচালকদের অযথা হয়রানি বন্ধের খুলনা মহানগরীর রূপসা-শিপইয়ার্ড, সোনাডাঙ্গার এম বারি লিংক সড়ক এবং মুজগুন্নী সড়ক সংস্কারের দাবি জানানো হয়।

কপিলমুনি বাজার ধংসের দ্বার প্রান্তে, আবাসন বন্ধে জেলা প্রশাসক বরাবরে গনপিটিশন

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি

পাইকগাছা উপজেলার প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী সুনামধন্য বানিজ্যিক মোকাম কপিলমুনি বাজারের প্রাণকেন্দ্রে আবাসন বন্ধে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী কপিলমুনিকে বাঁচাতে অবিলম্বে কার্যকর ব্যাবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন তারা। একইভাবে নির্মানাধীন ঘর বন্ধের দাবি এলাকাবাসীর।

জানাযায়, দক্ষিণ বঙ্গের প্রাচীনতম কপিলমুনি অতীত আমল থেকে সুনাম ধরে রাখলেও বর্তমানে একটি কুচক্রী মহলের হীন মানসিকতায় তছনছ হতে বসেছে রাজস্ব আয় সমৃদ্ধ বৃহৎ বাজার। বৃহৎ বাজারের নেই কোন অভিভাবক। বাজারের সৌন্দর্য বর্ধনে নেই সুষ্ঠু পরিকল্পনা। প্রতিষ্ঠাতা দানবীর রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধুর সুপরিকল্পনা আর সাধনায় এলাকার মানুষের কল্যানে প্রতিষ্ঠা প্রসিদ্ধি লাভ করলেও মুলত তার যোগ্য উত্তরসূরীর অভাবে রায় সাহেবের কোমল স্পর্শে প্রতিষ্ঠিত কপিলমুনি বাজারের পরিধি সুন্দর গঠনে তেমনটি আগ্রসর হতে পারেনি। রায় সাহেবের পরে যারা ইতোপূর্বে কপিলমুনি বাজারের নের্তৃত্ব দিয়েছেন তারা কিছুটা ধারাবাহিকতা রক্ষা করলেও আজ সুষ্ঠু নের্তৃত্বের বড়ই অভাব দেখা দিয়েছে। চলছে হরিলুটের খেলা। বাজারের সৌন্দর্য বর্ধনে অতি প্রয়োজনীয় মুল্যবান জমিগুলো ভূমি সংশ্লিষ্ট অফিসের এক শ্রেনীর দালাল দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নিমিষেই দখল হয়ে যাচ্ছে মুল্যবান এসব সম্পত্তি। ৫৮ লক্ষ টাকা বার্ষিক রাজস্ব আয়ের উৎস কপিলমুনি বাজারের শ্রীবৃদ্ধি উন্নয়নের দিকে না তাকিয়ে বরং উক্ত বাজারের মুল্যবান সম্পত্তি অব্যবস্থাপনায় নিমজ্জিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে বাজারের কেন্দ্রবিন্দুতে মূল্যবান জমি আবাসনের ঘর বানিয়ে দেয়া হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের এমন অদূরদর্শিতা খামখেয়ালীপনা ভাল চোখে দেখছে না এলাকাবাসী। তাদের দাবি, বাজার অভ্যান্তরে এসব মুল্যবান জমিতে আবাসনের ঘর দেওয়া কতটা যুক্তিসংগত। এদিকে মুল্যবান সব জমি পেতে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ছুটছে অনেকেই। একদিকে লক্ষ ৮৭ হাজার টাকার ঘর অন্যদিকে ২০ লক্ষ টাকার জমি পেতে মোটা অংকের টাকা নিয়ে মরিয়া ইচ্ছুকদের অনেকেই। এদিকে বাজার কেন্দ্রিক আবাসনের ঘর বরাদ্দ দেয়ায় ফুসে উঠেছে এলাকাবাসী। গত (শুক্রবার ২৪ জুন) এলাকাবাসী বাজার অভ্যান্তরে আবাসনের নির্মানাধীন জায়গায় গিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাদের দাবি রাজস্ব সমৃদ্ধ কপিলমুনি বাজারকে আধুনিকায়ন করতে সম্পত্তির প্রয়োজন অপরিহার্য। ফলে অবিলম্বে নির্মাণ কাজ বন্ধের দাবিতে গত ২৭ জুন জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন এলাকাবাসী।

বাগেরহাটে নদী গর্ভে বসতঘর: বিপাকে কয়েকটি পরিবার

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের সদর উপজেলার পূর্বসায়ড়া গ্রামের ভুটিয়ামারি নদী ভাঙ্গনে কয়েকটি পরিবারের বসতঘর, রান্নাঘর ,গোয়াল ঘর,বাথরুম ভেঙ্গে নদীর গর্ভে চলে গেছে। এতে ভুটিয়ামারি নদীর পাশের কয়েকটি পরিবার চরম আতঙ্কের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছে। এলাকার সাধারন মানুষ নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা সুন্দর ভাবে জীবন পরিচালনার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পূর্বসায়েড়া গ্রামের ভুটিয়ামারি নদীর পাশের বাসিন্দা শেখ তরিকুল ইসলাম জানান, আমার সম্পত্তি বলতে তেমন কিছুই নাই। শতক জায়গার উপর ঘর বেধে জীবিকা নির্বাহ করি। গত ১৫ মে নদী ভাঙ্গনে আমার বসত ঘরের এক পাশ, রান্না ঘর ,বাথরুম,গোয়ালঘর ভেঙ্গে নদীর মধ্যে চলে যায়। এখন বসত ঘরের মাঝে ফাটল ধরছে। পরিবার নিয়ে চরম দঃূচিন্তায় দিন কাটাতে হ”ে ,যে কোন সময়  ঘটতে পারে বড় দূর্ঘটনা তিনি নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেছেন। শুধু তরিকুল নন, ভুটিয়ামারি নদীর পাশের বাসিন্দা আকুব্বর শেখ,ফারুক সেখ ,আলিম সেখসহ একাধিক ভুক্তভোগী বলেন , নদী পুনঃ খননের সময় সিএস ম্যাপ অনুযায়ী খনন না করে বাস্ত বাড়ির উপর থেকে পুনঃ খনন করা হয়েছে তখন বাধা প্রদান করা হলেও আমাদের কথা কর্নপাত করেনি। তারা জানান,তাদের এই ইচ্ছা খুশিমত নদী পুনঃখননের জন্য এই ভাঙ্গনের ঘটনা ঘটেছে।

বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম বলেন, নদীর পাড়ে অবস্থিত কয়েকটি পরিবার ভাঙনের কবলে পড়েছে বলে জানা গেছে। সরেজমিনে পরিদর্শনের পর পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাগেরহাটে ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক অবৈধ কর্মকান্ডের অভিযোগ

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনয়নের ০২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শেখ রেজাউল করিম (৪২) এর বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক অবৈধ কর্মকান্ডের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়ে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কুরিয়াদাইড় গ্রামের এস এম বাবুল উর খারিদ বাদি হয়ে তার বিরুদ্ধে একাধিক অবৈধ কর্মকান্ডের অভিযোগে এনে বাগেরহাট মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এস এম বাবুল উর খারিদ বলেন, ০২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শেখ রেজাউল করিম (৪২) এলাকায় নিজের প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তার সকল অপকর্ম এলাকার সাধারন মানুষ জানলেও ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায় না। ইউপি সদস্য কুলিয়াদাইড় মৌজায় এক খানা ঘর নির্মান করে এলাকার লোকজন নিয়ে মাদক সেবক, বিক্রি বিভিন্ন এলাকা থেকে মহিলাদের এনে খারাব অপকর্মে লিপ্ত হয়। দিকে করোনা কালিন সময়ে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থানায় এলাকার শিক্ষিত ছেলেরা ধরনের অপকর্মের সাথে জড়িয়ে পড়ছে। ফলে সকল অপকর্মে জড়িয়ে পড়ায় এলাকার শিক্ষিত যুব সমাজ ধ্বংস হওয়ার উপক্রম হয়ে উঠছে। তিনি জানান, আমি একজন সচেতন নাগরিক হওয়ায় তাদের এসকল অপকর্মের প্রতিবাদ করি। এতে ইউপি সদস্য ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৬ জুন বিকালে কুলিয়াদাইড় খেয়াঘাটে তার সহযোগী মোঃ আরিফ (৩৪) কে দিয়ে আমাকে মারতে ধরতে উদ্যত হয়। প্রকাশ্যে আমাকে মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলা দিবে, জেলের ভাত খাওয়াবে বলে হুমকি দেয়। এখনো তাদের হুমকি অব্যহত রয়েছে। তিনি জীবন নিরাপত্তা সহ এলাকায় ধরনের অপকর্ম না হয় তার সঠিক পদক্ষেপের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

বিষয়ে বাগের মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন, বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ইছামতি নদী থেকে অজ্ঞাত নারীর হাত-পা মাথাকাটা লাশ উদ্ধার

