শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বাজার বেসামাল: খুলনায় দিশাহারা মানুষ নিউইয়র্কে বক্তৃতাকালে সালমান রুশদির ওপর ছুরি হামলা টিকিট বিক্রির রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বার্সালোনা – স্পোর্টস প্রতিদিন শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের প্রকল্পটি বাস্তবায়নের শেষ ধাপে – মোস্তাফা জব্বার – টেক শহর ডিম, মুরগি ও বাচ্চার আজকের (১২ আগস্ট) বাজারদর | Adhunik Krishi Khamar স্কুল ড্রেস পরে দুর্দান্ত ড্যান্স দিয়ে তাক লাগালো এই ছাত্রী ছাগলের বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের চাহিদা | Adhunik Krishi Khamar অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষ বেহেস্তে আছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী একাধিক নারীর সঙ্গে প্রেম, কথা কাটাকাটিতেই হত্যা নথির খোঁজে ট্রাম্পের বাসায় এফবিআইয়ের তল্লাশি

পটুয়াখালীতে ফলের বাগানে সফল মোস্তাফিজুর | Adhunik Krishi Khamar

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৪ আগস্ট, ২০২১


কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: প্রথমে শখের বসে পতিত জমিতে রোপণ করা হয়েছিল মাল্টা গাছ। পাশপাশি চাষ করা হয়েছে ড্রাগন, পেঁপে, দেশী ও বিদেশী ফল, বারো মাসের আম, বিদেশি আম, থাইল্যান্ডের মাল্টা। বর্তমানে সারি সারি গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে সবুজ রঙের মাল্টা। এমন দৃশ্য দেখা যায় পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের শিক্ষিত উদ্যোক্তা মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়ার ফলের বাগানে। ইতোমধ্যে তার এই বাগানটি নজর কেড়েছে সবার।

প্রাই চার বছর আগে শখের বসে অল্প কিছু জমিতে মাল্ট্রা ও আমের বাগান শুরু করেন। প্রথমে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে এখন বাজারজাত শুরু করেছেন এই শিক্ষিত উদ্যোক্তা। নিয়মিত পরিচর্যা, সেচ ও জৈব সার ব্যবহারে শখের বাগান হয়ে উঠেছে অর্থ উপার্জনের একমাত্র প্রধান পথ। বেকারত্ব গুচিয়ে সৃষ্টি হয়েছে কর্মসংস্থান।

মোস্তাফিজ ভূঁইয়ার বাগান দেখে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে আশে-পাশের অনেক কৃষক। তারা পরামর্শ নিচ্ছেন নিয়মিত। পতিত জমি ফেলে না রেখে সহজেই ফল বাগান করে সাবলম্বী হওয়া সম্ভব বলে মনে করেন এই উদ্যোক্তা। পাশাপাশি তিনি বাড়াতে চাচ্ছেন বাগান। তিন একর জমিতে দেশি বিদেশি মাল্টা, ড্রাগন, আম বাগান করতে খরচ হয়েছে প্রাই দুই লক্ষ টাকা। উৎপাদিত ফল বিক্রি করে তিনি আয় করেছেন এক লক্ষ টাকা। পরিবেশের দিকে লক্ষ রেখে মাচা পদ্ধতিতে গড়ে তুলেছেন ফুলের বাগান। এ বাগানে রয়েছে দেশি-বিদেশি ফুল।

এলাকা বাসী জানান, মোস্তাফিজ ভূঁইয়া এখন বানিজ্যিক ভাবে চাষ শুরু করেছে ,লবনাক্ত মাটিতে এমন বাগান সাড়া ফেলেছে এলাকায় বাগানে সময় দেওয়ার কারণে দেশী বিদেশি আম,কাঠাল, লেবু, পেঁপে, মাল্টা, লিচু, আমলকী,আনারস, সহ ড্রাগন চাষ করে রাতারাতি তাঁক লাগিয়ে দিয়েছেন এলাকাবাসীকে।

