শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বাজার বেসামাল: খুলনায় দিশাহারা মানুষ নিউইয়র্কে বক্তৃতাকালে সালমান রুশদির ওপর ছুরি হামলা টিকিট বিক্রির রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বার্সালোনা – স্পোর্টস প্রতিদিন শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের প্রকল্পটি বাস্তবায়নের শেষ ধাপে – মোস্তাফা জব্বার – টেক শহর ডিম, মুরগি ও বাচ্চার আজকের (১২ আগস্ট) বাজারদর | Adhunik Krishi Khamar স্কুল ড্রেস পরে দুর্দান্ত ড্যান্স দিয়ে তাক লাগালো এই ছাত্রী ছাগলের বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের চাহিদা | Adhunik Krishi Khamar অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষ বেহেস্তে আছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী একাধিক নারীর সঙ্গে প্রেম, কথা কাটাকাটিতেই হত্যা নথির খোঁজে ট্রাম্পের বাসায় এফবিআইয়ের তল্লাশি

মিউচুয়াল ফান্ড কি? কেন মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগে ঝুঁকি কম থাকে

  • আপডেট সময় রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
মিউচুয়াল ফান্ড কি

মিউচুয়াল ফান্ড কি? কেন মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগে ঝুঁকি কম থাকে

মিউচুয়াল ফান্ড কি

চীনা ভাষায় একটি সুন্দর প্রবাদ আছে, “একটি গাছ লাগানোর সেরা সময় ছিল ২০ বছর আগে। দ্বিতীয় সেরা সময় হল এই এখন।” আপনার যদি বিনিয়োগে করার মত টাকা থাকে, তাহলে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগই হতে পারে আর্থিক স্বাধীনতা অর্জনের সেরা উপায়। আর এই শেয়ার বাজারের অন্যতম একটা উপাদান হলো মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা।

মিউচুয়াল ফান্ড প্রায় ২৫০ বছরের পুরোনো একটি বিনিয়োগ মাধ্যম। আমরা যারা শেয়ার বাজারের সাথে যুক্ত তারা সবাই মিউচুয়াল ফান্ডের সাথে পরিচিত। এমনকি যারা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করে না তারাও মিউচুয়াল ফান্ড কি তার ধারনা রাখে।

খুব সহজ ভাষায়, মিউচুয়াল ফান্ড এক ধরনের যৌথ স্কিম।

স্বীকৃত প্রাপ্ত কোনো প্রতিষ্ঠান সিকিউরিটিজ একচেঞ্জের মিউচুয়াল ফান্ড রুলস ২০১২ মোতাবেক যে ফান্ড অনুমোদন ও পরিচালিত হয় তাকে মিউচুয়াল ফান্ড বলে। প্রতিটি মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য একজন উদ্যোক্তা, একজন ট্রাস্টি, ফান্ড ম্যানেজার এবং হেফাজতকারী প্রয়োজন।

মিউচুয়াল ফান্ড আইন অনুযায়ী আয়ের ৭০% ডেভিডেন্ট হিসেবে দিতে হয়। ভালো খবর হলো, আগে রি-ইউনিট দেওয়ার সুযোগ থাকলেও এখন তা বন্ধ। সকল মিউচুয়াল ফান্ড A category এর অন্যভুক্ত যার ফেইস ভেলু ১০ টাকা।

একটি সাধারন কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগের তুলনায় মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ কিছুটা ঝুঁকি কম। এর মূল কারন মিউচুয়াল ফান্ডগুলো একটি বা দুইটি শেয়ার বিনিয়োগ করে না, তারা কমপক্ষে ১৫টি শেয়ার বিনিয়োগ করে ফলে ঝুঁকি কমে যায়।

এছাড়া তারা শেয়ার বাজার ছাড়াও, মানি মার্কেটও বিনিয়োগ করে। একটা মিউচুয়াল ফান্ড অন্য আরেকটি মিউচুয়াল ফান্ডেও বিনিয়োগ করতে পারে।

অভিজ্ঞ এবং বিজ্ঞ ফান্ড ম্যানেজারের মাধ্যমে মিউচুয়াল ফান্ড পরিচালিত হয়। বলে রাখা ভালো মিউচুয়াল ফান্ড এর current market price, NAV বা Net Asset Value এর থেকে উপরে যাওয়ার কথা না।

