সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মহাকাশ থেকে রহস্যময় ভুল তথ্য পাঠাচ্ছে নাসার যান! স্যাটেলাইট ‘অন্ধ’ করে দেয়ার মতো লেজার অস্ত্র আছে রাশিয়ার – টেক শহর অর্থ আত্মসাৎমামলায় নর্থ সাউথের ৪ ট্রাস্টিকে পুলিশে দিলেন হাইকোর্ট এমবাপ্পে চায় জিদানকে, রাজি হচ্ছেনা জিদান – স্পোর্টস প্রতিদিন চিত্রনায়ক রিয়াজের ছবি দিয়ে একক আলোকচিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করলো ল্যুভ মিউজিয়াম ‘ভাদাইমাখ্যাত’ কৌতুক অভিনেতা আহসান আলী আর নেই শরণখোলায় ভাইয়ের মারপিটে ভাইয়ের মৃত্যু, মামলা নিচ্ছে না পুলিশ অভিযোগ পরিবারের! পোশাকের জন্য তরুণীকে হেনস্থা, ‘মূল হোতা’ আরেক নারী বাইডেনসহ ৯৬৩ মার্কিন নাগরিকের বিরুদ্ধে রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি BOU Job Circular 2022

পাখির গ্রাম শরণখোলার দক্ষিণ তাফালবাড়ী

  • আপডেট সময় শনিবার, ৩ জুলাই, ২০২১
পাখির গ্রাম শরণখোলার দক্ষিণ তাফালবাড়ী

শরণখোলা (বাগেরহাট ) প্রতিনিধি

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার দক্ষিণ তাফালবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মান্নান হাওলাদারের বসতবাড়িটি স্থানীয়দের কাছে এখন বকবাড়ি নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে। কারণ তার বাড়ির বাগানে চলতি বছর এক জোড়া  নুতন প্রজাতির ধবধবে সাদা বক বাসা বেঁধেছে। বকের পাগুলো লাল। ঠোঁট হালকা গাড় নীল রঙের। চোখের মণি গাড় হলুদ বর্ণের। বকের আরো একটি আকর্ষণীয় দিক হলো, ডানা ঝাপটা দিতেই ময়ূরের মতো পালক ছড়িয়ে পড়ে। যা দেখে অনাহাসে পাখি প্রেমিদের মন কাড়ে।

স্থানীয়রা জানান, সারাদিন সুন্দরবনের বিভিন্ন চরসহ মাঠে-ঘাটে ঘুরে নিজেরা পেট পুরে খাবার শেষে বাচ্চাদের (ছানা) জন্য খাবার সংগ্রহ করে সন্ধ্যার আগেই ঝাঁকে ঝাঁকে বক উড়ে আসতে থাকে মান্নানের বাড়িসহ আশপাশের বাড়িগুলোতে। বকগুলো এসে তাদের তৈরি করা বাসায় বসেন। আবার অনেক স্ত্রী বক সারাদিন বাসায় বসে ডিমে তা দিয়ে থাকেন। এরই মধ্যে অনেক বাসায় বেশ কয়েক জোড়া ছানাও ফুটেছে। ছানা গুলো উড়তে শেখেনি, তবে শরীরে পালক গজিয়েছে। স্ত্রী বক সেই বাচ্চাদের পাহারা দিচ্ছে।

তবে, এবার তার বাড়িতে শুধু বকই নয়, পানকৌড়ি, বালিহাঁস দেখা যাচ্ছে। মান্নান হাওলাদারের বাড়ি ছাড়াও তার প্রতিবেশী মো. সফেজ খানের বাড়ি আশপাশের আরো অনেক কয়েকটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে সাদা বক, কানি বক বাদুড়। এছাড়া ওই ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে এব ছর দেখা মিলছে নানা  প্রজাতির পাখির। নানা জাতের পাখি দেখতে প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার লোকজনও আসছেন এসব বাড়িতে।

আব্দুল মান্নান হাওলাদার বলেন, ২০০৮ সালে আমার বাড়ির একটি মেহগনি গাছে দুই জোড়া সাদা বক এসে বাসা বাঁধে। সেই বকের বাচ্চা এবং প্রতি বছর নতুন করে আরো বক আসতে থাকে। এখন আমার বাড়ি ছাড়াও আশপাশের অনেক বাড়িতে কয়েক শত বক থাকে।  প্রতি বছর বৈশাখ মাসে আসা শুরু করে। তার পর নতুন বাসা তৈরি করে, বাচ্চা ফুটিয়ে বড় করা নিয়ে আশ্বিন-কার্তিক মাস পর্যন্তু বকসহ অন্য পাখিগুলো এখানে থাকে। তার পর আবার কোথায় যেন চলে যায়। চার-পাঁচ মাস পর পুনরায় ফিরে আসতে শুরু করে।

চলতি বছর নুতন প্রজাতির একজোড়া বক এসেছে। যা আগে কখনো দেখা যায়নি। দেখতে খুবই সুন্দর, ডানা মেললে ময়ূরের মতো দেখায়। নানা জাতের পাখির কারণে তার বাড়ি-ঘর, নোংরা হয়। তারপরও পাখিগুলো তাড়ান না। তার মতে পাখিদের থাকার নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে পারলে নতুন জাতের  আরো পাখি তার এলাকায় বাসা বাঁধবে।

নুতন প্রজাতির বকসহ  নানা ধরনের পাখি দেখতে আসা ওই এলাকার শিক্ষার্থী নাজমুল, মেহেদী হাসান, রিয়াজ হোসেনসহ কয়েকজন বলেন,  আমরা সাদা বকের দলসহ অন্য পাখি দেখে  খুব আনন্দ পাই। তাই সময় পেলে মান্নান কাকার বকবাড়িতে আসি সব ধরনের পাখির সংরক্ষণ নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলার দাবি করেন তারা।


Post Views:
17



Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102