সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর ঘর উপহার অনিয়মে ভাঙেনি, ভূমি ধসে ভাঙছে

  • আপডেট সময় রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১
  • ২১
প্রধানমন্ত্রীর ঘর উপহার অনিয়মে ভাঙেনি, ভূমি ধসে ভাঙছে

প্রকাশিত: ১:১৮ পূর্বাহ্ণ, ১১ জুলাই ২০২১

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়ণ ২ প্রকল্পের দুর্যোগসহনীয় ঘর প্রধানমন্ত্রীর সেরা উপহার দুর্যোগ সহনীয় ঘর অবহেলা ও অনিয়মের কারণে ভেঙ্গে পড়েনি ভূমি ধসের কারনে পাকঘর ও টয়লেট ধসে পড়েছে। এগুলো টেকসই করতে আরসিসি পিলারও দিয়েও রক্ষা করতে পারেনি। পরবর্তীতে এমন যেন আর না সেজন্য বাড়ীর সামনে শস্যক্ষেতের পানি, ঘরে প্রেসার না করে তার জন্য ঘরের সামনে দিয়ে স্থায়ী ড্রেনেজ নির্মান করে পানিগুলো খালে নামিয়ে দেবে। তাহলে এই ঘরগুলো রক্ষা পাবে।

পাঁচ সদস্যের একটি পরিদর্শন টিম পরিদর্শন শেষে এসব জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন ২ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিক মাহবুব হোসেন। শনিবার (১০ জুলাই) দুপুরে শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের খানপুর কয়েরখালি এলাকায় বুড়িগাড়ি খালের উপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন ২ প্রকল্পের নির্মিত ২২টি ঘরের ৭টি ঘরের একাংশ ধরে পড়া ঘরগুলো পরিদর্শন করে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ময়নুল ইসলাম, উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি) শাবরিনা মারমিন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি তারিকুল ইসলাম তাকের, পিআইও সামছুন্নাহার শিউলী, আব্দুল রশিদ উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প আশ্রয়ণ-২ এর আওতায় অতিদরিদ্র ভূমিহীনদের জন্য সরকারিভাবে আধাপাকা বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়।

সে মোতাবেক শেরপুর উপজেলায় দুই কোটি ৮৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। পরে দুই শতক করে খাসজমি বন্দোবস্ত দিয়ে উপজেলার আটটি ইউনিয়নে অতিদরিদ্র ১৬৩টি ভূমিহীন পরিবারকে একটি করে আধাপাকা বাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হয়। দুই কক্ষ, রান্নাঘর ও টয়লেটসহ প্রধানমন্ত্রীর উপহারের প্রত্যেকটি বাড়ি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

এরই ধারাবাহিকতায় খানপুর ইউনিয়নের খানপুর কয়েরখালি এলাকায় বুড়িগাড়ি নামক স্থানে খালের কিনারায় ৩৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে ২২টি আধাপাকা বাড়ি নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে সুফলভোগীদের হাতে এসব বাড়ির জমির দলিল ও বাড়ির চাবি হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু এসব নতুন বাড়িতে ওঠার আগেই ঘটছে নানা বিপত্তি। বর্ষা মৌসুমের টানা বৃষ্টিতেই দুর্যোগসহনীয় সাতটি ঘরের একাংশ করে ভেঙে পরে। এ নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রচার হয়




Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি
সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer: Shimulツ
themesba-lates1749691102