সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৫৫ অপরাহ্ন

সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

  • আপডেট সময় সোমবার, ২ আগস্ট, ২০২১
  • ১০৮
সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

সোনাডাঙ্গার রানা সরদার হত্যা মামলায় দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল

স্টাফ রিপোর্টার

নগরীর সোনাডাঙ্গা আলীর ক্লাব মোড়স্থ ইউসেফ স্কুলের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর মোবাইল ফোন হারানোর বিষয়কে কেন্দ্র করে আপন খালাতো ভাই রানা সরদার হত্যা মামলায়  দুজনকে অভিযুক্ত করে দুই মাস সাত দিন পর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অনুপ কুমার ঘোষ।

রবিবার (১ আগষ্ট ) চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করা হয়। অভিযুক্ত দুআসামি হলেন সোনাডাঙ্গা থানাধিন আলীর ক্লাব ইউসুফ স্কুলের পাশের ডাক্তার দুলালের বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত. আকবর গোলদারের ছেলে রাব্বি হোসেন গোলদার (২৫) ও একই থানার এলাকার বকুল বাগান এলাকার মৃত. মোকলেছুর রহমানের ছেলে ফরহাদ হোসেন (২৪)। এ মামলায় অপর ৩ আসামিকে চার্জশিটে মামলা হতে অব্যাহতি দেয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অনুপ কুমার ঘোষ জানান, মামলার প্রধান আসামি রাব্বি হোসেনকে নগরীর খানজাহান আলী থানার মশিয়ালি এলাকায় তার শ্বশুর বাড়ি থেকে রাত ১১টায় গ্রেফতার করা হয়। অপর আসামি ফরহাদ হোসেন রাব্বির বন্ধু। ঘটনার পর খুনি ধারলো ছুরি ফরহাদ হোসেনকে ধরিয়ে দেয় উঠিয়ে রাখার জন্য। তার কাছ থেকে ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া রাব্বি সরদার নিজের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২১ মে দুপুর আড়াইটার দিকে নগরীর সোনাডাঙ্গা আলীর ক্লাব মোড়স্থ ইউসেফ স্কুলের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর মোবাইল ফোন হারানোর বিষয়কে কেন্দ্র করে আপন খালাতো ভাই রাব্বি হোসেন গোলদার রানা সরদারের বুকের ডান পাশে ছুরি মেরে পালিয়ে যায়। রানা রক্তাক্ত অবস্থায় ডাক চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন তাকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। আসামিরা ভিকটিমের নিকটতম আত্মীয়-স্বজন হওয়ায় ঘটনার বিষয়ে আপোষ মিমাংসা করার জন্য এবং ভিকটিমের চিকিৎসার কাজে ব্যস্ত থাকায় তাৎক্ষনিকভাবে থানায় এজাহার দায়ের করেনি ভিকটিমের পরিবারের সদস্যরা। পরবর্তীতে ২৪ মে রাত আড়াইটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রানার মৃত্যু হলে পরের দিন সকালে নিহতের মা বাদী ডলি বেগম বাদীন হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় ৪জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৩জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

ইউপি মেম্বরের মামলায় চেয়ারম্যান গ্রেফতার : জামিনে মুক্ত

স্টাফ রিপোর্টার

শ্লীলতাহানির মামলায় তেরখাদা উপজেলার ২নং বারাসাত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা কে এম আলমগীর হোসেনসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। রবিবার (১ আগস্ট) সকালে মামালার বিষয়ে খুলনা থানায় খোঁজ নিতে আসলে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।  

পরে তাদের আদালতে পাঠানো হলে তারা জামিনের প্রার্থনা করেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. আতিকুস সামাদ পিএইচডি তাদের জামিনের মঞ্জুরের আদেশ প্রদান করেছেন। অপর দুই আসামি হলেন মিল্টন মুন্সি ও সোহাগ মুন্সি।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২৮ জুলাই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতসহ নানা অভিযোগের বিরুদ্ধে খুলনা জেলা প্রশাসনের স্থানীয় শাখায় শুনানির দিন ধার্য ছিল। ওই সময় বাদী ও আরও কয়েকজন উক্ত স্থানে উপস্থিত হন। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বাদী স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেত্রী ও বারাসাত ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড সদস্য রিনা বেগম জেলখানা ঘাটের টোল প্লাজার সামনে পৌছালে আসামি আলমগীর হোসেনসহ তার সহযোগিরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করতে থাকেন। নিষেধ করার সাথে সাথে তারা বাদীর ওপর অতর্কিত হামলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। এ ঘটনায় তিনি খুলনা থানায় বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন যার নং ২৬।

কেএমপির অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৩

স্টাফ রিপোর্টার

মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকা হতে ১১১ পিস ইয়াবাসহ ৩  মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। 

গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন নগরীর সোনাডাঙ্গা ২নং আবাসিক এলাকার নিরাপদ গাইনের ছেলে হীরক কুমার গাইন (৩৩), খালিশপুর চিত্রালী বাজার এলাকার মনির হোসেনের ছেলে মো. মামুন হোসেন ওরফে আকাশ (২৫) ও  ডুমুরিয়া থানার আমভিটা রামকৃষ্ণপুর গ্রামের কৃষ্ণপদ বিশ্বাসের ছেলে দিপংকর বিশ্বাস (৩৫)।

কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শাহ্ জাহান শেখ জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় ১১১ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায়  মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এড. সৈয়দা সাবিহা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত: সুস্থতা কামনা

খবর বিজ্ঞপ্তি

বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা নগর কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর স্ত্রী, বিশিষ্ট মানবাধিকার নেতা এড. সৈয়দা সাবিহা খাতুন দ্বিতীয় দফায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এড. সৈয়দা সাবিহা খাতুন বর্তমানে নিজ বাসায় আইসোলেশনে আছেন। এর আগে গত বছর তিনি প্রথম দফা করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জুর স্ত্রী এড. সৈয়দা সাবিহা খাতুনের সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা মহানগর নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন এড. সাবিহা খাতুন একজন সৎ জীবনযাপনে অভ্যস্ত মানুষ, ধর্মীয় অনুশাসন কঠোরভাবে অনুসরণকারী, পরোপকারী এবং দানশীল মানুষ হিসেবে সকলের কাছে ভীষণ শ্রদ্ধার। সাম্প্রতিক সময়ে করোনা রোগীদের সহায়তায় খুলনা মহানগর বিএনপি পরিচালিত করোনা হেল্প সেন্টারে এবং লকডাউনে অসহায় হয়ে পড়া মানুষের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচীতেও তিনি নিজে এবং আত্মীয় স্বজন ও বন্ধুদের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করে প্রদান করেছেন। বিএনপি নেতৃবৃন্দ সৈয়দা সাবিহা খাতুন ও তার পরিবারের সুরক্ষার জন্য মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া করেছেন একই সাথে সকলের দোয়া কামনা করেছেন। বিবৃতিদাতারা হলেন, খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল¬াহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, এড. বজলুর রহমান, এড. এস আর ফারুক, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মো. মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।

বিএনপি নেতার মৃত্যুতে শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

১৫ নম্বর ওয়ার্ড  বিএনপি’র সহ-সভাপতি আবু বক্কার মোল্লার ইন্তেকালে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন, খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল¬াহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, এড. বজলুর রহমান, এড. এস আর ফারুক, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মো. মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।

কলারোয়ায় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

সোহাগ হোসেন, কলারোয়া

কলারোয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করার অপরাধে কয়েকজনকে জরিমানা করা হয়েছে।ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১ আগষ্ট) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পৌর সদরের বিভিন্ন স্থানে আদালত পরিচালনা করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল আমীনর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকালে চলমান সরকারী নির্দেশনা অমান্য করার অপরাধে ২টি মামলায় ২ হাজার ৩ শত টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদালতকে সহযোগীতা করেন বেঞ্চ সহকারী মাকসুদুর রহমানসহ সেনাবহিনী, পুলিশ ও ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যবৃন্দ। উপজলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট আল আমীন সরকার নির্দেশিত বিধিনিষেধে সকলকে মাস্ক পরিধান, সামাজিক (শারীরিক) দূরত্ব বজায় ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান। এদিকে, চলমান কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে পৌর সদরসহ উপজেলার সকল হাট-বাজারে ঢিলেঢালা অবস্থা বিরাজ করছে বলে এলাকাবাসী জানায়।

খানজাহান আলী থানা সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতির ভাগ্না সাহেব আলীর ইন্তেকাল

ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি

খানজাহান আলী থানা সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি শেখ বদর উদ্দীনের ভাগ্না ও বিশিষ্ট সমাজসেবক রুপসা উপজেলা মহিষাঘুনি নিবাসী শেখ সাহেব আলী ১ আগষ্ট রবিবার সন্ধা ৬ টায় নিজ বাসভবনে অসুস্থজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন। (ইন্নালি…….রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি ৩ ছেলে ও ৩ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রহী রেখে যান। রবিবার বাদ এশা মহিষাঘুনি জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে মরহুমের জানাযা শেষে জেবিএম কবরস্থানে দাফন করা হয়। শেখ সাহেব আলীর মৃত্যুতে গভীর শোক এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন খানজাহান আলী থানা সাংাদিক ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক হাফেজ আহম্মেদ সরকার সহ সকল সদস্যবৃন্দ।

যুব ইউনিয়ন খুলনা মহানগরের উদ্যোগে গোবরচাকা এলাকায় মাস্ক বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন খুলনা মহানগরীর উদ্যোগে রবিবার সন্ধ্যায় গোবরচাকা এলাকার বিভিন্ন স্থানে মাস্ক বিতরণ ও স্বাস্থ্যবিধি পালনে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি পালিত হয়। মাস্ক বিতরণ করেন বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন, কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য ও খুলনা মহানগর সিপিবির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদার। এ সময়ে নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি অ্যাড. নিত্যানন্দ ঢালী, মহানগর সভাপতি আফজাল হোসেন রাজু, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রিয়াসাত আলী রিয়াজ, সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেতা শেখ মুজিবর রহমান প্রমুখ।

অসহায় মানুষের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ উপলক্ষে ছয় থানায় ইসলামী আন্দোলন-এর যৌথ  বৈঠক অনুষ্ঠিত

খবর বিজ্ঞপ্তি

রবিবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর শাখার উদ্যোগে অসহায় ছিন্নমূল ও হতদরিদ্র কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ উপলক্ষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সহযোগী সংগঠন সমূহের যৌথ মতবিনিময় সভা সদর, সোনাডাঙ্গা, খালিশপুর, খানজাহান আলী, লবনচরা থানায় অনুষ্ঠিত হয়।

বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ বলেন সাধারণ অসহায় ছিন্নমূল মানুষের খাবারের কথা চিন্তা না করে সরকার লাগাতার লকডাউন দিয়ে চলেছে, যা অভাবী মানুষের ধৈর্যের বাইরে চলেগেছে, খুদার তাড়নায় মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে, এহেন পরিস্থিতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সাধারণ মানুষের ব্যাথায় চরম ভাবে ব্যতিথ, ইসলামী আন্দোলন খুলনা মহানগর একহাজার পরিবারের মাঝে চাউল, ডাউল, আলু সহ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করবে। খালিশপুর ও খানজাহান আলী থানায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সভাপতি আলহাজ্ব মুফতী আমানুল্লাহ, সদর সোনাডাঙ্গা লবনচরা থানায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সহ-সভাপতি মুফতী মাহবুবুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন মুফতী ইমরান হুসাইন, মাওলানা দ্বীন ইসলাম, ফেরদাউস গাজী সুমন, মাওলানা আব্বাস আমীন, মঈনউদ্দীন ভূইয়া, মোল্লা রবিউল ইসলাম তুষার, মুফতী শেখ আমীরুল ইসলাম, মাওলানা শায়খুল ইসলাম বিন হাসান, আলহাজ্ব মোঃ আমজাদ হোসেন, হাফেজ আব্দুল লতিফ, আলহাজ্ব আবু তাহের, আলহাজ্ব সরোয়ার বন্দ, শেখ হাসান ওবায়দুল করীম, মাওলানা হাফিজুর রহমান, মঈনুল ইসলাম, ইব্রাহিম ইসলাম আবীর, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মাসুম, আলহাজ্ব শফিউল ইসলাম সহ থানা ও সহযোগী সংগঠন সমূহের নেতৃবৃন্দ।

