মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিমানবন্দরে ইমরান খানের দুটি মোবাইল ফোন চুরি এমবাপ্পের প্রতিশোধ হিসেবে রোদ্রিগোকে চায় পিএসজি – স্পোর্টস প্রতিদিন কুষ্টিয়ায় মেলার নামে অবৈধ লটারি, সর্বস্বান্ত সাধারণ মানুষ ভারত রফতানি বন্ধ করার পরেই গমের নজিরবিহীন মূল্যবৃদ্ধি ইউরোপে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ শাহজালালে ৫ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ সামাজিক মাধ্যমে অপরাধ প্রতিকারে কাজ করবে বিটিআরসি – মোস্তাফা জব্বার – টেক শহর দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ ⋆ KFPlanet পরীক্ষার হলে না দেখানোয় প্রেমিকার সাথে ব্রেকাপ করলো আদমজী ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের আমিন কাওরানবাজারে ধরাছোঁয়ার বাইরে রাঘববোয়ালের দাম

বাণিজ্যিকভাবে আতা চাষে বাদশার বাজিমাত; বিঘাপ্রতি লাভ ২ লাখ টাকা! |

  • আপডেট সময় সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
পাবনায় বাণিজ্যিকভাবে আতা চাষে বাদশার বাজিমাত; বিঘাপ্রতি লাভ ২ লাখ টাকা!




কেউ বলে শরিফা, মেওয়া আর কেউবা বলে আতা। অঞ্চলভেদে এই ফলটির ভিন্ন নাম থাকলেও আতা ফল নামে সমধিক পরিচত। এমন একটা সময় ছিল যখন এই ফলটি গ্রামের বাড়ীর আঙ্গিনা কিংবা ঝোপঝাড়ে অযন্ত অবহেলায় বেড়ে উঠতো। কিন্তু কৃষি বিপ্লবের এই যুগে আর তেমনটি দেখা যায়না।

বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে সারাদেশেই উৎপাদন হচ্ছে আতা ফল। স্থানীয় বাজার ও আশেপাশের জেলাসহ রাজধানীতে আতা ফলের ব্যাপক চাহিদা ও বাজারমূল্য ভাল থাকায় অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে আতা ফলের চাষ শুরু করেছেন। এমনি একজন উদ্যোক্তা পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার বক্তারপুর গ্রামের চাষি শাহজাহান আলী বাদশা। যিনি বাণিজ্যিকভাবে আতা ফলের চাষ করে বাজিমাত করেছেন। এরইমধ্যে তিনি বিঘাপ্রতি ২ লাখ টাক করে আয় করছেন বলে জানিয়েছেন।

জানা যায়, ২০১২ সালে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে আতা ফলের বাগান গড়ে তুলেন বাদশা। শুরুর দিকে স্বল্প পরিসরে হলেও ধীরে ধীরে এর ব্যাপক সম্প্রসারণ করেছেন। বর্তমানে ৪০ বিঘা জমি জুড়ে লাগিয়েছেন আতা ফলের গাছ। যেখান থেকে প্রতি বছর কয়েক লক্ষ টাকার আতা বিক্রি করে থাকেন।

বাদশা মিয়া জানান, নিজেই বীজ থেকে চারা তৈরি করে বাগান করেছি। প্রথমদিকে ফলন কম এলেও বর্তমানে ব্যাপক ফলন পাচ্ছি। বাগানে চারা রোপণ ও পরবর্তীকালে যত্ন-পরিচর্যাসহ বিঘা প্রতি ১০-১২ হাজার টাকা খরচ হয়। বিঘা প্রতি ২০০ গাছ আছে। যেখানে গাছপ্রতি ফল আসে গড়ে ১০০ টি করে।  এতে করে বিঘাপ্রতি ২ লাখ টাকা লাভ থাকে।

তিনি আরও বলেন, বাগানে আতা গাছের ফাঁকে ফাঁকে জমি পরিত্যক্ত না রেখে সেখানে সাথী ফসল হিসেবে ওল কচু ও অন্যান্য শাক-সবজি আবাদ করছি। সেখান থেকেও বাড়তি আয় হয়। আগাছা দূর করা ও সার দেয়া ছাড়া তেমন যত্ন-পরিচর্যা করতে হয় না।  রোগ-বালাইয়ের মধ্যে মিলিব্যাগ নামক ছোট ছোট পোকার আক্রমণ দেখা যায়। তবে প্রতিষেধক দ্বারা সহজেই তা দমন করা যায়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পাবনার উপ-পরিচালক আবদুল কাদের জানান, দেশীয় প্রজাতির এ ফলটি যেমন শরীরের জন্য খুবই উপকারী তেমনি এর চাষ করাও লাভজনক। পাবনা জেলা শহরের ফলের দোকানেই প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।


আরও পড়ুনঃ খুলনায় তরমুজ ও সবজির বাম্পার ফলন


কৃষি প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার









Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102