মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শীত মুমিনের বসন্ত | ওয়াফিলাইফ ব্লগ ট্যুর বিডি ট্রাভেল গ্রুপের অ্যাডমিন হতে চান ইবনে বতুতা মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২১ এ ৮৮ কোটি টাকা মূল্যের ১ কোটি ১৩ লাখ মিটার অবৈধ জাল আটক করেছে নৌবাহিনী ডুমুরিয়ায় দেদারসে চলছে থ্রী হুইলার, প্রতিনিয়ত ঘট‌ছে দুর্ঘটনা গোপালগঞ্জে দুলাল শেখ হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদন্ড শুটকি মৌসুমকে ঘিরে দুবলার চরে যেতে শুরু করেছেন জেলেরা ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করে রাজত্ব হারালেন জাপানের রাজকুমারী জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি ভিনিসিয়াস বার্সা ভক্ত, বার্সার জন্য সে কেঁদেছিল! – স্পোর্টস প্রতিদিন ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞায় খুলনা ৪৯ মামলায় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা

মাতৃভাষা কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রকাশিত মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • আপডেট সময় রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১
  • ২২১
শেফালী আক্তার রাখি, মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি, বাগেরহাট শরনখোলা মাতৃভাষা ডিগ্রী কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষের অতিরিক্ত চলতি দায়িত্বে থাকা জনাব মোঃ কামরুল ইসলাম গতকাল ২৪ জুলাই সংবাদ সম্মেলনে এক লিখিত বক্তব্যে জানান গত কয়েকদিন যাবৎ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে ২০০১ সালের ২ অক্টোবরে অধ্যক্ষের কক্ষে থাকা বাংলাদেশের স্থাপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর করার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।যা সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট,ভিত্তিহীন,ও ষড়যন্ত্রমূলক,উহা কলেজের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন ও মানহানীকর।কামরুল ইসলাম উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
তিনি জানান ২০০০ সাল থেকে কলেজে কর্মরত থাকলেও পত্রিকায় প্রকাশিত অভিযোগের সাথে তিনি কখনও সম্পৃক্ত ছিলেন না বা ঐ ধরনের কোনো ঘটনা তিনি ঘটান নাই।তিনি আরো উল্লেখ করেন অভিযোগকারী কলেজের অফিস সহকারি রেজাউল ইসলাম নান্নু ছিলেন কলেজের অর্থ আত্মসাৎ ও নানাবিধ দূর্নীতির দায় অভিযুক্ত বর্তমানে সাময়িক বরখাস্তকৃত সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অলিউর রহমানের একনিষ্ঠ দোষর।
তিনি আরও বলেন,কলেজের প্রতিষ্ঠতা অধ্যক্ষ জনাব, নজরুল ইসলাম তালুকদার তার অবসরকালীন সময় কলেজের সিনিয়র শিক্ষক চন্দন কুমার কবুলাসীকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দিতে চাইলে তিনি পারিবারিক অসুবিধার কথা জানিয়ে সকল শিক্ষকদের সামনে দায়িত্ব নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।অন্যদিকে কলেজের বর্তমান সভাপতি জনাব,আব্দুল হক হায়দার তার পারিবারিক অসুস্থতা,করোনা পরিস্থিতি,ও লকডাউনের কারনে দায়িত্ব হস্তান্তর সভাটি করার জন্য ঢাকা থেকে এলাকায় আসতে না পারায়,তার নির্দেশক্রমে পরবর্তী সভা অনুষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত এবং ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নির্ধারন না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মতে এবং সকল শিক্ষকদের অনুরোধক্রমে সিনিয়র শিক্ষক ০১ থেকে ০৫ জনের মধ্যে তাকে কলেজ পরিচালনার জন্য অধ্যক্ষের অতিরিক্ত চলতি দায়িত্ব দেয়া হয়।
এ সময়ে উপস্থিত থাকা কলেজের সিনিয়র সহকারী অধ্যাপক চন্দন কুমার কবুলাসী বলেন,কামরুল সাহেব অত্যন্ত নিরলস,পরিশ্রমী ও কলেজ পরিচালনায় যোগ্য বেক্তি, তিনি পতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে সকল শিক্ষকদের সহযোগিতা নিয়ে ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।তার প্রতি এহেনো অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এপর্যায়ে বাংলা প্রভাষক ফারুক হোসেন বলেন,অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম কতৃক রেখে যাওয়া দূর্নীতিমুক্ত কলেজ সমুন্নত রাখার জন্য কলেজের অর্থনৈতিক দিকগুলো আরো স্বচ্ছ রাখতে অফিস সহকারী রেজাউল ইসলাম নান্নু কে নিয়মিত ভাবে সবকিছুর হিসাব বিধি মতে রাখতে ও দেখাতে বলা হলে তার অবৈধ আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাবে ভেবে তিনি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক এহেনো কাকতালীয় মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ পরিকল্পিত ভাবে তৈরি করেন।যে অভিযোগের সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।
এ সময়ে কলেজের শিক্ষক বিষ্ণুপদ দাস বলেন,কলেজ প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে পর্যায়ক্রমে উপজেলা আওয়ামীলীগের তৎকালীন সহ-সভাপতি ও ধারসাগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মরহুম নান্নামিয়া আকনসহ ২০১৯ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,সাবেক আওয়ামী সাংসদ মরহুম ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন ও তার সহধর্মিণী এই কলেজের সভাপতি ছিলেন,
বর্তমান সভাপতিও ঢাকসুর সাবেক ছাত্রনেতা ও ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু সমাজ কল্যান পরিষদের সভাপতি আব্দুল হক হায়দার তিনিও প্রায় দের বছর এই কলেজের সভাপতি দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কলেজ প্রতিষ্ঠার ১৯৯৯ সাল থেকে দীর্ঘ প্রায় ২২ বছরের মধ্যে ২০০১ সালের এতো বড় ঘটনা তাদেরকে কেনো জানানো হয়নি? এবং আজ পর্যন্ত তারাও বিষয়টি জানেনা।
তাছাড়াও স্থানীয় বিজ্ঞ মহলের ধারনা বিগত দিনে কলেজ নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে,বর্তমানের এই ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার তারই একটি অংশ।এই দুষ্কৃতদেরকে নির্মূল না করলে কলেজটিই ধংস হয়ে যাবেন বলে তারা মনে করেন।
এ ব্যপারে মুঠোফোনে কলেজের প্রতিষ্ঠতা অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম তালুকদার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২০০১ সালে বঙ্গবন্ধুর ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর করার মতো কাজ কামরুল ইসলাম করেন নাই এবং এরূপ কোনো ঘটনা এই কলেজে আদৌ কখনো ঘটেনি।কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগ সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট, যা কলেজের ক্ষতি সাধনের জন্য স্বর্থেন্নেষী কুচক্রী মহলের কাজ।
এরূপ কাল্পনিক ষড়যন্ত্রমূলক আনিত অভিযোগের সুষ্ঠ তদন্ত করে কলেজের ভাবমূর্তি নষ্ট,ও তার সম্মান ক্ষুন্ন করা ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে যথাযথ কতৃপক্ষের নিকট দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান কামরুল ইসলামসহ সংসাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকা সকল শিক্ষক মন্ডলী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০২১
Designer: Shimulツ
themesba-lates1749691102