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতির পক্ষে মাস্ক বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

গতকাল খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও খুলনা জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ এর পক্ষে রূপসা উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নে মহামারী করোনার উপকরণ মাস্ক জনসাধারণের মাঝে বিতরণ করা হয়। খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ জামিল খান, আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদের পক্ষে জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল এর নিকট এই মাস্ক হস্তান্তর করেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আয়ুব মল্লিক বাবু, মোঃ ইমদাদুল ইসলাম, আরিফুজ্জামান লিটন, মনি শংকর নাগ, পলাশ সাহা জগো, মাস্টার ফারুক হোসেন, আল মোমিন লিটন, বদরুল আলম তয়ন, আবুল হোসেন, সজিব লষ্কর প্রমুখ।

শিরোমণি বাজারে ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে মাস্ক ও লিফলেট বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

রবিবার সকাল ১০টায় নগরীর শিরোমণি বাজারে এবং ১১টায় ফুলবাড়ী গেট এলাকায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে জনসচেতনার লক্ষ্যে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, করোনা প্রতিরোধ ব্রিগেড, খানজাহান আলী থানা কমিটির উদ্যোগে মাস্ক ও লিফলেট বিতরণ করা হয়। এ সময় নেতৃবৃন্দ করোনা প্রতিরোধে সকলকে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাক্ষেপে টিকা প্রদান করার দাবী করেন। একই সাথে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে, মাস্ক পরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেলা করা ও বিনা প্রয়োজনে বাড়ি-ঘর থেকে বের না হওয়া এবং ঘন ঘন সাবান পানিতে হাত ধোয়ার কথা বলেন নেতৃবৃন্দ। এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেনÑখানজাহান আলী থানা কমিটির সম্পাদক কমরেড আব্দুস সাত্তার মোল্লা, পার্টির মহানগর সম্পাদকম-লীর সদস্য কমরেড আমিরুল সরদার, মহানগর নেতা ও ইষ্টার্ণ জুট মিলের সিবিএ-এর সাবেক সভাপতি মোঃ আলাউদ্দিন, খানজাহান আলী থানা নেতা কমরেড বাবুল আখতার, কমরেড ফারুখ মাস্টার, কমরেড ইকবাল মোল্লা, শিরোমণি শাখা কমিটির নেতা কমরেড মুজিবর, কমরেড মামুন, কমরেড আমির হোসেন, ছাত্রমৈত্রী খুলনা জেলা কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি নাঈমুর রাকিব উজ্জল প্রমুখ।   

গিলাতলা মাত্তমডাঙ্গায় গলায় ফাঁস দিয়ে কিশোরের আত্মহত্যা

ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি

নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন নিউ মাত্তমডাঙ্গায় রবিবার বেলা ১২ টায় নিজ বসতঘরে আসলাম শেখের পুত্র মুরসালিন মানসিক ভারসাম্যহীন(প্রতিবন্ধী)১৭ সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় রশি দেয়। কিছুক্ষপর প্রতিবেশীরা টেরপেয়ে তাকে উদ্ধার করে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। এলাকাবাসী জানান মুরসালিন মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।  খানজাহান আলী থানা অফিসার্স ইনচার্জ প্রবীর কুমার বিশ^াস জানান এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্য মামলা হয়েছে।

ছাপ্পান্ন বছর পর চালু হলো হলদিবাড়ি-চিলাহাটি রেলপথ

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট

দীর্ঘ দিন পর ভারত থেকে বাংলাদেশে হলদিবাড়ি-চিলাহাটি রেলপথ দিয়ে পন্য পরিবহন শুরু হয়েছে। রোববার (১ আগস্ট) থেকে এই পথে নিয়মিত মালবাহী ট্রেন চলাচল শুরু করেছে। ভারতীয় রেলওয়ে রবিবার উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের ডামডিম স্টেশন থেকে পাথর বোঝাই প্রথম মালবাহী ট্রেন বাংলাদেশে প্রেরণ করেছে।

ভারতীয় হাই কমিশন সূত্র জানায়, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর ভারত ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মধ্যে (১৯৬৫ পর্যন্ত) সাতটি রেল সংযোগ চালু ছিল। বর্তমানে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চারটি রেল সংযোগ চালু রয়েছে। এগুলো হলো- পেট্রাপোল (ভারত) – বেনাপোল (বাংলাদেশ), গেদে (ভারত) – দর্শনা (বাংলাদেশ), সিংহাবাদ (ভারত)-রহনপুর (বাংলাদেশ), রাধিকাপুর (ভারত) – বিরল (বাংলাদেশ)। হলদিবাড়ি-চিলাহাটি রেল সংযোগ এমনই একটি রুট যা ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত কার্যকর ছিল। ভারত ও বাংলাদেশ দুই প্রধানমন্ত্রীই উভয় দেশের মধ্যে ১৯৬৫ সাল পূর্ববর্তী সমস্ত রেল সংযোগ পুনরায় কার্যকর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ কারণে, রেল সংযোগটিকে পুনঃস্থাপিত করার কাজ হাতে নেয় উভয় দেশের রেলপথ মন্ত্রণালয়। পুনঃস্থাপনের পর, ২০২০ সালের ১৭ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের ভার্চুয়াল দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের সময় ভারত ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীরা যৌথভাবে হলদিবাড়ি (ভারত) এবং চিলাহাটি (বাংলাদেশ) রেল সংযোগটি উদ্বোধন করেছিলেন। হলদিবাড়ি-চিলাহাটি রেল সংযোগটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ৫ম রেল সংযোগ যা ২০২১ সালের ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হচ্ছে। এই রেলপথ দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের মধ্যে রয়েছে পাথর ও বোল্ডার, খাদ্যশস্য, তাজা ফল, রাসায়নিক সার, পেঁয়াজ, মরিচ, রসুন, আদা, ফ্লাই অ্যাশ, ক্লে, চুনাপাথর, কাঠ ও টিম্বার ইত্যাদি। বাংলাদেশ থেকে ভারতে সকল রপ্তানিযোগ্য পণ্যই অনুমোদিত। চালু হওয়া এই রেল সংযোগ ভারত-বাংলাদেশ রেল যোগাযোগ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যকে শক্তিশালী করবে। এটি আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নকে গতিশীল করতে প্রধান বন্দর ও স্থল বন্দরগুলিতে রেল নেটওয়ার্কের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি করবে।

চতুর্থবারের মতো দেশে এলো আরও ২০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট

চতুর্থবারের মতো ভারত আরও ২০০ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ভারতীয় রেলের ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস ট্রেনটি রোববার (১ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে বেনাপোল পৌঁছায়। এর আগে রোববার সকাল সাড়ে ৭টায় ১০টি কন্টেইনারে (প্রতিটিতে ২০ মেট্রিক টন) ২০০ মেট্রিক টন অক্সিজেনবাহী ট্রেনটি ভারতের টাটানগর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস ট্রেনটি সিরাজগঞ্জের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। সেখানে অক্সিজেন নামিয়ে খালি ট্রেনটি আবারও এ পথ দিয়ে ভারতে ফিরে যাবে। বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশনমাস্টার সাইদুজ্জামান জানান, চতুর্থ চালানে ২০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন নিয়ে ভারতীয় রেলের ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস দুপুরে বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌছেছে। কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে ট্রেনটি বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড় সিরাজগঞ্জের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। বেনাপোল কাস্টম হাউসের রাজস্ব কর্মকর্তা সাইদুর রহমান জানান, অক্সিজেনবাহী ভারতীয় ট্রেনটি বেনাপোল বন্দরের রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে খালাস দেওয়া হয়েছে। এরপর ট্রেনটি গন্তব্যে রওনা দেয়।উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল ভারতের ৪৮০টি রাজ্যে তরল অক্সিজেন সরবরাহের জন্য ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস সেবাটি চালু করে ভারতীয় রেলওয়ে। ভারতে করোনা ও অক্সিজেন পরিস্থিতি উন্নত হওয়ায় বর্তমানে ওই ট্রেনে বাংলাদেশে অক্সিজেন পাঠানো হচ্ছে। এতে খরচ ও সময় দুটোই কমেছে। এর আগে ২০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন নিয়ে ২৪, ২৮ ও ৩০ জুলাই তিনটি ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস ট্রেন দেশে আসে। এ নিয়ে ট্রেনে করে চতুর্থবারের মত ভারত থেকে ৮০০ মেট্রিক টন তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন বাংলাদেশে এসেছে।

ফুলবাড়ীগেট ব্লাড ডোনার ক্লাবের উদ্যোগে ও অসহায় ছিন্নমুল মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ

ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি

ফুলবাড়ীগেট ব্লাড ডোনার ক্লাব এবং অক্সিজেন ব্যাংক এর  উদ্যোগে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায়, ছিন্নমুল মানুষের মাঝে ১ আগষ্ট রবিবার দুপুরে ফুলবাড়ীগেট বাজার চার রাস্তার মোড়ে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।  ফুলবাড়ীগেট ব্লাড ডোনার ক্লাব এবং অক্সিজেন ব্যাংক এর উদ্যোগে খাবার বিতরন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোঃ তাকিব, সাধারন সম্পাদক মোঃ মাসুদের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন কেসিসি ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ সাইফুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন এনামুল হাসান ডায়মন্ড, ও এমরান মীর বক্তৃতা করেন নিশাদ হাওলাদার , মোঃ আনিস, সালমান, স্বাধীন, মোহন, তুহিন, মেহেদি, তুহিন, আরাফাত, সিয়াম, মাসুম, মহিদুল, ইমন প্রমুখ । অনুষ্ঠান শেষে ছিন্নমুল অসহায় মানুষের মাঝে রান্নাকরা খাবার বিতরন করা হয় । উল্লেখ্য করোনা ভাইরাস এর শুরু থেকে কেসিসি ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মুকুলের সার্বিক সহযোগিতায় শ^াসকষ্টেজনিত রোগিদের জন্য অক্সিজেন সেবা সহ কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরন , স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনা মুলক প্রচারনা সহ  বিভিন্ন কর্মকান্ড করে আসছে ।

কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিবন্ধন ও ফ্রি মাস্ক বিতরণ অনুষ্ঠান

ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি

করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিবন্ধন ও ফ্রি মাস্ক বিতরণ অনুষ্ঠান খানজাহান আলী থানা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আনিসুর রহমানের সার্বিক সহযোগীতায় ১ আগষ্ট রবিবার বিকাল ৫ টায় যোগীপোল রেলগেইট সংলগ্ন অস্থায়ী কার্যালয়ে চেয়ারম্যান শেখ আনিসুর রহমানের পক্ষে মাস্ক বিতরণ করেন বেগ বাবর আলী। এ সময় তার সাথে ছিলেন ৩৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা আল আমিন ফকির, কুয়েট কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান, বেগ মুরাদ হোসেন, আলেক শেখ, বেলায়েত হোসেন, মুরাদ মোড়ল, বেগ রাশেদুজ্জামান সুমন, বেগ রাসেল, খান মোঃ জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন বিশ^াস, সাহেব আলী প্রমুখ।

বাগেরহাটে একদিনে এক লক্ষ ২২ হাজার টাকা জরিমানা, ১০ জনের কারাদন্ড

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

বাগেরহাটে শর্ত ভঙ্গ এবং লকডাউনের বিধি নিষেধ অমান্য করায় একদিনে ৬৮ জনকে এক লক্ষ ২২ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এই সময়ে বিভিন্ন মেয়াদে ১০ জনকে কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৩১ আগস্ট) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে এসব জরিমানা ও দন্ডাদেশ প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