জেলা প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী ইছামতি নদী থেকে হাত-পা মাথাকাটা অবস্থায় অজ্ঞাত এক নারীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লাশটি সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার ভাতশালা সীমান্তে ইছামতি নদীতে ভাসতে দেখে প্রথমে বিজিবিকে খবর দেন স্থানীয়রা।ভাতশালা বিজিবি ক্যাম্পের হাবিলদার সামসুদ্দিন জানান, এলাকাবাসীর থেকে খবর পেয়ে আমিসহ অন্যান্য বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি রশিতে আটকে রেখে বিজিবির নীলডুমুর ব্যাটেলিয়ানের অধিনায়ক এবং দেবহাটা থানার ওসিকে অবহিত করি। পরে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

দেবহাটা থানার ওসি বিপ্লব সাহা জানান, নদীতে ভাসমান অবস্থায় এক নারীর লাশ পাওয়া গেছে। লাশের মাথা, দুই পা দুই হাত কেটে ফেলা হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। লাশের মাথা পাওয়া না যাওয়ায় পরিচয় মেলানো কঠিন। এমনকি এটি বাংলাদেশী নাকি ভারতীয় নাগরিকের লাশ তাও বোঝার উপায় নেই। তারপরও আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করছি। লাশটি ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাতক্ষীরায় জাল কোর্ট ফি সহ প্রতারক চক্রের চার সদস্য আটক

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় জাল কোর্ট ফি পুরাতন নন-জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পসহ প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। সোমবার সকালে শহরের জেলা জজ আদালতের রেকর্ড রুমের সামনে ভেন্ডার গলি থেকে রেজিষ্ট্রি অফিসপাড়া থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, সাতক্ষীরা শহরের পারকুখরালি পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত নুর ইসলামের ছেলে আইনজীবি সহকারী রুহুল কুদ্দুস (৫০), সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা বউ বাজার এলাকার সৈয়দ আলী গাজির ছেলে ষ্ট্যাম্প ভেন্ডার শওকত আলী (৫৮), সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া রেজিষ্ট্রি অফিসপাড়া এলাকার মৃত রমজান আলীর ছেলে ষ্ট্যাম্প ভেন্ডার এম এম রবিউল ইসলাম (৫৫) ছোট ভাই ষ্ট্যাম্প ভেন্ডার এম এম শাহাজান (৫১)

সাতক্ষীরা জেলা গোয়েন্দা শাখার পুলিশ পরিদর্শক ইয়াসিন আলম চৌধুরী জানান, সাতক্ষীরা জজ আদালতের রেকর্ড রুমের সামনে ভেন্ডার গলিতে ষ্ট্যাম্পভেন্ডার আইনজীবি সহকারীসহ কতিপয় জালজালিয়াতির চক্রের সদস্যরা জাল ষ্ট্যাম্প কোর্টফি ক্রয় বিক্রয় করিয়া তা সরকারী কাজে মামলা মোকদ্দমায় ব্যবহার করিতেছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখান থেকে আইনজীবি সহকারী রুহুল কুদ্দুস ষ্ট্যাম্প ভেন্ডার শওকত আলীকে এক হাজার টাকার জাল কোর্ট ফিসহ হাতে নাতে আটক করা হয়। এছাড়া শহরের রেজিষ্ট্রি অফিসের সামনে ষ্ট্যাম্প ভেন্ডার রবিউল ইসলাম রবি তাই ছোট ভাই শাহাজানের তৃতীয় তলা বাড়ি থেকে বেশকিছু পুরাতন নন-জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পসহ তাদের আটক করা হয়। তিনি আরো জানান, ঘটনায় পৃথক দুটি মামলায় দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে সৎ বাবা গ্রেপ্তার

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ১৫ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে সৎ বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের রায়পুর বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত সৎ বাবা আব্দুল আলিম (৩৬) উপজেলার হাসানকাটি (রায়পুর) গ্রামের খোরশেদ আলীর ছেলে।

ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর দায়েরকৃত মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, প্রায় এক বছর পূর্বে পারিবারিক কলহের কারণে তার মা তার বাবাকে তালাক দেয়। এর পর থেকে সে মায়ের সাথেই থাকতো। বাবাকে তালাকের প্রায় ছয় মাস পরে তার মা আব্দুল আলিমকে বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকে তার সৎ বাবা আব্দুল আলিম তার দিকে কু-দৃষ্টিতে তাকাতো, যখন তখন গায়ে হাত দিত। এছাড়া বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বাইরে বেড়াতে নিয়ে যেত। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩০ মে বিকেল ৪টার দিকে জামাকাপড় কিনে দেওয়ার নাম করে মোটরসাইকেল যোগে আব্দুল আলিম তাকে উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের নেংগী গ্রামের জনৈক হাফিজুল ইসলাম এর বসতবাড়িতে নিয়ে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে এবং কাউকে কিছু বললে খুন করার হুমকিও দেয়।

কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা জানান, ঘটনার প্রায় একমাস পর সোমবার সকালে নির্যাতিত ওই কিশোরী বাদী হয়ে তার সৎ বাবা আব্দুল আলিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর দুপুরে আব্দুল আলিমকে কালিগঞ্জ উপজেলার রায়পুর বাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া নির্যাতিত ওই কিশোরীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সাতক্ষীরায় করোনা আক্রান্ত হয়ে উপসর্গ নিয়ে জনের মৃত্যু

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে জন উপসর্গ নিয়ে জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে খুলনা মেডিকেলে একজন উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন মারা গেছেন। এনিয়ে, জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন মোট ৬৭ জন। আর ভাইরাসটির উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরো অন্ততঃ ৩২৮ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৯২ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে ২৬ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। যা শনাক্তের হার ২৮ দশমিক শতাংশ। নিয়ে জেলায় আজ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন হাজার ২৮৮ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন হাজার ৩৭৮ জন।

বর্তমানে জেলায় ৮৪৩ জন করোনা আক্রান্ত রুগী রয়েছেন। এর মধ্যে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৬ জন এবং উপসর্গ নিয়ে আরো ২৪০ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আর বেসরকারী হাসপাতালে আক্রান্ত হয়ে ১৩ জন উপসর্গ নিয়ে আরো ১১৭ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া ৮১৪ জন ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে, চতুর্থ দফা চলমান লকডাউনের ২৫ তম দিনেও সাতক্ষীরায় মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন বালাই নেই। চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন। শহর গ্রামাঞ্চলের হাটবাজার গুলোতে প্রচুর মানুষের ভিড়। লকডাউনের নামে সড়কে যেনো চলছে লুকোচুরি। ভারি যানবাহন ছাড়া সবই চলছে স্বাভাবিকভাবে। শহরের অধিকাংশ দোকানপাট গুলোতে চুরি করেই চলছে বেচাকেনা। পুলিশের বাধা ব্যারিকেডও মানছে না কেউই। যদিও পুলিশ মোড়ে মোড়ে চেকপোষ্ট বসিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করছেন। বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। তবে, ইজিবাইক, রিকসা, ভ্যান মোটর সাইকেল যোগে মানুষ গন্তব্যস্থলে পৌছানোর চেষ্টা করছেন। লকডাউনে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে। তবে, লকডাউনে বিপাকে পড়েছেন মোটর চালিত ভ্যান রিক্সা চালকসহ খেটে খাওয়া মানুষ।

সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, জনসচেতনতা কম থাকায় মানুষ লকডাউন লঙ্ঘন করছে। তবে আইনশৃংখলা বাহিনী জেলার টি উপজেলায় জনসমাগম যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এজন্য পুলিশ বিভিন্ন সড়কে বসিয়েছে ব্যারিকেড।

ঝিনাইদহে করোনায় কর্মহীনদের মাঝে খাদ্যসহায়তা বিতরণ

তথ্য বিবরণী

খুলনা বিভাগের ঝিনাইদহে ২২ থেকে ৩০ জনু পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। সোমবার ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলা সদরের চারশত জন হোটেল-রেস্টুরেন্টের শ্রমিক, কর্মচারী ভ্রাম্যমান ঝালমুড়ি বিক্রেতার মাঝে জনপ্রতি ১০ কেজি চাল নগদ পাঁচশত টাকা বিতরণ করা হয়। স্থানীয় শহিদ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক মোঃ মজিবর রহমান সহায়তা বিতরণ করেন।

খুলনায় করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছেন আরও দুইশত ৫০ জন

তথ্য বিবরণী

সোমবার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে দুইশত ৫০ জন করোনা ভ্যাকসিন প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে পুরুষ একশত ৪৬ জন এবং একশত চার জন মহিলা। পর্যন্ত মোট দুই হাজার তিনশত ২২জন করোনা ভ্যাকসিন প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে পুরুষ এক হাজার এবং মহিলা এক হাজার তিনশত ২২ জন। খুলনা সিভিল সার্জন দপ্তর থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসকল তথ্য জানানো হয়েছে।

