মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ট্যুর বিডি ট্রাভেল গ্রুপের অ্যাডমিন হতে চান ইবনে বতুতা মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২১ এ ৮৮ কোটি টাকা মূল্যের ১ কোটি ১৩ লাখ মিটার অবৈধ জাল আটক করেছে নৌবাহিনী ডুমুরিয়ায় দেদারসে চলছে থ্রী হুইলার, প্রতিনিয়ত ঘট‌ছে দুর্ঘটনা গোপালগঞ্জে দুলাল শেখ হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদন্ড শুটকি মৌসুমকে ঘিরে দুবলার চরে যেতে শুরু করেছেন জেলেরা ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করে রাজত্ব হারালেন জাপানের রাজকুমারী জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি ভিনিসিয়াস বার্সা ভক্ত, বার্সার জন্য সে কেঁদেছিল! – স্পোর্টস প্রতিদিন ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞায় খুলনা ৪৯ মামলায় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা জনগণের কল্যাণে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর কাজ করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

লকডাউনে লোকসানে নাটোরের ড্রাগন চাষিরা | Adhunik Krishi Khamar

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০২১
  • ১২
ড্রাগন ফল




মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ঘোষিত কঠোর লকডাউনে গত বছরের ন্যায় চলতি বছরেও লোকসান গুনছেন নাটোরের ড্রাগনচাষিরা। এতে করে অনেক চাষিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

নাটোর জেলা কৃষি সম্প্রপ্রসারণ কার্যালয় এর সূত্রমতে, চলতি বছর জেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ হয়েছে। এতে ৬৪০ মেট্রিক টন ফল উৎপাদন হওয়ার কথা। ৫০০ টাকা কেজি দরে হিসাব করলে ওই ড্রাগন ফলের দাম দাঁড়ায় ৩২ কোটি টাকা। অথচ ফলচাষিরা এখন বিভিন্ন আড়তে বর্তমানে মাত্র ১৫০-৩০০ টাকা কেজি দরে ড্রাগন বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

চাষীরা জানিয়েছেন, লকডাউনের কারণে ৫০০ টাকা কেজির ড্রাগন ফল এখন মাত্র ১০০-১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যে কারণে নাটোরের ড্রাগন ফলচাষিরা বড় লোকসানের মুখে পড়েছেন। সব মিলিয়ে লোকসানের পরিমাণ প্রায় ২৬ কোটি টাকা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে

নাটোর সদর উপজেলার মাঝদিঘা গ্রামের ড্রাগন চাষি গোলাম নবী জানান, ৩০ বিঘা প্রায় ১৪ হাজার ড্রাগন গাছ নিয়ে বাগান করেছেন। বর্তমানে প্রতি কেজি ড্রাগন ১০০ -১৫০ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। অথচ প্রতি কেজি ড্রাগন উৎপাদনে খরচ ২০০ টাকারও বেশি ।

আহম্মদপুর এলাকার ড্রাগন ফলচাষি মো. সেলিম রেজা জানান, বর্তমানে ড্রাগন কেনার জন্য পাইকাররা আসছেনা। পাইকার এলেও দাম খুবই কম বলে। এতে করে অনেক টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। এ অবস্থায় সরকার ড্রাগন ফলচাষিদের ভর্তুকি না দিলে অপ্রচলিত ও দামি এই ফলের আবাদ ছেড়ে দিতে বাধ্য হবেন বলেও তিনি জানান।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত কুমারবলেন, ড্রাগন অপ্রচলিত ও দামি ফল হওয়ায় এর অধিকাংশ ক্রেতা শহরের। আবারও লকডাউন শুরু হওয়ায় ড্রাগনচাষিরা চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন।









Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০২১
Designer: Shimulツ
themesba-lates1749691102