এই নিয়ে লকডাউনের ৯ দিনে অর্থ্যাৎ ২৩ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই রাত পর্যন্ত বাগেরহাটে স্বাস্থ্য বিধি না মানায় এবং লকডাউনের শর্ত ভঙ্গ করায় ৫৪২টি মামলায় ৫৫৭ জনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এই সময়ে এদের কাছ থেকে চার লক্ষ ৬৭ হাজার ৩৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। একই সাথে ২১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ডাদেশও দিয়েছে আদালত।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ শাহিনুজ্জামান বলেন, করোনা সংক্রোমন প্রতিরোধে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। মানুষকে সচেতন করতে মাস্ক বিতরণ ও মাইকিং করা হচ্ছে। অষহায়দের বাড়ি বাড়ি খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেওয়া হচ্ছে। এসবের পরেও কিছু মানুষ ইচ্ছে করে স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করছে। যারা ইচ্ছে করে স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না এবং লকডাউনের শর্ত ভঙ্গ করছে তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় আনছি। এ জন্য প্রতিদিনই আমাদের ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হচ্ছে।

বাগেরহাটে  একদিনে আক্রান্ত ৮৯, মৃত্যু ৩

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

বাগেরহাটে  একদিনে ২৯৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ৮৯ জনের শরীরের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ে মারা গেছেন তিনজন। এই নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১২৫ জনের। জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৯৯৯ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৩৫১ জন। বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি হাসপাতাল ও বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫২৩ জন। রবিবার (০১ আগস্ট) দুপুরে বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কেএম হুমায়ুন কবির এসব তথ্য জানিয়েছেন।

২৪ ঘন্টায় আক্রান্তদের মধ্যে বাগেরহাট সদর উপজেলায় ২৪ জন, মোল্লাহাটে ২২, শরণখোলায় ১৫, মোংলায় ১০, ফকিরহাটে ৮, মোরেলগঞ্জে ৬, চিতলমারী ৩ এবং কচুয়ায় ১ জন রয়েছে।

বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, বাগেরহাটে গত ২৪ ঘন্টায় ২৯৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৮৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার দাড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে তিন জনের। এই অবস্থায় বাগেরহাটবাসীকে আরও বেশি সচেতন হওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

মহানগর পূজা পরিষদের অক্সিজেন ব্যাংকে আরও ৩টি অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান

খবর বিজ্ঞপ্তি

ভয়াবহ মহামারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত শ্বাসকষ্টজনিত রোগীদের জন্য মানবিক সহায়তা হিসেবে ফুলতলা উপজেলার ধোপাখোলা নিবাসী মোঃ শাহীন মোল্লা ও তাঁর সহধর্মিনী নার্গিস সুলতানা ১টি, আমেরিকা প্রবাসী উৎপলা অধিকারী টুম্পার পক্ষে সন্তু দে ১টি এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক ব্যক্তি ১টি মোট ৩টি অক্সিজেন সিলিন্ডার খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের অক্সিজেন ব্যাংকে রবিবার বেলা ১২টায় খুলনা বাজার কালী মন্দির প্রাঙ্গণে প্রদান করেন। মানবিকতার সাক্ষর রেখে অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান করায় এ সকল ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারবর্গকে মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেনÑবাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি শ্যামল হালদার, মোঃ শাহীন মোল্লার সহধর্মিনী নার্গিস সুলতানা, খুলনা মহানগর পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কু-ু, সম্মানিত উপদেষ্টা স্বপন কুমার সাহা, খুলনা বড় বাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহাগ দেওয়ান, মহানগর পূজা পরিষদের কোষাধ্যক্ষ রতন কুমার নাথ, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ, খুলনা মহানগর সভাপতি বিশ্বজিৎ দে মিঠু, সদর থানা পূজা পরিষদের সভাপতি বিকাশ কুমার সাহা, সোনাডাঙ্গা থানা সাধারণ সম্পাদক রামচন্দ্র পোদ্দার, বিশিষ্ট ধর্মানুরাগী, সমাজসেবক ও পূজা পরিষদ কার্যনির্বাহী সদস্য বাবলু বিশ্বাস, গৌরাঙ্গ সাহা, উজ্জল গাঙ্গুলী, সঞ্জিত দাস, সুশান্ত ব্যানার্জী, রাজদ্বীপ ঘোষ, কার্ত্তিক সাহা, তীর্থালোক সংঘ, খুলনার সাধারণ সম্পাদক স্বপন চক্রবর্ত্তী, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সম্পাদকম-লীর সদস্য উজ্জল ব্যানার্জী, ভবেশ সাহা, রূপন দে, সনৎ বকসি, উজ্জল রায়, অলোক দে, বাবু শীল, রবিন দাস, সজল দাস, রাজকুমার শীল, রাজু সাহা রাজন, দ্বিপ্র দাস, দিপ্ত বিশ্বাস, অন্তু দে প্রমুখ। মহামারী করোনা দুর্যোগে করোনা আক্রান্ত শ্বাসকষ্টজনিত রোগীদের জন্য বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখার অক্সিজেন ব্যাংক থেকে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিনামূল্যে অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়। করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি/পরিবার অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রাপ্তির জন্য মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি ০১৭১১-৮১৪২১২, সাধারণ সম্পাদক ০১৭১১-২৭৫০৩০, হঠলাইন ০১৭১১-০৬০৯১৮ ও ০১৭১১-৫৭৯৫৯১ নম্বরে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। একই সাথে কোনো সহৃদয় ব্যক্তি/পরিবার/প্রতিষ্ঠান এই করোনা দুর্যোগে অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ খাদ্য সহায়তা প্রদান করতে চাইলে কৃতজ্ঞতার সাথে গ্রহণ করা হবে।

ডুমুরিয়ায় একই মালিকের দুটি মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ: ২ লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি

ডুমুরিয়ায় এক মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করেছে দূর্বৃত্তরা। রবিবার রাতে উপজেলার মাগুরখালী ইউনিয়নের ঝরঝরিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,উপজেলার ঝরঝরিয়া এলাকার মৃত রাজেন্দ্রনাথ মন্ডলের ছেলে মৎস্য চাষী রবীন্দ্রনাথ মন্ডল ঝরঝরিয়া বিলে ৭ বিঘা নিজস্ব জমিতে বিশ বছর ধরে গলদা,বাগদাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মৎস্য চাষ করে আসছে। এমতবস্থায় ঘটনার রাতে কে বা কাহারা ওই দুটি মৎস্য ঘেরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিষ প্রয়োগ করে।এতে ঘেরে থাকা গলদা,বাগদা,সাদা মাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির মৎস্য মরে সাবাড় হয়ে যায়।যার আনুমানিক মূল্য ২ লক্ষাধিক টাকা বলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার জানিয়েছে।এ প্রসঙ্গে ওসি মোঃ ওবাইদুর রহমান বলেন,অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ডুমুরিয়ায় বসবাস যোগ্য ঘর পেয়ে খুশিতে আত্মহারা গৃহহীন পরিবার

এস রফিক,ডুমুরিয়া

ডুমুরিয়ায় মুজিব শতবর্ষে প্রধানমন্ত্রীর ্উপহার বসতঘর পেয়ে খুশিতে অত্মহারা গৃহহীন পরিবার।শনিবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবদুল ওয়াদুদ উপজেলা সদর ইউনিয়নে শেয়ারঘাটা আশ্রায়ণ-২ প্রকল্প পরিদর্শণ কালে ঘরপ্রাপ্ত পরিবার গুলি এ কথা জানান।্এ সময় সাজিয়াড়ার তোফাজ্জেল মোল্যা,মাজিদা বেগম, মেরিনা বেগম সহ অনেকে ঘর পেয়ে খুশিতে আত্মহারা এমনটি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।এসময় তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন,বসবাসরত ঘরগুলি খুবই মজবুত ও সুন্দর হয়েছে।এখন নিরাপদে বসবাস করতে পারবো আমরা।তারা আরও বলেন,এর আগে আমরা খালপাড়,ওয়াপদা,সড়কের পাশে এমনকি ঠিকানা বিহীন ভাবে বসবাস করে আসছিলাম।এখন আমরা স্থায়ী ঠিকানা ও বসবাস যোগ্য পাকাঘর পেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে সুখে আছি। নিচু এলাকাটি বালু ভরাট ্করে উচু রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। যে কারনে গফ্ফার সড়কের পাশে শেয়ারঘাটা খাল পাড়ে গডে ওঠা আশ্রায়ণ প্রকল্পটি দৃষ্টিনন্দন হয়েছে। প্রকল্প পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন কঠোর লকডাউনের মধ্যেও দিন-রাত পরিশ্রম ও কড়া নজরদারির মধ্যদিয়ে সকল আশ্রায়ণ প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে চালানো হচ্ছে,যাতে অতি শ্রীঘ্রই ছিন্নমুল পরিবারগুলি ঘর পেয়ে নিরাপদে বসবাস করতে পারে।

সাতক্ষীরায় করোনার উপসর্গ নিয়ে ৩ জনের মৃত্যু

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা ডেডিকেটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে, ভাইরাসটির উপসর্গ নিয়ে আজ পর্যন্ত মারা গেছেন মোট ৫৪৫ জন। আর আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৮৫ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ২৯৭ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে ৮২ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। যা শনাক্তের হার ২৭ দশমিক ৬১ শতাংশ। জেলায় আজ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৬৭৩ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৪৫২ জন।

এদিকে, চলমান কঠোর লকডাউনের দশম দিনে সাতক্ষীরার প্রতিটি সড়কে বেড়েছে জনসমাগম। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বাধা উপেক্ষা করে নানা অজুহাতে মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন। হাট বাজার গুলোতেও মানুষের ভিড় লক্ষনীয়। অনেকেই মাস্ক না পরেই কেনাকাটা করছেন। মানা হচ্ছেনা তেমন কোন স্বাস্থ্যবিধি। যদিও আইনশৃখংলাবাহিনীর সদস্যরা মোড়ে মোড়ে চেক পোষ্ট বসিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করছেন। শহরের অধিকাংশ দোকান আংশিক খোলা রেখে বেচা কেনা করছেন। সকালে সাতক্ষীরা থেকে ঢাকাগামী দূরপাল্লার অনেক পরিবহন ছেড়ে গেছে। তবে, আঞ্চলিক সড়কে যাত্রীবাহী বাস চলাচলে বাধা দিচ্ছেন পুলিশ। এর ফলে বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা। সড়কে চলছে ব্যাক্তিগত যানবাহন, ত্রি-হুইলার, মোটর সাইকেল, ইজিবাইক ও ভ্যান। খোলা রয়েছে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির জানান, লকডাউনের বিধি নিষেধ ভঙ্গ করায় জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৮ টি ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৩০ টি মামলায় ৪২ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। তিনি এ সময় জেলার সর্বসাধারনকে সরকারের দেয়া লকডাউনের বিধি নিষেধ মেনে চলার আহবান জানান।

পাইকগাছার ইউপি চেয়ারম্যারনর শয্যাপাশে জেলা আলীগ সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য বাবু

খবর বিজ্ঞপ্তি

শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে খুলনা মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পাইকগাছার কপিলমুনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আলীগ নেতা কওছার আলী জোয়ার্দারকে দেখতে গত রবিবার হাসপাতালে যান খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ সুজিত অধিকারী এবং খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু। এ সময় নেতৃবৃন্দ তাদের শয্যাপাশে কিছু সময় অবস্থান করেন ও কর্তব্যরত চিকিৎসকের কাছে তার চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন এবং আশু-সুস্থতা কামনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোজাফফার মোল্লা, খুলনা জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবু, জেলা যুবলীগ নেতা শামীম সরকার, হারুন আর রশীদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শেখ রেজাউল ইসলাম রেজা, ছাত্রলীগ নেতা এএইচএম কামাল, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, ছাত্রলীগ নেতা শেখমোঃ শাকিল, শিমুল দেবনাথ, মনিশংকর মন্ডল, নজির আহম্মেদ, রবিউল ইসলাম টিটু, রাজিব সরকার রাহুল প্রমুখ।

দেবহাটা গাজীরহাট মৎস্য সেডে রপ্তানি শিল্প চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ বিরোধী অভিযানে

