শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বাজার বেসামাল: খুলনায় দিশাহারা মানুষ ধর্ষণের অভিযোগে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র গ্রেফতার নিউইয়র্কে বক্তৃতাকালে সালমান রুশদির ওপর ছুরি হামলা টিকিট বিক্রির রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বার্সালোনা – স্পোর্টস প্রতিদিন শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের প্রকল্পটি বাস্তবায়নের শেষ ধাপে – মোস্তাফা জব্বার – টেক শহর ডিম, মুরগি ও বাচ্চার আজকের (১২ আগস্ট) বাজারদর | Adhunik Krishi Khamar স্কুল ড্রেস পরে দুর্দান্ত ড্যান্স দিয়ে তাক লাগালো এই ছাত্রী ছাগলের বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের চাহিদা | Adhunik Krishi Khamar অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষ বেহেস্তে আছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী একাধিক নারীর সঙ্গে প্রেম, কথা কাটাকাটিতেই হত্যা

মুরগির খামারে বাচ্চার আচরণ অনুযায়ী ব্যবস্থাপনা | Adhunik Krishi Khamar

  • আপডেট সময় শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১




মুরগির খামারে বাচ্চার আচরণ অনুযায়ী ব্যবস্থাপনা আমাদের দেশের অনেক খামারিরাই জানেন না। ডিম ও মাংসের চাহিদা পূরণে বর্তমান সময়ে ব্যাপকহারে পোল্ট্রি তথা মুরগির খামার গড়ে উঠেছে। চলুন আজকে জানবো মুরগির খামারে বাচ্চার আচরণ অনুযায়ী ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে-

মুরগির খামারে বাচ্চার আচরণ অনুযায়ী ব্যবস্থাপনাঃ


১। খামারের জন্য বাচ্চা নিয়ে আসার পরেই দেখতে হবে মুরগির বাচ্চা সুস্থ আছে কিনা। বাচ্চা সুস্থ কিংবা চঞ্চল থাকলে বাচ্চাগুলোকে শুধু পানি প্রদান করতে হবে। সুস্থ বাচ্চাকে গ্লুকোজ না দেওয়াই ভালো। তবে গরমের দিনে ভিটামিন সি জাতীয় উপাদান পানির সাথে দেওয়া যেতে পারে। আর শীতের দিন পানির কুসুম গরম করে দিতে হবে।

২। নিয়ে আসার পর বাচ্চাগুলোকে ব্রুডারে উঠানোর আগেই প্রয়োজনীয় খাদ্য ও পানি প্রদান করতে হবে। খাদ্য ও পানি প্রদানের পরেই ব্রুডারে নিয়ে আসতে হবে।

৩। প্রয়োজনে খামারে নিয়ে আসা বাচ্চাগুলোকে ভিটামিন প্রদান করতে হবে। আর তেমন প্রয়োজন না হলে ভিটামিন প্রদানের কোন দরকার নেই।

৪। পোল্ট্রি খামারে বাচ্চা আনার পর যদি দেখা যায় বাচ্চা শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে তাহলে সেই বাচ্চাগুলোকে গ্লুকোজ পানি প্রদান করতে হবে। এতে করে বাচ্চাগুলো শারীরিকভাবে সুস্থ ও সবল হয়ে উঠবে। এই সময়ে বাচ্চাগুলোকে ভিটামিন সি জাতীয় কিছু প্রদান করা যেতে পারে।

৫। খামারে পালন করা বাচ্চাগুলো যদি সম্পূর্ণভাবে সুস্থ থাকে তাহলে কোন প্রকার এন্টিবায়োটিক ছাড়াই ব্রুডিং করতে হবে। সুস্থ বাচ্চাগুলোতে এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করলে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৬। বাচ্চা নিয়ে আসার পর যদি দেখা যায় বাচ্চাগুলো ডিহাইড্রেশনে আছে তাহলে সেগুলোকে স্যালাইন প্রদান করতে হবে। এই সময়ে বাচ্চাগুলোকে গ্লুকোজ প্রদান করা যাবে না। এতে জটিলতা আরও বাড়তে পারে।


আরও পড়ুনঃ পোল্ট্রি খামারে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা বাড়ানোর কিছু কৌশল


পোল্ট্রি প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার









Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102