রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০২:৪৭ অপরাহ্ন

নিজেকে রক্ষা করতে ‘প্রযুক্তির ভয়াবহ ফাঁদ’ স্পুফ কল সম্পর্কে জানুন বিস্তারিত!

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই, ২০২১
  • ৪৬
স্পুফ কল

সময়ের কণ্ঠস্বর,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফিচারঃ প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতি প্রতিনিয়ত প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে জীবনমান উন্নয়নের তবে একইসাথে অনেকক্ষেত্রে হুমকির মধ্যেও রাখছে  প্রযুক্তিরই ফাঁদ । স্পুফ কল তেমনি একটি ভয়ানক ফাঁদ।

আর এসব ফাঁদ থেকে বাঁচতে প্রয়োজন প্রতিমুহুর্তে সচেতনতার। এ বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা থাকছে সময়ের কণ্ঠস্বরের পাঠকদের জন্য।

ঘটনাক্রম- ১

উত্তরের জেলাশহর পঞ্চগড় শহর থেকে কয়েকমাইল দূরের গ্রামে অবস্থাসম্পন্ন এক কৃষক পরিবারের সন্তান সিদ্দিকুর। এইচ এস সি পাশের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ঢাকায় আসে। এক দুপুরে হুট করেই গ্রামে বাবার কাছে সিদ্দিকের মোবাইল নাম্বার থেকে কল আসে।

রাস্তায় চেচামেচি বাসের শব্দ এর মধ্যেই সিদ্দিক বাবাকে জানায় একঘন্টার মধ্যেই তার ত্রিশ হাজার টাকা দরকার একটি নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য। সাথে বাবাকে একটি বিকাশ নাম্বারও দেয় সিদ্দিক, সেখানেই পাঠাতে বলে টাকা। সাথে এও বলে দেয় যে সে এখন ইন্টারভিউ দিতে ব্যস্ত থাকবে তাই বাবা যেন তাকে কল না করে এসময়।
গ্রামের সরল বাবা আগপিছ কিছু ভাবতেই পারেনি,ছেলের দেয়া বিকাশ নাম্বারে পর্যায়ক্রমে দুবারে পাঠিয়ে দেন ত্রিশ হাজার টাকা।
এরপর বিকেলের দিকে সিদ্দিকের সাথে ফোনে কথা হবার পর বাবা জানতে পারেন সিদ্দিক তাকে ফোন দেননি এমনকি বিকাশেও টাকা পাঠাতে বলেননি! ঘটনার আকস্মিকতায় হতবাক হয়ে পড়ে সবাই।

এরপর সিদ্দিকের বাবা সেই বিকাশ নাম্বার দিয়ে স্থানীয় থানায় মামলা করেন প্রতারনার। পুলিশ বেশকিছুদিন তদন্তের পর বিকাশের মোবাইল নাম্বার যার নামে তাকে সনাক্ত করে গ্রেফতার করে রংপুরের চিলাহাটি থেকে। আটক ব্যক্তি গ্রামের সহজ সরল একজন রিক্সাচালক। কিন্তু এতবড় প্রতারনার সাথে এমন একজন মানুষ যে জড়িত নয় তা প্রাথমিকভাবেই মনে হয়েছিলো সবার। ততদিনে মুল অপরাধী অনেকটাই ধরাছোয়ার বাইরে…

ঘটনাক্রম-২

ঠাকুরগাঁয়ের একটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের মোবাইলে একরাতে কল আসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)র সরকারী নাম্বার থেকে। চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে এর আগে কখনো মোবাইল ফোনে ইউএনও সাহেবের কথা না হলেও চেয়ারম্যানের মোবাইলে সেভ করাই ছিলো এই কর্মকর্তার নাম্বার। ইউএনও মহোদয় খোদ ফোন দিয়ে কথা বলেন চলমান কাবিখার একটি প্রজেক্ট নিয়ে চেয়ারম্যানের সাথে।