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা

দেবহাটা গাজীরহাট মৎস্য সেডে রপ্তানি শিল্প চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ বিরোধী অভিযানে কয়েক জন ব্যবসায়ীর মাছ বিনষ্ট ও জরিমানা করা হয়েছে। রবিবার (১ আগষ্ট) সকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাপ্পি দত্ত রনি এ অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় গাজীরহাট মৎস্য সেডের ৩ জন ব্যবসায়ীর ৩০কেজি মাছ বিনষ্ট ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন তিনি।

অভিযানে মৎস্য ব্যবসায়ী বাবলুর ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও ৭ কেজি মাছ বিনষ্ট, হাসানের ১০হাজার টাকা জরিমানা ও ১৩ কেজি মাছ বিনষ্ট এবং আল আমিনের ১৫ হাজার টাকা জরিমানা ও ১০ কেজি মাছ বিনষ্ট করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা কালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাপ্পি দত্ত রনি ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে বলেন, এ অভিযান অব্যহত থাকবে। কোন ব্যবসায়ী মাছে অপদ্রব্য পুশ করলে আরো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খুলনা জেলায় করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছেন সাত হাজার ছয়শত ১৫ জন

তথ্য বিবরণী

খুলনা জেলায় রবিবার সাত হাজার ছয়শত ১৫ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। যার মধ্যে পুরুষ চার হাজার ৯০ এবং মহিলা তিন হাজার পাঁচশত ২৬ জন। এ পর্যন্ত ৭৩ হাজার আটশত ১৪ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় তিন হাজার চারশত ৩০ জন এবং নয়টি উপজেলায় মোট চার হাজার একশত ৮৫ জন করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। উপজেলাগুলোর মধ্যে দাকোপে ছয়শত ৯৯ জন, বটিয়াঘাটা দুইশত ৭৮ জন, দিঘলিয়ায় তিনশত ১০ জন, ডুমুরিয়ায় পাঁচশত ১২ জন, ফুলতলায় চারশত ২০ জন, কয়রায় আটশত ৬০ জন, পাইকগাছায় চারশত ১৬ জন, রূপসায় চারশত ২৮ জন এবং তেরখাদায় দুইশত ৬২ জন টিকা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনশত ৩২ জন এবং সদর হাসপাতালে একশত ৮৯ জন করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেন। খুলনা সিভিল সার্জন দপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসকল তথ্য জানানো হয়েছে।

খুলনা বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা বিতরণ

তথ্য বিবরণী

খুলনা বিভাগের মাগুরা জেলাসহ বিভিন্ন জেলায় করোনায় কর্মহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা বিতরণ করা হয়। মাগুরা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তরের উদ্যোগে রবিবার একশত উপকারভোগীর মাঝে একশত প্যাকেট শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়। খুলনা বিভাগের অন্যান্য জেলাগুলোতে অনুরূপ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

সরকারের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তে ভয়াবহ রুপ নিয়েছে করোনা: মঞ্জু

খবর বিজ্ঞপ্তি

কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, সরকারের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের কারনে ভয়াবহ রুপ নিয়েছে করোনা। এবারের লকডাউন সবচেয়ে কঠোর হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। অথচ ব্যবসায়ীদের অনুরোধে ১ আগস্ট শিল্পকারখানা চালুর অনুমতি দিয়েছে। লকডাউনের মাঝপথে এমন সিদ্ধান্ত সবাইকেই হতবাক করেছে। একদিনেই কীভাবে লাখ লাখ মানুষ ঢাকায় ফিরবে, সে বিষয়টি সরকার ভাবেনি। সরকার, বিজিএমইএ কিংবা কারখানা কর্তৃপক্ষ কেউই শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফেরার যানবাহনের ব্যবস্থা করেনি। উল্টো সময়মতো কাজে না ফিরলে ব্যবস্থা নেওয়ার হুশিয়ারি দিয়েছে। এমন পরিস্থিতে ঢাকায় ফিরতে মরিয়া দেখা গেছে পোশাক শ্রমিকদের। দিনভর পথে পথে দুর্ভোগকে সঙ্গী করে ঢাকায় ফিরেছেন শ্রমিকরা। তাহলে লকডাউনের অর্থ কী? সরকারের খামখেয়ালি সিদ্ধান্ত লকডাউনের সুফল শেষ করে দিয়েছে। লকডাউনের দুই সপ্তাহ পর যে সুফল পাওয়া যেত, তা বিফলে গেলো। ফেরি ও বিভিন্ন যানে গাদাগাদি করে কর্মস্থলে ফেরার মাধ্যমে করোনা সংক্রমণ আরও বাড়বে। রবিবার (০১ আগস্ট) দুপুরে নগরীর সদর থানার ২১নং ওয়ার্ডে লকডাউনে কর্মহীন ক্ষুধার্ত সোয়া ৩শ মানুষের মাঝে মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে রান্না খাবার বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জু আরও বলেন, একটি পক্ষকে সুবিধা দিতেই এমন আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কে কত লবিং করতে পারেন তার ওপর সরকার সিদ্ধান্ত নেয়। কারখানা বন্ধ থাকলে অনেক ক্ষতি হবেÑএমন যুক্তি দেখিয়েছে বিজিএমইএ। একই যুক্তি তো দোকান মালিকদের আছে, ছাত্র-ছাত্রীদেরও আছে। অন্য কারও দাবি তো সরকার কানে নেয়নি। ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট সারাদেশে ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরিকল্পিত লকডাউনে জনগণের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। দিন আনে দিন খাওয়া মানুষগুলোকে খাদ্য সহায়তা এবং আর্থিক সহায়তা ব্যতীত লকডাউন কখনো কার্যকর হয় না। অযোগ্যতা, দুর্নীতি পরায়ণতা এবং আন্তরিকতার অভাবে আত্মহননকারী সিদ্ধান্ত সরকার গ্রহণ করছে। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চরম ব্যর্থতার জন্য সকল দায় নিয়ে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা জাফরুল্লাহ খান সাচ্চু, শাহজালাল বাবলু, আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, চেীধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, মিজানুর রহমান মিলটন, আবু সাঈদ শেখ, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, আসলাম হোসেন, আলমগীর ব্যাপারী, রফিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম শফি, জামাল মোড়ল, আলতাফ হোসেন, হাসান আলী বাবু, ইমাদুল ইসলাম, ফিরোজ আহমেদ, সাকাওয়াত হোসেন, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, শামীম খান, আসাদুজ্জামান মিঠু, সাজ্জাত হোসেন জিতু, মিলন শিকদার, ফারুক হোসেন, রবিউল ইসলাম রবি, আব্দুল াাহাদ শাহীন, মোস্তাহিদুল হক দিহান, রুবেল জমাদ্দার, দেলোয়ার হোসেন, মেহেদী মোল্লা, সেলিম বড়মিয়া, তালেব মোল্লা, আ. সাত্তার, আরিফ আলম, তুহিন ইসলাম, মাসুদ রুমী, আলী মোল্লা, মিলন হাওলাদার, খন্দকার মহসিন, মো. রাফি, সুমন মাতুব্বর, মানিক মোল্লা, জাহিদুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, সোহেল আকন প্রমূখ।

যশোরের শার্শায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত প্রণোদনা এসএমই ঋণ বিতরণের শুভ উদ্বোধন

বেনাপোল প্রতিনিধি

যশোরের শার্শা উপজেলায় কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্র¯ত পল্লী উদ্যোক্তাদের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত প্রণোদনা এসএমই ঋণ বিতরণের শুভ উদ্বোধন করেন সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন। রবিবার বিকেলে উপজেলা কমপ্লেক্সে অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

পল্লীর শুভদিন, বিআরডিবি দিচ্ছে এসএমই ঋণ এবং বিআরডিবি থেকে এসএমই ঋণ নিন, দেশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে অবদান রাখুন, এই স্লোগানকে সামনে রেখে উপজেলা প্রশাসনের সমন্নয়ে বিআরডিবি উপজেলার প্রাšিতক কৃষক ও কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্র¯ত অসহায় মানুষের মাঝে বিভিন্ন প্রণোদনা সহায়তা প্রদান করা হয়। প্রণোদনার মধ্যে ছিলো বিআরডিবি কর্তৃক ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্পউদ্যোক্তাদের মাঝে নগদ ৩১ লক্ষ টাকা ঋণ প্রদান, উপজেলা কতৃক সেলাই মেশিন, সিলিং ফ্যান, হুইল চেয়ার, কৃষি যন্ত্রাংশ, বাইসাইকেল ও ক্রীয়া সামগ্রীসহ অন্যান্য উপকরণ।

শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সিরাজুল হক মঞ্জু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া ফেরদৌস, যশোর জেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা কামরুজ্জামান, যশোর জেলা পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ ইব্রাহীম খলিল, শার্শা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদরুল আলম, উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে ৬ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

বেনাপোল প্রতিনিধি

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বেনাপোল কাস্টমস হাউসের জন্য চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে ৬ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। রোববার সকালে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাস্টমস অতিরিক্ত কমিশনার ড. নেয়ামুল ইসলাম। এদিকে এর আগের ২০২০-২১ অর্থবছরে বেনাপোল বন্দরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ হাজার ২৪৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা। অর্থবছর শেষে আদায় হয়েছে ৪ হাজার ১৪৩ কোটি টাকা। বছরটিতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ঘাটতি ছিল ২ হাজার ৫৭ কোটি টাকা কম হলেও। রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি ছিল ৫৭% শতাংশ যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

এছাড়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ঘাটতি ছিল ৩ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ঘাটতি ১১৪৫ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ তে ঘাটতি ১৭৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। ২০১৬-১৭ তে বেশি আদায় হয়েছিল ৪৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ঘাটতি ২০৩ কোটি টাকা।

ব্যাবসায়ীরা জানান, চলতি বছরে করোনা মহামারির কারনে এত বড় অংকের লক্ষ্যমাত্রা আদায় না হওয়ার সম্ভবনা বেশি। তবে রাজস্ব আয় বাড়াতে হলে বাণিজ্য সম্প্রসারণে বন্দরের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন করতে হবে। তা না হলে কখনো এত বড় অংকের রাজস্ব আদায় সম্ভব হবে না।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, চলতি অর্থবছরে এত বড় অংকের রাজস্ব আদায় কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। কারণ একদিকে করোনা পরিস্থিতি ও অন্যদিকে সুষ্ঠুভাবে বাণিজ্য সম্পাদনে বন্দরে অবকাঠামো উন্নয়ন না হওয়ায় ক্ষোভ রয়েছে ব্যবসায়ীদের। ভারতীয় ব্যবসায়ীরাও বেনাপোল বন্দরের অব্যবস্থাপনা নিয়ে অনেকবার বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়ে বাণিজ্য বন্ধ করেছেন। তবে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হলে এ বন্দর থেকে লক্ষ্যমাত্রার দ্বিগুণ রাজস্ব আয় কাস্টমসের পক্ষে সম্ভব।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার মো: অজিজুর রহমান জানান, আমদানি বাণিজ্যের ক্ষত্রে বন্দরে পর্যাপ্ত সুবিধা না থাকায় বাণিজ্য সম্প্রসারণ হচ্ছে না। ফলে কয়েক বছর ধরে রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা ছিল অনিশ্চিত। আমদানির চাহিদা বাড়লেও ৫ বছর আগে প্রতিদিন যে পরিমাণ পণ্য আমদানি হতো এখনও সে পরিমাণ জায়গাতে রয়েছে বন্দর। আমদানি পণ্য প্রবেশের ক্ষেত্রে বন্দরে রা¯তার সংকীর্ণতা রয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীরা চাহিদা মত পণ্য আমদানি করতে পাছেন না। বার বার বন্দর কর্তৃপক্ষকে অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে বলা হলেও তাদের অনিহার রয়েছে। যদি চাহিদা মতো সব ধরনের উন্নয়ন করা হয় তাহলে আমদানির পাশাপাশি রাজস্ব আয় হবে বেশি।

নড়াইলে শসা-খিরাই চাষে বহুল পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতা

