বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:২১ অপরাহ্ন

বিশ্বে মাত্র ৫০ শতাংশ স্কুলে চলছে সশরীরে পাঠদান

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর, ২০২১
  • ১১
বিশ্বে মাত্র ৫০ শতাংশ স্কুলে চলছে সশরীরে পাঠদান

করোনার ১৯ মাস পর বিশ্বের নানা দেশের স্কুলে পাঠদান শুরু হয়েছে। তবে পুরোপুরি শুরু হয়নি ক্লাস। মাত্র ৫০ শতাংশ স্কুলে নতুন করে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হয়েছে। বাকিদের মধ্যে প্রায় ৩৪ শতাংশ দেশ শিক্ষা কার্যক্রম মিশ্র পদ্ধতির (দূরশিক্ষণ ও সরাসরি ক্লাস) ওপর নির্ভর করে চালাচ্ছে। গ্লোবাল এডুকেশনের এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।

জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্বব্যাংক ও ইউনিসেফ এ জরিপ চালায়। কোভিড–১৯ পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা ও বিভিন্ন কার্যক্রম চালানোর জন্য দুই শতাধিক দেশকে সহযোগিতার লক্ষ্যে এ জরিপ চালানো হয়।

করোনা মহামারির কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ স্কুল বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়। তবে পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে ওঠার পর অনেক দেশই তাদের স্কুলগুলো খুলে দিয়েছে।

বিশ্বজুড়ে ৮০ শতাংশ স্কুলে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যে ৫৪ শতাংশ স্কুলে শিক্ষার্থীরা সশরীর ক্লাস করছে, ৩৪ শতাংশ স্কুলে মিশ্র ধারার শিক্ষাপদ্ধতিতে চলছে। ১০ শতাংশ স্কুলে চলছে দূরবর্তী শিক্ষা কার্যক্রম। আর ২ শতাংশ স্কুলে কোনো ধরনের পাঠদানই চলছে না।

মাত্র ৫৩ শতাংশ দেশ শিক্ষকদের টিকাদানকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের শিক্ষাবিষয়ক কমিটি সুপারিশ করে বলছে, স্কুলে সশরীর ক্লাস শুরুর আগে দেশের জনগণ ও স্কুলের কর্মীদের পুরোপুরি টিকাদানের কাজ শেষ করতে হবে। সুপারিশে বলা হয়, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতের মধ্য দিয়ে টিকা ছাড়াই নিরাপদে স্কুল খোলার সুযোগ থাকলেও শিক্ষা খাতকে আবারও জাগিয়ে তুলতে যতটা সম্ভব শিক্ষকদের টিকাদানে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্কুল নতুন করে খোলা ও দীর্ঘ মেয়াদে স্কুল বন্ধ রাখার ঝুঁকি মূল্যায়নের কাজ করছে বিশ্বব্যাংক। যেসব দেশে স্কুল খোলার আগে প্রতি সপ্তাহে কোভিড আক্রান্ত হয়ে লাখে ৩৬ থেকে ৪৪ জনের কম মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, সেখানে স্কুল খোলার কারণে নতুন করে প্রভাব পড়েনি। এমনকি ছয় সপ্তাহ পরও এ সংখ্যা বাড়তে দেখা যায়নি।

গত বছর করোনার কারণে ১৮৮টির বেশি দেশে স্কুল বন্ধ রাখা হয়। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘২০২০ সালের শুরুতে বিভিন্ন দেশে কোভিড–১৯ মহামারি ছড়িয়ে পড়ার পর, ভাইরাস সম্পর্কে আমরা খুব কমই জানতাম। কীভাবে এটি ছড়ায়, কারা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হতে পারে ও কীভাবে এর চিকিৎসা করতে হবে—তা নিয়ে কম তথ্যই জানা ছিল। শিশুদের সুরক্ষার জন্য ও রোগের সংক্রমণ কমাতে অনেক দেশের সরকার স্কুল বন্ধ করতে বাধ্য হয়।’

ডি-ইভূ




Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি
সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০২১
Designer: Shimulツ
themesba-lates1749691102