মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন

পরীমনির হাতের মেহেদী ‘এলিট রাঙাপরী’ নাকি ‘লীজান’, এই নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংঘর্ষ

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
পরীমনির হাতের মেহেদী ‘এলিট রাঙাপরী’ নাকি ‘লীজান’, এই নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংঘর্ষ

সবার উদ্দেশ্যে আবারও নতুন বার্তা পাঠালেন পরীমণি। এবার ডান হাতের তালুতে লিখলেন ‘ফা* (গালি) মি মোর’। আদালত প্রাঙ্গণে হুডখোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষমাণ ভক্তদের স্যালুট জানানোর সময় মেহেদীতে লেখা সেই বার্তাটি ধরা পড়ে ফটোগ্রাফারের চোখে।

যথারীতি এই বার্তা নিয়েও চলছে ভক্ত-সমালোচকদের মধ্যে চুলচেরা বিশ্লেষণ। কিন্তু এবারের ‘ফা* মি মোর’ স্লোগানের ব্যাখ্যা আর মেলানো যাচ্ছে না। কারণ, আগের স্লোগান ‘ডোন্ট লাভ মি বিচ’-এর সঙ্গে এবারেরটি বেশ বিপরীত।

তবে জামিন পাবার পর পরীমনি তার নিয়মিত জীবনে ফিরে গেলেও দ্বন্দ লেগে গেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কিছু যুবকের ভেতর। বিস্তারিত রিপোর্টে জানা গেছে, গতকাল পরীমনি হাতে কোন মেহেদী ব্যবহার করছে এই নিয়ে দ্বন্দের সূত্রপাত। মেহেদী (২৭) নামের এক যুবক দাবী করেন, পরীমনি হাতে লীজান মেহেদী লাগান। লীজান বাংলাদেশের সবচেয়ে ঐতিহ্যময় মেহেদী।

টঙে বসে থাকা রাসেল (২৫) নামের আরেক যুবক সাথে সাথে এর তীব্র প্রতিবাদ করে ওঠেন। তিনি বলেন, “মেন্দীর রঙ দেইখাই মনে হইতেছে এইটা এলিট রাঙাপরী মেহেদী। জীবনে শুধু একটা মেহেদীর নাম জানলে এমনই হয়। নাম মেহেদী হইলেই হয় না, মাথায় জিনিস থাকা লাগে! মূর্খ কোন জায়গার…”

সাথে সাথে বিদ্রোহী হয়ে যান মেহেদী, এবং উঠে দাঁড়িয়ে রাসেলের কলার চেপে ধরেন। ক্রমেই মানুষ জমা হতে শুরু করে এবং দু’দলে ভাগ হয়ে যায়। ট্যাঁটা আর বল্লমের আঘাতে জায়গাটি পরিণত হয় রণক্ষেত্রে।

এই সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত আহতের সংখ্যা পাঁচ। মেহেদীর দলের একজনের অবস্থা গুরুতর। তার মা জোবেদা খাতুন (৬০) কাঁদতে কাঁদতে eআরকি’কে জানিয়েছেন, ‘পরীমনিকে বইলেন এরপর থেইকা হাতে গিলিটার (গ্লিটার) লাগাইতে। মেহেদী টেহেদীর কী দরকার ছিলো? আহারে… আমার পোলাডা…’




Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি
সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102