বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া যতন সাহা হত্যাকাণ্ড ভিডিওটি মিথ্যা ও গুজব : পুলিশ এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাইয়ের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী বৃহস্পতিবার আপডেট পেলো স্যামসাং ফটো এডিটর অ্যাপ রহমতের নবী (সঃ) এর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাল এসি মিলান – স্পোর্টস প্রতিদিন ডিম, মুরগি ও বাচ্চার আজকের (১৯ অক্টোবর) বাজারদর | Adhunik Krishi Khamar পায়ুপথে বেরিয়ে এলো ২০০০ ইয়াবা! সাকিব, মুশফিক, মাহমুদুল্লাহকে সাদা জার্সি পরে নামার অনুরোধ করলো সমর্থকরা বাংলাদেশ বিমান বাহিনী অফিসার্স ক্লাব এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন দুদ‌কের মামলায় খুমেক হাসপাতালের সাবেক হিসাব রক্ষকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ‌ লক্ষ্মী পূঁজা উপলক্ষে গোপালগঞ্জে প্রতিমার হাট

দুধ বিক্রি নিয়ে বিপাকে কিশোরগঞ্জের খামারিরা | Adhunik Krishi Khamar

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই, ২০২১
  • ২৭
গরু




দুধ বিক্রি নিয়ে বিপাকে কিশোরগঞ্জের খামারিরা। কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবের সহস্রাধিক খামারি চলমান বিধিনিষেধের কারণে উৎপাদিত দুধ বিক্রি নিয়ে আছে বিপাকে। তাদের খামারের উৎপাদিত বেশির ভাগ দুধ অবিক্রিত থাকা এবং অর্ধেক মূল্যে বিক্রি করতে বাধ্য হওয়ায় এ লোকসান গুনছে হচ্ছে তাদের।

উপজেলার প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, এই এলাকার গ্রামীণ অর্থনীতি মূলত কৃষি ও প্রাণিসম্পদ নির্ভর। ফলে এখানকার গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ বিভিন্ন খামারের সঙ্গে জড়িত। এরমধ্যে অন্যতম হলো পশু লালনপালন ও দুধ উৎপাদন। ছোট বড় মিলিয়ে এ উপজেলায় প্রায় এক হাজারেরও বেশি দুধ উৎপাদনের খামার রয়েছে। যেখানে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ হাজার লিটার দুধ উৎপাদন হয়।

স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এর বেশির ভাগ দুধ রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা শহরে বিক্রি হয়ে থাকে। চলমান কঠোর বিধিনিষেধে হোটেল-মিষ্টির দোকান বন্ধ থাকায় খামারিরা উৎপাদিত দুধ বিক্রি করতে পারছে না। তাদের উৎপাদিত দুধের একটি বড় অংশ অবিক্রিত থেকে যাচ্ছে। যাও বিক্রি হয়, তা অর্ধেক মূল্যে। ফলে বড় রকমের লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।

খামারি রাকিবুল হাসান রকি বলেন, তার খামারে প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৩৩০ লিটার দুধ হয়। এই দুধ বিক্রি নিয়ে তিনি বেশ বিপাকে আছেন। বর্তমানে বেশির ভাগই অবিক্রিত থেকে যাচ্ছে। আর যা বিক্রি হচ্ছে, তাও ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। এত দিন তার খামারের দুধ বিক্রি হতো ৫৫ থেকে ৬০ টাকা লিটার। ফলে প্রতিদিন তাকে একটা বড় অঙ্কের লোকসান গুনতে হচ্ছে।

আরেক খামারি পাভেল মিয়া জানান, প্রতিদিন তার খামার থেকে ১০০ লিটার দুধ বিভিন্ন জায়গায় বিক্রির জন্য পাঠানো হয়। কিন্তু লকডাউনের কারণে দুধের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। প্রতিদিনের দুধ বিক্রির টাকায় তার খামারসহ সংসার চলত। কিন্তু দুধের দাম কমে যাওয়ায় এখন নিজের পকেট থেকে বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে। এই লোকসান তিনি কীভাবে কাটিয়ে উঠবেন, তা ভেবে পাচ্ছেন না।

উপজেলার প্রাণিসম্পদ অফিসার রফিকুল ইসলাম বলেন, লকডাউনের কারণে খামারিদের দুধ বিক্রি নিয়ে জটিলতা এবং লোকসানে পড়েছেন। গত বছর এখানকার লোকসানী খামারিদের প্রণোদনা দিয়েছে সরকার।


আরও পড়ুনঃ কোরবানির গরু বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় মানিকগঞ্জের খামারিরা









Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০২১
Designer: Shimulツ
themesba-lates1749691102