বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৩৯ অপরাহ্ন

মাছ চাষের পুকুরে সার প্রয়োগ ও প্রাকৃতিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা | Adhunik Krishi Khamar

  • আপডেট সময় সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৪৯
মাছ


মাছ চাষের পুকুরে সার প্রয়োগ ও প্রাকৃতিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা কেমন হওয়া উচিত তা মাছ চাষিদের আগে থেকে জেনে নিয়েই মাছ চাষ করতে হবে। তা না হলে মাছ চাষে নানা জটিলতার সৃষ্টি হবে ও লোকসান দেখা দিতে পারে। তাই সঠিক মাত্রায় সার প্রয়োগ করে প্রাকৃতিক  খাদ্যের পরিমাণও ঠিক রাখতে হবে। চলুন তাহলে জানবো মাছ চাষের পুকুরে সার প্রয়োগ ও প্রাকৃতিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে-

মাছ চাষের পুকুরে সার প্রয়োগ ও প্রাকৃতিক খাদ্য ব্যবস্থাপনাঃ


সার ব্যবস্থাপনাঃ


মাছ প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে প্রাণী কণা, উদ্ভিদকণা, তলদেশের পোকা মাকড়, ছোট ছোট কীট, তলার কেঁচো, মৃত জৈব পদার্থ ইত্যাদি খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করে থাকে। এ গুলোকে প্লাংকটন বলা হয়। সার প্রয়োগের উদ্দেশ্য হলো মজুদকৃত মাছের প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা। পুকুরে সার প্রয়োগ করার মাধ্যমে প্রাকৃতিক খাবারের প্রাচুর্যতা রাখতে পারেল মাছ চাষে খরচ অনেকাংশে কমানো যায়।

প্রাকৃতিক খাদ্য ব্যবস্থাপনাঃ


প্রাকৃতিক খাদ্যের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য পোনা মজুদের পূর্বে ও চাষ চলাকালীন সময়ে নিয়মিত ও পরিমিত জৈব ও অজৈব সার প্রয়োগ করতে হবে। এ সকল সার পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদনে সহায়তা তথা মাছের পুষ্টি ও উৎপাদনে সাহায্য করে।

সারের প্রকারভেদঃ সার দুই ধরনের-

১। জৈব সার

২। অজৈব সার (ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি)

পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্যের পরিমানের উপর সারের প্রয়োগ মাত্রা কম/বেশী হতে পারে। সারের পরিমাণ নিচের বিষয়ের উপর নির্ভরশীল-

  • সারের গুণাগুণ
  • মাছের ঘনত্ব
  • মাটির অবস্থা
  • পানির মধ্যকার শেওলার পুষ্টির চাহিদা
  • পরিবেশের ভারসাম্য

সার প্রয়োগের মাত্রাঃ


পুকুর শুকানো থাকলে জৈব সার পানি ভর্তির আগে এবং অজৈব সার পানি ভরাটের পরে প্রয়োগ করতে হয়। আবার পানি ভরাট থাকলে জৈব ও অজৈব সার ৩গুণ পানিতে মিশে রোদ্রে সকালে বেলায় সমানভাবে ছিটাতে হয়।

সারের নাম পরিমান মাত্রা (প্রতি শতকে)

ইউরিয়া (সাদা সার) ১০০-১৫০গ্রাম

টি,এস, পি (কালো সার) ৫০-৭৫গ্রাম

(গোবর/ কম্পোষ্ট) ৫-১০কেজি

সার প্রয়োগের বিবেচ্যঃ


  • পুকুরে মাছ ভেসে উঠলে বা মাছ খাবি খেলে সার প্রয়োগ সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে হবে।
  • রৌদ্রের দিনে সার প্রয়োগ করতে হবে।
  • বৃষ্টি/মেঘলা দিনে সার প্রয়োগ করা যাবে না।
  •  প্রস্তুতিকালীন সময়ে চুন প্রয়োগের ৭-১০দিন পর অথবা পোনা মজুদের ৮-১০দিন আগে সার প্রয়োগ করতে হবে।
  • প্রাকৃতিক খাদ্য পরীক্ষা করে সার প্রয়োগ করতে হবে।
  • অতিরিক্ত সবুজ পানিতে সার প্রয়োগ করা যাবে না।

আরও পড়ুনঃ বরগুনায় ইলিশের কেজি ৩৫০ টাকা; খুশি ক্রেতারা!


মৎস্য প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার



Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি
সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০২১
Designer: Shimulツ
themesba-lates1749691102