শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চালের বস্তায় নিষিদ্ধ পলিব্যাগের ব্যাবহার ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ব্যবসায়ীকে ৩০হাজার টাকা জরিমানা মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশন পুশ করায় রোগীর শরীরে জ্বালাযন্ত্রনা ফার্মেসী সিলগালা:পলাতক গ্রাম্য চিকিৎসক বাংলাদেশকে জানতে হলে আগে বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে ….এমপি মিলন সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে মোংলায় বিক্ষোভ মিছিল সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর নদীর পাড়ে শাড়ি পরে দুর্দান্ত ড্যান্স দিলো সুন্দরী যুবতী যুদ্ধের ধ্বংসস্তুপের উপর দাঁড়িয়েও বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি কাঠামো দাঁড় করিয়েছেন – মোস্তাফা জব্বার – টেক শহর বিশ্বকাপে পর্তুগালকে ফেবারিট মানছেন আর্জেন্টাইন তারকা – স্পোর্টস প্রতিদিন বিশ্ববাজারে আবারও কমল জ্বালানি তেলের দাম গর্তে লুকিয়ে থাকা ইঁদুরটি দেখলো চাষী ও তার স্ত্রী দুজনে মিলে

শেয়ারের দাম বাড়ে বা কমে কেন

  • আপডেট সময় রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
শেয়ারের দাম বাড়ে বা কমে কেন

শেয়ারের দাম বাড়ে বা কমে কেন

আমাদের দেশে শেয়ার বাজারে যতগুলো কোম্পানি এবং মিউচুয়াল ফান্ড আছে তার সবার ফেইস ভেলু ১০ টাকা। অর্থাৎ, যখন একটি কোম্পানির শেয়ার বাজারে আসে তখন তার প্রতিটি শেয়ারের মূল্য থাকে ১০ টাকা।

বর্তমানে যতগুলো কোম্পানি বাজারে লিস্টেড আছে, ২৪ আগস্ট ২০২১ এর বাজার দর অনুযায়ী তার মধ্যে সব থেকে বেশি দাম Reckitt Benckiser(Bd.)Ltd যার প্রতিটি শেয়ারের মূল্য প্রায় ৪৪৯৪ টাকা ৫০ পয়সা। অন্যদিকে বর্তমানে যেই শেয়ারের দাম সব চেয়ে কম সেটি হচ্ছে FAMILYTEX। যার মূল্য ৬ টাকা ৪০ পয়সা।

WALTON এর প্রতিটি শেয়ারের দাম ১৪০৩ টাকা, BATASHOE এর দাম ৭৩০ টাকা, গ্রামীনফোনের দাম ৩৬৯ টাকা, CONFIDCEM এর দাম ১৫০ টাকা, DUTCHBANGL ব্যাঙ্কের দাম ৮৩ টাকা, TOSRIFA ইন্ডাস্ট্রি এর দাম ২০ টাকা, KEYACOSMET এর দাম  ১০ টাকা, এর রকম এক একটা কোম্পানির দাম এক এক রকম।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে সকল শেয়ারের ফেইস ভেলু ১০ টাকা তাহলে কেন আলাদা আলাদা দাম হয়? কেন শেয়ারের দাম বাড়ে বা কমে? আসুন একটু জানার চেষ্টা করি।

কেন শেয়ারের দাম বাড়ে বা কমে এর উত্তর লুকিয়ে আছে supply এবং demand এর মধ্যে। যখন supply বেশি থাকে তখন দাম কমবে এবং যখন demand বেশি থাকে তখন দাম বাড়বে।

একটু সহজ উদাহরন দেই, যখন সবজির মৌসুম থাকে, বাজার অনেক সবজি পাওয়া যায় তখন সেই সবজিগুলো দাম অন্য সময়ের চেয়ে কম থাকে। আবার যখন বাজারে সবজি কম পাওয়া যায় তখন সেই সবজিগুলোর দাম বেশী থাকে।

শেয়ার বাজারেও supply এবং demand এই একই ভাবে কাজ করে। একজন বিনিয়োগকারী হিসাবে আপনাকে এই supply এবং demand অবশ্যই বুজতে হবে। আরো পড়ুন – একজন বিনিয়োগকারীর মধ্যে যেসব বৈশিষ্ট্য থাকা উচিত

আপনি যেই কোম্পানির শেয়ার কিনেছেন বা কিনবেন সেই কোম্পানি যদি সামনে ভালো প্রফিট করে, ভালো ব্যবসা করে তাহলে আপনার শেয়ারের demand বা চাহিদা বাড়বে এর ফলে আপনার শেয়ারের দামও বাড়বে।

আবার যখন আপনি একটি কোম্পানির শেয়ার কিনলেন তখন সেই কোম্পানি আস্তে আস্তে ব্যবসা খারাপ করছে, ভালো লাভ করতে পারছে না, উৎপাদন কমে যাচ্ছে তখন স্বাভাবিক ভাবেই এর চাহিদা কমবে এবং আপনার শেয়ারের দামও কমবে।