  ড্রাগনফল চাষ করে ড্রাগন গ্রাম নামে পরিচিত

 শামীম খান জনী,মহেশপুর

১০০টি ড্রাগন ফলের বাগান করে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার একটি  গ্রাম এখন ড্রাগন গ্রাম নামে পরিচিতি লাভ করেছে। মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় গ্রামের স্কুল কলেজ পড়ুয়া যুবকরা লেখাপড়ার পাশা পাশি কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সাথে তারা নিজেরা আর্থিক ভাবে সাবলম্বি হচ্ছে। এলাকাবাসী জানান, মহেশপুর উপজেলার সব থেকে অবহেলিত গ্রাম হিসাবে ছিলো আজমপুর ইউনিয়নের গৌরিনাথপুর গ্রাম। সে গ্রামের মাটিতে শুধু বাদাম আমগাছ ছাড়া কিছুই হতো না গ্রামের লোকজন বেশিরভাগ ছিলো দিনমুজুর ঘরবাড়ী ছিলো পাটখড়ির বেড়া উপরে টিন। এখন সেই গ্রামের প্রায় সবার দালানবাড়ী তৈরি হচ্ছে।

গৌরিনাথপুর গ্রামে এইচএসসি পাশ করা এক ছাত্র নজরুল ইসলাম তিনি সর্ব প্রথম এই গ্রামে সীমিত পরিসরে পরীক্ষা মুলক ড্রাগনের চাষ শুরু করে। সেই সময় এতো পরিচিত ছিলো না এই ফল সম্পর্কে। নজরুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এক সময় ড্রাগনফল বিদেশ থেকে আমদানি করা হতো এই ফলে প্রচুর পরিমানে পুষ্টি গুণ আছে যা মানবদেহের জন্য খুবই উপকারি শুনেছি। তাই আমি একটি আমবাগান কেটে সেখানে ড্রাগনের চাষ শুরু করি। সে সময় একবিঘা জমি তৈরি করতে তার থেকে ৪লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে এখন অনেক কম টাকায় বাগান তৈরি করা যাচ্ছে বর্তমানে তার ১৫ বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ রয়েছে বলে জানান।

এইচ এস সি পড়ুয়া ইমরান হোসেন নামের এক ছাত্র জানান,করোনা কালীন সময়ে স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় গ্রামের ছাত্ররা লেখাপড়ার পাশাপাশি বাণিজ্যিক ভাবে ড্রাগনের চাষ শুরু করেছে। যারা বাগান করতে পারেনি তারা তাদেরই কৃষি উদ্যাক্তা বন্ধুর জমিতে কাজ করছে। এখন আর এই গ্রামের কোন ছাত্র বসে নেই।

 নতুন একজন কৃষক সোহাগ সরকার বলেন, আজমপুর ইউনিয়নের গৌরিনাথপুর গ্রামে ১০০বিঘার মত বাগান আছে। তিনি জানান সে প্রথম বছরেই ড্রাগন চাষ করে সফলতা লাভ করেছে। তার ৭বিঘা জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ রয়েছে। প্রথম দুই বিঘা কাঠা জমিতে ৫লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু এখন এক বিঘা জমি তৈরি করতে মাত্র ১লক্ষ ২০ হাজার লাগে। তিনি অরো বলেন বিঘা বাগান থেকে ইতি মধ্যে ৩লক্ষ টাকার ফল বিক্রি হয়েছে। বর্তমান বাগানে এখন ৪লক্ষ টাকার মত ফল আছে। এভাবে এই বছরে এই বাগান থেকে তিন চার বার ফল বিক্রি করতে পারবে। শুধু ড্রাগন ফল বেচে এই গ্রামে কোটি টাকা আসবে বলে তিনি মনে করেন। তার মতে বর্তমান বাজার ব্যবস্থার দিকে সরকার একটু নজর দিলে তারা আরো বেশি লাভবান হবেন আরো বেশি বাগান তৈরি হবে বলে তার ধারণা।

আজমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খান জানান, আমার ইউনিয়নের গৌরিনাথপুর গ্রামে ড্রাগন চাষ সবচেয়ে বেশি। এর আগে মাত্র দুই জন চাষ করতো তারা সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে। এখন গ্রামটি ড্রাগন গ্রাম নামেই পরিচিতি লাভ করেছে। তার মতে সরকার বাজার ব্যবস্থার উপর মনিটারিং করলে কৃষকরা বেশি উপকৃত হবে। এবং তারা আরো বেশি লাভবান হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাসান আলী জানান, উপজেলাতে ৫০ হেক্টর জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ হয়েছে। কিন্তু একটি গ্রামেই সব চেয়ে বেশি চাষ। আমি প্রতিনিয়ত ওই গ্রামের কৃষদের খোজ খবর নিই এবং তাদের বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকি। ড্রাগন ফলে জিংক মিনারেল সহ পুষ্টি গুন বেশি এই ফলটি করোনা রুগিদের জন্য একটি মহা ওষুধ। তিনি বলেন গত বছরের চেয়ে বছর দাম একটু কম তার পরও কৃষকরা লাভবান হবে বলে তিনি মনে করেন।

মোংলায় নতুন শনাক্ত ১৩ জন, শনাক্তের হার ৫৬.৫২ ভাগ

মোংলা প্রতিনিধি

মোংলায় নতুন করে ১৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সোমবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৩ জন করোনা পরীক্ষা করিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৩ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। সোমবার শনাক্তের হার ৫৬.৫২ ভাগ। এর আগে রবিবার ছিল ৫৫.৫৫ ভাগ। গত একমাস ধরে এখানে শনাক্তের গড় হার ৫৫ ভাগ বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জীবিতেশ বিশ্বাস। তিনি আরো বলেন, সাধারণত করোনা উপসর্গ নিয়ে খুব বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ার পর রোগীরা পরীক্ষা করাতে আসছেন। যখন উপসর্গ দেখা দেয় তখন আসেন না, পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলেই ঠেকেই হাসপাতালে আসছেন। তখন তাদের জন্য অনেক ঝুঁকি বেড়ে যায়। এখন শহরের তুলনায় গ্রামের লোকজন বেশি করোনা পরীক্ষা করাচ্ছেন। সাধারণত সুস্থ এমন তেমন কেউ পরীক্ষা করাতে আসছেন না।

পাইকগাছা পৌরসভার ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছা পৌরসভার ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা করেছে। সোমবার সকালে পৌর ভবনে মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর ৫৬ কোটি ৯৬ লাখ ২৯ হাজার ৮১৬.৮২ টাকা আয়, ৫৬ কোটি ৬৩ লাখ ২৪ হাজার ১৯৪.৬৭ টাকা ব্যয় ৩৩ লাখ হাজার ৬২২.১৫ টাকা উদ্বৃত্ত দেখিয়ে বাজেট ঘোষণা করেন। উপলক্ষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর। প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, পাইকগাছা নাগরিক কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর। বক্তব্য রাখেন, প্যানেল মেয়র মাহবুবুর রহমান রঞ্জু, কাউন্সিলর এস.এম. তৈয়েবুর রহমান, কবিতা রাণী দাশ, আসমা আহম্মেদ, রাফেজা খানম, কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ, আলাউদ্দীন গাজী, আব্দুল গফফার মোড়ল, ইঞ্জিনিয়ার নুর আহমেদ, মৃণাল কান্তি সানা, উত্তম কুমার ঘোষ।

পাইকগাছায় যাবত জীবন সাজা প্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ফারুক সরদার নামে যাবত জীবন সাজা প্রাপ্ত আসামীকে গ্রেফতার করেছে। সে উপজেলার হরিঢালীর রামনাথপুর গ্রামের সাঈদ সরদারের ছেলে। পাইকগাছা থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) কামরুজ্জামান বলেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নির্দেশে গোপন সংবাদে গড়ইখালীর তার আত্মীয়ের বাড়ী থেকে তাকে আটক করা হয়। ওসি এজাজ শফী জানান, ২০১৪ সালের মার্চ তার নামে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯০ এর ৯ (১) ধারায় মামলা হয়। উক্ত মামলায় আদালত থেকে যাবতজীবন কারাদন্ড ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড, অনাদায়ে আরো মাসের দন্ড প্রদান করে বিজ্ঞ আদালত। সে দীর্ঘদিন পালিয়ে ছিল। রবিবার রাতে তাকে গড়ইখালী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার সকালে পাইকগাছা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মোংলায় দুই মাদক সেবীকে জেল-জরিমানা

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

মোংলায় পুলিশের হাতে আটক দুই মাদক সেবীকে  মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কারাদন্ড অর্থদন্ড দেয়া  করা হয়েছে। রবিবার রাত টায় পৌর শহরের মাছমারা এলাকা থেকে আলামিন ওরফে হিরু (৩০) বাদল (২১) নামের দুই ব্যক্তিকে গাজা সেবনের সময় হাতেনাতে আটক করে থানা পুলিশের এএসআই রাসেল এএসআই আবুল হোসেন। পরে রাত ১০ টায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নয়ন কুমার রাজবংশী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দুই মাদক সেবীকে সাজা প্রদাণ করেন। সময় আলামিন ওরফে হিরু (৩০) কে ২৫ দিনের কারাদন্ড ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং মোঃ বাদল (২১) কে দিনের কারাদন্ড ও  হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।

