সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শরণখোলায় নগ্ন ভিডিও ধারণ করে স্ত্রীকে বর্বর নির্যাতন করে ইয়াসিন! কোষ্টগার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ আটক-৪ পুড়েছে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, একটি বসতঘর শরণখোলায় অগ্নিকান্ডে ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি শরণখোলায় সম্মিলিত সম্প্রীতি উদ্যোগের সভা অনুষ্ঠিত ‘জয়িতা’ শত বাধা পেরিয়ে শরণখোলার তিন নারীর সফলতার গল্প! রামপালে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওশান সরদারের জন্মদিন পালন খুলনার মেধাবী মীম এর পাশে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় মোরেলগঞ্জের পিআইও অফিসে পাঁচ দফা দাবীতে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন শরণখোলা উপজেলা স্কাউটসের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত বঙ্গোপসাগর উত্তাল, নিরাপদ আশ্রয়ে শত শত ট্রলার!

হেঁটে জুম্মার নামাজের যাওয়ার ফজিলত

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৭৪ Time View
হেঁটে জুম্মার নামাজের যাওয়ার ফজিলত

ইসলাম ডেস্ক- জুম্মাকে বলা হয় মুসলমানদের সাপ্তাহিক ঈদের দিন। প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জুমার দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুসল্লিদের জন্য জুম্মার নামাজে হেঁটে উপস্থিত হওয়া উত্তম ও ফজিলতপূর্ণ।

Sundabon Academy

রাসূল (সা.) হেঁটে জুম্মার নামাজ আদায় করতে যেতেন আর তাই এটি আমাদের জন্য সুন্নত। তবে মসজিদ যদি গৃহ থেকে বেশি দূরে হয়, তবে কষ্ট করে হেঁটে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

এ বিষয়ে রাসূল (সা.) বলেন, ‌‘যে ব্যক্তি জুম্মার দিন গোসল (ফরজ) অথবা (সাধারণ) গোসল করল, তাড়াতাড়ি মসজিদে গেল অথবা যাওয়ার চেষ্টা করল, যাওয়ার পথে কোনো কিছুতে আরোহন না করে হেঁটে গেল, ইমামের কাছে ঘেঁষে বসল, কোনো প্রকার অহেতুক কথাবার্তা না বলে মনোযোগের সঙ্গে খুতবা শুনলো ও নামাজ আদায় করল, তার প্রতিটি কদমের (পদক্ষেপ) বিনিময়ে এক বছর রোজা ও নামাজের সওয়াব দেয়া হবে। (তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ৪৫৬)।

রাসুল (সা.) এর প্রিয় সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রা.) অন্যান্য সাহাবায়ে কেরামের মতো হেঁটে মসজিদে আসতেন। তবে ফেরার পথে কখনো হেঁটে যেতেন, আবার কখনো আরোহন করে যেতেন। (ইবনে আবি শায়বা)।

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, যখন নামাজ শুরু হয়, তখন দৌঁড়ে গিয়ে নামাজে যোগদান করবে না, বরং হেঁটে গিয়ে নামাজে যোগদান করবে। সালাতে ধীর-স্থিরভাবে যাওয়া তোমাদের জন্য অপরিহার্য। কাজেই জামাআতের সঙ্গে নামাজ যতটুকু পাও তাই আদায় কর। আর যা ছুটে গেছে তা পূর্ণ করে নাও।’ (বুখারি)

নামাজের জামাআতে অংশগ্রহণের জন্য তাড়াহুড়া করতে নিষেধ করেছেন মহানবী (সা.)। তাই মুসলিম উম্মাহর উচিত পায়ে হেঁটে, ধীরে-সুস্থে মসজিদে গিয়ে জুম্মার নামাজ আদায় করার মাধ্যমে ফজিলত লাভ করা।

হেঁটে জুমায় যেতেন সাহাবিরাও
সাহাবায়ে কেরাম নিজেদের কাজ-কর্ম সেরে জুমার আদব-শিষ্টাচার লক্ষ্য করে মসজিদে উপস্থিত হতেন। সাহাবায়ে কেরাম মসজিদে ও জুমায় হেটে আসার বহু বর্ণনা রয়েছে। আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর প্রিয় সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রা.)-ও মসজিদে হেঁটে আসতেন। তবে হাদিসের কিতাবগুলোতে আছে, ফিরে যাওয়ার সময় তিনি কখনো হেঁটে যেতেন, কখনো বাহনে আরোহণ করে যেতেন। (মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বা)।

হেঁটে জুমায় আসার গুরুত্ব বোঝাতে ও অন্যরা যেন সেটা সওয়াব লাভ করে— সে জন্য খলিফা উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.) তার গভর্নরদের কাছে লিখে জানান যে, কেউ যেন আরোহিত হয়ে জুমায় না আসেন। (ইবনে সায়াদের বরাতে ‘ফাতহুল বারি লিল হাফিজ ইবনে রাজাব আল-হাম্বলি)

হেঁটে জুমার নামাজ যাওয়া
জুমার নামাজে হেঁটে যাওয়া ও উপস্থিত হওয়া পুণ্যময়। এতে বিপুল সওয়াবের কথা হাদিসে রয়েছে। কারণ আল্লাহর রাসুল (সা.)-ও পায়ে হেঁটে জুমায় ও মসজিদে যেতেন। এটি তার সুন্নতও বটে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, মসজিদ বেশি দূরে হলে কষ্ট করে হেঁটে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ, শরিয়ত কারও ওপর সাধ্যের বেশি চাপিয়ে দেয়নি।

এক হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল (ফরজ) অথবা (সাধারণ) গোসল করল, তাড়াতাড়ি মসজিদে গেল অথবা যাওয়ার চেষ্টা করল, যাওয়ার পথে কোনো কিছুতে আরোহণ না করে হেঁটে গেল, ইমামের কাছে ঘেঁষে বসল, কোনো প্রকার অহেতুক কথাবার্তা না বলে মনোযোগের সঙ্গে খুতবা শুনল ও নামাজ আদায় করল, তাহলে তার প্রতিটি কদমের (পদক্ষেপ) বিনিময়ে এক বছর রোজা ও নামাজের সওয়াব দেওয়া হবে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৪৫৬)



Source by [সুন্দরবন]]

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Sundabon Academy

Recent Posts

© 2022 sundarbon24.com|| All rights reserved.
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102