রবিবার, ২৬ জুন ২০২২, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মোরেলগঞ্জে এক ঘের ব্যবসায়ীর হাত-পা ভেঙে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা পদ্মা সেতুতে প্রথম মূত্র নিঃসরণ করে ইতিহাসে নাম লেখালেন বরিশালের তারেক মানুষের মন পড়তে পারে যে ছবি গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক পদ্মা সেতু উদ্বোধন: মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ’র বর্ণাঢ্য র‍্যালী কারণে-অকারণে অনেকেই সেতু দিয়ে দিচ্ছেন পদ্মা পাড়ি একদিনেই বদলে গেছে শিমুলিয়া-ফেরিঘাট, যাত্রী সংকটে লঞ্চ-ফেরি দ্বিগুন বেতন দাবী সালাহর, বিক্রি করতে চায় লিভারপুল – স্পোর্টস প্রতিদিন খুলনায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে কেএমপির বর্ণাঢ্য র‌্যালি পদ্মা সেতুতে বাগেরহাটের পর্যটন বিকাশের সম্ভাবনা

কোরবানি পশুর দাম নিয়ে শঙ্কায় মৌলভীবাজারের প্রান্তিক খামারিরা | Adhunik Krishi Khamar

  • আপডেট সময় বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১
কোরবনি পশুর দাম নিয়ে শঙ্কায় মৌলভীবাজারের প্রান্তিক খামারিরা




গরুর ন্যায্য দাম নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রান্তিক খামারিরা। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এ জেলার খামারিরা গরু মোটাতাজা করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে দেশে করোনা মহামারীতে বাজারে গরুর দাম নিয়ে বেশ শঙ্কায় আছেন খামারিরা।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য মতে, এ বছর কোরবানির ঈদে জেলায় ৬৮ হাজার ৩১১টি গবাদিপশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলাজুড়ে ৭২ হাজার ৫১টি কোরবানি পশুর চাহিদা রয়েছে। তারমধ্যে স্থানীয় ২ হাজার ৩৬৫টি খামারসহ ব্যক্তি উদ্যোগে ৬৭ হাজার ৫২৯টি পশু কোরবানির জন্য মোটাতাজা করা হয়েছে। এরমধ্যে খামারিরা উৎপাদন করেছেন ৩২ হাজার ৫২৯টি। আর খামারের বাইরে ব্যক্তি উদ্যোগে করা হয়েছে ৩৬ হাজার পশু। খামারিদের গরু-মহিষের সংখ্যা ৪৭ হাজার ২৫২টি। ছাগল-ভেড়ার সংখ্যা ২১ হাজার ৫৯টি।

জানা যায়, জেলার ৭টি উপজেলার গ্রামগুলোতে দেশি-বিদেশি জাতের গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। তবে করোনা মহামারির মধ্যে ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছেন এসব খামারিরা। আর এরই মধ্যে বেড়ে গেছে গোখাদ্যের দাম। তাই ন্যায্য দাম না পেলে খামারিরা লোকসানে পড়বেন।

খামারি রইছ আলী বলেন, লাভের আশায় দীর্ঘদিন ধরেই গরু পালন করে আসছি। দেশের করোনা পরিস্থিতি ও গোখাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে বেশ দুশ্চিন্তায় আছি। গত বছরের মতো এ বছরেও যদি পশুরহাটে ক্রেতা বা ব্যবসায়ীদের আসা-যাওয়ায় কড়াকড়ি করা হয় তাহলে লোকসানের সম্ভাবনা রয়েছে।

খামারি আলতাব জানান, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে বেশকিছু গরুগুলো মোটাতাজা করছি। ন্যায্য দাম পেলে গরু বিক্রি করে লাভবান হতে পারবো বলে মনে করছি।

মৌলভীবাজার জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আবদুস ছামাদ গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, স্থানীয় খামারিদের পশু দিয়ে জেলার শতভাগ চাহিদা মিটানো সম্ভব। বর্তমান সময়ে করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। সাত উপজেলাসহ জেলায় সরকারিভাবে ৯টি অনলাইনভিত্তিক কোরবানির পশু বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।









Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102