আলামিন ওরফে হিরু মাছমারা এলাকার ফিরোজ তালুকদারের ছেলে আর একই এলাকার সেন্টু মিয়ার ছেলে বাদল। মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, সাজাপ্রাপ্ত দুই মাদক সেবীকে সোমবার সকালে বাগেরহাটে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

সাবেক মেয়র মনিরের ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা খোকার মৃত্যুতে খুলনা জেলা বিএনপি’শোক সমবেদনা

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি’ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জহুরুল হক খোকা (৭৫) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আজ সোমবার বেলা ১১টায় খুলনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল¬াহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)তার মৃত্যুতে গভীর শোক শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন জেলা বিএনপি’সভাপতি এ্যাড. এসএম শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ গাজী আবদুল হক, গাজী তাফছির আহম্মেদ, মনিরুজ্জামান মন্টু, শেখ আব্দুর রশিদ, মোল¬খায়রুল ইসলাম, এ্যাড. শরিফুল ইসলাম জোয়াদ্দার খোকন, এ্যাড. মাসুম আল রশিদ, শেখ আবু হোসেন বাবু, জিএম কামরুজামান টুকু, কেএম আশরাফুল আলম নান্নু, এ্যাড. কে এম শহিদুল আলম, এ্যাড. তছলিমা খাতুন ছন্দা শেখ শামছুল আলম পিন্টু প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী জহুরুল হক খোকা ৭১ এর রণাঙ্গণে মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করে যুদ্ধাহত হয়েছিলেন, এজন্য জাতি তাঁকে চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। ব্যক্তিজীবনে অত্যন্ত সৎ নীতিবান মানুষ ছিলেন মরহুম জহুরুল হক খোকা। মহান আল¬াহ রাব্বল আলামীন তাকে বেহেস্ত নসীব করুন।

রেড ক্রিসেন্ট কুষ্টিয়ার সহযোগীতায় রহিমা ফিরলেন তার পরিবারের কাছে

রেজাউর রহমান তনু, কুষ্টিয়া

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কুষ্টিয়া ইউনিটের যুব সদস্যবৃন্দ সোমবার সকাল ১০টায় বরিশাল রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটে পৌছালে সেখানে রহিমার পরিবারের সদস্য এবং বরিশাল রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বৃন্দের উপস্থিতিতে কুষ্টিয়া ইউনিটের যুব সদস্য বৃন্দ রহিমাকে তাদের কাছে হস্তান্তর করেন। এই বিষয়ে রহিমার পরিবারের সদস্য রা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। বরিশাল রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক তার পুর্ন চিকিৎসার আশ্বাস দেন এবং তাকে বরিশাল শেরেবংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থপেডিক বিভাগে ভর্তি করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেড ক্রিসেন্ট এর সাধারন সম্পাদক জনাব মো: মিজানুর রহমান, ইউনিট লেভেল অফিসার গোলাম কবির, নিখোজ রহিমার ছেলে মোঃ কাওছার, ভাই জলিল খান, বোনের স্বামি: গোলাম মোস্তফা ব্যাপারী, ইউপি চেয়ারম্যান: আরিফুজ্জামান মুন্না, ওয়ার্ড মেম্বার: মোঃ ইব্রাহীম ইউনিট যুব সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। যুব রেড ক্রিসেন্ট কুষ্টিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ যুবপ্রধান ১,মো: মেহেদি হাসান জয়, উপ যুবপ্রধান ২, মুনতাসির আহমেদ এবং বন্ধুত্ব বিভাগের প্রধান মো: পলাশ শেখ। উল্লেখ্য, তিনি মানসিক অসুস্থ, প্রায় পাচ বছর যাবত বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ থাকলেও প্রায় ০৬ দিন আগে কুষ্টিয়া ভেড়ামারা রেল স্টেশনে দুর্ঘটনায় আহত অবস্থায় পাওয়া গেলে ভেড়ামারা রেড ক্রিসেন্ট টিমের সহযোগীতায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে কুষ্টিয়া রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারন সম্পাদক জনাব মো: আসগর আলী হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার জনাব ডা: তাপস কুমার সরকারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি রহিমার দ্রুততম সময়ে চিকিৎসার আশ্বাস দেন এবং চিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা করেন।

 রহিমার প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বরিশাল রেড ক্রিসেন্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করলে তারা রহিমার পরিবারের সদস্যদের খুজে বের করতে সক্ষম হন।

লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ

স্টাফ রিপোর্টার

মহামারী করোনা ভাইরাস এর দ্বিতীয় ধাপ মোকাবেলায় খুলনাসহ সারাদেশে চলছে কঠোর লকডাউন। খুলনা মেট্টোপলিটন পুলিশ সরকার নির্দেশিত এই কঠোর লকডাউন বাস্তবায়ন করার জন্য মাঠ পর্যায়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে।

খুলনা মহানগরীর প্রবেশদ্বারসহ বিভিন্ন স্থানে সর্বমোট ৩৮টি চেকপোস্ট বসিয়ে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নের জন্য চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কেএমপি’৮টি থানা এলাকায় সোমবার (২৮ জুন) চলমান লকডাউন কার্যক্রমে ট্রাক ৩টি, পিকআপ একটি, প্রাইভেট কার ২টি, কাভার্ড ভ্যান একটি, মাহিন্দ্রা ২টি মোটরসাইকেল ১৩টিসহ মোট ২২টি যানবাহনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, খুলনা মহানগরীতে গত ২২ জুন থেকে লকডাউন কার্যকর করতে ২৯টি মোবাইল টিম, হোন্ডা মোবাইল টিম ১৮টি, পিকেট ডিউটি ৪টি এবং থানা, ফাঁড়ি ট্রাফিক পুলিশের সদস্যগণ ২৪ ঘন্টা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ হতে খুলনা মহানগরী এলাকায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের, মানবিকতা, ধৈর্য সহিষ্ণুতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে।  

কেএমপির অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার

নগরীর খালিশপুর থানাধিন বৈকালী জিপিও’প্রধান ফটকের সামনে অভিযান চালিয়ে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে খালিশপুর থানার একটি বিশেষ টিম। ২৭ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী হলেন বৈকালী আদ-দ্বীন হাসপাতালের পাশের মো. ফয়জুল হকের ছেলে মো. আসাদুজ্জামান সাগর (২৫)

কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শাহ্ জাহান শেখ জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় খালিশপুর থানা পুলিশ বৈকালী জিপিও’প্রধান ফটকের সামনে থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ আসাদুজ্জামান সাগরকে করে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায়  মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে  মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সাতক্ষীরায় র‌্যাবের অভিযানে দু’টি গাঁজার গাছসহ গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার

সাতক্ষীরা জেলার তালা থানাধীন চরগ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২টি গাঁজার গাছসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। ২৭ জুন রাত সোয়া ৮টার দিকে গোপন সংবাদের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী হলেন সাতক্ষীরা জেলার তালা থানার  চরগ্রাম এর মৃত. শরাফউদ্দিন এর ছেলে মো. বাবু পার (৩৫)

র‌্যাব-জানায়, ২৭ জুন রাত সোয়া ৮টার দিকে সাতক্ষীরা জেলার তালা থানাধীন চরগ্রাম এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় আসামী বাবু পার এর বেগুন ক্ষেতের পূর্ব পার্শ্বে কলা ক্ষেতের মধ্যে হতে ২টি গাঁজার গাছ যার ৯০০ গ্রামসহ বাবুকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে তালা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক খোকার ইন্তেকালে বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা নৌ কমান্ডো জহুরুল হক খোকা (৭৫) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না….রাজিউন)সোমবার (২৮ জুন) বেলা ১১টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে খুলনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মরহুমের নামাজে জানাজা বাদ আছর খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর গার্ড অফ অনার শেষে তাকে টুটপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তিনি সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনির মেঝ ভাই।

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক খোকার মৃত্যুতে গভীর শোক, শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর নেতৃবৃন্দরা। নেতৃবৃন্দরা হলেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আরিফ, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ইমতিয়াজ আলি খোকন, কবি  সৈয়দ আলি হাকিম, ডা. আব্দুস সালাম, শেখ হেদায়েত হোসেন হেদু, এড. আমিনুর রহমান মিঠু, শেখ হেমায়েতুল ইসলাম, মো. ওমর ফারুক কামরুল ইসলাম কামু, সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুবুর রহমান খোকন, যুগ্ম-সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী, মিজানুর রহমান মিজান, মো. মনির হোসেন, এম জলিল, এমডি জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল আহমেদ রাজা, ইঞ্জি. এস এম শফিকুর রহমান, মুন্সি আহমেদ হোসেন, জমমেদ আহমেদ, মীর কাওসার আহমেদ মিজু, মো. ইমরান খান, মো. কামরুল ইসলাম ভুট্রো, ফিরোজ আহমেদ, মাসুদ হোসেন, আরিফ হোসেন, মো. জিসান, সাব্বির, রাতুল প্রমুখ।

