শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চালের বস্তায় নিষিদ্ধ পলিব্যাগের ব্যাবহার ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ব্যবসায়ীকে ৩০হাজার টাকা জরিমানা মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশন পুশ করায় রোগীর শরীরে জ্বালাযন্ত্রনা ফার্মেসী সিলগালা:পলাতক গ্রাম্য চিকিৎসক বাংলাদেশকে জানতে হলে আগে বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে ….এমপি মিলন সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে মোংলায় বিক্ষোভ মিছিল সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর নদীর পাড়ে শাড়ি পরে দুর্দান্ত ড্যান্স দিলো সুন্দরী যুবতী যুদ্ধের ধ্বংসস্তুপের উপর দাঁড়িয়েও বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি কাঠামো দাঁড় করিয়েছেন – মোস্তাফা জব্বার – টেক শহর বিশ্বকাপে পর্তুগালকে ফেবারিট মানছেন আর্জেন্টাইন তারকা – স্পোর্টস প্রতিদিন বিশ্ববাজারে আবারও কমল জ্বালানি তেলের দাম গর্তে লুকিয়ে থাকা ইঁদুরটি দেখলো চাষী ও তার স্ত্রী দুজনে মিলে

ডিম ও মুরগির দাম কমায় বিপাকে মৌলভীবাজারের খামারিরা | Adhunik Krishi Khamar

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১


ডিম ও মুরগির দাম কমাতে বেশ বিপাকে পড়েছেন মৌলভীবাজারের পোলট্রি খামারিরা খামারিরা। বাজারে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে মুরগির খাদ্যের দাম আর অন্যদিকে কমেছে ডিম ও মুরগির দাম। এমন পরিস্থিতিতে চরম বিপর্যয়ের পড়েছেন এ জেলার পোলট্রি খামারিরা। ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছেন এ জেলার ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের খামারিরা।

জানা যায়, স্বল্প পুঁজিতে অধিক লাভজনক হওয়ায় দেশের অন্যান্য স্থানের মতো মৌলভীবাজারের বেকার, শিক্ষিত যুবকরা- ২০০৫-০৬ সালের দিকে এ শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। সেই সময় জেলায় প্রায় ৩০০ ছোট আকারের পোলট্রি খামার দিয়ে যাত্রা শুরু হয়।

পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন বলছে, ইতোমধ্যে ৮০ভাগ খামার বন্ধ হয়ে গেছে। এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে খামারিদের প্রণোদনা দিচ্ছে। ২০১২ সালের মধ্যে খামারের সংখ্যা দাঁড়ায় ৭০০ তে। পরবর্তী সময়ে খামারের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়ে জেলায় নীরব বিপ্লব ঘটে এ শিল্পের। কিন্তু সরকারের উদাসীনতা এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে একের পর এক মুরগির খাদ্য ও বাচ্চার দাম বাড়তে থাকে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় বড় পুঁজির শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ। ফলে পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায় অনেক ক্ষুদ্র পোলট্রি খামারি।

খামারিরা জানান, মুরগির চাহিদা কম হওয়ায় এক হাজার বাচ্চা ফুটিয়েও ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা লোকসান করতে হচ্ছে। ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করলেও সম্প্রতি পোলট্রি ব্যবসা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না।

জেলার পোলট্রি শিল্প অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি যাতে এই শিল্পটাকে ধরে রাখার জন্য এবং যুবকদের স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য ব্যাংকগুলো যাতে সহজ শর্তে ঋণ দেয়। তাহলে এই শিল্প সম্ভাবনাময় হয়ে উঠবে।

জেলার প্রাণিসম্পদ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিবাস চন্দ্র পাল জানান, আমরা জেলাতে ১৭০৮ জন পোল্ট্রি খামারিদেরকে প্রায় ২ কোটি ২১ লাখ টাকা নগদ আর্থিক প্রণোদনা দিয়েছি। আশা করছি খামারিরা ঘুরে দাড়াতে পারবেন।


আরও পড়ুনঃ কবুতর পালনে শিক্ষক আলতাফুরের সাফল্য


সূত্রঃ সময় নিউজ


পোলট্রি প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার



Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102