শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ১০:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম

এগারো ঘন্টার মাথায় হত্যা মামলার আসামী আটক করেছে সেনাবাহিনী

  • আপডেট সময় বুধবার, ২১ জুলাই, ২০২১
  • ১৬
এগারো ঘন্টার মাথায় হত্যা মামলার আসামী আটক করেছে সেনাবাহিনী

প্রকাশিত: ৮:০০ অপরাহ্ণ, ২১ জুলাই ২০২১

এগারো ঘন্টার মাথায় মেরিজ সিগারেট কোম্পানির কর্মচারী এল্টু চাকমা (২৬) কে ছুরি মেরে হত্যা মামলার আসামী সাজু মিয়া (২১) কে আটক করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি সদর জোনের সেনা সদস্যরা। বুধবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১ টায় খাগড়াছড়ি সদরের ঠাকুরছড়া নতুন বাজার এলাকা থেকে আসামী সাজু মিয়া (২১) নামে এক ব্যাক্তিকে আটক করা হয়। সাজু মিয়া (২১) জেলা সদরের গঞ্জপাড়া এলাকার আব্দুল রাজ্জাক এর ছেলে।

জানা যায়, ২০ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে খাগড়াছড়ি শহরের নারিকেল বাগান (হোটেল মাউন্ট ইন) এলাকায় মেরিজ টোবাকো কোম্পানীর গোডাউনে চুরির সময় চোর সাজু মিয়া (২১) উক্ত কোম্পানীর কর্মচারী এল্টু চাকমা (২৬) কে ছুরি মেরে গুরুতরভাবে আহত করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে আহত ব্যক্তিকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক এল্টু চাকমা (২৬) কে মৃত ঘোষনা করেন।

নিহত এল্টু চাকমা খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়ি এলাকার অনিল বিকাশ চাকমার সন্তান। তিনি দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট। এ বিষয়ে সংবাদ প্রাপ্ত হওয়া মাত্রই রাতে খাগড়াছড়ি সদর জোন তাৎক্ষণিক তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করে এবং সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সাজু মিয়া (২১) নামে আসামীকে পলাতক অবস্থায় ঠাকুরছড়া নতুন বাজার হতে আটক করে। জানা যায়, আটককৃত আসামী ইতোপূর্বে চুরি এবং মাদকের মামলায় জেল হাজতে ছিল এবং বর্তমান জামিনে রয়েছে।

নিহতের বড় বোন সেলিনা চাকমা জানান, মঙ্গলবার (২০জুলাই) আনুমানিক দিবাগত রাত ১১টায় সিগারেট কোম্পানীর খাগড়াছড়ি এরিয়া ম্যানেজার ম্যাকলিট চাকমা খবর পেয়ে তাদেরকে জানায়। পরে হাসপাতালে এসে ছোট ভাইয়ের লাশ দেখতে পায়। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানান।  এ ঘটনায় নিহতের পিতা অনিল বিকাশ চাকমা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

খাগড়াছড়ি সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আবুল হাসান খান জানান, মেরিস সিগারেট কোম্পানির স্থানীয় একটি দোকানের গুদামে ঢুকে ওই যুবককে ছুরিকাঘাত করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বিষয়ে খাগড়াছড়ি সদর জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল তৌফিকুল বারী বলেন, চুরি-ডাকাতী এবং সশস্ত্র সদস্যদের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে খাগড়াছড়ি সদর জোন গোয়েন্দা তৎপরতা এবং আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এছাড়াও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘদিন যাবৎ সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধনকে দৃঢ় রাখতে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে। ভবিষ্যতে এরূপ কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে আরো কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।




Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি
সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০২১
Designer: Shimulツ
themesba-lates1749691102