সর্বোচ্চ মৃত্যু খুলনায়, বেশি শনাক্ত ঢাকায়

স্টাফ রিপোর্টার

রবিবার (২৭ জুন) করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ছিল খুলনা বিভাগে, সোমবার সেই সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০৪ জন। এর মধ্যে খুলনা বিভাগে মারা গেছেন ৩৫ জন। রবিবার দেশে মহামারিকালের সর্বোচ্চ ১১৯ জনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর। তাদের মধ্যে ৩২ জনই ছিল খুলনা বিভাগের। গত ২৬ জুন বাদ দিয়ে তার আগের টানা চারদিনেও খুলনা বিভাগে মৃত্যু সংখ্যা বেশি ছিল। তারও আগে গত ২৫ জুন মারা যাওয়া ১০৮ জনের মধ্যে বিভাগের ছিলেন ২৭ জন, ২৪ জুন মারা যাওয়া ৮১ জনের মধ্যে ছিলেন ২৩ জন, ২৩ জুন মারা যাওয়া মারা যাওয়া ৮৫ জনের মধ্যে ছিলেন ৩৬ জন, আর  গত  ২২ জুন মারা যাওয়া ৭৬ জনের ২৭ জনই ছিলেন খুলনার বাসিন্দা। কেবলমাত্র গত ২৬ জুন একদিনে চট্টগ্রাম বিভাগে মৃত্যু হয়েছিল ২০ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১০৪ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯ জন, রাজশাহী বিভাগে জন, বরিশাল বিভাগে জন, রংপুর বিভাগে জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

তবে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। মোট শনাক্ত হাজার ৩৬৪ জনের মধ্যে প্রায় অর্ধেকেই ঢাকা বিভাগের। বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন তিন হাজার ৯৯৮ জন। ময়মনসিংহ বিভাগে ২৭৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮১১ জন, রাজশাহী বিভাগে ৮৮৩ জন, রংপুর বিভাগে ৩৯ জন, খুলনা বিভাগে এক হাজার ৪৬৪ জন, বরিশাল বিভাগে ১৮১ জন এবং সিলেট বিভাগে শনাক্ত হয়েছেন ২৩৪ জন।

খুলনায় কোরবানির পশুর চাহিদা ৭৫ হাজার, ঘাটতি ২৭ হাজার

স্টাফ রিপোর্টার

আসন্ন ঈদুল আজহায় খুলনা জেলায় কোরবানির জন্য পশুর চাহিদা রয়েছে প্রায় ৭৫ হাজার। এর বিপরীতে প্রস্তুত রয়েছে ৪৭ হাজার ৭৮৯টি। ঘাটতি থাকছে ২৭ হাজার পশুর। করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে আমদানি করা না গেলে সংকট কাটানো কঠিন হতে পারে। তবে আশপাশের জেলা থেকে খুলনার হাটে পশু আনার মাধ্যমে সংকট কাটানোর কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি খুলনায় এবার নিয়মিত হাটের বাইরে মৌসুমি পশুর হাট বসানোর বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। করোনা সংক্রমণের ওপর নির্ভর করছে পশুর হাট বসানোর বিষয়টি। খুলনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা জেলায় এবার পাঁচ হাজার ২১২ জন খামারি ৪৭ হাজার ৭৮৯টি পশু প্রস্তুত করেছেন। এই পশুগুলোর মধ্যে ২৮ হাজার ৫৬৮টি ষাঁড়, দুই হাজার ৩১৯টি বলদ, দুই হাজার ৪০৪টি গাভি, ৯টি মহিষ, ১২ হাজার ২৩৯টি ছাগল এবং দুই হাজার ২৫০টি ভেড়া রয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে খুলনা মহানগরী, বটিয়াঘাটা, ডুমুরিয়া, পাইকগাছা কয়রায় উত্তরাংশ, দাকোপ, রূপসা, তেরখাদা, দিঘলিয়া ফুলতলা গবাদি পশু মোটাতাজা করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, করোনার কারণে ডুমুরিয়া, আঠারো মাইল, শাহপুর, খর্ণিয়া, চাঁদখালীসহ স্থানীয় পশুর নিয়মিত হাটগুলোতে বলদ ষাঁড়ের আমদানি কম হচ্ছে। শহরতলীতে জার্সি ফ্রিজিয়ান ষাঁড়ের সংখ্যাই বেশি। পাইকগাছা কয়রার উত্তরাংশে দেশি বলদ বেশি রয়েছে।

ডুমুরিয়ার খামারি আফসার শেখ বলেন, হাটে নেওয়ার আগে শেষ প্রস্তুতি হিসেবে ষাঁড়গুলোর যতœ নিচ্ছি। ওষুধ না দিয়েই খাবারের মাধ্যমেই মোটাতাজা করা হয়েছে।

খুলনার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, যৌথ পরিবার হওয়ায় দুই-তিনটি পশু কোরবানি দিতে হয়। বাইরে থেকে আসা গরু বেশি টাকায় কিনতে হয়। আবার অন্য এলাকা থেকে পশু আনতে গেলে খরচ বেড়ে যায়।

খুলনা সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শামসুজ্জামান মিয়া স্বপন বলেন, অভ্যন্তরীণ উৎপাদিত পশু দিয়ে কোরাবানির চাহিদা মেটানো কঠিন হয়ে পড়ছে। এই লকডাউন করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই অন্য জেলা থেকে পশু আনতে হবে। তাহলে সংকট মেটানো যেতে পারে।

খুলনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রণজীতা চক্রবর্তী বলেন, জেলার অভ্যন্তরে খামারিদের উৎপাদিত পশু দিয়ে খুলনার চাহিদা মেটানো না গেলে পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে পশু আনতে হবে। মহানগরীর জোড়াগেটসহ জেলায় ২৫-২৬টি হাট বসবে এবার। সেখানে পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে পশু আসবে। এতেই খুলনায় পশু সংকট কেটে যাবে।

তিনি বলেন, মেডিক্যাল টিমের মাধ্যমে এবার কোরবানির হাটে রোগাক্রান্ত পশু শনাক্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রতিটি পশুই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। নিরাপদ মাংসের জন্য খামারিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মোটাতাজা করার খামারগুলোতে কোনও অপদ্রব্য ব্যবহার করা হচ্ছে না।

খুলনা জেলায় নিয়মিত পশুর হাটগুলোর মধ্যে রয়েছে রূপসা উপজেলার তালিমপুর, পূর্ব রূপসা বাসস্ট্যান্ড, ফুলতলা উপজেলা সদর, ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া, শাহাপুর, আঠারো মাইল, চুকনগর, পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী, গদাইপুর, কাছিকাটা, পাইকগাছা জিরোপয়েন্ট, দাকোপ উপজেলার বাজুয়া, চালনা, কয়রা উপজেলার দেউলিয়া, গোবিন্দপুর, কালনা, ঘুগরাকাঠি, মান্দারবাড়িয়া, হোগলা, দিঘলিয়া উপজেলার এম এম মজিদ কলেজ মাঠ, জালাল উদ্দিন কলেজ মাঠ, পথেরবাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়, তেরখাদা উপজেলার ইখড়ি কাটেঙ্গা, বটিয়াঘাটা উপজেলার বাইনতলা।

করোনায় মৃত্যু হাজার ছাড়ানোর দিনে খুলনায় শনাক্তে রেকর্ড

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা বিভাগে করোনা শনাক্তের সংখ্যা ফের হাজার ছাড়িয়েছে। সোমবার (২৮ জুন) একদিনে রেকর্ড এক হাজার ৪৬৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া মারা গেছেন ৩০ জন। নিয়ে এখন পর্যন্ত বিভাগে করোনায় এক হাজার ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে, গত ২৫ জুন সর্বোচ্চ শনাক্ত ছিল এক হাজার ৩২২ মারা যান ২৩ জন। গত ২৭ জুন শনাক্ত ছিল এক হাজার ২০২ জন মৃত্যু ছিল ২৮। ১৮ জুন এক হাজার ৩৩ জনের শনাক্তের পাশাপাশি জনের মৃত্যু হয়। আর গত ২৩ জুন ৩২ জনের মৃত্যু শনাক্ত ছিল ৯০৩ জন। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতর সূত্রে জানা যায়, ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় ছয় জন, বাগেরহাটে দুই,সাতক্ষীরা-যশোর-নড়াইলে একজন করে, মেহেরপুর ঝিনাইদহে চার জন করে, কুষ্টিয়ায় ৯, চুয়াডাঙ্গায় দুই জন মারা গেছেন। আজ মাগুরায় কারও মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়নি। খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় শনাক্ত হয়েছেন ৫৩ হাজার ৬৩১ জন। মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১১ জনে। খুলনা বিভাগের হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৭৯৩ জন। বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের জেলাভিত্তিক করোনা সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, খুলনায় ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত রোগী ২৪৬ জন। জেলায় মোট শনাক্ত ১৪ হাজার ৯৪৩ জন। মারা গেছেন ২৪৬ জন। এছড়া গত ২৪ ঘণ্টায় অন্যান্য জেলার মধ্যে বাগেরহাটে নতুন শনাক্ত হয়েছেন ১২৪ জন। মোট শনাক্ত তিন হাজার ১৮৩ জন। মারা গেছেন ৮১ জন। সাতক্ষীরায় শনাক্ত ৬৭ জন। মোট শনাক্ত তিন হাজার ৩০০ জন এবং মারা গেছেন ৬৭ জন। যশোরে শনাক্ত হয়েছেন ৪৫৪ জন। মোট শনাক্ত ১১ হাজার ৭৭৯ জন। মারা গেছেন ১৩৪ জন। নড়াইলে শনাক্ত ৫৩ জন। মোট শনাক্ত দুই হাজার ৫৮১ জন। মারা গেছেন ৪১ জন। মাগুরায় শনাক্ত ২২ জন। মোট শনাক্ত এক হাজার ৫০৯ জন। মারা গেছেন ২৫ জন। ঝিনাইদহে শনাক্ত হয়েছে ১৪৩ জন। মোট শনাক্ত চার হাজার ১৩৭ জন। মারা গেছেন ৮৭ জন। কুষ্টিয়ায় শনাক্ত ১৭২ জন। মোট শনাক্ত সাত হাজার ৩৫৬ জন। মারা গেছেন ১৯৮ জন। চুয়াডাঙ্গায় শনাক্ত ৮৪ জন। মোট শনাক্ত তিন হাজার ১৬৭ জন। মারা গেছেন ৮৬ জন। মেহেরপুরে শনাক্ত ৮৪ জন। মোট শনাক্ত এক হাজার ৬৭৬ জন। মারা গেছেন ৪৬ জন।

