বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৩:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বঙ্গোপসাগরে ২০মে থেকে ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধ, নেই বিকল্প কার্মসংস্থান, ভারতীয়রা ধরবে মাছ! শরণখোলায় জনপ্রতিনিধি ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে লিয়াজোঁ সভা বঙ্গবন্ধু পরিবারের নাম ভাঙিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করতেন তারা ২৫৬ সেনার আত্মসমর্পণ, সুর নরম করলেন জেলেনস্কি বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ভিনিসিয়াসের জায়গা নিশ্চিত করে দিলেন টিটে! – স্পোর্টস প্রতিদিন খুলনায় স্কুলছাত্র রাজিন হত্যার রায় ২৩ মে// যুক্তিতর্ক শেষে ১৭ কিশোরকে কারাগারে প্রেরণ বাগেরহাটে ভুয়া ডাক্তারকে এক লাখ টাকা জরিমানা জ্ঞানবাপি মসজিদে ‘নামাজ আদায় বন্ধ’ না করতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ফতুল্লায় ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের জিআই সনদ পেল বাগদা চিংড়ি

স্কুল ফাঁকি দিতে কমলার রস দিয়ে করোনা পজিটিভ

  • আপডেট সময় রবিবার, ৪ জুলাই, ২০২১
স্কুল ফাঁকি দিতে কমলার রস দিয়ে করোনা পজিটিভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কোভিড-১৯ ‘পজিটিভ’ রিপোর্ট পাওয়ার জন্য ব্রিটেনের স্কুলপড়ুয়া কিছু শিক্ষার্থী নতুন এক উপায় উদ্ভাবন করেছে। তারা করোনা পরীক্ষার ‘ফ্লো টেস্টে’ কমলার রস ব্যবহার করে। এতে তাদেরকে করোনা পজিটিভ দেখায়।

তবে বিজ্ঞানের একজন শিক্ষক দাবি করেছেন, এটা কোনো সৎ উদ্দেশে করা হয়নি। করোনা পজিটিভ হলে তারা দু’সপ্তাহ স্কুল ফাঁকি দিতে পারবে। এই স্কুল ফাঁকি দেয়ার জন্যই এটা তাদের কাছে সবচেয়ে উত্তম উপায় হতে পারে।

সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কমলার রসের ভিতর ভাইরাস থাকে বলে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে এমনটা নয়। কমলার রসের ভিতর এসিডের উপস্থিতির কারণে এমনটা হয়। এই এসিড করোনা পরীক্ষার মূল ফলকে ভেঙে দেয়। এই প্রতিক্রিয়া ক্যাচাপ, কোমল পানীয় কোকাকোলা সহ বিভিন্ন রকম খাদ্য ও পানীয়ের ক্ষেত্রেও পাওয়া যায় বলে দাবি করা হচ্ছে।

ব্রিটেনের বিজ্ঞান বিষয়ক একজন শিক্ষক বলেছেন, কমলার রস ব্যবহার করে যে করোনা পজিটিভ দেখানো যায় এমনটা তাদেরকে দেখিয়েছে কিছু শিক্ষার্থী। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন-এর প্রফেসর অ্যানড্রিয়া সেলা বলেন, এই আবিষ্কার বিস্ময়কর কোনো কিছু নয়।

এই কৌশলটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটকে বিস্তর প্রচার চলছে। এতে দেখা যাচ্ছে, লোকজন ভিন্ন ভিন্ন তরল পদার্থ ব্যবহার করে পরীক্ষা করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সার্চ টার্ম হ্যাশট্যাগ ফেকভিডিওটেস্ট নামে যে ভিডিও ছাড়া হয়েছে তার এরই মধ্যে ভিউ হয়েছে ৬৫ লাখ বারের বেশি।

এমন চর্চার কড়া সমালোচনা করেছেন ইউনিভার্সিটি অব বার্মিংহামের বায়োস্ট্যাটিসটিক্সের প্রফেসর জন ডিকস। অ্যাসোসিয়েশন অব স্কুল অ্যান্ড কলেজ লিডারসের জেনারেল সেক্রেটারি জিওফ বার্টন বলেছেন, এই পরীক্ষার অপব্যবহার কোনোভাবেই সহায়ক নয়। এই অভ্যাস বা চর্চাকে অনুসরণ করা আমরা কঠোরভাবে অনুৎসাহিত করি। আমরা নিশ্চিত এটা যারা করেছে তারা খুবই মুষ্টিমেয় শিক্ষার্থী। আমরা অভিভাবকদের অনুরোধ করবো যাতে তারা এই পরীক্ষার অপব্যবহার করতে না দেন শিক্ষার্থীদের। সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান



Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102