যদি যায় সেটা অতি মুল্যায়িত এবং ঝুঁকিপূর্ণ। ধরুন একটা মিউচুয়াল ফান্ডের NAV যদি হয় ১৩ টাকা এবং cost price যদি হয় ১১ টাকা ৯০ পয়সা তাহলে ইউনিট প্রতি সম্ভাব্য লাভ দেখাবে ১ টাকা ১০ পয়সা।

ফান্ডামেন্টাল সুত্র মতে ১৩ টাকার নীচে এই ফান্ড কিনতে পারলে লাভবান হওয়া যেতে পারে। তবে এটিই একমাএ সুত্র না। চাহিদা ও যোগানের কারনে এর ভিন্নতা হতে পারে। উল্লেখ করা দরকার, মিউচুয়াল ফান্ডের এর একটা শেয়ারকে ইউনিট বলা হয়।

যখন আমরা কোম্পানির শেয়ার কিনবো তখন তাকে আমরা শেয়ার বলব, আর যখন  মিউচুয়াল ফান্ড কিনব তখন একে আমরা ইউনিট বলব। আরো পড়ুন- বাংলাদেশের শেয়ার বাজারের ভবিষ্যত কি

মূলত, একটা মিউচুয়াল ফান্ড একটি কোম্পানি না, এটি একটি ফান্ড ব্যতিত কিছুই না। যেমন ধরুন, আপনার কাছ থেকে ৫০০০ হাজার টাকা, আমার কাছ থেকে ২০০০ টাকা, অন্য একজন থেকে ৩০০০ হাজার টাকা, এই মিলে ১০০০০ হাজার টাকা একএ করা হলো।

এবার এই ফান্ডের সাইজকে আমরা ১০ টাকা দিয়ে ভাগ করে যেই সংখ্যা পাব তাই হচ্ছে এর ইউনিট সংখ্যা।

আরো জেনে রাখা ভালো যে, অন্য একটা A, B বা N ক্যাটাগরির শেয়ার যেমন কেনার ১ দিন পরে বিক্রি করা যায়, ঠিক তেমনি মিউচুয়াল ফান্ডও বিক্রি করা যায়।

ধরুন, রবিবার একটা মিউচুয়াল ফান্ড কিনলেন ১০ টাকা ২০ পয়সা দিয়ে তাহলে মঙ্গল বার সেই ইউনিট বিক্রি করা করা যাবে। আবার ঐ দিনই অন্য মিউচুয়াল ফান্ডে বা অন্য A, B বা N ক্যাটাগরির শেয়ারে বিনিয়োগ করা যাবে।

আপনি যেই ফান্ডে বিনিয়োগ করবেন সেই ফান্ড ম্যানেজার যদি ভালো পারফরমেন্স করতে পারে তাহলে আপনিও ভালো প্রফিট পাবেন। আর খারাপ করলে আপনি ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন।

যেহেতু তারা অভিজ্ঞ এবং দক্ষ হয়ে থাকে তাই এখানে রিস্ক বা ঝুঁকি কম থাকে। মিউচুয়াল ফান্ডের মূল উদ্দেশ্য থাকে ফান্ডটির অর্থ বিভিন্ন জায়গায় বিনিয়োগ করে মুনাফা অর্জন করা।

এখন আমাদের মনে একটা প্রশ্ন আসতে পারে, শেয়ার বাজারে কোনো কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগের চেয়ে কি মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ ঝুঁকি কম?

এর উত্তর কম, মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ ঝুঁকি কম।

এর মূল কারন, আপনি যখন একটা কোম্পানির শেয়ার কিনবেন তখন আপনার টাকা ঐ একটি কম্পানির পারফরমেন্সের উপর নির্ভর করবে। কোম্পানি ভালো করলে আপনি ভালো লাভ পাবেন আর কোম্পানি খারাপ করলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

আর মিউচুয়াল ফান্ড যেহেতু অনেক কোম্পানির শেয়ার বিনিয়োগ করে তাই ২/১টা কোম্পানির শেয়ার খারাপ করলেও সামগ্রীকভাবে মিউচুয়াল ফান্ডটি খারাপ করে না।  তাই আপনার পোর্টফোলিওতে ২/১ টা মিউচুয়াল ফান্ড রাখতেই পারেন।

হয়ত এই মিউচুয়াল ফান্ডগুলো আপনাকে রাতারাতি অনেক টাকা দিবে না, তবে বুঝে শুনে কিনতে পারলে অন্য সাধারন শেয়ারে বিনিয়োগ করলে যা রিটান পাওয়া যায় তার থেকে খুব একটা কম দিবে না। ভিজিট করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল – Bangla Preneur YouTube Channel  



Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102