খুলনার হাসপাতালে আরও মৃত্যু ১১

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনার সরকারি-বেসরকারি দুই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (২৮ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১১ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ছয় জনই খুলনার। আর বাগেরহাটের দুই জন এবং নড়াইল-সাতক্ষীরা গোপালগঞ্জের একজন করে মারা গেছেন। খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৬৯ জন ভর্তি রয়েছেন। নতুন ভর্তি ৪৪ জন। ছাড়পত্র নিয়েছেন ৩৪ জন। মারা গেছেন ছয় জন।

অন্যদিকে গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, হাসপাতালে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ৯৮ জন ভর্তি রয়েছেন। নতুন ভর্তি ২৬ জন। ছাড়পত্র নিয়েছেন ১৩ জন। মারা গেছেন পাঁচ জন। এছাড়া খুলনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল করোনা ইউনিটে কোনও মৃত্যু নেই। মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হয়েছেন রোগী। ছাড়পত্র নিয়েছেন ১০ জন। বর্তমানে ভর্তি আছেন ৬৭ রোগী। পুরুষ ৩৩ মহিলা ৩৪। খুলনা মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ১৮৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। যা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩৯.৬৫ শতাংশ। এর আগে শনিবার খুমেক ল্যাবে শনাক্তের হার ছিল ৫০ শতাংশ, শুক্রবার ছিল ৩৭.৯০ শতাংশ, বৃহস্পতিবার ছিল ৫১.৫৫ শতাংশ, বুধবার ছিল ৩৪ শতাংশ, মঙ্গলবার ছিল ৪০ শতাংশ, আর সোমবার এই হার ছিল ৩১ শতাংশ। খুলনা মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ জানান, খুমেকের পিসিআর মেশিনে মোট ৪৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১৮৪ জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এর মধ্যে খুলনার ৩৩০ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ১৩২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া বাগেরহাটে ৪০ জন, যশোর-সাতক্ষীরা গোপালগঞ্জের তিন জন করে, নড়াইল-পিরোজপুর ঢাকার একজন করে রোগী রয়েছেন।

স্কুলছাত্রকে জখমের পর সেলফি-উচ্ছ্বাস, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আটক

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গায় এক স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে জখমের পর সেলফি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করার ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২৮ জুন) সন্ধ্যার দিকে আদালতের মাধ্যমে একজনকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার এবং বাকিদের যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়। এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর দশমী গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি ধারালো চাপাতি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, পূর্ব বিরোধের জের ধরে রোববার (২৭ জুন) রাতে শহরের ইসলামী হাসপাতলের সামনে ইমন নামের এক স্কুলছাত্রকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে আটক কিশোর। পরে তারা সেলফি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। সোমবার সকাল ১০টার দিকে গুরুতর জখম স্কুলছাত্র ইমনের বড়ভাই অপু মিয়া বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার কুতুবপুর দশমী গ্রাম থেকে ওই কিশোরকে আটক করে সদর থানা পুলিশ। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান জানান, আটকদের একজনের বয়স ১৯ বছর হওয়ায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

ট্রলিকে সাইড দিতে গিয়ে গাছে ট্রাকের ধাক্কা, সহকারীর হাত বিচ্ছিন্ন

মেহেরপুর প্রতিনিধি

মেহেরপুরের গাংনীতে গরুবোঝাই ট্রলিকে সাইড দিতে গিয়ে বালুভর্তি একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ট্রাকের চালক জিয়া আহত হন। সময় চালকের সহকারী খেজমত আলীর বাম হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সোমবার (২৮ জুন) উপজেলার বামন্দী আখ সেন্টারের কাছেই দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রাকচালক জিয়া মেহেরপুর বেড়পাড়ার আমির শেখের ছেলে এবং সহকারী খেজমত আলী চাঁদবিলের নায়েব আলীর ছেলে। স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। দুজনেরই অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক চালকের সহকারী খেজমতকে ঢাকা চালক জিয়াকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রহমান জানান, কুষ্টিয়া থেকে বালুভর্তি একটি ট্রাক মেহেরপুর আসছিল। ট্রাকটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বামন্দী পশু হাট থেকে আসা গরুবোঝাই একটি ট্রলিকে সাইড দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়। এতে ট্রাকের কেবিন দুমড়ে মুচড়ে যায়। সময় চালকের ডান হাতের কব্জিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্ষত হয় আর চালকের সহকারী খেজমত আলীর বাম হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা জানান, প্রতি শুক্র সোমবার পশুর হাটের দিন। এদিন কয়েক হাজার ট্রলি ট্রাক গরু বহনের কাজ করে। আখ সেন্টারের কাছে সংযোগ সড়কে উঠার সময় মাঝে মধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটে। যদি ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা করা হয় তাহলে দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব। এছাড়া সংযোগ সড়কের পাশে হরিজন সম্প্রদায়ের একটি ভূমিহীন পরিবারের বসতি। ওই বাড়ির কারণেও রাস্তার চলাচলকারী যানবাহন দেখা যায় না। এতে করেও দুর্ঘটনা ঘটে। পরিবারটিকে অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানান স্থানীয়রা।

ভেড়ামারায় মাহাবুলের আদরের ‘কালোমানিক’

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

দেখতে কুচকুচে কালো। তাই নাম দেওয়া হয়েছে ‘কালোমানিক’কিন্তু চোখগুলো তার মায়াবী, সুঠাম শরীর, বিশাল আকার। ওজন আনুমানিক ২৮ মণ। গরুটি দেখতে তাই মাহাবুল আলমের বাড়িতে ভিড় করছে মানুষ। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে যত দ্রুত সম্ভব গরুটিকে বিক্রি করতে চান মাহাবুল। কিন্তু লকডাউনের কারণে বিপাকে পড়েছেন তিনি। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা মাহাবুল আলম। তিনি ইউপি সদস্যও ছিলেন। দুই বছর আগে বিভিন্ন জাতের ১৩টি গরু নিয়ে বাড়ির পাশে আমবাগানে খামার গড়ে তোলেন। এক বছরে একে একে প্রায় সব কটি গরু মোটাতাজা করে বিক্রি করেন। তবে রেখে দেন আমেরিকার ব্রাহামা প্রজাতির গরু কালোমানিককে। সে সময় গরুটির ওজন ছিল প্রায় ১২ মণ। তখন ভালো দাম না পাওয়ায় গরুটি আর বিক্রি করেননি। আনুমানিক ২৮ মণ ওজনের কালোমানিকের ৩০ লাখ টাকা দাম পাওয়ার আশা করছেন মাহাবুল। এক বছর ধরে কালোমানিককে পালতে গিয়ে বাৎসল্য স্নেহে জড়িয়ে গেছেন মাহাবুল। গরুটির সঙ্গে তাঁর গড়ে উঠেছে ভাব। নিজের সন্তানের মতোই তাকে লালনপালন করছেন। কালোমানিককে দেখাশোনার জন্য দুজন শ্রমিকও রেখেছেন। তাঁরা পালাক্রমে গরুটিকে গোসল থেকে শুরু করে খাওয়ানো, সব কাজ করেন। মাহাবুল বলেন, গরুটি খুবই শান্ত প্রকৃতির। পাত্রে থাকা পানি পাইপের মাধ্যমে মুখের ভেতর নিয়ে পান করতে পছন্দ করে কালোমানিক। নাম ধরে ডাকলে সাড়া দেয়। উঠে বসে গলায়-গলায় ভাব জমায়। প্রতিদিন গরুটিকে কাঁচা ঘাস, খড়, কুমড়া, ভুট্টা, মিষ্টি আলু, ধান, গম, মসুর ডাল খাওয়ানো হয়। তবে আম খেতে ভালোবাসে কালোমানিক। প্রতিদিন তাকে ১৫ থেকে ২০টি আম খাওয়ানো হয়। কালোমানিককে দেখতে প্রতিদিন মাহাবুলের বাড়িতে ভিড় পড়ে যায়। সারাক্ষণ তাকে সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে রাখা হয়। দিনে রাতে মালিকের নজরেই থাকে কালোমানিক। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা ফোনে গরুটি কেনার আগ্রহ দেখাচ্ছেন। কিন্তু চাওয়ার সঙ্গে তাঁদের হাঁকা দাম মেলে না। কেউ সরাসরি এসে দরদাম করলে মিলে গেলে দ্রুত গরুটি বিক্রি করতে চান বলে জানান মাহাবুল। আনুমানিক ২৮ মণ ওজনের কালোমানিকের ৩০ লাখ টাকা দাম পাওয়ার আশা করছেন মাহাবুল।

