বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম

সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

  • আপডেট সময় রবিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩০
সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

খুলনা প্রেসক্লাব মিডিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট-২০২১ এর লোগো উম্মোচন রবিবার

খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা প্রেসক্লাব আয়োজিত মিডিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট-২০২১ এর লোগো উম্মোচন রবিবার (২৮ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। এ অনুষ্ঠানে খুলনা প্রেস ক্লাবের কর্মকর্তা, সন্মানিত টিম মালিক ও স্পন্সর প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন। এখানে লটারীর মাধ্যমে টুর্নামেন্টের ফিকচার ঘোষনা করা হবে। একই সাথে টুর্নামেন্ট কমিটি গঠন ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সময়সূচি নিয়ে আলোচনা হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য খুলনা প্রেসক্লাবের সদস্যদের আহবান জানানো হয়েছে।

অসুস্থ আ’লীগ নেতার শয্যাপাশে জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ

খবর বিজ্ঞপ্তিঃ
ফুলতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার শাহাবুদ্দিন জিপ্পি অসুস্থ হয়ে খুলনার একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার অসুস্থতার খবর শুনে গতকাল হাসপাতালে ছুটে যান খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বিএমএ সালাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জামাল, সদস্য মোঃ জামিল খান, আওয়ামী লীগ নেতা মৃণাল হাজরা, যুবনেতা সরদার জাকির হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হাদীউজ্জামান হাদী, মাহাফুজুর রহমান সোহাগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বিধান চন্দ্র রায়, অজয় নন্দী, সামসুন্নাহার, শাপলা সুলতানা লিপি, মোঃ ইদ্রিস আলী, কবির আহমেদ মনা, আল মোমিন লিটন, তাপস জোয়ার্দার, ছাত্রনেতা আমির মোমেন রানা, তানভীর রহমান আকাশ, শেখ আশফাকুল ইসলাম সম্পদ, মিথুন সরদার, রাহাত বিশ্বাস প্রমুখ।

তুয়ারডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরিচালনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনির তুয়ারডাঙ্গা এইচ এফ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কমিটির সভাপতি আশীষ কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান শিক্ষক ও সদস্য সচিব সুব্রত কুমার মন্ডল, দাতা সদস্য নাসির উদ্দিন, অভিভাবক সদস্য রবীন্দ্র নাথ মন্ডল, জয়দেব মন্ডল, টুকু সরদার, মারুফা খাতুন, শিক্ষক প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম, আজমল হোসেন ও কবিতা আচার্য উপস্থিত ছিলেন।
সভায় করোনাকালীন সময়ে ছুটির কারনে শিক্ষার ঘাটতি পুরনে আগামী বছরের পরিকল্পনা, স্কুলের সার্বিক উন্নয়ন ও সম সাময়িক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। সদস্যবৃন্দ বলেন, স্কুলের মাঠ ভরাট, প্রাচীর নির্মান, আসবাবপত্র তৈরি, টিনসেড সংস্কারসহ বহু কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়। সবকিছু নিয়োগবিধি মেনে, স্বচ্ছতা, দুর্নীতিমুক্তভাবে অর্থনৈতিক লেনদেন ছাড়াই সম্পন্ন করা হয়। কমিটির সকল সদস্যের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত মোতাবেক রেজুলেশানের মাধ্যমে কাজ করা হয়েছে। কাজের সাথে কমিটির সদস্য সালেক সরদার ওরপে বাবু জড়িত ছিলেন ও স্বাক্ষর আছে। কিন্তু সালেক সরদার সম্প্রতি অর্থ আত্মসাতসহ নানা অমূলক অভিযোগ করে যাচ্ছেন। এমনকি অফিস সহায়ক ও আয়া পদে এখনো নিয়োগ কার্যক্রম শুরুই করা হয়নি, পত্রিকায় বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়নি। অথচ তিনি তার নিজের ভাইকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য কমিটির অনেকের সাথে চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছেন। এমনকি না নিলে নিয়োগ বন্ধ করে দেওয়া হবে ও আইনের ফ্যাগড়ায় ফেলে জব্দ করার হুমকী দিচ্ছেন। সভায় সালেক সরদারের কার্যক্রম ও পত্রিকায় মিথ্যা অভিযোগ প্রকাশের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে প্রস্তাব গ্রহন করা হয়।

