মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০১:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিমানবন্দরে ইমরান খানের দুটি মোবাইল ফোন চুরি এমবাপ্পের প্রতিশোধ হিসেবে রোদ্রিগোকে চায় পিএসজি – স্পোর্টস প্রতিদিন কুষ্টিয়ায় মেলার নামে অবৈধ লটারি, সর্বস্বান্ত সাধারণ মানুষ ভারত রফতানি বন্ধ করার পরেই গমের নজিরবিহীন মূল্যবৃদ্ধি ইউরোপে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ শাহজালালে ৫ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ সামাজিক মাধ্যমে অপরাধ প্রতিকারে কাজ করবে বিটিআরসি – মোস্তাফা জব্বার – টেক শহর দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ ⋆ KFPlanet পরীক্ষার হলে না দেখানোয় প্রেমিকার সাথে ব্রেকাপ করলো আদমজী ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের আমিন কাওরানবাজারে ধরাছোঁয়ার বাইরে রাঘববোয়ালের দাম

আধুনিক পদ্ধতিতে হাঁসের বাচ্চা পালন ও খাদ্য ব্যবস্থাপনা | Adhunik Krishi Khamar

  • আপডেট সময় শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১
আধুনিক পদ্ধতিতে হাঁসের বাচ্চা পালন ও খাদ্য ব্যবস্থাপনা | Adhunik Krishi Khamar


আধুনিক পদ্ধতিতে হাঁসের বাচ্চা পালন ও খাদ্য ব্যবস্থাপনা অনেক হাঁস পালনকারীরাই জানেন না। লাভজনক হওয়ার কারণে আমাদের দেশে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে অনেকেই হাঁস পালন করে থাকেন। আজকের এ লেখায় চলুন আমরা জানবো আধুনিক পদ্ধতিতে হাঁসের বাচ্চা পালনো ও খাদ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে-

আধুনিক পদ্ধতিতে হাঁসের বাচ্চা পালন ও খাদ্য ব্যবস্থাপনাঃ


বাচ্চা পালনঃ


হাঁসের বাচ্চা পালন মুরগির বাচ্চা পালনের মত। হাঁসের বাচ্চার জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা হচ্ছে- ১ম সপ্তাহে ৩২ সে., ২য় সপ্তাহে ২৯ সে., ৩য় সপ্তাহে ২৬ সে., ৪র্থ সপ্তাহে ২৩ সে., ও ৫ম সপ্তাহে ২১ সে. তাপমাত্রা প্রয়োজন। বাচ্চা ছাড়ার ৬ ঘণ্টা আগে ব্রুডারের তাপমাত্রা ঠিক করতে হবে। গরমকালে ৪ সপ্তাহ এবং শীতকালে ৫ সপ্তাহ পর্যন্ত হাঁসের বাচ্চাকে তাপ দিতে হয়। বাচ্চাদের ২-৩ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত- প্রারম্ভিক খাদ্য, ৪-১৯ সপ্তাহ পর্যন্ত- বাড়ন্ত- এবং ২০ সপ্তাহের পর লেয়ার খাদ্য দিতে হয়। প্রতিটি বাচ্চা হাঁসকে ১ম সপ্তাহে ১০-২০ গ্রাম, ২য় সপ্তাহে ২১-৩১ গ্রাম, ৩য় সপ্তাহে ৩১-৪১ গ্রাম, ৪র্থ সপ্তাহে ৪১-৫৫ গ্রাম ও ৫ম সপ্তাহে ৫৫-৬৫ গ্রাম খাদ্য দিতে হয়। খাদ্য উপাদান ও পরিমাণ খাদ্য তালিকায় দেয়া হয়েছে।

খাদ্যঃ


হাঁস প্রধানত দুই রকমের খাদ্য খায়। যেমনÑ প্রাকৃতিক খাদ্য ও সম্পূরক খাদ্য।

প্রাকৃতিক খাদ্য : হাঁস প্রাকৃতিক ও সম্পূরক খাদ্যের মাধ্যমে খাদ্যের চাহিদা পূরণ করে। জলাশয়ের আগাছা, ক্ষুদেপানা, পোকামাকড়, কচি ঘাস পাতা, ঝিনুক, শামুক ও ছোট মাছ ইত্যাদি খেয়ে অর্ধেক খাদ্যের প্রয়োজন মেটায়।

সম্পূরক খাদ্য : হাঁস ভিজা খাবার পছন্দ করে। এজন্য হাঁসের খাদ্যে সবসময় পানি মিশিয়ে দিতে হয়। সাধারণত ১-৮ সপ্তাহ বয়সের হাঁসকে দিনে ৪-৫ বার, ৮ সপ্তাহ বয়স থেকে দিনে ২-৩ বার এবং বাড়ন্ত- হাঁসকে দিনে ২ বার খাওয়াতে হয়। সকালে ও বিকালে হাঁসকে খাবার দিতে হয়। রাতের জন্য ঘরে খাবার দিয়ে রাখতে হবে। হাঁসের দৈনিক খাদ্য গ্রহণের পরিমাণÑহাঁসের জাত, বয়স, খাদ্যের মান, বাসস্থান খাদ্যের আকার ও পরিবেশনের উপর নির্ভর করে। দৈনিক জন্মের প্রথম সপ্তাহে ১৫ গ্রাম, দ্বিতীয় সপ্তাহে ২৫ গ্রাম, তৃতীয় সপ্তাহে ৩০ গ্রাম, চতুর্থ সপ্তাহে ৩৫ গ্রাম, পঞ্চম সপ্তাহে ৪০ গ্রাম, ষষ্ঠ সপ্তাহে ৪৫ গ্রাম, সপ্তম সপ্তাহে ৫০ গ্রাম, অষ্টম সপ্তাহে ৫৫ গ্রাম, বাড়ন্ত- বয়সে ৮৫ গ্রাম ও বয়স্ক হাঁসে ১২৫ গ্রাম খাদ্য দিতে হয়।

নিচে হাঁসের সুষম খাদ্য তৈরির খাদ্য উপাদান উল্লেখ করা হলো :

খাদ্যঃ 

উপাদান বাচ্চার খাদ্য

(গ্রাম)     পূর্ণবয়স্কের

খাদ্য (গ্রাম)

ভাঙা গম               ৪৫০       ৪৫০

চালের কুঁড়া              ২৭০        ৩০০

তিলের খৈল              ১৪০        ১২০

মাছের গুঁড়া              ১২০        ১০০

ঝিনুক চূণ               ১৫          ২৫

লবণ                    ৫             ৫

মোট                   ১০০০    ১০০০

ভিটামিন মিনারেল ১.৫ গ্রাম/ কেজি ২.০ গ্রাম/কেজি খাবারের পাত্র কাঠের, টিনের এ্যলুমিনিয়ামের হতে পারে।


আরও পড়ুনঃ মুরগির খামারে বাচ্চার আচরণ অনুযায়ী ব্যবস্থাপনা


পোলট্রি প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার



Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102