বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পেঁপের কেজি ৮০ টাকা, বিপাকে ক্রেতারা! | Adhunik Krishi Khamar বঙ্গোপসাগরে ২০মে থেকে ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধ, নেই বিকল্প কার্মসংস্থান, ভারতীয়রা ধরবে মাছ! শরণখোলায় জনপ্রতিনিধি ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে লিয়াজোঁ সভা বঙ্গবন্ধু পরিবারের নাম ভাঙিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করতেন তারা ২৫৬ সেনার আত্মসমর্পণ, সুর নরম করলেন জেলেনস্কি বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ভিনিসিয়াসের জায়গা নিশ্চিত করে দিলেন টিটে! – স্পোর্টস প্রতিদিন খুলনায় স্কুলছাত্র রাজিন হত্যার রায় ২৩ মে// যুক্তিতর্ক শেষে ১৭ কিশোরকে কারাগারে প্রেরণ বাগেরহাটে ভুয়া ডাক্তারকে এক লাখ টাকা জরিমানা জ্ঞানবাপি মসজিদে ‘নামাজ আদায় বন্ধ’ না করতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ফতুল্লায় ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের

যে কারণে টেকেনি দিলীপ কুমার-মধুবালার সম্পর্ক!

  • আপডেট সময় বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১
যে কারণে টেকেনি দিলীপ কুমার-মধুবালার সম্পর্ক!

বিনোদন ডেস্ক : সাতটি ছবিতে নার্গিসের সাথে জুটি ছিলো দিলীপ কুমারের। কোন একক অভিনেত্রীর সাথে এটাই ছিলো সবচেয়ে বেশি জুটি তাঁর। কিন্তু মধুবালার সাথে তার জুটি বেশি জনপ্রিয় হয়েছিলো এবং তিনিও মধুবালার প্রেমে পড়েছিলেন।

আত্মজীবনীতে তিনি স্বীকার করেন যে অভিনেত্রী ও নারী হিসেবে মধুবালা তাকে আকর্ষণ করেছিলো।

তিনি বলেন, “মধুবালা ছিলেন প্রাণবন্ত ও তৎপর যার আমার মতো সংকোচবোধ করা কারও সাথেও কথা বলতে কোন সমস্যা হতো না”।
কিন্তু মধুবালার বাবার কারণে তার প্রেমের গল্প বেশিদূর এগোয়নি।

মধুবালার ছোট বোন মাধুর ভূষণ স্মরণ করেন যে, “বাবা মনে করেছিলেন যে দিলীপ কুমার মধুবালার চেয়ে বেশি বয়সী হয়ে যান যদিও তারা ছিলেন একে অপরের জন্য”।

“কিন্তু সে বাবাকে শুনেনি কারণ সেও দিলীপ কুমারের প্রেমে পড়েছিলো। কিন্তু বি আর চোপড়ার নয়া দৌড় সিনেমা নিয়ে আইনগত সমস্যার উদ্ভব হলে বাবা ও দিলীপ কুমারের মধ্যে তিক্ততা তৈরি হয়। পরে তারা আদালতে গিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন”।

“এরপর দিলীপ মধুবালাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। মধুবালা বলেন যে আমি তোমাকে বিয়ে করবো কিন্তু প্রথমে তোমাকে বাবার কাছে গিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে। কিন্তু দিলীপ তা মানতে রাজি হননি। সে এমনকি বলেছিলো যে দিলীপ বাড়িতে গিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরুক কিন্তু তাতেও রাজি হননি দিলীপ এবং তাদের সম্পর্ক ভেঙে যায়”।

তাদের সম্পর্ক এতোটাই কঠিন হয়ে পড়ে যে মুঘল ই আযম সিনেমায় অভিনয়ের সময় তারা একে অপরের সঙ্গে কথা পর্যন্ত বলতেন না। পরে দিলীপ কুমার সায়েরা বানুকে বিয়ে করেন।

এরপর যখন মধুবালা অসুস্থ হয়ে পড়েন তখন তিনি দিলীপ কুমারকে বার্তা পাঠান যে তিনি তার সাথে দেখা করতে চান।

দিলীপ যখন তার সাথে দেখা করতে গেলেন তখন অসুস্থতার কারণে মধুবালা খুবই শীর্ণ। সাধারণত মজার ও প্রাণবন্ত মধুবালা অনেক কষ্টে যে হাসি দিয়েছিলেন তাও খুব ফ্যাকাসে দেখাচ্ছিলো।

মধুবালা তার চোখের দিকে তাকালেন এবং বললেন, “আমাদের প্রিন্স তার প্রিন্সেসকে পেয়েছে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত”।

২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, মধুবালা মারা গেলেন। তখন তার বয়স ছিলো মাত্র ৩৫।

উল্লেখ্য, উপমহাদেশের কিংবদন্তি অভিনেতা দিলীপ কুমার বুধবার (৭ জুলাই) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মারা গেছেন। সূত্র: এনডিটিভি ও বিবিসি বাংলা



Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102