তুয়ারডাঙ্গায় মেম্বার প্রার্থী টুকুর মতবিনিময় সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনির খাজরা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ইব্রাহিম খলিল টুকুর নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ নভেম্বর) বিকালে তুয়ারডাঙ্গা গ্রামে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলহাজ্ব তফেজ উদ্দিন মোল্যার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, প্রার্থী ইব্রাহিম হোসেন টুকু। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইমদাদুল হক, আবু জাফর মোল্যা, বাপ্পী সরদার ও কমিন গাইন। সভায় প্রধান অতিথি বলেন, আমি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে ১৯৮৭-২০২০ পর্যন্ত কর্মকর্তা পদে চাকুরি করেছি। অগ্রিম অবসর নিয়ে এলাকার মানুষের কাছে থাকার জন্য গ্রামে এসেছি। আমি তুয়ারডাঙ্গা ঈদগাহ কমিটির সভাপতি, তুয়ারডাঙ্গা এইচএফ হাই স্কুলের সাবেক সভাপতি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দু’বারের সভাপতি ছিলাম। ২০১২ সালে উপজেলার শ্রেষ্ঠ এসএমসি সভাপতি নির্বাচিত হই। আমি ব্যক্তি সহায়তার পাশাপাশি সকলের সহযোগিতা নিয়ে ঈদগাহ পাকা করার কাজ করার সাথে জড়িত ছিলাম। গ্রামের রাস্তার মাটি ভরাট, মসজিদের উন্নয়নে সকলের সাথে কাজ করেছি। করোনাকালীন সময়ে মানুষের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করতে সহায়তা করেছি। আমি গ্রামের গরীব রোগিদের বাইরে নিয়ে চিকিৎসা করাতে সহযোগিতা দিয়ে থাকি। ছোট খাট রোগিদের পাশে থাকতে ও বিপদে আপদে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। বিগত দিনে যোগ্য প্রার্থীর অভাব মানুষ উপলব্ধি করে আমাকে নির্বাচনে আসতে দাবী করে আসছিল। তাদের দাবীর প্রেক্ষিতে আমি মেম্বার পদে নির্বাচনে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
আমি নির্বাচিত হতে পারলে, গ্রামের শিক্ষার মান উন্নয়নে যথাসাধ্য চেষ্টা করবো। সুশিক্ষা ব্যতীত মানুষের উন্নয়ন সম্ভব নয়। সুশিক্ষার পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে ভূমিকা রাখতে চাই। এজন্য যুবকদেরকে অহেতুক গল্পগুজব, মোবাইলের অপব্যবহার ও মুনে শান্তি-খুশি সৃষ্টি করতে খেলাধুলার সাথে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছি। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সুবিধা অসুবিধায় পাশে থাকা, সড়কের উন্নয়ন করা, গরীবের চিকিৎসা সেবার সুযোগের জন্য বাজারে আমার নিজের জায়গায় চিকিৎসার ব্যবস্থা নেব। যেখানে গরীবদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হবে। আমার সংগ্রাম ও প্রধান কাজ হবে মাদকমুক্ত সাজ গঠন, দুর্নীতির ছোবল ও হয়রানী থেকে মানুষকে মুক্ত করা, সরকারি সকল সহযোগিতা যোগ্যদের পাইয়ে দেওয়া, কলহ বিবাদকে পুজি করে দলবাজি নয় বরং আপোষে মিমাংসার মাধ্যমে কোর্ট-থানার হয়রানী থেকে মুক্ত করা, সর্বসময় জনগণ আমাকে কাছে পেতে পারে সে জন্য কাজ করতে চাই। আমি জনগণের সেবক হয়ে থাকতে চাই।

৩০ ডিসেম্বর খুলনায় জনসভা সফলের লক্ষ্যে দৌলতপুর থানা বিএনপি’র প্রস্তুুতি সভা

খবর বিজ্ঞপ্তি
বি.এন.পি’র চেয়ারপার্সন তিন বাবের সফল সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং বিদেশে সু-চিকিৎসার দাবিতে ৩০ ডিসেম্বর খুলনা জনসভা সফলের লক্ষ্যে দৌলতপুর থানা বিএনপি’র প্রস্তুুতি সভা গতকাল বাদ মাগরিব দৌলতপুর থানা বিএনপি’র কার্যালয়ে থানা বিএনপি’র সভাপতি শেখ মোশারফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অন্যানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিরাজুল হক নান্নু, লিয়াকত হোসেন লাভলু, আলহাজ্ব বেলায়েত হোসেন, মোল্যা মজিবুর রহমান, শরিফুল আনাম, আবুল কালাম শিকদার, শেখ আছাদুজ্জামান আছাদ, জাহিদ হাসান খসরু, মাসুদুর রহমান রানা, আরমান হোসেন, ইউনুস আলী, হারুন-অর-রশিদ, শামীম আজাদ খান মিলু, মাজেদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, বিপ্লব, সাইফুল ইসলাম, আসলাম হোসেন, রাকিুবুল ইসলাম মিঠু, সৈয়দ গাজী, খোসনুর রহমান জনি, কামরুল হোসেন এরশাদ, মুক্তার হোসেন মুক্তা, তনিরুল হুদা লিটন, ইকবাল হোসেন, কবির হোসেন, আছাদুর রহমান, নাজমুল হোসেন, জাকির হোসেন, মোঃ রিপন, মোঃ দিপু, মোঃ সাম্য, সাথী আমিন, কাকলী আক্তার প্রমুখ। সভায় বক্তারা আগামী ৩০ ডিসেম্বর জনসভা সফল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করেন।

রাষ্টায়ত্ব পাটকল অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী-কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি সভা

ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
খুলনার রাষ্টায়ত্ব পাটকল কর্মচারী-কর্মকর্তাদের (অবসরকৃত) সকল পাওনা পরিশোধের দাবীতে শনিবার বেলা ১১ টায় কেসিসি ১১ নং ওয়ার্ড কমিশনার এর কার্যালয়ে খুলনা যশোর অঞ্চলের বিজেএমসি’র অবসরকৃত কর্মচারী-কর্মকর্তাদের সকল পাওনা পরিশোধ সহ ৩ দফা দাবী আদায়ের লক্ষে কেন্দ্রীয় ঘোষিত ৩০ নভেম্বর সকাল ১১ টায় ঢাকায় বিজেএমসি’র কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী সফল করার লক্ষে রাষ্ট্রয়ত্ব পাটকল কর্পোরেশনের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী-কর্মকর্তা সমন্বয় পরিষদ এবং খুলনা আঞ্চলিক কমিটির উদ্যোগে এক জরুরী প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা জোনের সাবেক লিয়াজো কর্মকর্তা তোফায়েল আহম্মেদ। বক্তৃতা করেন খুলনা জোনের আহবায়ক মোঃ জাহাঙ্গির হোসেন, সদস্য সচিব এস এম জাকির হোসেন, আবু তালেব , মজœুরুল করিম, মাজহারুল , মোঃ আমজাদ , আঃ ওহাব, আবু জাফর সহ অনন্য নেতৃবৃন্দ । সভায় বক্তারা বলেন বিজেএমসির কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারী গত ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় এক বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সরকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকুরীহারা সকলের পাওনা পরিশোধ করেছে, কিন্তু বিজেএমসির আওতাধীন ২৫ টি পাটকলের স্থায়ী- অস্থায়ী শ্রমিকদের পাওনা আংশিক পরিশোধ করেছে । এব্যাপারে নেতৃবৃন্দ বলেন ২০১৩ সাল থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোন পাওনা পরিশোধ করেনি। বিজেএমসি’র কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তাদের নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য একটি মিথ্যা বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেন। উক্ত বিজ্ঞাপনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান নেতৃবৃন্দ। ৩০ নভেম্বর সকাল ১১ টায় ঢাকা মতিঝিলে বিজেএমসি’র কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী সফল করার লক্ষে সকলকে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান।

