শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ০৫:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ছাগলের বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের চাহিদা | Adhunik Krishi Khamar নথির খোঁজে ট্রাম্পের বাসায় এফবিআইয়ের তল্লাশি চার বন্দরে ৩ নম্বর সংকেত বহাল, প্লাবিত হতে পারে নিম্নাঞ্চল বেনজামাকে পেছনে ফেলে এবার লা লিগার শীর্ষ গোলদাতা হবে লেভানদস্কি – স্পোর্টস প্রতিদিন খুলনায় চিং‌ড়ি‌তে অপদ্রব‌্যপুশের অপরা‌ধে ৭জ‌নের জেল রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে চুরি হওয়া মূল্যবান মালামালসহ ৪ চোরকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব শিল্প-কারখানায় এলাকাভিত্তিক আলাদা সাপ্তাহিক ছুটি ইঞ্জিনিয়ার ২ মিনিটের কাজের বিল চাইলেন ২ লাখ টাকা স্মার্ট সোসাইটি প্রকল্প বিষয়ে মতবিনিময় সভা – টেক শহর মা পাঠাতেন ভিসা, ছেলে পাঠাতেন নারী

পেঁপে চাষে কতিপয় রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার | Adhunik Krishi Khamar

  • আপডেট সময় শনিবার, ৭ আগস্ট, ২০২১


পেঁপের তেমন কোন ক্ষতিকর পোকা মাকড় নেই। রোগবালাই এর মধ্যে ঢলে পড়া রোগটি প্রধান। এ রোগে প্রচুর চারা গাছ মারা যায়। তাছাড়া এ রোগের জীবাণুর আক্রমণে বর্ষা মৌসুমে কান্ড পঁচা রোগ হয়ে থাকে।

প্রতিকারঃ


১.গাছের গোড়ার পানি নিষ্কাশনের ভাল ব্যবস্থা রাখতে হবে।
২. রেডোমিল এমজেড -৭২ প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে ৭দিন পর পর গাছের গোড়ার চারি পার্শ্বের মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে।

পাউডারী মিলডিউ


এ রোগে পাতার উপর এবং কোন কোন ক্ষেত্রে ফুলের গায়ে ধুসর বা সাদা পাউডারের আবরণ পড়ে। এ রোগে আক্রমনের কারনে ফলন কমে যায়।

প্রতিকার:


১। আক্রান্ত গাছের মরা ডাল ও পাতা পুড়ে ফেলতে হবে।
২। প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে থিয়োভিট বা ওয়েটেবল সালফার ৩০০ গ্রাম প্রতি ১০০ লিটার পানিতে বা ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে ১৫ দিন অন-র ২ থেকে ৩ বার সেপ্র করে এ রোগ দমন করা যায়।

কান্ড পঁচা রোগ


এ রোগ হলে গাছের গোড়ায় বাদামি বর্ণের ভেজা দাগের সৃষ্টি হয় এর ফলে আক্রান- চারা গাছ ঢলে পড়ে এবং মরে যায়।

প্রতিকার:


১। আক্রান্ত চারা গাছ উঠিয়ে পুড়ে ফেলতে হবে।
২। রিডোমিল এমজেড-৭২ ০.২ মি.লি হারে প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে আক্রান্ত গাছে ছিটিয়ে দিলে সুফল পাওয়া যায়।

মোজাইক রোগ


এ রোগ হলে আক্রান্ত গাছের পাতায় সবুজ ও হলুদ রংয়ের দাগ দেখা যায়। পাতা খর্বাকৃতির ও আকারে ছোট হয়। জাব পোকা এ রোগ ছড়িয়ে থাকে।

প্রতিকার:


১। আক্রান্ত গাছ উঠিয়ে পুড়ে ফেলতে হবে।
২। বাহক পোকা দমনের জন্য মেলাথিয়ন প্রতি লিটার পানিতে ২ মি.লি হারে মিশিয়ে ৫-৭ দিন পর পর ষেপ্র করতে হবে।
৩। জিংকের ঘাটতির জন্য মোজাইক লক্ষণ দেখা দিলে গাছের গোড়ায় গাছ প্রতি ১৫ গ্রাম জিংক সালফেট প্রয়োগ করলে এ সমস্যা দুরীভূত হয়।

এ্যানথ্রাকনোজ


ফলের বোটার দিকে গোলাকার দাগ দেখা যায় যা কালো হয়ে পচন ধরে। ডাইথেন এম-৪৫ প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করে এ রোগ দমনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।


আরও পড়ুনঃ যে কারণে জমিতে জৈব সার ব্যবহার করবেন


কৃষি প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার



Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102