স্বভাবতই চেয়ারম্যান নিজেকে সৌভাগ্যবান্বিত মনে করেন, কারন ইউএনও মহোদয় নিজেই তাকে অত্যান্ত গোপনীয়তার শর্ত দিয়ে পার্সেন্টেজ নিতে চেয়েছেন প্রজেক্ট থেকে! বলার অপেক্ষা রাখেনা যে এমন কর্মকর্তাকে উৎকোচ দেবার সরাস্রি সুযোগ পেলে চেয়ারম্যান সাহেবের লাভ কতবেশি !
চেয়ারম্যান  সাহেব দেরি না করেই ইউএনও মহোদয়ের দেয়া বিকাশ ও ডাচ বাংলার দুটো নাম্বারে সেই রাতেই দিয়ে দেন পঞ্চাশ হাজার টাকা!

তবে এই ঘটনা দ্রুতই প্রকাশ হয়নি বেশ কিছুদিন যাবার পর চেয়ারম্যান যখন খেয়াল করেন সেই কর্মকর্তা তাকে উল্লেখিত প্রজেক্টে কোন সুবিধাই দিচ্ছেননা বরং সঠিকভাবে কাজের জন্য চাপের মুখে রেখেছেন তখন একদিন রেগেমেগে খোদ ইউএনও মহোদয়কে জানান তাকে পাঠানো উৎকোচের কথা!

এরপর যথারীতি সেই বিকাশ নাম্বারে সুত্র ধরে তদন্ত হয় এবং গ্রেফতার হন মোবাইল নাম্বার যার নামে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশান ছিলো তিনি।
এরপরে আরও গভীর তদন্তে বেরিয়ে আসে সেই মোবাইল নাম্বারের মালিক প্রকৃত অপরাধী নন, তিনি প্রতারক চক্রের মাধ্যমেই ঘটনার শিকার।

এমন প্রতারনা বা ঘটনা দুর্ঘটনার নেপথ্যে যা

প্রযুক্তির অপব্যবহারে একটি কাংখিত নাম্বার কাস্টোমাইজড করে সে নাম্বার দিয়েও আপনাকে কল করতে পারে কোন অসাধু ব্যক্তি! অর্থাৎ হুট করেই দেখলেন একজন সেলিব্রেটি অথবা বড় মাপের কর্মকর্তার নাম্বার থেকে আপনার ফোনে কল চলে আসলো অথচ আদতে আপনাকে সেই নাম্বারের সত্যিকারের ব্যবহারকারী কলই করেননি! আপনি স্পুফ কলের মাধ্যমে কল পেয়েছেন কোন অসাধু ব্যক্তির কাছ থেকে।

এমন ঘটনা ঘটছে হর-হামেশাই। সম্প্রতি এমনি কিছু প্রতারনার মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন অনেক অপরাধী।

( সাম্প্রতিক সময়ের এমন মামলায় গ্রেফতার বা ঘটনার শিকার হবার ঘটনাগুলো পড়ুন এখানে ক্লিক করে)

কিন্তু আপনি কিভাবে রক্ষা করবেন প্রযুক্তির এমন ফাঁদ বা অপরাধ থেকে নিজেকে?

ডিএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিটের এডিসি নাজমুল ইসলাম তার পরামর্শে জানিয়েছেন সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিটি, যদি কখনো আপনার কাছে আসা কোন কল নিয়ে আপনার সন্দেহ হয় যে এই কলটি সংশ্লিস্ট ব্যক্তি নাও করতে পারে, তাহলে আপনার কাছে আসা কলটি কেটে দিয়ে সাথে সাথেই ঐ নাম্বারে কলব্যাক করুন। যদি সত্যিই তিনি আপনাকে কল করে থাকেন তবে ঠিক আছে ,নাহলে নিশ্চয়ই ফিরতি কলেই আপনি জেনে যাবেন সত্যিটা।

এবার আসুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে কাজ করে এই প্রযুক্তি?