যখন একটি কোম্পানির শেয়ার, বাজারে কম পাওয়া যায় কিন্তু এর চাহিদা বেশি থাকে তখন দাম বাড়ে যায়। আবার যখন একটি কোম্পানির শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের চাহিদা কম থাকে তখন এর দাম কমে যায়।

মূলত কোম্পানিটি সামনে ভালো করবে এই বিশ্বাস নিয়েই একজন বিনিয়োগকারী সেই কোম্পানির শেয়ার কিনে থাকে। কেননা, কোম্পানিটি সামনে ভালো করলে সেই কোম্পানির প্রতি অন্য বিনিয়োগকারীদের চাহিদা বেড়ে যাবে এবং দাম বাড়বে।

আপনাকে মনে রাখতে হবে, এখন যেই কোম্পানির ডিমান্ড তুলনামূলক কম, কিন্তু ভবিষ্যতে এর ডিমান্ড বাড়তে পারে সেই শেয়ার বিনিয়োগ করলে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে।

আবার যেই শেয়ারে প্রচুর supply আছে একই সাথে বাজারে Demand ও বেশি সেই শেয়ারে বিনিয়োগ করলে লাভ এবং লস এই দুইয়ের সম্ভাবনা বেশী থাকে।

কেননা supply যদি বেড়ে যায় এবং Demand যদি কমে যায় তবে শেয়ারের দাম কমে যেতে পারে, আবার অন্যদিকে supply যদি কমে যায় এবং Demand আরো বেড়ে যায় তখন দাম বাড়তে পারে।

আবার যেই শেয়ারে প্রচুর supply আছে কিন্তু Demand তত নেই তাহলে সেই কোম্পানির শেয়ার আমাদেরকে লসে ফেলতে পারে।

এখন মূল কথা হচ্ছে, কিভাবে বুঝবো এই কোম্পানির শেয়ারের সামনে Demand বাড়বে। এটি বুজাতে হলে আমাদেরকে সেই কোম্পানি নিয়ে এনালাইসিস করতে হবে।

অনেকে শেয়ার বাজার থেকে লস করে এর অন্যতম কারন, কোম্পানি নিয়ে এনালাইসিস না করা।

এই ভুল কিন্তু আমরা অন্য বিষয়ে করি না। যেমন ৫০০ টাকা দিয়ে মাছ কেনার আগে দেখে নেই মাছটি তাজা কিনা, মাছটির গায়ে চিমটি মেরে দেখি নরম কিনা?

একটা মোবাইল কেনার আগে ইউটিউবে ৫০টি রিভিউ দেখে নেই, কেনার আগে সব কিছু চেক করে তারপর কিনি। তাহলে কেন আমরা একটা শেয়ার কেনার আগে একটু যাচাই বাছাই করবো না?

শেয়ার বাজারে লাভ করতে হলে, অন্য বিনিয়োগকারীদের আগে আপনাকে একটা সম্ভাবনাময় শেয়ারে বিনিয়োগ করতে হবে। যখন একটি কোম্পানি সবার চোখে  সম্ভাবনাময় হিসাবে ধরা পরে তখন সেই কোম্পানির শেয়ারে ডিমান্ড বেশি দিন ঠিকে না।

দাম একটু বেড়েই আবার পড়ে যায়। যখন অন্যদের চোখে এই শেয়ার ভাল না, তখন আপনি যদি যুক্তিগত চিন্তা করে সেই শেয়ার কিনতে পারেন তাহলে লসের পরিবর্তে লাভ অনেক কল্পনাতীত।

শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারীর জন্য একটা শেয়ারের দাম বাড়ে এবং  বিনিয়োগকারীগনই শেয়ারের দাম কমায়। যেমন একটা কোম্পানি নতুন করে ব্যবসা বাড়ায় তখন বিনিয়োগকারীরা চিন্তা করে এই কোম্পানির সামনে ভালো করবে তখন এর Demand বাড়ে।

আবার বিনিয়োগকারির একটা অংশ যদি মনে করে এই কোম্পানির ভবিষ্যত ভালো না তাহলে দাম কমবে।

আপনাকে আরো মনে রাখতে হবে, ভালো কোম্পানি মানেই ভালো শেয়ার না, আবার খারাপ কোম্পানি মানেই খারাপ শেয়ার না।

যদি একটা ভালো কোম্পানির শেয়ার সবাই কিনে তাহলে সেই কোম্পানির শেয়ারের দাম হবে লাখ টাকা, আবার কথিত খারাপ কোম্পানির শেয়ার যদি কেউ না কিনে তাহলে তার দাম হবে ১টাকা।

যখন কোম্পানিও ভালো, শেয়ারও ভালো তখন লাভ হয় প্রচুর। তাই অন্যদের আগে আপনাকে ভালো শেয়ার খুঁজে বিনিয়োগ করতে হবে।

শেষ কথা, শেয়ার বাজারের রাজা সেই, যে সবার আগে supply এবং demand বুঝতে পারে। ভিজিট করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল – Bangla Preneur YouTube Channel  



Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102