শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৪৯ অপরাহ্ন

বাংলাদেশকে বৃটেনের ‘রেড-লিস্ট’ থেকে সরানোর অনুরোধ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৬৪
বাংলাদেশকে বৃটেনের ‘রেড-লিস্ট’ থেকে সরানোর অনুরোধ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রকাশিত: ১২:২২ অপরাহ্ণ, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

যুক্তরাজ্যে প্রবেশে বাংলাদেশি নাগরিকদের রেড অ্যালার্ট প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাবের সঙ্গে এক ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ অনুরোধ করেন। যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) এই বৈঠক হয়।

মোমেন বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেন, বাংলাদেশের জোরালো টিকাদান কর্মসূচি ও কোভিড সংক্রমণের হার ৯ দশমিক ৮২ শতাংশে কমে আসা এবং সাত হাজারের বেশি বৃটিশ-বাংলাদেশির আটকেপড়ার প্রেক্ষাপটে বৃটেনের উচিত বাংলাদেশকে কোভিড লাল-তালিকাভুক্ত দেশ থেকে বাদ দেওয়ার বিষয় বিবেচনা করা। এর জবাবে সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার আশ্বাস দিলেও এ ধরনের তালিকার পেছনে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনা মুখ্য থাকার কথা বলেন বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তাকে উদ্ধৃত করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি আমাদের দু’দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব এবং বাংলাদেশের জিনোম সিকয়েন্সিং ডেটার আরও ঘনঘন প্রকাশের উপর ভিত্তি করে বৃটিশ সরকার বাংলাদেশকে রেড-লিস্টে রাখার বিষয়টি পর্যালোচনা করবে।

গত ৯ই এপ্রিল বাংলাদেশকে রেড-লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করে বৃটেন, সোমবার পর্যন্ত যে তালিকায় ছিল ৬২ দেশ। রেড-লিস্টভুক্ত দেশের নাগরিকদের বাইরে থেকে ঢুকতে দিচ্ছে না দেশটি। এসব দেশ থেকে বৃটিশ নাগরিকরা ঢুকতে পারলেও থাকতে হচ্ছে ১০ দিনের বাধ্যতামূলক হোটেল কোয়ারেন্টিনে।

বৃহস্পতিবার লন্ডনে সশরীরে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও আফগান পরিস্থিতিতে বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাতার সফরের কারণে তা স্থগিত হয়ে যায়। সোমবার ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লন্ডন থেকে এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নেদারল্যান্ডসের হেগ থেকে যুক্ত হন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও বৃটেনের ’দৃঢ় সম্পর্কের’ বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আফগানিস্তান এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী সঙ্কটসহ নানা বিষয়ে একযোগে কাজ করার কথাও বলেন তারা। ব্রেক্সিট-পরবর্তী বাণিজ্যিক সম্পর্কের আলোচনার সময় বৃটেনে বাংলাদেশের জন্য শুল্কবিহীন জিএসপি ২০২৯ সাল পর্যন্ত অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন।

এক্ষেত্রে করোনা মহামারীর মধ্যে বৃটিশ রিটেইলারদের ক্রয়াদেশ বাতিল ও পেমেন্ট না দেওয়ার বিষয় তুলে ধরেন তিনি। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশ সফরের জন্য বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাবকে আমন্ত্রণও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন। লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিমও এই ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে অংশ নেন।।

এআইআ/এইচি




Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি
সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০২১
Designer: Shimulツ
themesba-lates1749691102