সাধারণতঃ আপনি কাউকে কল করলে বা এসএমএস সেন্ড করলে আপনার ফোন নাম্বারটিও সেন্ড হয়ে যায় বা প্রদর্শিত হয় যাকে কল করেছেন তার মোবাইলের ডিসপ্লেতে। তবে বিভিন্ন প্রাইভেসির কারনে ইচ্ছে করলে আপনি কাউকে কল করবেন কিন্তু আপনার নম্বর তার কাছে প্রদর্শিত হবেনা এমনটাও করা সম্ভব প্রযুক্তিগতভাবেই।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এটা বৈধ নাকি অবৈধ? কলার আইডি স্পুফিং টেকনিক কীভাবে কাজ করে? আবার কোন অসাধু ব্যক্তির করা স্পুফিং থেকেই বা নিজেকে রক্ষা করবেন আপনি?

কলার আইডি স্পুফিং কী?

কলার আইডি স্পুফিং হচ্ছে সেই টেকনোলজি যেটা ব্যবহার করলে আপনার আসল কলার আইডি হাইড হয়ে যাবে এবং ফেক কলার আইডি প্রদর্শিত হবে। আপনি কাউকে কল করলে নিশ্চয় আপনার নম্বর তার মোবাইল স্ক্রিনে শো করবে তাই না? কিন্তু কলার আইডি স্পুফিং করলে আপনার নম্বর শো না করে আলাদা নম্বর শো করবে। এখন আপনি যে কোনো নম্বরই ব্যবহার করতে পারেন, তার মোবাইলে আপনার আসল নম্বর শো না করে আপানর সেট করা ফেক নম্বরটি শো করবে।

এ ব্যাপারে আপনাকে সাহায্য করতে পারে কলার আইডি স্পুফিং নামের একটি প্রযুক্তি । আপনার নিরাপত্তার প্রয়োজনে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করলে আপনার নম্বর কোন স্ক্যামার পাবে না, হ্যাকার আপনার সিম হাইজ্যাক করতে পারবে না, বা মার্কেটাররা বিরক্তিকর এসএমএস সেন্ড করতে পারবে না।

কিন্তু একইভাবে কলার আইডি স্পুফ করে স্ক্যামার বা হ্যাকার আপনাকে প্রতারিতও করতে পারে। ধরুন, আপনার ব্যাংকের হেল্পলাইন নম্বর ১৬০০০, অথবা মোবাইলে টাকা লেনদেনের কোন প্রতিষ্ঠানের হেল্পলাইন ১২৩ ইত্যাদি, হ্যাকার বা অসাধু কোন ব্যক্তি সহজেই এই নম্বর স্পুফ করে আপনাকে কাস্টোমার কেয়ার প্রতিনিধির মত মিষ্টি কন্ঠে কল দিতে পারে,আপনার ফোনে শো করবে ১২৩ থেকেই কল এসেছে এবং কৌশলে তারা জানতে চেষ্টা করবে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য।
যারা প্রযুক্তির এই ফাঁদ নিয়ে সচেতন নন খুব সহজেই তারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন এভাবেই । প্রতিনিয়ত এসব প্রতারনার খবরও জানছি আমরা।

হ্যাকাররা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন পদ্ধতিতে আপনাকে প্রতারিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, একটা পদ্ধতির কথা জেনে যখন আপনি নিশ্চিন্ত মনে ভাবছেন, ফাঁদ থেকে বাচবার কৌশল জেনে গেছেন আপনি, মনে রাখবেন ততদিনে প্রতারকের দল মানুষ ঠকানোর নতুন কৌশল বাগিয়ে নেমে পড়েছে মাঠে!

