মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ০৪:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ট্রাকের পেছনে গ্রীণলাইনের ধাক্কায় চালক নিহত, আহত ৩ শরণখোলায় মৃতঃ মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাল সনদ পরিবারের কাছে হস্তান্তর শরণখোলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ! সিরিজ দুর্নীতির অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গে বিপাকে মমতা কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি DC Office Job 2022 ইনজুরিতে জর্জরিত লিভারপুল – স্পোর্টস প্রতিদিন তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগে আরও পরিশোধ হল ১৫ মিলিয়ন ডলার – টেক শহর ভারতীয় ক্রিকেটার চাহালের স্ত্রী ধনশ্রী ভার্মার নাচ ভক্তদের মুগ্ধ করেছে সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর বেনাপোল ও শার্শা থানায় খোলা আকাশের নিচে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার গাড়ি

পাবনায় গো-খাদ্যের তীব্র সঙ্কট, বিপাকে খামারিরা | Adhunik Krishi Khamar

  • আপডেট সময় রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
গরু




পাবনায় গো-খাদ্যের তীব্র সঙ্কট দেখা দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় খামারিরা। এবার চলনবিলসংলগ্ন পাবনা ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে বন্যা ও অতিবৃষ্টির ফলে গোচারণ ভূমি ও ঘাসের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যায়। এর ফলে এই অঞ্চলে দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের সঙ্কট। এখানকার গরু, মহিষ, ছাগল-ভেড়া নিয়ে বিপাকে পড়েছেন প্রায় ২৫ হাজার দুগ্ধ খামারি। গবাদিপশুর খাদ্যের সঙ্কট দেখা দেওয়ায় বেড়ে গেছে খাদ্যের দাম। তাই গবাদিপশুগুলোকে বাঁচাতে বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশি দামে খড় কিনে নৌকা ও সড়কপথে নিয়ে যাচ্ছেন খামারিরা।

স্থানীয় খামারিরা জানান, এক বস্তা খৈল বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার থেকে তিন হাজার ২০০ টাকায়, যা কয়েক মাস আগে দুই হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হতো। কয়েক মাস আগে যে গমের ভুসি ছিল ৯০০ টাকা বস্তা, এখন সেই এক বস্তা গমের ভুসি বিক্রি হচ্ছে ১২০০-১২৫০ টাকায়। একইভাবে মাষকলাইয়ের ভুসির বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১৪০০-১৪৫০ টাকায়। বর্তমানে প্রতি মণ খড় বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৪৫০ টাকায়।

খামারি ইয়াকুব আলী বলেন, আমার খামারে পাঁচটি গরু থেকে প্রতিদিন ২০-২২ লিটার দুধ আসে। সেখান থেকে ৯০০ থেকে এক হাজার টাকা আয় হয় আমার। প্রতিদিন কমপক্ষে ৮০০-৮৫০ টাকা খরচ হয়। কোনো কোনো দিন কোনো লাভই থাকে না। এমন চলতে থাকলে গরু বিক্রি করে দেয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।

আরেক খামারি শামসুল জানান, ভুসি ও খড় বাবদ দিনে প্রায় ২৫০০-১৬০০ টাকা খরচ হয়। দুধ বিক্রি করে আসে ২৭০০-৩০০০ টাকা। কোনো কোনো দিন খরচের চেয়ে দুধের দাম কম আসে। সব মিলে মাস শেষে লোকসান গুনতে হচ্ছে তার। দুধ উৎপাদন খরচ বাড়লেও পাইকারি বাজারে দুধের দাম খুব একটা বাড়েনি। বর্তমানে খুচরা বাজারে এক লিটার দুধ ৫৫-৬০ টাকা দরে বিক্রি হলেও পাইকারি বাজারে তা ৪৫-৫০ টাকা।

জেলার প্রাণিসম্পদ অফিসার আল মামুন বলেন, এ অঞ্চলে প্রত্যেক বছরই বন্যার সময়ে গো-খাদ্যের তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়ে থাকে। তাই এই সময় গো-খাদ্যের দাম অন্যান্য সময়ের চেয়ে কিছুটা বেড়ে যায়। আশা করা হচ্ছে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।


আরও পড়ুনঃ খামারে পালন করা গরুর সঠিক যত্নে করণীয়


ডেইরি প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার









Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102