বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ১১:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গ্লোবাল অ্যাকসেসিবিলিটি অ্যাওয়ারনেস ডে উদযাপিত এবং সম্মাননা প্রদান – টেক শহর মোরেলগঞ্জ ফেরিঘাটে ৫০০পিচ ইয়াবাসহ এক নারী আটক ঝড়ে নৌকাডুুবি, নিজের জীবন দিয়ে ছেলেকে বাঁচালেন বাবা! অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়ে বিপাকে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ শরণখোলায় শ্রমিক দলের কমিটি বিলুপ্ত! শরণখোলায় জলাবদ্ধতা নিরসন, নদী ও বেড়িবাঁধ ভাঙনরোধে আগাম পরিকল্পনা গ্রহন! সাঁতার শেখা শুরু করেছেন খালেদা জিয়া ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামে ছাত্রলীগ সহসভাপতির চাঁদাবাজি! পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক নিয়োগ ২০২২-ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্য ব্যাংকে ১২৬ পদে চাকরি ⋆ KFPlanet র‍্যাবের করা সিলগালা হাসপাতালেই অপচিকিৎসায় শিশু আতিকার মৃত্যু

খুলনার কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ওলের চাষ বৃদ্ধি | Adhunik Krishi Khamar

  • আপডেট সময় শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১
খুলনার কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ওলের চাষ বৃদ্ধি | Adhunik Krishi Khamar


সাব্বির ফকির, খুলনাঃ ওল একটি অত্যন্ত পুষ্টি সমৃদ্ধ উচ্চ মূল্যের ফসল। খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলায় বৃদ্ধি পাচ্ছে ওলের আবাদ। উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় অনেকে ইচ্ছা থাকলেও ওলের আবাদ করতে পারেনা।চলতি বছর ডুমুরিয়ায প্রায় সাত শতাধিক কৃষক ৮০ হেঃ জমিতে এর আবাদ করেছেন। আবহাওয়া ভাল থাকায়, ফলনও হয়েছে আশানুরূপ। ইতোমধ্যে, অনেকেই ওল উঠানো শুরু করেছেন, বাজার মূল্য বেশি পাওয়ায় কৃষক অত্যন্ত খুশি।

চুকনগরের কৃষক মেহেদী হাসান বাবলু বলেন, অন্যান্য বছর বসত বাড়িতে খাওয়ার জন্য দু/একটি ওল গাছ লাগাতাম। এবছর কৃষি বিভাগের কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ এবং বীজ-সার সহায়তা পেয়ে ২০ শতক জমিতে বাণিজ্যিকভাবে মাদ্রাজী ওল লাগিয়েছিলাম। আমার ওল উঠানো শুরু হয়েছে। গড়ে এক একটি ওলের ওজন হয়েছে ৪ কেজি এবং বর্তমানে কেজি প্রতি মূল্য ৭০ টাকা। আমি এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৪০ হাজার টাকার ওল বিক্রি করেছি এবং আরও প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা বিক্রি হবে। আমার এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে ২০ হাজার টাকা এবং সবমিলিয়ে লাভ হবে ৭০ হাজার টাকা। এটি খুব ভাল ফসল।

বরাতিয়া গ্রামের কৃষক তাপস সরকার বলেন, আমি কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের প্রদর্শনী পেয়ে ২০ শতক জমিতে ওল লাগিয়েছি, ফলনও খুব ভাল হয়েছে। খর্নিয়া গ্রামের কৃষক আবু হানিফ মোড়ল বলেন, এ বছর কৃষি বিভাগের কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২ বিঘা জমিতে ওলের আবাদ করেছি, ফলনও খুব ভাল হয়েছে। আগামীতে এর বীজ রাখব এবং এলাকায় এর আবাদ অনেক বৃদ্ধি পাবে।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ডুমুরিয়ার মাটিও আবহাওয়া এটি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এ বছর ডুমুরিয়ায প্রায় সাত শতাধিক কৃষক ৮০ হেঃ জমিতে এর আবাদ করেছেন। আবহাওয়া ভাল থাকায়, ফলনও হয়েছে আশানুরূপ। ইতোমধ্যে, অনেকই ওল উঠান শুরু করেছেন, বাজার মূল্য বেশি পাওয়ায় কৃষক অত্যন্ত খুশি। বরাতিয়া গ্রামের কৃষক তাপস সরকার বলেন, আমি কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের প্রদর্শনী পেয়ে ২০ শতক জমিতে ওল লাগিয়েছি, ফলনও খুব ভাল হয়েছে।

খর্ণিয়া গ্রামের কৃষক আবু হানিফ মোড়ল বলেন, এ বছর কৃষি বিভাগের কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২ বিঘা জমিতে ওলের আবাদ করেছি, ফলনও খুব ভাল হয়েছে। আগামীতে এর বীজ রাখব এবং এলাকায় এর আবাদ অনেক বৃদ্ধি পাবে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন বলেন, কন্দাল ফসল বলতেই নিরাপদ এবং উচ্চ মূল্যের। সাধারণত ওল যখন বাজারে আসে, তখন বাজারে অন্যান্য সবজি কম থাকে। ফলে বাজারে মূল্য ও চাহিদা অনেক বেশি থাকে। এ বছর কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৩০ জন কৃষককে প্রশিক্ষণ এবং ৪০-৪৫ জনের প্রদর্শনী সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ফলে গতবারের তুলনায় এর আবাদ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ডুমুরিয়ার মাটিও আবহাওয়া এটি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। আগামীতে এটি সম্প্রসারনে আরও বেশি লোককে প্রদর্শনী ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।



Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102