মনে রাখুন এই বিষয়গুলো-

স্পুফ কলগুলো দেখতে আপনার ব্যাংকের নম্বরের মতো হলেও সম্পূর্ণ আপনার ব্যাংক নম্বর হয় না। যেমন—অনেকের কাছেই বিকাশের স্ক্যামিং কল আসে ১৬২৪৭ থেকে, কিন্তু স্ক্যাকামাররা যখন কল করে +১৬২৪৭ থেকে কল আসে, অর্থাৎ নম্বরের আগে একটা + চিহ্ন যুক্ত থাকে। এরকম নম্বরকে নেইবার স্পুফিং বলা হয়। মানে নম্বরটি আসল নম্বরের আশেপাশের নম্বর হয় এবং দেখতে একনজরে একই রকমের মনে হতে পারে।

তবে এই + প্লাসের যুক্তিটা খাটবেনা যদি কেও আপনাকে ফোন করে রেগুলার ফোন থেকে। কারন কারো ব্যক্তিগত নাম্বার থেকে কল আসলে নাম্বারের সাথে + নাও আসতে পারে এমনকি যদি সেই ব্যক্তির নাম্বার আপনার ফোনে সেভ করা থাকে তাহলে স্পুফ কল হলেও আপনার মোবাইল ডিসপ্লেতে আসবে সেভ করা নামটিই ।

কল স্পুফিং কি বৈধ?

এক কথায়, হ্যাঁ! কল স্পুফিং করা বৈধ, মানে বেশির ভাগ কলার আইডি স্পুফ করা বৈধ ব্যাপার। শুধু তখনই এটা অবৈধ যখন এটা ব্যবহার করে কোনো স্ক্যামিং করার চিন্তা করা হবে বা কারো কোনো ক্ষতি করা হবে। যদি কোনো স্ক্যামিংয়ে এটা ব্যবহূত না হয় বা কারো কোনো ক্ষতি সাধিত না হয়, তাহলে কল স্পুফিং করা যেতে পারে।

ধরুন আপনি স্ক্যাইপ ক্রেডিট কিনেছেন বাইরের দেশে কল করার জন্য, এখন ডাইরেক্ট ফোন থেকে কল করার চাইতে স্ক্যাইপে খরচ কম আসে, তাই স্ক্যাইপ ব্যবহার করা স্বাভাবিক ব্যাপার। আপনি যদি কলার আইডি সেট না করেন সেক্ষেত্রে যাকে কল করবেন তার ফোনে অন্য নম্বর শো করবে বা ‘Private Number’ লেখা আসতে পারে।

সেক্ষেত্রে অনেকেই হয়তো আপনার ফোন কল রিসিভ করবে না। কিন্তু আপনি চাইলে স্ক্যাইপের মাধ্যমে আপনার নিজের আসল ফোন নম্বর স্পুফিং করতে পারেন, এতে আপনি কল করবেন স্ক্যাইপ ব্যবহার করেই কিন্তু অন্যদিকে আপনার আসল ফোন নম্বর শো করবে, সহজেই আপনার প্রিয়জন আপনার কল চিনতে পারবে ও রিসিভ করবে। তো এক্ষেত্রে কল স্পুফিং সম্পূর্ণ বৈধ ব্যাপার।

কল স্পুফিং যেভাবে কাজ করে

অনেক টেকনিক ব্যবহার করে কলার আইডি স্পুফিং করা যেতে পারে, এর মধ্যে ভিওআইপি (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল) টেকনোলজি ব্যবহার করে বেশিরভাগ কলার আইডি স্পুফিং করা হয়। এই টেকনোলজিতে ইন্টারনেট থেকে সেলফোন টাওয়ারে কলকে সেন্ড করা হয়, আর কলারকে ইচ্ছামতো নাম্বার চয়েজ করার সুবিধা প্রদান করা হয় কলার আইডি হিসেবে। প্রথমে আপনি ভিওআইপি সার্ভিস গ্রহণ করলেন, তাদের অ্যাপ ফোনে ইন্সটল করলেন বা ওয়েবসাইট থেকে ড্যাশবোর্ড পেয়ে গেলেন।