গিলাতলা বারাকপুর ঘাট মালিক কর্তৃক ভ্যান শ্রমিকের উপর হামলা

ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন গিলাতলা দক্ষিণপাড়া বারাকপুর খেয়াঘাটের টোল আদাকারী কর্তৃক ভ্যান শ্রমিককে বিনা কারণে মারপিট করার প্রতিবাদে শনিবার বেলা ৩টা থেকে ভ্যান শ্রমিকরা তাদের ভ্যান বন্ধ করে বিক্ষোভ করে। ভ্যান চালক মৃত রাশেদ এর পুত্র নূরনবী ঘাটের টোল ১টাকার পরিবর্তে ২টাকা আদায় করাসহ ঘাটে পারাপাররত যাত্রীদেরকে বিভিন্ন সময়ে হয়রানি করার প্রতিবাদ করেন। এসময় টোল আদায়কারী মোঃ আমজাদ হোসেনের পুত্র মোঃ লাভলু ভ্যানচালক নূরনবীকে মারপিট করে । এসময় অন্য ভ্যানচালকরা ঠেকাতে গেলে লাভলু তাদের উপরও চড়াও হয়। এলাকাবাসী বলেন কোন প্রকার নিয়মনিতির তোয়াক্বা না করে এবং জেলা পরিষদের ইজারার শর্ত অনুযায়ী জন প্রতি ১টাকা টোল নেয়ার কথা থাকলেও ঘাট ইজারাদার প্রভাব খাটিয়ে ২ টাকা ভাড়া আদায় করছে। এব্যপারে দিঘলিয়া নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাহবুবুল আলম বলেন যাত্রীদের কাছ থেকে ২টাকা টোল আদায় করার কোন সুযোগ নেই। যারা অতিরিক্ত টোল আদায় করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আজ কালীগঞ্জে ইউপি ভোট: কেন্দ্রে চলে গেছে সরঞ্জামাদী

বিশেষ প্রতিনিধি ॥
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ১১টি পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে রোববার। শনিবার সকাল থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে নির্বাচনী সরঞ্জাম।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, কালীগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করতে ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। শনিবার থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো শুরু হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। ১০৪টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৪জন পুলিশ সদস্য, ১৭ জন আনসার সদস্য দায়িত্বপালন করবেন। এছাড়া উপজেলায় ৬ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাব সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
এদিকে শনিবার সকালে কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ ও আনসার সদস্যদের ব্রিফিং করা হয়। ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার মুনতাসিরুল ইসলাম। তিনি শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন শেষ করতে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
কালীগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৮২৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৯৫ হাজার ৩৭৪ জন এবং নারী ভোটার ৯২ হাজার ৪৫১ জন। ইউপি চেয়ারম্যান পদে ২৯ জন, পুরুষ সদস্য পদে ৩১৫ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৯৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান

খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক শনিবার সকালে নগরীর দেবেন বাবু রোডস্থ টিনার বস্তিতে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্থ ৮টি পরিবারের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে সর্বমোট ৮০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন। সিটি কর্পোরেশনের তহবিল থেকে এ অনুদান প্রদান করা হয়।
এ সময় স্থানীয় কাউন্সিলর শেখ মো: গাউসুল আজমও নিজস্ব তহবিল হতে ৮টি পরিবারের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে সর্বমোট ৪০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। আওয়ামী লীগ নেতা চ ম মুজিবুর রহমানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ, গত ২০ নভেম্বর দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে এ বস্তির ৮টি ঘর সম্পূর্ণ ভষ্মিভূত হয়। সিটি মেয়র ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং কেসিসি’র পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এছাড়া তিনি জেলা প্রশাসকসহ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাসমূহকে তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহবান জানান।

পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদের ভাঙ্গন আবারো ব্যাপক আকার ধারণ করছে