মোস্তাফিজ ভূইয়াঁ জানান, ড্রাগন, আম, মাল্টা, চাষ করে আমি আর্থিক ভাবে লাভবান হয়েছি। পরিবার আত্মীয় স্বজনের চাহিদা মিটিয়ে এখন বাজারজাত করছি। চলতি বছরে চল্লিশ হাজার টাকার মাল্টা, বিশ হাজার টাকার ড্রাগন ও আম সহ এক’লক্ষ টাকা বিক্রি করেছি।

কলাপাড়া উপজেলায় সব ফল পাওয়া গেলেও ড্রাগন ফলটা কম পাওয়া যেত। এখনো অনেকের কাছেই অচেনা এই ড্রাগন ফল ড্রাগনের মত দেখতে এর শরিল এর জন্য নাম রাখা হয়েছে ড্রাগন ফল। ড্রাগনের মতো ভয়ঙ্কর না হলেও পুষ্টি গুণে ঠাসা এই ফল। আমাদের দেশে জনপ্রিয় না হলেও স্বাদে উপকারে সব ফলের চেয়ে সেরা। ড্রাগন ফলের গাছ এক ধরনের কাট্টাস জাতীয় গাছ, প্রথম দেখাতে এটিকে কাট্টাস মনে করাটাই স্বাভাবিক। এই গাছ লতানো কিন্তু গাছে কোন পাতা নেই ড্রাগন ফলের গাছ সাধারণত , এক পয়েন্ট পাঁচ, অথবা দুই পয়েন্ট পাঁচ, পর্যন্ত লম্বা হতে পাড়ে। আমরা ড্রাগন ফলের প্রচারণা চালাচ্ছি খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমরা কলাপাড়া সকলের কাছে ড্রাগন ফলের পরিচিতি লাভ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

ড্রাগন ফলের বয়সের সাফ দুর করে কান্সার প্রতিরোধ করে হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখে। ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ করে রক্তশূন্যতা দুর করে খাদ্য বৃদ্ধি এবং মানব দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তরুণ উদ্যোক্তা মোস্তাফিজুর রহমানের প্রচেষ্টার সফলতা দেখে সবাই উজ্জীবিত। এলাকায় সাড়া পড়ে গেছে বসতবাড়ি ও বাড়ির আঙ্গিনায় মোস্তাফিজের মত সবাই ফলের বাগান করার।

সিনিয়র উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মজিবর জানান, আগে ড্রাগন ফলের সাথে পরিচিত ছিলনা এলাকার মানুষ। গত এক বছর ধরে দেশে ড্রাগন ফলের চাষ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন জেলায় বাসার ছাঁদে, কল কারখানার ফাঁকা জায়গায় চাষ হচ্ছে। ড্রাগন ফল মানেই ভিন্ন আমেজের এক রসালো ফল।

কৃষি কর্মকর্তা লিটন জানান, প্রায় চার বছর ধরে বিভিন্ন দেশি বিদেশি ফলের চারা রোপণ করেন মোস্তাফিজ। বালুময় জমিতে প্রথমে মাল্ট্রা ও আম চারা রোপণ করেন। প্রকৃতির সাথে মিশে গিয়ে চারা গুলো বেশ অল্প দিনেই কুঁড়ি নিয়ে আসে। প্রথম বছর অল্প কিছু আম হলেও পরের বছর প্রচুর আম আসে প্রচুর মিস্টি নিজের হাতে লাগানো গাছ থেকে আম পেড়ে পরিবারের সবাইকে দেওয়া সে অন্য রকমের একটা অনুভূতি। আমরা কিছু মাল্টা চারা দিয়েছি পর্যায়ক্রমে উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তা করা হবে।


আরও পড়ুনঃ গাইবান্ধায় মাছ চাষে সফল মিলন


কৃষি উদ্যোক্তা / আধুনিক কৃষি খামার



Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102