শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন

খালেদাকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ না দেয়া মানবাধিকার লঙ্ঘন: বিএনপি

  • আপডেট সময় রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১
  • ১৭
খালেদাকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ না দেয়া মানবাধিকার লঙ্ঘন: বিএনপি

প্রকাশিত: ১১:১১ অপরাহ্ণ, ১১ জুলাই ২০২১

বেগম খালেদা জিয়াকে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে সাজা দিয়ে আটকে রেখে বিদেশে সুচিকিৎসার সুযোগ না দেয়া গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে মনে করে বিএনপি। রোববার (১১ জুলাই) ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন। শনিবার অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভার সিদ্ধান্ত জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল জানান, সম্প্রতি যুক্তরাজ্য তাদের পার্লামেন্টে বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদনে বাংলাদেশের এবং চলমান নিয়ন্ত্রিত রাজনৈতিক অবস্থা ও চরম অমানবিক আচরণসহ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বেআইনিভাবে আটক ও তার প্রতি অমানবিক আচরণের বিষয় প্রকাশ করেছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এবং জাতীয় মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশের কর্তৃত্ববাদী সরকারের জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ, সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন, মিথ্যা মামলা, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুমের ঘটনা ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মতামত প্রকাশ করেছে।

স্থায়ী কমিটি সভা মনে করে, যুক্তরাজ্যের মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিবেদন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো প্রতিবেদনে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে সাজা দিয়ে তাকে আটক রাখা হয়েছে। এমন কি সুচিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। এটা গুরুতর মানবাধিকার লংঘন। অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল রাজনৈতিক কারনে আটক ব্যক্তিদের মুক্তি প্রদানের আহ্বান জানানো হয়।

করোনা-বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটির কারফিউ জারি করার পরামর্শের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি মনে করি, কারফিউ জারি কোনো সমাধান নয়। এই লকডাউনে যদি আপনি সঠিকভাবে সাধারণ মানুষের অর্থের ব্যবস্থা করতে না পারেন এবং যদি তাদের খাদ্যের ব্যবস্থা করতে না পারেন তাহলে এই অপরিকল্পিত লকডাউন দিয়ে তো সঠিক সমাধান আনতে পারবেন না।’

‘আমাদের পরপর যে লকডাউনগুলো হয়েছে- সরকারি ছুটি, লকডাউন, কঠোর লকডাউন- তাতে সামাজিক দূরত্ব, শারীরিক দূরত্ব সৃষ্টি করা সম্ভব হয়নি। লকডাউনে কি দেখা যাচ্ছে? মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে, কষ্ট পাচ্ছে, বলা যায় যে, অনেকে খাদ্যের অভাবে কষ্ট পাচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘লকডাউনের লক্ষ্যটা হচ্ছে- মানুষকে মানুষের কাছ থেকে দূরে রেখে, দূরত্ব সৃষ্টি করে সংক্রমণটা প্রতিরোধ করা। সেটার জন্য তো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোথায় সেই সচেতনতা? খালি ধমক দিয়ে আর গরিব মানুষকে জেলের মধ্যে পুরে দিলে তো হবে না।’

কাওসার/শিই




Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি
সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০২১
Designer: Shimulツ
themesba-lates1749691102