বাবুল আক্তার।।
পাইকগাছার রাড়ুলী ইউনিয়নের কপোতাক্ষ নদের ভাঙ্গন আবারো ব্যাপক আকার ধারণ করছে। ইতোমধ্যে নদী গর্ভে চলে যেতে বসেছে প্রায় ২০ টি ঘর। ঘরবাড়ি হারিয়ে অন্যত্রে চলে গেছে আরো ৭০পরিবার। ভাঙ্গন এলাকায় চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি তিন ভাগের ২ ভাগ নদী গর্ভে চলে গেছে। জোয়ারের পানি ঠেকানোর জন্য নেই কোন বাঁধ। সে কারণে অমাবশ্যা ও পূর্নিমা জোয়ারে পানি বাড়লে এলাকা প্লাবিত হয়ে ক্ষতি হচ্ছে গাছপালা ফসলী জমি ও কাঁচা ঘরবাড়ি।
নদীর পাড়ের জেলে পরিবারে ভূধর বিশ্বাস জানান, আমার বাবা ও দাদারা প্রায় ১শ বছর ধরে এখানে বাস করে আসছে। নদীর কুলে ১শ থেকে দেড়শ বিঘা জমি ছিলো। যেখানে ১৫০ টি জেলে পরিবার বাস করতো। ভাঙ্গনের ফলে এখান থেকে ৭০ টি পরিবারের ঘর নদী গর্ভে চলে গেছে। তারা কেহ জমি কিনে অন্যত্র বাড়ি করেছে কেহবা রাস্তার পাশে ও অনেকেরই গুচ্ছগ্রামে ঠাই মিলেছে। একই এলাকার লিপিকা বিশ্বাস জানান, রাতে জোয়ার আসলে ভয় হয় বাচ্চাদের নিয়ে রাত জেগে বসে থাকি কখন না ঘরখানা নদী গর্ভে চলে যাই। ভাটা হলে ঘুমাতে যাই। রাড়ুলীর ৩ নং ওয়ার্ডের ফরিদা বেগম (৫৫) বলেন আমাদের বাড়ি ছাড়া নদী প্রায় আঁধা কিলোমিটার দুরে ছিলো। জেলে পল্লীর পরে ছিলো আমাদের বসবাস। আমরা এখানে প্রায় ৪০ পরিবাবার বাস করতাম। জেলে পল্লীর পর আমরা এখন নদীর কিনারায় রয়েছি। যে কোন সময় ঘর খানি ভাঙ্গনে নদীতে চলে যাবে। একই এলাকার বারিক মোড়ল জানান আমি তিনবার ঘর পরিবর্তন করেছি। তার পরেও রান্না ও কাঠের ঘর নদীতে চলে গেছে। বাকি রয়েছে থাকার ঘরখানি। যে কোন সময় নদীতে চলে যাবে। তেমন কোন টাকা পয়সা নাই অন্যত্রে জমি কিনে বাড়ি করবো। সরকার যদি নদের ওপারে জেগে উঠা চরে আমাদের ঘর বাঁধার জায়গা দিতেন তা হলে আমরা ছেলেমেয়ে নিয়ে বসবাস করতে পারতাম। রাড়ুলী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য মোঃ ইলিয়াস হোসেন বলেন, অমাবশ্যা ও পূর্ণমার পানি ঠেকানোর জন্য নিজস্ব অর্থায়নে ২ লক্ষ টাকা দিয়ে বাঁধ নির্মান করে মাঠের ধান গুলো বাঁচিয়েছি। অতিরিক্ত পানি বাড়লে ঘরবাড়ি ফসলাদি বাঁচানো সম্ভব হবে না। রাড়ুলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ বলেন, কপোতাক্ষ নদ প্রায় ৪০ বছর ধরে ভাংছে । এখানে সরকার ভঙ্গন রোধে তেমন কোন বরাদ্দ দেননি। আমি গত উপজেলা আইন শৃঙ্খলা ও সমন্বয় সভায় উত্থাপন করেছিলাম। আবারো দু-এক দিনের মধ্য সভা হবে সেখানে উত্থাপন করবো এবং যাতে খুব তাড়া তাড়ি ভাঙ্গন রোধে বরাদ্ধ পাওয়া যায় তার জন্য আমাদের এমপি মহাদয়ের সাথে কথা বলবো। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকরী প্রকৌশলী রাজু আহম্মদ বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছে। শুধু রাড়ুলীর মালোপাড়া না বোয়ালিয়ার মালোপড়া ও রামনাথপুরে ভাঙ্গন এলাকা জরিপ করে কাগজপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ এলেই কাজ শুরু হবে।

খুলনা জেলায় করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন ২৭ হাজার ৬৫০ জন

তথ্য বিবরণী
খুলনা জেলায় শনিবার ২৭ হাজার ৬৫০ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। যার মধ্যে পুরুষ ১৩ হাজার একশত ৩২ জন এবং মহিলা ১৪ হাজার পাঁচশত ১৮ জন। খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে আটশত ১৮ জন এবং নয়টি উপজেলায় মোট ২৬ হাজার আটশত ৩২ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেন। উপজেলাগুলোর মধ্যে দাকোপে দুই হাজার তিনশত ১১ জন, বটিয়াঘাটায় পাঁচ হাজার দুইশত আট জন, দিঘলিয়ায় দুই হাজার ৮২ জন, ডুমুরিয়ায় ছয় হাজার আট জন, ফুলতলায় চার হাজার পাঁচশত ৯১ জন, কয়রায় আটশত ৯০জন, পাইকগাছায় দুই হাজার সাতশত ৪৫ জন, রূপসায় দুই হাজার চারশত ৭৭ জন ও তেরখাদায় পাঁচশত ২০ জন টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। এছাড়া শনিবার মহানগর ও খুলনা জেলায় তিন হাজার একশত ছয় জন টিকার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেছেন।

বেনাপোল স্থলবন্দরের অভ্যন্তরে ৪টি বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ

বেনাপোল প্রতিনিধি
বেনাপোল স্থলবন্দরের অভ্যন্তরে ২৪ নং শেড থেকে শনিবার সকালে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪টি বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। বোমা উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মামুন খান।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেনাপোল বন্দরের অভ্যন্তরে বোমা রয়েছে এমন ধরনের গোপন সংবাদ পেয়ে পুলিশ বন্দরের ২৪ নম্বর শেডে অভিযান চালিয়ে ৪টি বোমা উদ্ধার করেছে। তবে কে বা কারা কি উদ্দেশ্যে বোমা গুলো বন্দরের অভ্যন্তরে রেখেছে তা তদন্ত করছে পুলিশ। গোটা বন্দর এলাকায় বিরাজ করছে আতংক ।
বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মামুন খান জানান, বন্দরের শ্রমিকদের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাল কসটেপ দিয়ে জড়ানো অবস্থায় ৪টি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। বন্দরের অভ্যন্তরে নাশকতা সৃস্টির লক্ষ্যে বোমাগুলো রাখা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচেছ। বোমাগুলো নিস্ক্রিয় করতে সংশ্লিস্টদের খবর দেয়া হয়েছে।