মোঃ আবু তাহের, নড়াইল

নড়াইলের সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের তারাপুর গ্রামের এক কৃষকের ভাগ্য বদলে দিয়েছে শসা এবং খিরাই চাষ। এখন আর্থিক সচ্ছলতা এসেছে ছাদেকের পরিবারে। কুঁড়েঘরের পরিবর্তে হয়েছে সেমিপাকা ঘর। দুই ছেলের পড়াশোনার খরচ জোগাতে তার চিন্তা করতে হয় না। মেয়েটার বিয়ে দিয়েছেন ধুমধাম করে। সব মিলিয়ে এক সুখী পরিবারের গল্প।

কৃষক ছাদেক হোসেন বললেন, আমার শ্বশুরবাড়ি মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী গ্রামে। সেখানে শ্বশুরসহ অনেকেই শসা-খিরাই চাষ করেন। তা দেখে আমার মধ্যে আগ্রহ জন্মায়। তাঁদের কাছ থেকে শসা-খিরাই চাষের খুটিনাটি শিখে আসি। সেটা বছর পাঁচেক আগের কথা। তখন আমার দুর্দিন ছিল। এখন আমার সুখের সংসার। আমার দেখাদেখি এলাকার অনেকেই শসা-খিরাই চাষ শুরু করেন। তাঁদের সংসারেও সচ্ছলতা এসেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,কলোড়া এবং পাশ্ববর্তী শিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের ২০টি গ্রামের প্রায় এক হাজার পরিবারের ভাগ্য বদলে দিয়েছে এই শসা-খিরাই চাষ। গ্রামগুলো এখন রীতিমত শসা-খিরাই পল্লী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তারাপুর, আগদিয়া, বনখলিশাখালি, চাকই, রঘুনাথপুর, সহ কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে মাঠের পর মাঠ শসা-খিরাইয়ের খেত। চাষিরা খেত থেকে শসা-খিরাই তোলার কাজে ব্যস্ত। অনেক স্থানে চাষীদের স্ত্রী-সন্তানকেও শসা-খিরাই খেতের কাজে দেখা গেছে। শসা-খিরাই পল্লী এখন রীতিমতো শসা-খিরাই কেনাবেচার ধুম চলছে। নড়াইল-পিরোলী ভায়া গোবরা, নড়াইল-বিছালী ভায়া আগদিয়া সড়কের দুই পাশে শসা-খিরাই রেখে পাইকারি দরে কেনাবেচা চলছে। ১২  থেকে ১৫টি স্থানে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী বাজার। বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যাপারী এসে এসব শসা-খিরাই কিনছেন। পাঠাচ্ছেন ঢাকা, খুলনাসহ বিভিন্ন জেলায়। যশোরের বাঘারপাড়ার ব্যাপারী বেলায়েত হোসেন বলেন, গত বছরও এই শসা-খিরাই পল্লীতে প্রতিদিন এক থেকে দেড় হাজার মণ শসা-খিরাই কেনাবেচা হয়েছে। করোনার উপসর্গ দেখা দিলেও এবার তার চেয়ে ফলন অনেক বেশি হয়েছে। এ মৌসুমের শুরুর দিকে প্রতি মণ শসা-খিরাই ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে এ বছর জেলায় ১৫০ হেক্টর জমিতে শসা ও খিরাইয়ের চাষ হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে ১০ হেক্টর বেশি। এখন এগুলো বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে। সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন বলেন, শসা-খিরাই চাষের পাশাপাশি নানা ধরণের মৌসুমি সবজিও চাষ করে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন।

নড়াইল কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক দীপক কুমার রায় বলেন, আমাদের দক্ষিণাঞ্চলের মাটি এবং জমির শ্রেণি শসা-খিরাই চাষের জন্য উত্তম। আর কিছুদির পর শীত মৌসুম শুরু হলে শীতকালীণ সবজি চাষ করবেন। তিনি বলেন, একজন কৃষক ৩৩ শতকের এক বিঘা জমিতে ৭৫ থেকে ৮০ দিনের ফসল চাষ করে খরচ বাদে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা লাভ করেন।

খুলনায় কর্মহীন মটর শ্রমিকদের মধ্যে ব্যক্তি উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া খুলনা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের (১১১৪) সদস্যদের মধ্যে নিজস্ব উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন ইউনিয়নের আসন্ন নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী মোঃ মনোয়ার হোসেন মনা। রোববার (০১ আগষ্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর ডাকবাংলা মাহিন্দ্রা স্ট্যান্ড চত্বরে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় কয়েকশ শ্রমিককে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়। খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিল জনপ্রতি ৫ কেজি চাল, আধা কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, এক কেজি পিঁয়াজ, আধা লিটার তেল, আধা কেজি লবণ, ১টি সাবান, এক প্যাকেট হুইল পাউডার ইত্যাদি। খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন- শ্রমিক নেতা মাসুদুর রহমান, আলী আহমেদ, মোঃ মতিয়ার রহমান, মো. কামাল হোসেন, আব্দুল কাদের, রাজু মৃর্ধা, মোঃ রিয়াজ মীর, মোঃ শুকুর আলী, মোঃ আব্দুল জব্বার, মোঃ মিজানুর রহমান, ওয়াহিদ মুরাদ গুড্ডু, মোঃ নূরুল ইসলাম, ওয়াহিদুজ্জামান খোকন প্রমূখ।

ফকিরহাটের মাসকাটা সরকারী খাল নেট-জাল-পাটা দিয়ে দখল চাষিকুলে পোয়া বারো,দেখার কেউ নেই

পি কে অলোক, ফকিরহাট

বাগেরহাটের ফকিরহাটের মাসকাটা সাবপ্রজেক্ট সরকারী খালে শতশত ব্যক্তি অবৈধ ভাবে জাল-পাটা কুমোর নাগানী ও ভেড়ীবাঁধ দিয়ে খাল গুলি ঘিরে মাছ ধরার নামে পানি নিস্কাশনে চরম বাঁধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ফলে চলতি বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষনে উপরে জমে থাকা বিপুল পরিমানে পানি নিচেই নামতে না পেরে স্থায়ী জলাবদ্ধতা থেকে তা এখন বন্যার রুপ ধারন করতে শুরু করেছে। উপজেলা প্রশাসন অবৈধ ভাবে জাল-পাটা কুমোর নাগানী ও ভেড়ীবাঁধ দেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত কোন পদক্ষেপ গ্রহন না করায় অর্ধশতাধিক বিলের মৎস্য ঘের জমির ফসল ক্ষেত ও বাড়ির আঙ্গিনা তলিয়ে তাঁরা এখন পথে বসার উপত্রম হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন না করলে বন্যার রুপ চরম থেকে চরম আকারে পৌঁছানোর আশাংকা করা হচ্ছে।

সরেজমিনে অনুসন্ধ্যানে গিয়ে জানা গেছে, উপজেলার পিলজংগ ইউনিয়নের পিলজংগ শ্যামবাগাত টাউন নওয়াপাড়া, বাগেরহাট সদরের রাখালগাছি ইউনিয়নের রাখালগাছি সুনগর পাইকপাড়া বড়পাইকপাড়া, নবাবপুর সোনাডাঙ্গা চুলকাটি, বেতাগা ইউনিয়নের মাসকাটা ধনপোতা চাকুলী, লখপুর ইউনিয়নের লখপুর ভট্টেখামার জাড়িয়া জাড়িয়া মাইটকুরা ভবনা এলাকার উপরে জমে থাকা বৃষ্টির সকল পানি এই মাসকাটা-ধনপোতা সাবপ্রজেক্ট সরকারী খাল হয়ে যুগীখালী নদীর উপর দিয়ে ৬গেট অতিক্রম করে পানিটি রুপসার ভৈরব নদীতে গিয়ে মিশে পড়ে। সেই হিসাবে মাসকাটা-ধনপোতা সাবপ্রজেক্ট সরকারী খালটি সকল মানুষের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলের প্রায় অধিকাংশ ধান ও মৎস্য চাষিরা এই খালের উপর নিভরশীল হয়ে তাদের জমিতে চাষাবাদ করে থাকেন। কিন্তু বছরের পর বছর সেই খালে শতাধিক ব্যক্তি অবৈধ ভাবে জাল-পাটা কুমোর নাগানী ও ভেড়ীবাধ দিয়ে ঘিরে মাছ ধরার কাজ করে আসছে। যে কারনে প্রবল বর্ষনে উপরে জমে থাকা বিপুল পরিমানে পানি নিচেই নামতে না পারায় স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এই খালটি ৬/৭টি ইউনিয়নে বসবাসকারিদের কাছে খুব মুল্যবান হলেও করার কিছু নেই। কারণ গুটি কয়েকজন ব্যক্তি সেই খালের ৪০/৪৫ এমনকি কোন কোন স্থানে (জোলা খালে) ২০/২৫হাত অন্তর অন্তর অবৈধ ভাবে জাল-পাটা কুমোর ও কোন কোন স্থানে ভেড়ীবাঁধ দিয়ে ঘিরে সেখানে মাছ ধরা বা মাছ চাষের কাজ করেই চলছে। আর এই মাছ ধরার কাজ করায় ঘের ও জমির মালিকরা পড়েছেন মহাবিপাকে। তাঁরা বিভিন্ন সময়ে জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে উপজেলা প্রশাসনের কাছে শতশত নালিশ করেও কোন সুফল পাইনী। এ অবস্থায় তাঁরা দখলকারিদের কাছে এক প্রকার জিন্মি হয়ে পড়েছেন।

লখপুরের ভবনা গ্রামের ইউসুপ আলী, নজরুল ইসলাম. দাউদ গাজী, মিরাজুল ইসলাম, এলাহী শেখ, হিরন আলী ও জালাল শেখ সহ একাধিক ব্যক্তিরা অভিযোগ করে বলেন মাসকাটা সরকারী খাল সহ তার ছোট্ট ছোট্ট জোলা খাল গুলিতে ১০/২০হাত অন্তর অন্তর ভেশাল নাগানী কুমোর ও জাল-পাটা দেওয়া হয়েছে, যে খেওলা জাল দিয়ে মাছ ধরা যায়না। দখলকারিরা পানি নিচেই বিশাল বিশাল কুমোর জাল-পাটা ও নেট দিয়ে ঘিরে চারো বচনো দোয়োড় পেতে রেখেছে। জাল-পাটা নেট ও কুমোরে ছেদলা পড়ে পানি সরবরাহ হতে পারেনা। যে কারনে খালে স্রোত থাকলেও তা সহজে নিচেই সরবরাহ হতে না পেরে খাল বিল ও ঘেরে পানি জমে থাকছে। তারা আরো অভিযোগ করে বলেন, বেতাগা ইউনিয়নের মাসকাটা গ্রামের আলোমগীর মোড়ল, হুমায়ুন মোড়ল, আরিফ হোসেন, আলামিন শেখ, মনিরুজ্জামান মনি, বিল্লাল হোসেন, লুৎফার রহমান ও মুজাহিদ সহ শতাধিক ব্যক্তিরা মাসকাটা খালে জাল-পাটা নেট ও কুমোর দিয়ে খালটি ঘিরে সেখানে মাছ ধরার নামে পানি নিস্কাশনে চরম বাঁধা সৃষ্টি করছে। বছরের পর বছর ধরে একই ব্যক্তিরা একই স্থানে অবৈধ ভাবে সরকারী খাল দখল করে নেট জাল পাটা দিলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন না করায় বিল গুলিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতা এখন চরম আকার ধারন করেছে।

