শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ছাগলের বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের চাহিদা | Adhunik Krishi Khamar নথির খোঁজে ট্রাম্পের বাসায় এফবিআইয়ের তল্লাশি চার বন্দরে ৩ নম্বর সংকেত বহাল, প্লাবিত হতে পারে নিম্নাঞ্চল বেনজামাকে পেছনে ফেলে এবার লা লিগার শীর্ষ গোলদাতা হবে লেভানদস্কি – স্পোর্টস প্রতিদিন খুলনায় চিং‌ড়ি‌তে অপদ্রব‌্যপুশের অপরা‌ধে ৭জ‌নের জেল রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে চুরি হওয়া মূল্যবান মালামালসহ ৪ চোরকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব শিল্প-কারখানায় এলাকাভিত্তিক আলাদা সাপ্তাহিক ছুটি ইঞ্জিনিয়ার ২ মিনিটের কাজের বিল চাইলেন ২ লাখ টাকা স্মার্ট সোসাইটি প্রকল্প বিষয়ে মতবিনিময় সভা – টেক শহর মা পাঠাতেন ভিসা, ছেলে পাঠাতেন নারী

পোষা পাখির সন্ধান পেতে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১
পোষা পাখির সন্ধান পেতে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা

জুমবাংলা ডেস্ক: ঢাকার গুলশান এলাকার দেয়ালে দেয়ালে একটা পোষ্টার অনেকের নজর কেড়েছে। পোষ্টারে একটা পাখির ছবি। ‘পাখি হারানো বিজ্ঞপ্তি’ শিরোনামের এই পোস্টারে উল্লেখ করা হয়, সন্ধানদাতাকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেয়া হবে। খবর বিবিসি বাংলার।

পোষ্টারটিতে আরো লেখা রয়েছে, “কিউই (টিয়া) পাখিটি নিজের নাম বলতে পারে”।

পাখিটির মালিক ফাইজা ইব্রাহীমের সাথে কথা হয় বিবিসি বাংলার। গুলশান-১ এলাকার এই বাসিন্দা বলেন, পাখিটিকে কিউই নামে ডাকেন তিনি।

মিজ ইব্রাহীম বিবিসিকে বলেন, পোষা পাখিটি ছেড়ে দেয়া থাকতো। বাড়ির সবার প্রিয় হওয়ার কাঁধে কাঁধে ঘুরে বেড়াতো। রাতের বেলা শুধু খাঁচায় থাকে। গত তেসরা অক্টোবর সকাল নয়টার পর থেকে পাখিটা নিখোঁজ।

মিজ ইব্রাহীম একজন পশু-পাখিপ্রেমিক। বিবিসিকে তিনি বলেন, এই পাখিটি ছাড়াও তার কুকুর এবং বিড়াল আছে।

সান কন্যুর প্রজাতির এই টিয়া পাখিটি ২০১৮ সালে কেনেন ফাইজা। সান কন্যুরের পাখির জন্ম দক্ষিণ আমেরিকায়। এটি মূলত একটি কেজ বার্ড বা খাঁচায় পোষা পাখি।

বাংলাদেশে আমদানি করার পাশাপাশি অনেকেই প্রজনন করে বাচ্চা বিক্রি করেন।

ঢাকার একটি পোষা পাখির দোকান অ্যাংগ্রি বার্ডস-এ খোঁজ নিয়ে যানা যায়, পূর্ণবয়স্ক একজোড়া প্রজননক্ষম সান কন্যুরের দাম ৫০ হাজার টাকা। সেই হিসেবে একটির দাম ২৫ হাজার টাকা।

প্রজননক্ষম না হলে প্রতিটি সান কন্যুরের দাম কুড়ি হাজার টাকা। আর নবজাতকের দাম ১২ হাজার টাকার মত।

তাহলে একটি পাখি খুঁজে দেয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করলেন কেন?

মিজ ইব্রাহিম বলছেন, “যারা পাখি পালেন তারা জানেন যে পাখি হারিয়ে গেলে সেটা খুঁজে পাওয়া কতটা কঠিন”

এই নিয়ে পাখিটা তৃতীয়বারের মত হারালো।

“প্রথমবার যখন হারিয়ে গেছে তখন আমি পোষ্টার দিয়েছিলাম। বাসার পাশেই কন্স্ট্রাকশনের কাজ চলছিল। তারা পেয়েছিল। আমি তাদেরকে ১৪ হাজার টাকা দিয়েছি। দ্বিতীয়বারেও পোষ্টার দিয়েছি। যারা পেয়েছিল তারা টাকা নিতে চায়নি। কিন্তু আমি উপহার দিয়েছি”।

মিজ ইব্রাহীম বলেন, “আমার কাছে টাকার চেয়ে বড় হল পাখিটাকে পাওয়া। আমি টাকার অংকটাও বেশি দিয়েছি। কারণ একটা মানুষ কষ্ট করে পাখি খুঁজে দেবে তার অবশ্যই পুরস্কার পাওয়া উচিৎ”।

এর মধ্যে তিনি অন্তত ৪০টা ফোন কল পেয়েছেন যারা পাখিটা খুঁজে দিতে চেয়েছেন।

“তারা বলছেন টাকাটা তাদের দরকার। পাখি খুঁজে দিলে আমি আসলেই টাকা দেব কি না এটাও অনেকে জানতে চাচ্ছেন। আমি তাদের কে নিশ্চয়তা দিয়েছি”।

মিজ ইব্রাহীম বলেন, “আমি আসলে চিন্তায় আছি যে এই পাখিগুলো ওয়াইল্ডে (উম্মুক্ত পরিবেশে) বাঁচতে পারে না। তৃতীয়বারের মত আমি সৌভাগ্যবান হব কি না জানি না”।



Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102