বাগেরহাটে মৎস্য ঘের থেকে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটের কচুয়ায় নিখোজের একদিন পরে মৎস্য ঘের থেকে মিঠু শেখ (৪৫) নামের এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে কচুয়া উপজেলার বারুইখালী গ্রামের পুবের মাঠ এলাকার একটি ঘের থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) রাত ১১ টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোজ হন তিনি। নিহতের শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহত মিঠু শেখ বারুইখালী গ্রামের মৃত মোনতাজ উদ্দীন শেখের ছেলে।
এটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড দাবী করে নিহতের বড় ছেলে তানভীর শেখ বলেন, আমার বাবা স্থানীয় একটি মৎস্য ঘেরের পাড়ে সবজি চাষ করতেন। ঐ ঘেরে যে ব্যক্তি মাছ চাষ করতেন তার সাথে কিছুদিন পূর্বে ঝগড়া হয়েছিলো। এছাড়া চাচাদের সাথেও জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরে কেউ হত্যা করতে পারে। এই ঘটনা সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান তিনি।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছি। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ বাগেরহাট সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে নিহতের মৃত্যুর কারণ ও ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করছে পুলিশ।

৩০ নভেম্বর কাফনের কাপড় পড়ে মাঠে থাকবে বিএনপির নেতাকর্মীরা:মঞ্জু

খবর বিজ্ঞপ্তি।।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। এভার কেয়ার হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে লড়াই করছেন। নেত্রীর বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য দলের পক্ষ থেকে এবং তাঁর পরিবার পক্ষ থেকে বার বার বলা হলেও ফ্যাসিবাদী সরকার কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না। বরং বেগম জিয়ার অসুস্থতাকে নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করছে।
শনিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে ৩০ নভেম্বর কেন্দ্রীয় কর্মসুচি বিভাগীয় সমাবেশ সফলের লক্ষ্যে কেডি ঘোষ রোডস্থ বিএনপি কার্যালয়ে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মঞ্জু বলেন, অবৈধ সরকার সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী, গনতন্ত্রের মা, আপোসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে শুধু নয়, তাকে জীবন থেকে নিশ্চিহ্ন করতে উঠে পরে লেগেছে। মিথ্যা বানোয়াট মামলায় সাজা দিয়ে পরিত্যাক্ত কারাগারে রেখে খালেদা জিয়াকে অসুস্থতার দিকে ঠেলে দিয়েছে। হাসপাতালে রেখেও উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা না করায় আজ দেশনেত্রী গুরুতর অসুস্থ হয়েছেন। নেত্রীর মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কর্মসূচি সফল করতে সবাইকে রাস্তায় নামতে হবে। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারকে বাধ্য করা হবে। তিনি গেল ২২ নভেম্বর বিএনপির মানবিক কর্মসুচিতে পুলিশের নগ্ন হামলা, সিনিয়র নেতাকর্মীসহ শতাধিক নেতাকর্মীর ওপরে পুলিশের তান্ডবের কথা উল্লেখ করে বলেন, ৩০ নভেম্বরের সমাবেশ হবে শতভাগ শান্তিপুর্ণ। পুলিশ প্রশাসনকে সমাবেশ সফল করতে সহযোগিতা করার আহবান জানিয়ে বলেন, দলের প্রধানের চিকিৎসার দাবিতে, মুক্তির দাবিতে গনতান্ত্রিক আন্দোলনে কেউ বাধা দিলে পরিনাম শুভ হবে না। ৩০ নভেম্বরের সমাবেশ সফল করতে প্রয়োজনে কাফনের কাপড় পড়ে মাঠে থাকবে বিএনপির নেতাকর্মীরা। সাবেক সাংসদ মঞ্জু দলের নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ ত্যাগ শিকারের আহবান জানিয়ে বলেন, অন্দোলনের মাধ্যমেই বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। তিনি আবারো দেশের শীর্ষ জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও চিকিৎসা নিয়ে সরকারকে রাজনীতি ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে অবিলম্বে বিদেশে সুচিকিৎসার জন্য সহযোগিতার আহ্বান জানান। অন্যথায় যে কোনো পরিস্থিতির জন্য সরকারকেই দায়ী থাকতে হবে বলে উল্লেখ করেন।
মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, মিজানুর রহমান মিলটন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, আবু সাইদ শেখ, শরিফুল ইসলাম বাবু, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, ইকবাল হোসেন, ডা. ফারুক হোসেন, শামীম আশরাফ, শাকিল আহমেদ, শফিকুল ইসলাম শফি, শাহাবুদ্দিন, অঅবু তালেব, শামীম খান, এম এ হাসান, টিপু মুন্সি, কবির হোসেন প্রমূখ।

সাতক্ষীরা ভোমরা স্থল বন্দর আধুনিকায়নে মতবিনিময় সভা

খান নাজমুল হুসাইন. সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দর আধুনিকায়ন ও অটোমেশনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে ভোমরা স্থলবন্দর সভাকক্ষে বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সুইস কন্টাক্ট বাংলাদেশের আয়োজনে উক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবিরের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা সদর- ২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তপক্ষের চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মো. আলমগীর, বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ (অর্থ প্রশাসন) সদস্য ও যুগ্ন সচিব মো. মোস্তফা কামাল মজুমদার, সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজিব খান ও সুইস কন্টাক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মুজিবুল হাসান। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফতেমা- তুজ জোহরা, ভোমরা স্থল বন্দরের উপ-পরিচাকল (ট্রাফিক) মনিরুল ইসলাম, সহকারি পরিচালক (ট্রাফিক) মাহমুদুল হাসান, ভোমরা স্থল বন্দরের শুল্ক ষ্টেশন সহকারি কমিশনার আমির মামুন, ভোমরা সি এন্ড এফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহ- সভাপতি আবু মুসা, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজু রহমান নাসিম, সাংগঠনিক ও বন্দর সম্পাদক আমির হামজা, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আক্তার প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্থল বন্দর ভবন চত্বরে অতিথিরা ফলজ বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপন করেন।

সাতক্ষীরার দেবহাটা ও কালিগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের ৯ বিদ্রোহী প্রার্থী বহিষ্কার

