বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বলেশ্বর নদ থেকে জব্দ করা ২৫০০মিটার কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় মোরেলগঞ্জে ব্যবসায়ী গ্রেফতার জুট মিল থেকে বিশ হাজার টন চাল জব্দ, গুদাম সিলগাল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দৈন্যদশা শিক্ষার্থী ৮ শিক্ষক ২ রামপাল সরকারি কলেজের ওরিয়েন্টেশন ক্লাস সম্পন্ন সাড়ে চার ঘন্টায়ও নেভেনি ভিআইপি ব্যাগ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১১ ইউনিট মোংলা ইপিজেডে ভিআইপি কারখানায় আগুন মোরেলগঞ্জে ৩৬০ প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ভূট্টা বীজ বিতরণ শরণখোলার শেরে বাংলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু উৎসবে শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ রাতের খাবার খেয়ে জ্ঞান হারিয়ে শিশুসহ ৪জন মোরেলগঞ্জ হাসাপাতালে

একদিন ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে বিল অর্ধেক

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর, ২০২১

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- ট্যারিফ অপরিবর্তিত রেখে কেবল গ্রেড অব সার্ভিস এবং এর শর্ত সংশোধন করে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এর ফলে আইএসপির মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবায় সংযোগ বিচ্ছিন্নতার ক্ষেত্রে কয়েকগুণ মাশুল গুণতে হবে।

বুধবার (৬ অক্টোবর) বিটিআরসি এ নির্দেশনা সব আইএসপি, বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আইএসপিএবি, আইআইজিএবি ও এনটিটিএনকে পাঠিয়েছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সব ধরনের আইএসপির ক্ষেত্রে এক দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মোট বিলের ৫০ শতাংশ মাসিক বিল (পূর্বের নির্দেশনায় সাত দিন ছিল), দুই দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মোট বিলের ২৫ শতাংশ মাসিক বিল (পূর্বের নির্দেশনায় ১৪ দিন ছিল) এবং তিন দিন অব্যাহতভাবে (পূর্বের নির্দেশনায় ২০ দিন ছিল) ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে ওই মাসে কোনো মাসিক বিল গ্রাহকের কাছ থেকে নেয়া যাবে না।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, গ্রাহক সেবা ও সেবার মান নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পেনাল্টি শর্তসহ কোয়ালিটি অব সার্ভিস অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্সকে বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি সেবার মানদণ্ড নির্ধারণে বর্ণিত গ্রেড এ, বি এবং সি অনুযায়ী গ্রেড অব সার্ভিস বজায় রাখতে প্রতিটি আইএসপি বাধ্য থাকবে।

এতে আরও বলা হয়, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার-২০১৮-এর প্রতিশ্রুত ‘ইন্টারনেট ও মোবাইল ব্যবহারের মূল্য যুক্তিগঙ্গত পর্যায়ে নামিয়ে আনা হবে’- বাস্তবায়নের জন্য একটি বাস্তবসম্মত এবং গ্রাহক বান্ধব ইন্টারনেট ট্যারিফ প্রণয়নে সারাদেশের জন্য ‘এক দেশ, এক রেট’ ট্যারিফ জারি করা হয়। ট্যারিফের সঙ্গে গ্রাহক সেবা ও সেবার মান নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় জরিমানা শর্তসহ কোয়ালিটি অব সার্ভিস অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্সকে বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি সেবার মানদণ্ড নির্ধারণে গ্রেড অব সার্ভিস তৈরি করা হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়, ট্যারিফের বাইরে অনুমোদন ছাড়া কোনো সেবা পরিচালনা করলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী সেই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এতে আরও বলা হয়, গ্রাহক অভিযোগ (টিকেটিং নাম্বারসহ) দ্রুততার সঙ্গে সমাধান করতে হবে। গ্রাহক কোনো অভিযোগ জানালে বিটিআরসি প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। এছাড়া অভিযোগ ও অভিযোগ সমাধানের তথ্য কমপক্ষে ছয় মাসের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে।

এদিকে নতুন এই নির্দেশনা জারির বিষয়ে ইন্টারনেট সেবাদানকারীদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি এবং বাংলাদেশের বিদ্যমান অবকাঠামোগত অবস্থায় মানা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) মহাসচিব ইমদাদুল হক।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অবকাঠামো অনুসরণ করা সম্ভব না। এটা করা হয়েছে অ্যামেরিকান মান অনুযায়ী। কারণ সেখানে এক পক্ষ ট্রান্সমিশন দেয়, আরেক পক্ষ সার্ভিস দেয়। আর আমাদের এখানে সবাই ট্রান্সমিশন ও সার্ভিস দেয়।

তিনি বলেন, আমাদের এখানে সিটি করপোরেশনের কাজের সময় লাইন কেটে যায়। প্রতিনিয়ত এটা হচ্ছে। লাইন কেটে গেলে কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা সময় লাগে। সেক্ষেত্রে এই দায় কেন আমাদের ওপর চাপানো হচ্ছে?

তিনি আরও বলেন, সরকার আমাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এটা করেনি। আমাদের এখানে প্রতিনিয়ত প্রতিযোগিতা হয়। আজ খারাপ সেবা দিলে কাল অন্যজন কানেকশন দেয়।



Source by [author_name]

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Recent Posts

© 2022 sundarbon24.com|| All rights reserved.
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102