আপনাকে ইচ্ছামতো এবার নাম্বার চয়েজ করতে দেবে, আপনি যেটা কলার আইডি হিসেবে দেখাতে চান। তবে নামি প্রভাইডাররা শুধু আপনার নিজের নাম্বার স্পুফিং করতে সুবিধা দেয়। আপনি তাদের কাছে যেকোনো নাম্বার স্পুফ করতে পারবেন না। এরপরে যাকে কল করবেন তার নাম্বার টাইপ করবেন, আর সেন্ড করে দেবেন। আপনার স্পুফ করা নাম্বার অপরদিকের স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে।

আপনি চাইলে, অনেক এনরোয়েড অথবা আইওএস অ্যাপসের মাধ্যমে ভিওআইপি সার্ভিস গ্রহণ করে সহজেই নাম্বার স্পুফিং করতে পারবেন। আপনি হয়তো নিজের নাম্বার প্রকাশ করতে চাচ্ছেন না হতে পারে সেটা প্রাইভেসির জন্য বা সিকিউরিটির জন্যও, সেক্ষেত্রে এই টেকনিক আপনাকে বিশেষ সুবিধা প্রদান করতে পারে।

বাইরের দেশে কলার আইডি হাইড করার অপশন প্রদান করে, কিন্তু আমাদের দেশের অপারেটরগুলো এখন অবধি সে সুবিধা সাপোর্ট করে না, তাই বাংলাদেশ থেকে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চাইলে ভিওআইপিই একমাত্র উপায়।

কল স্পুফিং স্ক্যাম থেকে বাঁচার উপায়

কল স্পুফিং করে স্ক্যামাররা নানান ফন্দি বানিয়ে কল স্পুফ করে ফোন করে, এক মুহুর্তেই নাম্বার দেখে আপনার আসল ব্যাংক বা সার্ভিস মনে হয়। তারপরে তারা কৌশলে আপনার কাছ থেকে গোপন তথ্যগুলো জেনে নেয়। এরকম জালিয়াতি থেকে বাঁচার জন্য, আপনি সেকেন্ড নাম্বার রাখতে পারেন যেখানে বাকি বাইরের কল ও যাবতীয় কাজ সারবেন আর পার্সোনাল নাম্বার পার্সোনাল কাজ এবং ব্যাংকে ব্যবহার করতে পারেন।

মনে রাখবেন, আসল ব্যাংক থেকে কল করলে আপনাকে কখনোই আপনার পাসওয়ার্ড জিজ্ঞাস করবে না, যদিও স্ক্যামাররা এখন আর সরাসরি পাসওয়ার্ড জিজ্ঞেস করে না, কিন্তু তারপরেও তারা নানান কৌশল খাটিয়ে পাসওয়ার্ড নেওয়ার চেষ্টা করে বা পাসওয়ার্ড রিসেট করাতে চায়। প্রয়োজনে ব্যাংকের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন বা নিজে থেকেই তাদের কল ব্যাক করুন, মানে আপনার ব্যাংকের অফিসিয়াল নাম্বারে, তারপরে কথা বলে নিশ্চিত করুন।

মোট কথা এমন প্রতারনা থেকে বাঁচতে আপনার কমনসেন্স কাজ করাতে হবে সবসময় ।

সম্পাদনা- আহমেদ তৌফিক। ঢাকা-১২০৫।

সম্পর্কিত সংবাদ

ডিএমপি কর্মকর্তার সরকারি নম্বর স্পুফ করে প্রতারণা, রংপুর থেকে যুবক গ্রেফতার

অনলাইন ব্যাংকিং জালিয়াতি করে অর্ধকোটি টাকা চুরি, ৩ প্রতারক গ্রেফতার



Source by [author_name]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি
সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০২১
Designer: Shimulツ
themesba-lates1749691102