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার ৫টি এবং কালিগঞ্জ উপজেলার ১২টিসহ মোট ১৭টি ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ৯ প্রার্থীকে সাময়িক বহিস্কারের সুপারিশ করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদক। বিগত ২১ নভেম্বর বিদ্রোহী প্রার্থীদের বরাবর এসব পত্র প্রেরণ পূর্বক জেলা ও কেন্দ্রকে অবহিত করা হয়েছে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
দেবহাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি জানান, বহিষ্কৃতদের তালিকায় নাম এসেছে দেবহাটা সদর ইউনিয়নের নজরুল ইসলাম। তিনি ছিলেন প্রস্তাবিত উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটির উপদেষ্টা ও দেবহাটা সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বর্তমান চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক। এছাড়া কুলিয়া ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আসাদুল হক ও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রাণ নাথ দাস।
অপরদিকে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক ছোট ও মনিটরিং কমিটির আহবায়ক কাজী আব্দুর রহমান জানান, এ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ৫জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃতরা হলেন, দক্ষিণ শ্রীপুরের প্রশান্ত কুমার সরকার, চাম্পাফুল ইউনিয়নের আব্দুল লতিফ মোড়ল, তারালী ইউনিয়নের শফিকুজ্জামান খোকন, ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের গাজী শওকাত হোসেন ও ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের নাজমুল ইসলাম নাইম। এছাড়া আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করে অনেকে প্রার্থী হলেও দলের কোন স্থানে সুনির্দিষ্ট কোন পদ না থাকায় তাদেরকে সাময়িক বহিস্কার করা সম্ভব হয়নি।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ নজরুল ইসলাম জানান, কেন্দ্রের নির্দেশ অনুযায়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের তালিকা করে তাদের সাময়িক বহিস্কারের পত্র প্রেরণের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সম্পাদকদের বলা হয়েছে। যথা সময়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিন্তু শুক্রবার রাতে ফোন বন্ধ থাকায় পুনরায় তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম ফজলুল হক জানান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আসাদুল হককে সাময়িক বহিস্কারের ব্যাপারে আমি জানি এছাড়া অন্যদের বহিস্কারের বিষয়ে আমি অবগত নই।

চেম্বারের সভাপতির নির্দেশে বাজারে সিসি ক্যামেরা স্থাপন

খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সাবেক সফল মেয়র এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক কাজী আমিনুল হক খুলনা বাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের কর্মকর্তাদের ব্যবসায়ী এলাকার নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন পয়েন্টে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। তার নির্দেশ মোতাবেক খুলনা বাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির কর্মকর্তাবৃন্দ অত্র সমিতির অন্তর্ভুক্ত বাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে ৫০ (পঞ্চাশ) টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করেন। ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করার পরামর্শ ও নির্দেশ প্রদানকে অত্র সমিতির ব্যবসায়ীরা মহৎ উদ্যোগ বলে স্বীকিৃত প্রদান পূর্বক কাজী আমিনুল হককে ধন্যবাদ জ্ঞাপনসহ তার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। তারই ধারাবাহিকতায় অত্র সমিতির কর্মকর্তাবৃন্দ চেম্বারের মাননীয় সভাপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বিবৃতি প্রদান করেছেন। বিবৃতিদাতারা হলেন, সভাপতি শ্যামল হালদার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহাগ দেওয়ান, এম এ মতিন পান্না, রফি আহমেদ বাবলা, আলহাজ্ব মোঃ হায়দার আলী, মোঃ এমদাদুল হক খালাসী, আলহাজ্ব মোঃ আমিন, অরবিন্দু কুমার সাহা, গৌর সুন্দর মন্ডল, অনিল পোদ্দার, আলহাজ্ব মোঃ সিরাজুল হক, আলহাজ্ব মোঃ রফিকুল ইসলাম টিপু, আলহাজ্ব মোঃ ইউসুফ হোসেন, মোঃ জামিরুল হুদা জহর, সৈয়দ বোরহান উজ্জামান, আলহাজ্ব মোঃ সেলিম, মোঃ গোলাম আক্কাছ স্বাধীন, তরুন রায় শিবু, স্বপন কুমার সাহা, দিলীপ কুমার সাহা, এ. কবীর আহমেদ, আলহাজ্ব মোঃ ঝুন্নু মোল্লা, তপন সাহা, আলহাজ্ব আবু বকর সিদ্দিক, সত্যপ্রিয় সোম বলাই, ওয়াহিদুজ্জামান বিপ্লব, বেগ সাব্বির মাহমুদ, গোপাল সাহা, আলহাজ্ব জাকির হোসেন ঝন্টু, উজ্জ্বল ব্যানার্জী, অসিত বিশ্বাস, মোঃ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ আলী দেওয়ান, মোঃ লাভলু খান।

