রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০২:৩৩ অপরাহ্ন

কৈ মাছের খাদ্য ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনায় করণীয় | Adhunik Krishi Khamar

  • আপডেট সময় রবিবার, ১৮ জুলাই, ২০২১
  • ১৬
কৈ মাছ চাষ




কৈ মাছের খাদ্য ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনায় করণীয় যা রয়েছে সেগুলো মৎস্য চাষিদের সঠিকভাবে জেনে রাখতে হবে। আগে নদী-নালা, খাল-বিলে প্রচুর পরিমাণে কৈ মাছের দেখা পাওয়া যেত। তবে এখন আর তেমন পাওয়া যায় না। চলুন আজকে জেনে নিব কৈ মাছের খাদ্য ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনায় করণীয় সম্পর্কে-

কৈ মাছের খাদ্য ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনায় করণীয়ঃ


খাদ্য ব্যবস্থাপনাঃ


  • পোনা মজুদের পরের দিন থেকে মাছকে তার দেহ ওজনের ১৬ ভাগ থেকে আরম্ভ করে দৈনিক খাবার দিয়ে যেতে হবে।
  • প্রতি ১৫ দিন অন্তর খাদ্য প্রয়োগের হার ১% করে কমাতে হবে।
  • ৩৫% প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার কৈ চাষের জন্য উপযোগী। এদের খাবারে প্রাণীজ প্রোটিন বেশী হওয়া আবশ্যক। তা ছাড়া মাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য গ্রোথ প্রোমোটর, ভিটামিন ও এনজাইম খাদ্যের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করতে হবে।
  • মাছের ওজন ৫০ গ্রামের উর্ধ্বে উঠলে খাদ্য প্রয়োগের পরিমাণ হবে তার দেহ ওজনের শতকরা ৫ ভাগ।

অন্যান্য ব্যবস্থাপনাঃ


  • কৈ মাছ চাষে প্রথম দুই মাস নিয়মিত (প্রতি ১৫ দিন অন্তর ২০-২৫% পানি পরিবর্তন) পানি পরিবর্তন করতে হবে কিন্তু দ্বিতীয় মাসের পর থেকে পানি পরিবর্তন করলে মাছের পেটে ডিম চলে আসবে।
  • অ্যামোনিয়া গ্যাস দূর করার জন্য অ্যামোনিল (প্রতি একরে ২০০ মি.লি.) ব্যবহার করতে পারেন।
  • ফাইটোপ্লাঙ্কটনের প্রতি কৈ মাছের তেমন কোনো আগ্রহ নেই। এ কারণে পানিতে ফাইটোপ্লাঙ্কটন ব্লুম থাকা যাবে না। কৈ চাষের পুকুরে চাষকালীন সারের তেমন প্রয়োজন নেই।
  • ১৫ দিনে একবার নমুনা সংগ্রহ করে গড় বৃদ্ধির সাথে সঙ্গতি রেখে মোট খাদ্যের পরিমাণ ঠিক করে নিতে হবে।
  • পুকুরের পানি ভালো রাখার জন্য ১৫ দিন পর পর হররা টেনে দিতে হবে।
  • ক্ষত রোগ থেকে মাছকে মুক্ত রাখতে প্রতি মাসে একবার পুকুরে জিওলাইট অথবা চুন দিতে হবে (শতকে ২০০ গ্রাম)।
  • গ্রীষ্মকালে অনেক সময় পুকুরের পানি কমে যায় এবং তাপমাত্রা বেড়ে যায়। তখন অনেক সময় পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি হয়। এরকম পরিস্থিতিতে খাবার প্রয়োগ কমিয়ে দিতে হবে।
  • একটানা মেঘলা আবহাওয়ায় কিংবা অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিতে হবে অথবা একেবারে বন্ধ করে দিতে হবে।
  • প্রতি ১৫ দিনে একবার প্রোবায়োটিক ব্যবহার করলে মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে ও পানির পরিবেশ ভাল থাকবে।
  • মাছ নিয়মিত খাবার খায় কিনা সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

আরও পড়ুনঃ খুলনায় অবৈধ চিংড়ির রেণু জব্দ


মৎস্য প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার









Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি
সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০২১
Designer: Shimulツ
themesba-lates1749691102