স্থানীয়রা বলেছেন, সকলেই ৬গেটের উপরে রেল বিভাগ কর্তৃক দেওয়া বাঁধ কাটার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। কিন্তু সেই বাঁধ কাটালে কি লখপুর বেতাগা পিলজংগ ও রাখালগাছি ইউনিয়নের জমে থাকা সকল পানি নিস্কাশন হবে। কারণ মাসকাটা সরকারী খালে যে ভাবে নেটজাল পাটা কুমোর দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে তাতে মনেই হয়না। তারা আরো বলেছেন উপরে জমে থাকা সকল পানি সরবরাহ করতে হলে আগে বেতাগা ইউনিয়নের মাসকাটা সরকারী খালের আগা হতে গোড়া পর্যন্ত ও তার ছোট্ট ছোট্ট জোলা গুলি হতে নেট পাটা জাল কুমোর ও ভেশাল উঠিয়ে না ফেললে পানি নিস্কাশন হবে না। লখপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড সদস্য শেখ আরিদ হোসেন, ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ বজলুর রহমান মোড়ল ও ৭নং ওয়ার্ড সদস্য হারুনার রশিদ বলেন বছরের পর বছর ঐ সরকারী খালে একই ব্যক্তিরা একই স্থানেটিকে ঘিরে মাছ ধরার কাজ করলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়না। এছাড়াও যুগীখালী নদীর উপরী অংশ হতেও সকল অবৈধ জালপাটা নেট কুমোর উচ্ছেদ করারও দাবী তুলেছেন স্থানীয়রা। এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা বেগমের সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, আমি স্বঃস্বঃ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের এ বিষয়টি অবগত করে যাহাতে দ্রুত খাল গুলি হতে জাল-পাটা নেট ভেশাল ও কুমোর উচ্ছেদ করা যায় সে ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহন করবেনও তিনি জানান।

খুলনার জিরোপয়েন্টে ৮টি দোকান ভাঙচুর ও লুটের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনার লবণচরা থানাধীন জিরোপয়েন্ট এলাকার রূপসা ব্রীজ রোডে কাদের সাহেবের মার্কেটের পাশে ৮টি দোকান ভাঙচুর, মালামাল ক্ষতি ও লুটের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি গত শুক্রবার (৩০ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ৮-১০জন মিলে তাদের ৮টি দোকান ভেঙে প্রায় দেড় লাখ টাকার মালামাল ক্ষতি ও লুট করেছে। এবিষয়ে লবণচরা থানায় রোববার (১ আগস্ট) একটি মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, কাদের সাহেবের মার্কেটের পাশে মোঃ রেজাউল ইসলাম লালু, তৌহিদুল সরদার, মোঃ মানিক, জেসমিন বেগম, হীরা ও খোকন হাওলাদারের দোকানসহ মোট ৮টি দোকানে ভাঙচুর ও মালামাল লুট করে জিরোপয়েন্টের কান্তা সুপার মার্কেটের পিছনে বসবাসরত মৃত. ফহম উদ্দিন মোল্লার দুই ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম ও মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, আমজাদ গাজীর ছেলে মোঃ আজগর ও মোঃ মানিকসহ অজ্ঞাত ৮ থেকে ১০ জন। এসময় মোঃ শহিদুল ইসলাম অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি প্রদর্শণ করে বলে অভিযোগ করা হয়। জিরোপয়েন্ট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ রায় অভি এ ঘটনার শুষ্ঠু বিচার ও সেই সাথে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদারদের ক্ষতিপূরণের দাবি জানান। এ বিষয়ে লবণচরা থানার ওসি সমীর কুমার সরকার বলেন, দোকান ভাঙচুরের ঘটনায় আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

করোনার সংক্রমণ রোধে সংবাদকর্মীদের মাঝে কেইউজের মাস্ক বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সংবাদকর্মীদের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী মাস্ক বিতরণ করেছেন খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে) এর নেতৃবৃন্দ। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও খুলনা জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহযোগিতায় গতকাল রবিবার রাতে বিভিন্ন পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলের প্রতিনিধিদের কাছে এ মাস্ক বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়নের সভাপতি মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, যুগ্ম সম্পাদক নেয়ামুল হোসেন কচি, দপ্তর সম্পাদক জয়নাল ফরাজী, প্রচার ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নূর হাসান জনি, নির্বাহী সদস্য বিমল সাহা, সদস্য আহমদ আলী খান, অরুণ সাহা, অমিয় কান্তি পাল, মোঃ সাহেব আলী, আসিফ আলতাফ, গাজী মনিরুজ্জামান, দেবব্রত রায়, মিলন হোসেন, সুমন আহমেদ, এস এম বাহাউদ্দিন, দিলীপ পাল, কাজী ফজলে রাব্বী শান্ত, হেলাল মোল্লা প্রমুখ।

গলায় চাপাতি ধরে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ধর্ষণ

মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরার মহম্মদপুরে গলায় চাপাতি ধরে ভয় দেখিয়ে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত ব্যক্তি হলেন বাবর আলী ওরফে বাবু মোল্যা। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। বাবু মোল্যা গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত সিদ্দিক মোল্যার ছেলে। এ ঘটনায় ধর্ষণকৃত ওই নারীর দায়ের করা মামলায়  রোববার তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই নারী রাতের খাবার খেয়ে নিজের ঘরে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ অবস্থায় টিনের বেড়া কেটে বাবু ও তার এক সহযোগীকে নিয়ে ওই নারীর রুমে সুকৌশলে প্রবেশ করে। পরে দেশীয় অস্ত্র চাপাতি গলায় ধরে ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় ওই নারীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে বাবুকে আটক করে এবং অন্যজন পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠায়। এ ঘটনায় ওই নারী বাদী হয়ে মহম্মদপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন। মহম্মদপুর থানার ওসি নাসির উদ্দিন যুগান্তরকে জানান, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। বাবু নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযুক্ত আরেকজনকে আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে ।

করোনায় মাগুরা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক সুজার মৃত্যু

 মাগুরা প্রতিনিধি

করোনা আক্রান্ত হয়ে মাগুরা জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাসান সিরাজ সুজা রোববার বিকালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর।

অ্যাডভোকেট হাসান সিরাজ সুজা ৪ জুলাই থেকে ঢাকার মহাখালী ডিএনসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রোববার বিকাল ৫টার দিকে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। তিনি স্ত্রী, দুই পুত্রসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী ছাত্রলীগ মাগুরা মহকুমা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক পরবর্তীতে মাগুরা জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি মাগুরা জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

তার মৃত্যুতে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর, ডক্টর বীরেন শিকদার, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ কু-ু, জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য জাহিদুল আলম, জেলা জাসদ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অহিদুর রহমান ফণি, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মীর মেহেদি হাসান রুবেল, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রাশেদ মাহমুদ শাহিনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক দলের নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।

লাশ মাগুরা পৌঁছানোর পর সোমবার স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

মাথার চুল তুলে ফেলে স্ত্রীকে তিন তালাক দিল স্বামী

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে স্ত্রীর মাথার চুল টেনে তুলে মুখে তিন তালাক দিয়েছেন স্বামী। জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চর মহেন্দ্রপুর গ্রামে গত শুক্রবার এ ঘটনা ঘটে। শনিবার রাতে অসুস্থ স্ত্রী মাহফুজা খাতুনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন তার বাবা সাহেব আলী। নির্যাতনকারী স্বামী জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চড় মহেন্দ্রপুর গ্রামের মৃত ময়না শেখের ছেলে আলিম শেখ (৪০)।  নির্যাতনের শিকার দুই সন্তানের জননী মাহফুজা খাতুন জানান, টিউবওয়েল মেরামত করাকে কেন্দ্র করে তার স্বামী সাহেব আলী তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করলে সে প্রতিবাদ করে। তখন তার স্বামী ক্ষিপ্ত হয়ে মুখে তিন তালাক দিয়ে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতে থাকে। সে সময় তার চুলের মুঠো ধরে টানাহেঁচড়া করে তার স্বামী; তখন পরিবারের অন্যরা এসে তাকে উদ্ধার করেন। তিনি জানান, পরবর্তীতে তিনি দেখেন তার মাথার চুল গোড়া থেকে উপরে তার স্বামীর হাতে রয়ে গেছে। তিনি আরও জানান ১ মাস পূর্বে তার স্বামী কাঁচি দিয়ে তার মাথার বেশ কিছু চুল কেটে নেয়। যে কারণে তিনি বাবার বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ব্র্যাক এনজিওর মাধ্যমে তার স্বামী তাকে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

খুলনা বিভাগে মৃত্যু ও শনাক্ত বেড়েছে

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে; একই সময়ে নতুন করে ৮৮০ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

রোববার দুপুর পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়ায়। বাকিদের মধ্যে যশোরে সাত, খুলনায় ও ঝিনাইদহে পাঁচজন করে, বাগেরহাটে তিন, নড়াইলে ও চুয়াডাঙ্গায় দুজন করে মারা গেছেন। এর আগে শনিবার বিভাগে ১৯ জনের মৃত্যু এবং ৫৭১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। রোববার বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, এ পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৯৩ হাজার ৮১২ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন দুই হাজার ৪২৮ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭০ হাজার ৯৫ জন। খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ।

৩৩৩ নম্বরে ফোন শতবর্ষী বৃদ্ধের, খাদ্যসামগ্রী নিয়ে হাজির ইউএনও

 চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

ঘরে খাবার না থাকায় জরুরি সেবা ৩৩৩ নম্বরে ফোন করে সহায়তা চান মল্লিক ম-ল নামে শতবর্ষী এক বৃদ্ধ। ফোন পেয়ে ঘরের দোরগোড়ায় খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। ঘটনাটি ঘটেছে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ গ্রামে। মৃত ফকিরচাঁদ ম-লের ছেলে ১০২ বছর বয়সি মো. মল্লিক ম-ল খাদ্য সহায়তা চেয়ে জরুরি সেবা ৩৩৩ নম্বরে ফোন করেন। এর পর খাদ্যসামগ্রী নিয়ে তার বাসায় হাজির হন জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহিউদ্দীন। সহায়তা হাতে পেয়ে শতবর্ষী মল্লিক ম-ল আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। ইউএনও জানান, জরুরি সেবায় কলের ভিত্তিতে সহায়তা দেওয়া হয়েছে একই গ্রামের ভ্যানচালক জমশের আলী, উপজেলার উথলী গ্রামের দিনমজুর শহিদুল ইসলাম, দিনমজুর মো. নাদিম ও হতদরিদ্র শামিমা আক্তারকে। এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম জানান, চলমান লকডাউন বাস্তবায়নে সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। কর্মহীন হয়ে পড়া চা দোকানি, ভ্যানচালক, দিনমজুর, পরিবহন শ্রমিকসহ  নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা প্রদান অব্যাহত আছে। এ ছাড়া ৪র্থ দফায় লকডাউনের প্রথম দিন থেকে এ পর্যন্ত জরুরি সেবা ৩৩৩ নাম্বারের ফোনকল পেয়ে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে অন্তত ৫০ পরিবারে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। উপজেলায় নিম্নআয়ের মানুষের খাদ্য সংকট মেটাতে সবসময় কাজ করছে জীবননগর উপজেলা প্রশাসন বলেও জানান তিনি।

খুলনায় দেড় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। গত দেড় মাসের মধ্যে এটিই জেলায় সর্বনিম্ন মৃত্যু। রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দুই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাদের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে তিন এবং শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়। এর আগে গত ১৪ জুন খুলনার হাসপাতালে সর্বনিম্ন চারজনের মৃত্যু হয়েছিল। খুলনার শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ দেবনাথ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন ৪৩ জন। এর মধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন ১০ জন। খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকালপারসন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৩৭ জন। যার মধ্যে রেড জোনে ৫০, ইয়ালো জোনে ৫৩, আইসিইউতে ২০ এবং এইচডিইউতে ১৪ জন।

জলাবদ্ধ মাঠে লাইনে দাঁড় করিয়ে টিকাদান, তোপের মুখে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জলাবদ্ধ মাঠে লাইনে দাঁড় করিয়ে করোনার টিকা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় রোববার দুপুরে টিকাদান কেন্দ্রে ভুক্তভোগী মানুষ ও জনপ্রতিনিধির তোপের মুখে পড়েন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, দ্বিতীয় দফায় করোনার টিকাদান শুরু হলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত মডার্ন কিন্ডারগার্টেনকে টিকাকেন্দ্র করা হয়। গত মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিন দিনের অতিবৃষ্টিতে ওই কিন্ডারগার্টেন মাঠ পানিতে তলিয়ে যায়। তারপরও ওই ভবনে টিকা দেওয়ার কাজ চলছিল। প্রতিদিন এই কেন্দ্রে ৭০০-৯০০ জনকে টিকা দেওয়া হলেও দুই থেকে তিন হাজার মানুষ সেখানে জড়ো হয়ে থাকেন।