ফকিরহাটে ইউনিয়ন যুবদলের কমিটির গঠনের লক্ষে প্রস্তুতি মুলক সভা

ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ফকিরহাট উপজেলার শাখার উদ্যোগে নলধা-মৌভোগ ইউনিয়ন কমিটি গঠনের লক্ষে প্রস্তুতি মুলক আলোচনা সভা শুক্রবার বিকাল ৪টায় দিঘিরপাড় ঈদগাঁ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ কামরুল ইসলাম কামুর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের (সাবেক) চেয়ারম্যান মোঃ শরিফুল কামাল কারিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলাম। উদ্ভোধক ছিলেন যুবদলের সাবেক সভাপতি মোঃ ইফতেখারুল আলম পলাশ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তৃতা করে, যুবদলের আহবায়ক মোঃ আসুদুজ্জামান, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কাজি মউন উদ্দিন মেরু, সদস্য সচিব মোঃ নুমান ও যুগ্ন-আহবায়ক কাজি মিরাজুল ইসলাম মিরাজ প্রমুখ। সভায় নলধা-মৌভোগ ইউনিয়ন কমিটি গঠনের লক্ষে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় উপজেলা বিএনপি ও তার সহযোগী বিভিন্ন সংগঠনের বিপুল সংখ্যাক নেতাকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য প্রায় একযুগ পর নলধা-মৌভোগ ইউনিয়নে বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠন এই সর্বপ্রথম কোন সভা সুষ্ঠু সুন্দর ভাবে আয়োজন করে তা সুসম্পুর্ণ করতে পেরেছেন।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সুষ্ঠভাবে কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ (খুকৃবি) ৭ টি কৃষি প্রাধান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ পদ্ধতিতে ¯œাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা ২৭ নভেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুর রহমান খান মহোদয়ের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঠিত ১৩টি কমিটির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।
দ্বিতীয়বারের মতো কৃষি প্রাধ্যন্য ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার অর্ন্তভূক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ হলো-বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এই বছর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে বেলা ১১.৩০ ঘটিকা থেকে দুপুর ১২.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
এই বছর ভর্তি পরীক্ষায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (খুকৃবি) কেন্দ্রে ৫০১ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন। যার মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ২০৯ জন এবং অনুপস্থিত ২৯২ জন। খুকৃবি’র অস্থায়ী ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবনের ১১ টি কক্ষে ভর্তি পরীক্ষা সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত হয় । বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে খুলনা মহানগরীর দৌলতপুরস্থ বিভিন্ন স্থানে ও ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে পরীক্ষার অঞ্চল,আসনবিন্যাস, কক্ষ নম্বর ও রোল নম্বর সম্বলিত ব্যানার সংযোজন ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
এছাড়া ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সহায়তা করার জন্য খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। তাছাড়া খুকৃবি শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার্থীদের সাথে আনা মোবাইল, ঘড়ি ও অন্যান্য জিনিস পরীক্ষা চলাকালীন সময় নিরাপদে রেখে ও বিভিন্ন বিষয়ে দিক নির্দেশনা প্রদান করেও সহায়তা করেন।
সমন্বিত কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আহবায়ক ও খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুর রহমান খান পরীক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, শিক্ষকমন্ডলী, বিভিন্ন কমিটির সদস্যবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী ও অন্যান্য সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করে সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন।
বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ডাঃ খন্দকার মাজহারুল আনোয়ার স্বাক্ষরিত এক খবর বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এই বিষয়ে প্রেস ব্রিফ করেন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচার উপ-কমিটি আহবায়ক ও ফিজিওলোজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান ড. এম এ হান্নান।

ফোয়াবের আয়োজনে মৎস্য অধিদপ্তরের সেমিনার

খবর বিজ্ঞপ্তি
ফোয়াবের আয়োজনে খুলনার গল্লামারী মৎস্য খামারে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা ও পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবমুক্ত থাকার চিংড়ী খামারির করণীয় শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এফপিবিপিসি ও ফোয়াবের অর্থায়নে শনিবার (২৭ নভেম্বর) মৎস্য অধিদপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় উক্ত সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ফোয়াবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মৎস্য উন্নয়ন ও সমবায় ব্যক্তিত্ব মোল্লা সামছুর রহমান শাহীনের সভাপতিত্বে উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন।
প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন তার বক্তৃতায় বলেন, আমরা শুধু গবেষণা করে আপনাদের সাহায্য করতে পারি। কিন্তু মাঠে আপনারাই পরিশ্রম করেন। মাছের সাথে সবজি ও ধান চাষের পদ্ধতি আপনারাই চালু করেছেন। খুলনা বিশ^বিদ্যালয় সবসময় আপনাদের পাশে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। যে কোন প্রয়োজনে আপনাদের জন্য আমাদের দুয়ার সর্বদা খোলা।
উপাচার্য আরও বলেন, পৃথিবীতে ১০ হাজার বছর আগে চাষাবাদ শুরু হয়। তারপর ৭ হাজার বছর আগে চীনে প্রথম মাছ চাষ শুরু হয়। মাছের খাবার হিসেবে তখন তারা সিল্ক বা গুটি পোকা দিত। প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে-সাথে এখন সেখানে ভিটামিনসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার দেয়া হয়। ১৮০০ সালে ইউএসএ এবং ১৯০০ সালের ৭০ দশকে আমাদের দেশে মাছ চাষ শুরু হয়। তখন সৌখিনভাবে হত মাছ চাষ। বর্তমানে সাড়ে ৪ মিলিয়ন টন চাষের মাছ উৎপাদিত হচ্ছে দেশে। পরিবেশের পরিবর্তনের ফলে বিপর্যয়ও ঘটেছে। পানিতে স্যালাইনিটি তার মধ্যে অন্যতম। জলবায়ুর পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই আমাদের মেনে নিতে হবে। সময়ের সাথে-সাথে সবকিছুই পরিবর্তন হচ্ছে। আমরা সৃষ্টির সেরা জীব। একমাত্র আমাদেরই সৃষ্টিকর্তা এ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে। মানুষ নিজেদের প্রয়োজনে পরিবেশ ও পারিপাশির্^ক অবস্থাকে পরিবর্তন করতে পারে। যা অন্য কোন প্রাণী বা জীব পারে না।
ফুলতলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কৃষিবিদ রনজিৎ কুমারের সঞ্চালনায় সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত উক্ত সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের এমএমআরটি ডিসিপ্লিন প্রধান অধ্যাপক ডা: মোহম্মদ আবদুর রউফ। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কৃষিবিদ জয়দেব পাল, সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড ফিশারিজ প্রজেক্টেও বিভাগীয় ডিপিডি সরোজ কুমার মিস্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহকারী নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ কুমার ঘোষ ও এ্যারোটরের সভাপতি এ বি সিদ্দিক।
এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফোয়াবের যুগ্ম সম্পাদক সেখ শাকিল হোসেন, অর্থ সম্পাদক সাফায়েত হোসেন শাওন, ফোয়াব বটিয়াঘাটার আহ্বায়ক পলাশ রায়, মাহফুজুর রহমান খান, মোশারেফ মোল্লা, বুলু রানী মন্ডল সঞ্চিতা রায়, নোভা বিশ^াস, গাজী মো: মনিরুজ্জামানসহ বিভিন্ন উপজেলার চাষীরা।