কেএমপি ডিবি’অভিযানে নগদ টাকাসহ ২১ জুয়াড়ি গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা মহানগর ডিবি পুলিশের একটি টিম বিশেস অভিযান চালিয়ে বিকাল পৌনে ৫টায় খুলনা সদর থানাধীন ০৪ নং শামসুর রহমান রোডস্থ যুবক বিল্ডিং এর ২য় তলার সিড়ির পশ্চিম পাশে রুমের মধ্যে  থেকে মোঃ মনা (৪৫), আনছার মোল্লা (৩৫), মোঃ নূর ইসলাম (৩৩), মোঃ দ্বীন ইসলাম (৪০), মোঃ ইউসুফ হাওলাদার (৩৭), মোঃ বিল্লাল হোসেন (৩৪), মোঃ খানজু (৩৬), মোঃ নান্নু মোল্লা (৫৬), শ্রী প্রকাশ কুমার সরকার (৩৪), মোঃ বাদল (৪৫), মোঃ শুকুর আলী (৩৫), মোঃ নিজাম (৪৫), মোঃ রফিকুল ইসলাম সোহেল (৪০), ওয়াহিদ মুরাদ খান গুড্ডু (৪৫), মোঃ আঃ সালাম (৩৪), সোহাগ মিয়া (৩০), মোঃ নূর ইসলাম (৫০), মোঃ বুলু শেখ (৩৫মোঃ আনোয়ার হোসেন (৫৭), মোঃ মোক্তার সরদার (৩৫), মোঃ মজিদ হাওলাদার (৫২) জুয়াড়িকে গ্রেফতার করেছে। এসময় জুয়া খেলার সরঞ্জাম তাস ২০ (বিশ) সেট, ০১ (এক) টি টিনের বাক্স, ০১ (এক)টি লাল রংয়ের ত্রিপল, ০৩ (তিন)টি কাঠের এস্ট্রে এবং নগদ ৩৮,১৪০/- (আটত্রিশ হাজার একশত চল্লিশ) টাকা সহ গ্রেফতার করা হয়। জুয়াড়ীদের বিরুদ্ধে খুলনা থানায় ১৮৬৭ সালের জুয়া আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রূপসায় মৎস্য চাষীদের মাঝে মৎস্য উপকরণ বিতরণ

রূপসা প্রতিনিধি:

 রূপসায় উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তির প্রকল্পের আওতায় গত ২৮ মে  মৎস্যচাষীদের মাঝে ৩৬৮৯ কেজি মৎস্য উপকরন বিতরন করা হয়। দুপুর টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বাপী কুমার দাস। সময় উপস্থিত ছিলেন সহাকারী মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ লিয়াকত হোসেন, যুবলীগ নেতা বাদশা মিয়া মৎস্যজীবি সমিতির আইচগাতী ইউনিয়নের সভাপতি শামীম বাবু,খান মারুফ হোসেন, মহিউদ্দিন মানিক,আঃ সবুর,প্রিন্স প্রমূখ।

অভয়নগরে ৯০ নমুনায় করোনা পজিটিভ ৫৬ জনের

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি

অভয়নগরে ৯০ জনের নমুনায় করোনা পজিটিভ ৫৬ জনের হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের সূত্রে জানা গেছে, ৯০ জনের নমুনায় সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল আজ এই রিপোর্ট হাতে এসেছে। এতে ৫৬ জনের করোনা পজিটিভ হয়েছে। পযর্ন্ত করোনায় মারা গেছেন ৩০জন। এছাড়াও করোনা আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি আছে ২০জন, বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৩৬৩ জন এবং সুস্থ্য হয়েছে ৬৯২ জন। পযর্ন্ত মোট ৩৮৭০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে যার মধ্যে ১১০৫ জনের করোনা ধরা পড়ে।

রোটারী ক্লাব অব অভয়নগরের উদ্দ্যেগে সপ্তাহ ব্যাপী মাক্স বিতরণ কর্ম সূচির শুভ উদ্বোধন

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি-

রোটারী ক্লাব অব অভয়নগরের উদ্দ্যেগে সপ্তাহব্যাপী মাক্স বিতরণ কর্ম সূচির শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ১১টায় এই কর্ম সূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, রোটারী ক্লাব অব অভয়নগর সভাপতি রোটারী মো. আসলাম হোসেন বিশ্বাস, সাবেক সভাপতি বিবেকানন্দ মন্ডোল, রােটারী হোসেন সহিদ তোতন, মাহামুদুল হাচান রাজু, জাকির হোসেন হৃদয়, প্রান্ত, অর্ক বিশ্বাস, মো. ইমরান শেখ, সুজিদ দত্ত, সুব্রত সাহা বিভিন্ন ক্লাবের নেতৃবৃন্দ। ১১টায় উদ্বোধন শেষে দিন ব্যাপী নওয়াপাড়া বাজারের বিভিন্ন গুরুত্ব পূর্ণ স্থানে মাক্স, হাত জিবানুমুক্ত রাখতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করেন।

শরণখোলায় প্রধান শিক্ষক শহীদুলের বিরুদ্ধে মামলা ষড়যন্ত্রমূলক বলে তদন্ত প্রতিবেদন

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

শরণখোলায় প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার ঘটনা মিথ্যা উল্লেখ করে প্রতিবেদন দিয়েছে বিদ্যালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলা করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

উপজেলার ৪৭ নং শরণখোলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ জাকারিয়া হোসেন জানান, অত্র বিদ্যালয়ের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শহীদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানীর ঘটনার তারিখ জুন দেখিয়ে শরণখোলা থানায় গত জুন মামলা দায়ের তাকে গ্রেফতারের খবরে আমরা বিষ্মিত। মামলা হওয়ার আগ পর্যন্ত ম্যানেজিং কমিটি কথিত ঘটনার বিষয় কিছু জানিনা। ভিকটিম বা মামলার বাদী ম্যানেজিং কমিটিকে কিছুই জানায়নি। তারপরও সত্য ঘটনা উদঘাটনের জন্য গত জুন অনুষ্ঠিত  বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির জরুরী সভায় শিক্ষক প্রতিনিধি এসএমসি সদস্য সমন্বয়ে সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন এসএমসি সদস্য আসলাম হোসেন খান, শিক্ষক প্রতিনিধি আঃ সাত্তার খান অভিভাবক প্রতিনিধি আছিয়া বেগম তদন্ত কমিটি ব্যাপক তদন্ত করে গত ১২ জুন ম্যানেজিং কমিটির কাছে লিখিত তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। তদন্ত রিপোর্টে প্রধান শিক্ষক মোঃ শহীদুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি মহলের চক্রান্তে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ঘটনা সাজিয়ে থানায় মিথ্যা মামলা করা হয়েছে উল্লেখ করে কমিটি প্রতিবেদন দিয়েছে বলে এসএমসি সভাপতি জাকারিয়া হোসেন জানিয়েছেন।

 সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গেলে বিদ্যালয়ের অভিভাবক, শিক্ষার্থী এলাকাবাসীরা মামলার বাদীকে একজন মামলাবাজ অর্থলিপ্সু মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে জানান, ভালো মনের সৎ চরিত্রবান প্রধান শিক্ষক শহীদুল ইসলাম ষড়যন্ত্রের শিকার। এলাকাবাসীরা প্রধান শিক্ষক শহীদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও  তার আশু মুক্তি দাবী করেছেন।

 ফকিরহাটে নতুন করে ২৫জন করোনা শনাক্ত

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাটে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ২৫জন। করোনা শনাক্তের হার বেড়েই চলেছে। তবুও মানুষ মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. অসিম কুমার সমাদ্দার জানান, সোমবার (২৮জুন) ৫০জনের নমূনা সংগ্রহ করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। নমূনা পরীক্ষায় ২৫জন শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৫০শতাংশ। এছাড়া রবিবার (২৭জুন) ৪১জনের নমূনা পরীক্ষায় ২০ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদিকে, চলমান লকডাউনে বিধি নিষেধ স্বাস্থ্য বিধি না মানায় ৭টি মামলায় ৯হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সানজিদা বেগম। অপরদিকে গত ২৭জুন বিকেলে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৮টি মামলায় ৭হাজার ২শত টাকা জরিমানা করা হয় বলে তিনি জানান(পিকেএ)

