বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০২:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর মোংলায় ওমিক্রণ ভ্যারিয়েন্টের বিস্তাররােধে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য মাইকিং শুরু বাগেরহাটে করোনার ভয়াবহতা রোধে জনসচেতনতার কার্যক্রম শুরু টিআই’র দুর্নীতি প্রতিবেদন পক্ষপাতদুষ্ট : ড. হাছান মাহমুদ ২ বাসের চাপায় কিশোরের মৃত্যু: এক চালক মাদকাসক্ত, অন্যজন হেলপার প্রতারণার অভিযোগে মামলার মুখে গুগল প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সমাজের বোঝা নয়- ইউএনও কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তীতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীকে পুতিনের শুভেচ্ছা বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ নেইমারের বিপক্ষে খেলা বিশেষ কিছুঃ রোদ্রিগো – স্পোর্টস প্রতিদিন

খুলনার টুটপাড়া কবরস্থানে মরদেহ দাফন বেড়েছে তিনগুণ

  • আপডেট সময় রবিবার, ১ আগস্ট, ২০২১
  • ৭৭
খুলনার টুটপাড়া কবরস্থানে মরদেহ দাফন বেড়েছে তিনগুণ

স্টাফ রিপোর্টার ||

আগে প্রতিদিন ১-জনের দাফন হতো। কিন্তু এখন দিনে ৫-জনের দাফন করতে হচ্ছে। এমনও দিন গেছে, দিনে ৭-জনকেও দাফন করতে হয়েছে। গভীর রাতেও দাফন করতে হচ্ছে। তবে আমি করোনাকে ভয় পাই না। লাশ দাফন শেষে গোসল করে বাড়ি চলে যায়।’ খুলনা সিটি করপোরেশন পরিচালিত খুলনা মহানগরীর অন্যতম টুটপাড়া কবরস্থানের খাদেম মো. নুর ইসলাম (৬৮) এভাবেই জানান কবরস্থানের বর্তমান পরিস্থিতি।

নুর ইসলাম বলেন, ‘প্রায় ৪০ বছর ধরে এখানে কাজ করছি। বাড়ি প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে নগরীর লবনচরা আমতলা এলাকায়। যখন দাফনের কাজ না থাকে তখন কবরস্থানের সামনের গ্যারেজে বসে সময় কাটায়। টুটপাড়া কবরস্থানে এখন আর জায়গা ফাঁকা নেই। কবরের উপরেই দেয়া হচ্ছে কবর। বেশিরভাগ মানুষই এখানে কবর পাকা করে রেখেছে। যে কারণে এখন কবর দেয়ার জায়গাও খুঁজে পেতে সময় লাগে।’ শুধু নুর ইসলামই নন, এখানের আরও একজন খাদেম বদরুদ্দোজা বাবলুও (৫৯) জানান একই কথা। বর্তমানে আরও ৯-১০ জন খাদেম রয়েছেন, যারা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ করছেন। তারা কোনো বেতন পান না। মরদেহ দাফনের পর মৃতের স্বজনরা যে টাকা দেন সেটিই তাদের উপার্জন। একটি কবর খুঁড়তে অনেক পরিশ্রম হয়। ২-জনে মিলে খুঁড়তে হয়। তাই স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ওই ৯-১০ জন এগিয়ে এসেছেন। বদরুদ্দোজা বাবলু জানান, দুই বছরের বেশি সময় ধরে টুটপাড়া কবরস্থানে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ করছেন তিনি। এই দুই বছরেই অনেক দাফন করেছেন। কিন্তু বর্তমান সময়ের মত এতো বেশি দাফন আগে করতে হয়নি। বাবলু জানান, তিনি ‘শেষ ঠিকানা’ নামে একটা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। এই সংগঠনের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়। এখন অনেকেই মরদেহ নিয়ে আসেন যাদের দাফনের ব্যবস্থা করা হয় শেষ ঠিকানার পক্ষ থেকে। কবরস্থানে খুলনা সিটি করপোরেশনের রেজিস্ট্রার মুফতি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, আগের চেয়ে অনেকগুণ বেড়ে গেছে দাফনের সংখ্যা। করোনায় মৃতের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। এমন হয়েছে যে, মৃতের সঙ্গে আপনজন কেউ আসেননি। লোক দিয়ে মরদেহ পাঠিয়ে দিয়েছে, আমরা তা দাফন করেছি।’


Post Views:
1



নিউজের উৎস by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer: Shimulツ
themesba-lates1749691102