শ্যামনগর সদরের হায়াবাতপুর এলাকার মতিয়ার রহমান ও চ-ীপুর গ্রামের পরিতোষ সরকার জানান, রোববার সকাল নয়টার দিকে তাঁরা টিকা দিতে গিয়ে দেখেন কিন্ডারগার্টেন মাঠে পানি থইথই করছে। সেখানে নারী-পুরুষ মিলিয়ে শ পাঁচেক মানুষ এক ফুট পানির মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। স্থানীয় ব্যক্তিরা অভিযোগ করেন, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অজয় কুমার সাহাকে শনিবার থেকে বারবার বলার পরও টিকাকেন্দ্র অন্যত্র না নিয়ে সেখানেই কার্যক্রম চালু রেখেছেন। বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউল হককে জানানো হলে তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ওই বিদ্যালয়ের মাঠে ডেকে নিয়ে আসেন। পরে তাঁর কাছে পানির মধ্যে লাইনে দাঁড় করিয়ে টিকা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চান। একপর্যায়ে তিনি উচ্চস্বরে ধমক দিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে দ্রুত অন্য স্থানে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য বলেন। স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অজয় কুমার সাহা জানান, হঠাৎ করে বৃষ্টিতে মডার্ন স্কুলের মাঠ পানিতে তলিয়ে গেছে। আশপাশে প্রশস্ত জায়গা না থাকায় তাঁরা ওই স্থানে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। রোববার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তাঁকে টিকাকেন্দ্রে ডাকেন। সেখানে যাওয়ার পর তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউল হক জানান, তাঁকে (স্বাস্থ্য কর্মকর্তা) শনিবারও বলা হয়েছে মডার্ন কিন্ডারগার্টেনের মধ্যে হাঁটুপানি। টিকাকেন্দ্র অন্য স্থানে নিয়ে যান। কিন্তু তিনি তা না করে ওই পানির মধ্যে লাইনে দাঁড় করিয়ে টিকাদান কার্যক্রম চালু রেখেছেন। এ জন্য তিনি তাঁকে ডেকে ভালো পরিবেশে ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য বলেছেন। সাতক্ষীরার সির্ভিল সার্জন হুসাইন সাফায়াত জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে না দিয়ে কেন যে অন্যত্র টিকা দিচ্ছেন তা বোধগম্য নয়। পানির মধ্যে দাঁড় করিয়ে রেখে টিকাদান কার্যক্রম চালু রাখার অভিযোগে উপজেলা চেয়ারম্যান ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মধ্যে ভুলবোঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি তিনি দেখছেন।

খুঁড়ে রাখা সড়কে ধানের চারা লাগিয়ে প্রতিবাদ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুশখালী ইউনিয়নের এক কিলোমিটার সড়ক খুঁড়ে ছয় মাস ধরে ফেলে রাখা হয়েছে। বৃষ্টি-কাদায় মানুষ চলাচল করতে পারছে না। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী ওই সড়কে ধানের চারা রোপণ করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সাতানি হাইস্কুল মোড়-কানারডেঙ্গি সড়কের হাইস্কুল মোড় থেকে এক কিলোমিটার সড়ক নতুন করে নির্মাণের জন্য গত বছরের এপ্রিল মাসে দরপত্র আহ্বান করা হয়। ৭৬ লাখ টাকা ব্যয়ে কাজটি পায় খুলনার মজমল বারহাইন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ওই বছরের মে মাসে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। একই বছরের গত ২৮ জুন শুরু করে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাতানি হাইস্কুল মোড়ে গিয়ে দেখা যায়, এক কিলোমিটারজুড়ে সড়কটির চারদিক থেকে দেড় থেকে দুই ফুট মাটি খুঁড়ে গর্ত করে রাখা হয়েছে। গর্তে পানি থইথই করছে। এর মধ্যে লাগানো হয়েছে ধানের চারা। তার মাঝখানে প্রদর্শনী (কৃষি প্রণোদনা) নামের একটি প্ল্যাকার্ড লাগানো রয়েছে।

স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফেব্রুয়ারি মাস থেকে সড়কের এই অংশ খোঁড়ার পর ঠিকাদার আর এলাকায় আসেননি। সদর উপজেলা প্রকৌশলীকে বারবার বললেও তিনি কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। বাধ্য হয়ে প্রতিবাদস্বরূপ সড়কের ওপর ধানগাছ রোপণ করে দিয়েছেন গ্রামবাসী। সাতানি-ভাদড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, এই সড়ক দিয়ে সাতানি, ভাদড়া, পায়রাডাঙ্গা, শিবপুর, আড়ুয়াখালীসহ ৭-৮টি গ্রামের মানুষের প্রতিদিন চলাচল করতে হয়। কিন্তু সড়কটি নির্মাণের কথা বলে এভাবে খুঁড়ে দিনের পর দিন ফেলে রাখায় মানুষের ভোগান্তির সীমা নেই। কুশখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৮ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আজিজার রহমান বলেন, ‘ওই কাজের ঠিকাদার আবদুস সালাম মানুষকে বিভ্রান্ত করতে বলছেন, আমার নাকি বালি দেওয়ার কথা ছিল। আমি বালি দিচ্ছি না, তাই কাজ করতে পারছেন না। ঠিকাদার আবদুস সালাম বলেন, একজনের বালু দেওয়ার কথা ছিল। তিনি তা সরবরাহ না করায় সমস্যায় পড়েছেন। ছোট এক কাজের জন্য মেশিন নিয়ে যাওয়া যায় না। কীভাবে কাজ করবেন, চিন্তা করে পারছেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবাই সহযোগিতা না করলে তাঁর কাজ করা সম্ভব হবে না। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রকৌশলী সফিউল আযম জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ না করায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বারবার চিঠি দিচ্ছেন। তারপরও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি করছে না। শুক্রবার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আবদুস সালামের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, ২-৪ দিনের মধ্যে কাজ শুরু করবেন।

খুলনার টুটপাড়া কবরস্থানে মরদেহ দাফন বেড়েছে তিনগুণ

স্টাফ রিপোর্টার

আগে প্রতিদিন ১-২ জনের দাফন হতো। কিন্তু এখন দিনে ৫-৬ জনের দাফন করতে হচ্ছে। এমনও দিন গেছে, দিনে ৭-৮ জনকেও দাফন করতে হয়েছে। গভীর রাতেও দাফন করতে হচ্ছে। তবে আমি করোনাকে ভয় পাই না। লাশ দাফন শেষে গোসল করে বাড়ি চলে যায়। খুলনা সিটি করপোরেশন পরিচালিত খুলনা মহানগরীর অন্যতম টুটপাড়া কবরস্থানের খাদেম মো. নুর ইসলাম (৬৮) এভাবেই জানান কবরস্থানের বর্তমান পরিস্থিতি।

নুর ইসলাম বলেন, ‘প্রায় ৪০ বছর ধরে এখানে কাজ করছি। বাড়ি প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে নগরীর লবনচরা আমতলা এলাকায়। যখন দাফনের কাজ না থাকে তখন কবরস্থানের সামনের গ্যারেজে বসে সময় কাটায়। টুটপাড়া কবরস্থানে এখন আর জায়গা ফাঁকা নেই। কবরের উপরেই দেয়া হচ্ছে কবর। বেশিরভাগ মানুষই এখানে কবর পাকা করে রেখেছে। যে কারণে এখন কবর দেয়ার জায়গাও খুঁজে পেতে সময় লাগে। শুধু নুর ইসলামই নন, এখানের আরও একজন খাদেম বদরুদ্দোজা বাবলুও (৫৯) জানান একই কথা। বর্তমানে আরও ৯-১০ জন খাদেম রয়েছেন, যারা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ করছেন। তারা কোনো বেতন পান না। মরদেহ দাফনের পর মৃতের স্বজনরা যে টাকা দেন সেটিই তাদের উপার্জন। একটি কবর খুঁড়তে অনেক পরিশ্রম হয়। ২-৩ জনে মিলে খুঁড়তে হয়। তাই স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ওই ৯-১০ জন এগিয়ে এসেছেন। বদরুদ্দোজা বাবলু জানান, দুই বছরের বেশি সময় ধরে টুটপাড়া কবরস্থানে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ করছেন তিনি। এই দুই বছরেই অনেক দাফন করেছেন। কিন্তু বর্তমান সময়ের মত এতো বেশি দাফন আগে করতে হয়নি। বাবলু জানান, তিনি ‘শেষ ঠিকানা নামে একটা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। এই সংগঠনের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়। এখন অনেকেই মরদেহ নিয়ে আসেন যাদের দাফনের ব্যবস্থা করা হয় শেষ ঠিকানার পক্ষ থেকে। কবরস্থানে খুলনা সিটি করপোরেশনের রেজিস্ট্রার মুফতি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, আগের চেয়ে অনেকগুণ বেড়ে গেছে দাফনের সংখ্যা। করোনায় মৃতের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। এমন হয়েছে যে, মৃতের সঙ্গে আপনজন কেউ আসেননি। লোক দিয়ে মরদেহ পাঠিয়ে দিয়েছে, আমরা তা দাফন করেছি।

শহরের বাগানবাড়িতে ভূমিহীনদের পুর্নবাসনের দাবিতে উঠান বৈঠক

খবর বিজ্ঞপ্তি

শহরের বাগানবাড়িতে ভূমিহীনদের পুর্নবাসনের দাবিতে এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (০১ আগস্ট) বিকালে ৫ নং ওয়ার্ডের বাগানবাড়ি সংলগ্ন পৌর ভূমিহীন সমিতির সহ-সভানেত্রীর বাড়িতে এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ভূমিহীন নেত্রী নুরজাহান সাদিয়া এর সভাপতিত্বে উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন সমিতির সভাপতি আব্দুস সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক হোসেন মাহমুদ ক্যাপ্টেন। এ সময় পৌর ভূমিহীন সমিতির সহ-সভাপতি কুরবান আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাকিম, প্রচার সম্পাদক ইয়াছিন, ভূমিহীন নেতা রেজাউল ইসলাম, মোর্শেদা বেগম, রাশিদা, হামিদা বেগম, মিনা খাতুন, মনোয়ারা বেগম, জুঁই খাতুন, উর্মি সুলতানা মিমি, জেসমিন নাহার, হাফিজা খাতুন, নাসিমা, আঞ্জুয়ারা, জোহরা, আনোয়ারা খাতুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উঠান বৈঠকে বক্তারা বলেন, বাঙালী জাতির পিতা ও মহান স্বাধীনতার স্থপত্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী মুজিববর্ষ-২০২০ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছিলেন বাংলাদেশে কেউ গৃহহীন থাকবেনা। সেই ঘোষণার বাস্তবায়নে জেলায় চলছে ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য বিশাল কর্মকান্ড। ওই কর্মকান্ডকে বাঁধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন মামলার আসামী কথিত ভূমিহীন নেতারা পুর্নবাসনের ব্যবস্থা করার নামে হতদরিদ্র ভূমিহীনদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে বলে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আজকের বৈঠকস্থল থেকে ঐ নেতাদের অনৈতিক কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি আগামীতে ভূমিহীনরা যেন তাদের সাথে আর্থিক লেনদেন না করেন তার আহবান জানান বক্তারা।

তারা আরও বলেন, বিগত দুই দিনের টানা ভারী বর্ষণে অধিকাংশ ভূমিহীনরা খেয়ে না খেয়ে খোলা আকাশের নিচে কোনো রকম দিনপাত করছেন। তাদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে এখনই অতিদ্রুত নোঙরখানা খোলা এবং জেলার মানুষকে জলাবদ্ধতার করাল গ্রাস থেকে মুক্ত করার জন্য সকল-শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধের মাধ্যমে একটি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরী বলে মনে করেন বক্তারা। 