ফকিরহাটে মাদক সেবিকে ১৫দিনের সাজা

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাটে শফিকুল ইসলাম (২৪) নামের এক মাদক সেবিকে ১৫দিনের কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। সে উপজেলার জাড়িয়া কাহারডাঙ্গা গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, বাগেরহাট জেলা মাদ্রক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি দল গোপনে খবর পেয়ে জাড়িয়া কাহারডাঙ্গা গ্রামের অভিযান পরিচালনা করে শফিকুল ইসলামকে গাজাসহ আটক করে। আটককৃত মাদক সেবিকে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সানজিদা বেগম তাকে ১৫দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। এসময় বাগেরহাট জেলা মাদ্রক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ইন্সপেক্টর মিলন কুমার মুখার্জী সহ সংগীয় ফোর্স উপস্থিত ছিলেন(পিকেএ)

রূপসায় পালিয়ে যাওয়া মাদক  বিক্রেতা হ্যান্ডকাপ সহ আটক

রূপসা  প্রতিনিধিঃ

খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের একটি টিম ২৭ জুন রবিবার রাত সাড়ে টায় পূর্ব রূপসা বাগমারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. কবির শেখ (৩৫) নামের এক গাঁজা বিক্রেতাকে আটক করে। আটককৃত আসামীকে হ্যান্ডকাপ লাগানোর কিছুক্ষণ পর কৌশল অবলম্বন করে হ্যান্ডকাপ সহ আসামী পালিয়ে যায়। পরে তাকে আটক করতে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান অব্যাহত রাখেন। পরেরদিন ২৮ জুন সকাল টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রূপসা বাসস্ট্যান্ড পুলিশ ফাঁড়ির টু আইসি মো. শাহাবুদ্দিন শেখ বাগমারা এলাকার একটি বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়া উক্ত মাদক  বিক্রেতা কবির শেখকে হ্যান্ডকাপ সহ অবশেষে আটক করে।

আটকের পর আসামীকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিকট হস্তান্তর করেন ফাঁড়ি পুলিশ। মাদক বিক্রেতা কবিরের বিরুদ্ধে রূপসা থানায় মাদক মামলা হয়েছে। যার নং-১৯, তারিখ-২৮/৬/২০২১ইং।

রূপসায় গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাই সাইকেল প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিতরণ 

রূপসা প্রতিনিধি:

 রূপসা উপজেলার টি ইউনিয়নে কর্মরত সকল গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাই সাইকেল বিতরন অনুষ্ঠান গত ২৮ জুন দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়।  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম এর সভাপতিত্ব বক্তৃতা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) খান মাসুম বিল্লাহ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা,উপজেলা  কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফরিদুজ্জামান, রূপসা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন।

উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী এসএম ওয়াহিদুজ্জামান,মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাহিরা খাতুন, ইউপি চেয়ারম্যান  অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, আলহাজ্ব ইসহাক সরদার, জাহাঙ্গীর শেখ, কামাল হোসেন বুলবুল,সাধন কুমার অধিকারী, আওয়ামীলীগ নেতা আঃ মজিদ ফকির, এমপি প্রতিনিধি  সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, এসএম হাবীব,বিনয় কৃষ্ণ হালদার প্রমূখ।

 অনুষ্ঠানে সকল গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাই সাইকেল সহ তাদের পোষাক, লাঠি, টুপি, টর্চ লাইট সহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়।

খুলনা জেলা এসডিজি ফোরামের ভার্চুয়াল সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

বটিয়াঘাটা  প্রতিনিধি

খুলনা জেলা এসডিজি ফোরামের আয়োজনে  গতকাল সোমবার বেলা ১১ টায় জুম কনফারেন্স এর মাধ্যমে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা এসডিজি ফোরামের আহবায়ক অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদিরের সভাপতিত্বে  সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় জেলা সকল উপজেলার নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহন করেন। সভায় স্থানীয় সমস্যা সমাধানে সরকারের পাশাপাশি জনসচেতনতা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য আলোচনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। সভায় শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন প্রকল্প কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা। আলোচনায় অংশগ্রহন করেন বটিয়াঘাটা এসডিজি ফোরামের সদস্য সচিব উপজেলা প্রেসক্লাবের  সভাপতি প্রতাপ ঘোষ, এসডিজি ফোরাম নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ কামরুল ইসলাম, ঘাটভোগ ইউনিয়ন আহবায়ক শক্তিপদ বসু, চালনা পৌর আহবায়ক এস এম মামুনুর রশিদ, রূপসা উপজেলা এসডিজি ফোরামের সদস্য সচিব মোঃ জুলফিকার আলী, পাইকগাছা পৌর সদস্য সচিব প্রভাষক বজলুর রহমান, জেলা সদস্য এডভোকেট পপি ব্যানাজী, পাইকগাছা উপজেলা সদস্য সচিব সাংবাদিক আব্দুল আজিজ, ডুমুরিয়া উপজেলা সদস্য সচিব সিদ্ধার্থ শঙ্কর ব্যানাজী, দাকোপ উপজেলা ফোরাম আহবায়ক সন্জয় কুমার রায়, দিঘলিয়া উপজেলা আহবায়ক শেখ মনিরুল ইসলাম, তেরখাদা উপজেলা  যুগ্ন আহবায়ক এজিএম বাছিতুল হাবিব প্রিন্স, আমিরপুর ফোরাম নেতা ইউপি সদস্য  রেখা বেগম,ফুলতলা ফোরাম আহবায়ক তাপস কুমার বিশ্বাস, কয়রা উপজেলা ফোরাম নেতা সাংবাদিক কামাল হোসেন, রূপসা উপজেলা নেতা রূপসা প্রেস ক্লাব সভাপতি এস এম মাহবুবর রহমান, জেলা ফোরামের যুগ্ন আহবায়ক সাংবাদিক মোঃ নূরুজ্জামান, কয়রা ফোরাম সদস্য সাংবাদিক কামাল হোসেন, এসময় ভার্চুয়াল সংযুক্ত ছিলেন দি এশিয়া ফাউন্ডেশন প্রতিনিধি ইকবাল মাহমুদ মারিয়া রোজারিও রূপান্তরের এসডিজি প্রকল্পের সমন্বয়ক মঞ্জুরুল ইসলাম, বিপুল রায়, ধনঞ্জয় সাহা বাপি, মাসুদ রানা, রূপান্তরের মনিটরিং অফিসার সৈয়দা কামরুনাহার বৃষ্টি জেনিফার ক্লেমেন্ট।

কেশবপুরে ৩১ প্রতিষ্ঠান পেলো ৩০ লক্ষ টাকা

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:

কেশবপুরে সোমবার দুপুরে ৩১টি প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ বরাদ্দের ৩০ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় ৪র্থ পর্যায়ে ওই আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেনের সভাপতিত্বে মসজিদ, মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ঈদগাহ সংস্কারের লক্ষে বিশেষ বরাদ্দের চেক বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমীন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মেয়র রফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ রিজিবুল ইসলাম, যশোর জেলা পরিষদের সদস্য হাসান সাদেক, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, মধ্যকুল মাঝের পাড়া ঈদগাহ কমিটির সভাপতি ডাক্তার ইয়াকুব আলী বিশ্বাস প্রমুখ।

বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক খোকার ইন্তেকালে বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা নৌ কমান্ডো জহুরুল হক খোকা (৭৫) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না….রাজিউন)সোমবার (২৮ জুন) বেলা ১১টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে খুলনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মরহুমের নামাজে জানাজা বাদ আছর খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর গার্ড অফ অনার শেষে তাকে টুটপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তিনি সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনির মেঝ ভাই।

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক খোকার মৃত্যুতে গভীর শোক, শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর নেতৃবৃন্দরা। নেতৃবৃন্দরা হলেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আরিফ, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ইমতিয়াজ আলি খোকন, কবি  সৈয়দ আলি হাকিম, ডা. আব্দুস সালাম, শেখ হেদায়েত হোসেন হেদু, এড. আমিনুর রহমান মিঠু, শেখ হেমায়েতুল ইসলাম, মো. ওমর ফারুক কামরুল ইসলাম কামু, সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুবুর রহমান খোকন, যুগ্ম-সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী, মিজানুর রহমান মিজান, মো. মনির হোসেন, এম জলিল, এমডি জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল আহমেদ রাজা, ইঞ্জি. এস এম শফিকুর রহমান, মুন্সি আহমেদ হোসেন, জমমেদ আহমেদ, মীর কাওসার আহমেদ মিজু, মো. ইমরান খান, মো. কামরুল ইসলাম ভুট্রো, ফিরোজ আহমেদ, মাসুদ হোসেন, আরিফ হোসেন, মো. জিসান, সাব্বির, রাতুল প্রমুখ।


Post Views:
2



Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি
সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০২১
Designer: Shimulツ
themesba-lates1749691102