ভেড়ামারায় অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বুলবুলের উদ্যোগে নগদ অর্থ বিতরণ

মোঃ রেজাউর রহমান তনু, কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় অসহায় ও দুঃস্থ এবং কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের মাঝে করোনাকালীন পরিস্থিতিতে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার বিকেল ৩ ঘটিকায় পৌর এলাকার উত্তর রেলগেট সংলগ্ন প্রায় ৩ শতাধিক পরিবারের মাঝে মাথাপিছু ৫শত টাকা করে এই অর্থ প্রদান করা হয়। পদ্মা সেতুর বিশিষ্ট ঠিকাদার প্রকৌশলী জাকির হোসেন বুলবুলের নিজ উদ্যোগে করোনকালীন প্রাদুর্ভাবে দুঃস্থদের মাঝে তিনি এই সহায়তা প্রদান করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীনেশ সরকার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শামীমুল ইসলাম ছানা, ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ মজিবুর রহমান, ১ নং ওয়ার্ডের পৌর কাউন্সিলর ফিরোজ আলী মৃধা প্রমুখ।

খুলনা  ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা দিতে ‘ স্বপ্নপূরী  ডিজিটাল হাসপাতাল

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা সুবিধাবঞ্চিতদের ফ্রি স্বাস্থ্য সেবা দিতে কাজ করবে ‘ স্বপ্নপূরী  ডিজিটাল হাসপাতাল। অনলাইনে চিকিৎসকের ভিডিওকলে কথা বলার জন্য  সংগঠনটি ডক্টর ভিডিও কল চালু করেছে।  খুলনার স¦নামধন্য চিকিৎসকদের দিয়ে এ চিকিৎসা সুবিধা তারা দেবে।

রবিবার বিকাল সাড়ে তিনটায় এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের যাত্রা শুরু করে। এর আগে তারা সুবিধাবঞ্চিতদের নিয়ে একটি পথশিশু স্কুল পরিচালনা করতো।

রোগীরা নিজ বাসা থেকে খুব সহজেই ডাক্তারের সঙ্গে চ্যাট, ভিডিও কলের মাধ্যমে পরামর্শ পাবেন। চিকিৎসা পরামর্শ ছাড়াও ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন, ওষুধ ডেলিভারি, বাসা থেকে স্যাম্পল সংগ্রহ করে মেডিকেল টেস্টের সুযোগ পাওয়া যাবে ডিজিটাল হসপিটালের হেল্থ পার্টনারদের মাধ্যমে।

ডিজিটাল হসপিটালের লক্ষ্য হচ্ছে,  মোবাইলের মাধ্যমে উন্নতমানের চিকিৎসা সেবা সরবরাহ করে স্বাস্থ্যসেবা খাতে পরিবর্তন আনা এবং চিকিৎসা সেবা আরও সহজলভ্য করে দরিদ্র ও গ্রামীণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা খরচ কমিয়ে আনা।

ডিজিটাল হসপিটালের স্থানীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে  খুব সহজেই যে কেউ নিতে পারবেন ডাক্তারি পরামর্শ।

সমন্বয়ক মোফাস্সির আলম লেলিন বলেন, আমরা ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সুবিধাবঞ্চিত নিয়ে কাজ শুরু করেছি।  তবে আমরা পর্যায়ক্রমে খুলনার অন্যন্য ওয়ার্ডের সুবিধাবঞ্চিত মানুষ ও ছিন্নমুলদের মাঝেও আমরা কাজের পরিধি বাড়াবো।

সহ পরিচালক মুন্নি আক্তার বলেন, আমাদের শুরু হয়েছিল সুবিধাবঞ্চিত মানুষের শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে। কিন্তু এ মুহুর্তে শিক্ষার চেয়ে বেচে থাকাটা খুব জরুরি। তাই আমরা এ ধরণের উদ্যোগ নিয়েছি।

পরিচালক এম সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে খুলনার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সেবা করা এবং আমাদের প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের মানুষের জীবনে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে আশাবাদী।

এ্যাড মোঃ বাবুল হাওলাদার বলেন, করোনাকালিন দূর্যোগময় মুহুর্তে আমাদেও সকলের  এগিয়ে আসা উচিত। এখানে স্বপ্নপুরীর এমন একটি সুন্দও উদ্যোগ খুলনাবাসীর জন্য বড় আশির্বাদ।

জন উদ্যোগ নারী সেলের আহবায়ক এ্যাড শামিমা সুলতানা শিলু বলেন, শুধু সরকার নয় এ দূর্যোগকারীন সময়ে সবার এগিয়ে আসা উচিত। এখানে সবাই তরুন। তরুনদের দ্বারা এমন একটি উদ্যোগ করোনা মোকাবেলায় সহযোগিতা করবে।

চেম্বার অব কমর্সেও পরিচালক মফিদুল ইসলাম টুটুল বলেন, দেশের এ করোনাকালিন সময়ে একাধিক স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন এগিয়ে আসলেও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য স্বপ্নপূরীই প্রথম এগিয়ে এসেছে। এ জন্য তিনি স্বপ্নপূরীকে সাধুবাধ জানান।

বয়রা মহিলা কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল সৈয়দা লুৎফুন্নাহার বগেম বলেন, তরুনদের এমন একটি উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয় ।  স্বপ্নপুরীর এ সকল তরুনদের পাশে  সমাজের সকল শ্রেনীর মানুষের পাশে থাকা উচিত।  এ সময় স্বপ্নপুরী ডিজিটাল হাসপাতালের পাশে থাকার আহবান জনান সবাইকে।

গাজি মেডিকেল হাসপাতালের ইন্টার্নি চিকিৎসক পরিষদের সহ সভাপতি ডাঃ সাইফুজ্জামান জিয়ন বলেন, রোগীদের বাড়িতে বসে সহজে উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করার চেষ্টা করছি। এটি মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য করে তোলার পাশাপাশি করোনার ভাইরাস সংক্রমণ হ্রাস করতেও সহায়তা করবে। কারণ রোগীদের একেবারে  প্রয়োজন ছাড়া হাসপাতালে যাওয়ার দরকার পরবে না।

স্বপ্নপূরী  ডিজিটাল হাসপাতালর পরিচালক এম সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে  পরিচালনা করেন সমন্বয়ক মুফাস্সির আল লেলিন। সঞ্চালনা করেন মফিজুল ইসলাম । এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমএর সভাপতি ডাঃ শেখ বাহারুল আলম, গাজি মেডিকেল হাসপাতালের ইন্টার্নি চিকিৎসক পরিষদের সহ সভাপতি ডাঃ সাইফুজ্জামান জিয়ন, বয়রা মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যাক্ষ সৈয়দা লুৎফুন্নাহার, জনউদ্যোগ নারী সেলের আহবায়ক এ্যাড শামীমা সুলতানা শিলু, সিপিবির খুলনা  মহানগর সাধারণ সম্পাদক এ্যাড বাবুল হাওলাদার, চেম্বার অব কমাসের্র পরিচালক মোঃ মফিদুল ইসলাম টুটুল, স্বপ্নপূরী সাধারণ সম্পাদক মুন্নি আক্তার, স্বপ্নপূরী উইমেন্স ফোরামের সভাপতি বনানী দাস, স্বপ্নপুরীর সদস্য মোঃ ইমরান হোসাইন, স্বপ্নপূরী দলিত ফোরামের সমন্বয়ক সাবরিন সুলতানা রিমি। ভার্চুয়াল অন্ষ্ঠুানটি বিএমএর সভাপতি ডাঃ শেখ বাহারুল আলম সমাপ্তি করেন।

অনুষ্ঠান শেষে ২১ নম্বর ওয়ার্ডের রেলওয়ে এলাকার গ্রীনল্যান্ড বস্তিতে ভার্চুয়ালি চিকিৎসা সেবা প্রদান করে গাজি মেডিকেল হাসপাতালের ইন্টার্নি চিকিৎসক পরিষদের সহ সভাপতি ডাঃ সাইফুজ্জামান জিয়ন।

জেলা ছাত্রদলের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

জাতীয়তাবাদী যুবদল খুলনা জেলা শাখার সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক ছাত্র নেতা তানভীর হাসান এর পিতা মোঃ ইমাম হাসান রবিবার ভোর আনুমানিক ৫.০০ ঘটিকার সময় খালিশপুরস্থ নিজ বাস ভবনে অসুস্থ্যতা জনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিলল্লাহি …….. রাজিউন)। মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন খুলনা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান মিস্ত্র ী, খুলনা মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইশতিয়াক আহমেদ ইশতি, জেলা সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন, মহানগর সদস্য সচিব মোঃ তাজিম বিশ^াসসহ খুলনা মহানগর ও জেলা ছাত্রদলের সকল নেতৃবৃন্দ।

মসজিদে উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুদান প্রদান

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি-

যশোরের অভয়নগরে উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মসজিদের উন্নয়ন ও সংস্কারের জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুরে উপজেলা পরিষদে বিভিন্ন মসজিদ কমিটির সদস্যদের কাছে এ অনুদান প্রদান কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত থেকে অনুদান তুলে দেন, অভয়নগর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীর। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন,নওয়াপাড়া প্রেসকøাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নজরুল ইসলাম মল্লিক, সাধারন সম্পাদক মোজাফ্ফর আহমেদ, নওয়াপাড়া পৌর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সাব্বির আহম্মেদ শান্ত, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সদস্য মো. রুবেল হোসেন, মো. রবিউল ইসলাম প্রমুখ।

মোমবাতি জ্বালিয়ে শোকের মাস আগস্টের শহিদদের স্মরণ করলো কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগ

সোহাগ হোসেন কলারোয়া

১০১ টি মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মধ্যদিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ শোকের মাস আগস্টের শহিদদের স্মরণ করলো কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগ। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম আশিকুর রহমানের নির্দেশনায় আগষ্টের প্রথম

প্রহরে কলারোয়া উপজেলা চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন দোয়া অনুষ্ঠান ও পুষ্পমাল্য অর্পনের মাধ্যমে বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামিমুজ্জামান টিপু সাজ্জাদুল ইসলাম শিপন, রাকিবুল হাসান সিজান, আকিব হসেন জয়, রেজওয়ান, নাঈম, ফরহাদ, উজ্জ্বল সহ দলীয় নেতাকর্মীরা। তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের এ মাসেই বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। আগস্টের কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকান্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিনী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন। সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প।

জেলা প্রশাসকের সাথে জেলা বাস মালিক সমিতি নেতৃবৃন্দের মত বিনিময়

স্টাফ রিপোর্টার:

সাতক্ষীরার নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরর সাথে জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা ও মত বিনিময় হয়েছে। রোববার জেলা প্রশাসকের অফিস রুমে জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ মালিক সমিতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ আলোচনা ও জেলার উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় করেন নেতৃবৃন্দ। এসময় তারা জেলার উপকূলীয় অঞ্চলের টেকসই ভেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদ-নদী ও খাল খনন, জেলার উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরশন, নিয়ে কথা বলেন। জেলা প্রশাসক তাদের বলেন, জলাবদ্ধতা ও দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ মালিক সমিতির আহ্বায়ক ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সদস্য সচিব সাইফুল করিম সাবু, সদস্য গোলাম মোরশেদ ও শেখ জাহাঙ্গীর হেসেন।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন দৈনিক সাতক্ষীরা লাইভ পরিবার

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ-জোহরার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন দৈনিক সাতক্ষীরা লাইভ পরিবার। রবিবার (১ আগষ্ট) বেলা ১১ টায় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যলয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ-জোহরার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সাতক্ষীরা লাইভের সম্পাদক আরিফুজ্জামান আপন, বার্তা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধি মো. হোসেন আলী প্রমুখ। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ-জোহরা সৌজন্য সাক্ষাৎ কালে সাতক্ষীরা লাইভ পরিবারকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ উপস্থাপনের জন্য আহ্বান জানান।


Post Views:
5



নিউজের উৎস by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি
সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer: Shimulツ
themesba-lates1749691102