শরণখোলায় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রকল্পের টাকা ফেরৎ যাওয়ার উপক্রম

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ঃ
শরণখোলায় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার ভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত আড়াই কোটি টাকা একটি কুচক্রি মহলের ষড়যন্ত্রের কারণে ফেরৎ যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফলে উপজেলা সদরে শরণখোলা আইডিয়াল ইনিষ্টিটিউট নামের উদিয়মান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির চারতলা ভবন নির্মানের কাজ এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
জানাগেছে, সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এ জনপদের শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য ২০১২ সালে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম মামুনুজ্জামান শরণখোলা আইডিয়াল ইনিষ্টিটিউট নামের এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন। এরপর থেকে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়নসহ জেলা-উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন বিষয় শ্রেষ্ঠত্বের গৌরব অর্জন করে চলছে। এ কারনে প্রধানমন্ত্রী সদয় হয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠনটির নামে ৯০ শতক খাস জমি দীর্ঘ মেয়াদী বন্দোবস্ত দেন। উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠনটিতে বর্তমানে প্লে থেকে দশম শ্রেনি পর্যন্ত পাঁচ শাতধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। শ্রেনি কক্ষে শিক্ষার্থীদের স্থান সংকুলন না হওয়ায় বাগেরহাট শিক্ষা প্রকৌশল দপ্তর থেকে প্রথমে একতলা ভবন নির্মানের জন্য ৮৫ লাখ টাকার দরপত্র সম্পন্ন করে ২০২০ সালের ৯ মার্চ মের্সাস বেতাগা ট্রেডার্স নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেয়া। বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডঃ আমিরুল আলম মিলন ২০২০ সালের ২৪ অক্টোবর ভবন নির্মানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর পুনঃরায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার জন্য দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ আসে। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ভবন নির্মানের জায়গার একটি অংশে অবধৈভাবে তিনটি পরিবার দখল নিয়ে থাকায় কাজ শুরু করতে পারছে না ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। উপজেলা প্রশাসন থেকে ওই পরিবার তিনটিকে অন্যত্র মুজিববর্ষের ঘর দিতে চাইলেও তারা একটি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে প্রতিষ্ঠানটির জমি ছাড়তে রাজি নয়। ফলে দেড় বছরের মধ্যেও ঠিকাদার কাজ শুরু করতে না পাড়ায় বরাদ্দকৃত টাকা ফেরৎ যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
শরণখোলা আইডিয়াল ইনিষ্টিটিউটের অধ্যক্ষ মোঃ উচমান গনি জানান, বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে বাগেরহাট শিক্ষা প্রকৌশল দপ্তর থেকে অবিলম্বে ভবন নির্মানের জায়গা খালি করতে না পরলে বরাদ্দকৃত সব টাকা ফেরৎ যাবে বলে জানানো হয়। এতে হতাশ হয়ে তিনি বলেন ভবনটি না হলে শিক্ষার্থীদের লেখা-পড়ায় ব্যপক সমস্যার সৃষ্টি হবে। এ ব্যপারে বাগেরহাট শিক্ষা প্রকৌশল দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নাফিজ আক্তার জানান, দেড় বছর হয়ে গেলেও ঠিকাদার জায়গা না পেয়ে কাজ শুরু করতে পারেনি। এরইমধ্যে কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এখন বরাদ্দকৃত অর্থ ফেরৎ পাঠাতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাতুনে জান্নাত বলেন, এক বছর ধরে ওই ভূমিহীন তিনটি পরিবারকে উপজেলা প্রশাসন থেকে মুজিববর্ষের ঘর দেয়ার কথা বলা হলেও তারা যায়নি। কি কারনে যায়নি না তা বুঝে আসছে না। তবে স্থানীয় সংসদ সদস্যের আর্থিক সহযোগীতায় উপজেলা চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন শান্ত, রায়েন্দা ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আজমল হোসেন মুক্তার সহযোগীতায় পুনঃরায় তাদের পুনর্বাসনের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।
বাগেরহাট সরকারি পিসি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও শরণখোলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার, শরনখোলা আইডিয়াল ইনিষ্টিটিউটের পরিচালনা কমিটির সদস্য এম সাইফুল ইসলাম খোকন, বাবুল দাস, আমিনুল ইসলাম সাগর, শরনখোলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাইল হোসেন লিটন বলেন, উদিয়মান এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি এখন শরণখোলাবাসীর আশার আলো জালিয়েছে। কিন্তু একটি কুচক্রীমহল প্রতিষ্ঠানটির ক্ষতি করতে নেপথ্যে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।

বাগেরহাটের চন্দ্রমহল থেকে উদ্ধারকৃত বন্যপ্রাণী সুন্দরবনের করমজলে অবমুক্ত

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের চন্দ্রমহল ইকোপার্ক থেকে উদ্ধার/জব্দকৃত বন্যপ্রাণীগুলো সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন ও পর্যটন কেন্দ্রে অবমুক্ত করা হয়েছে। পূর্ব সুন্দরবনের কমরজল বন্যপ্রাণী ও পর্যটন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আজাদ কবির জানান, গত ১৫ অক্টোবর বাগেরহাট সদর উপজেলার রণজিৎপুর এলাকার চন্দ্রমহল ইকোপার্ক থেকে খুলনার র‌্যাব-০৬, বাগেরহাট জেলা প্রশাসক ও বনবিভাগের যৌথ অভিযানে জব্দকরা বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণীর মধ্য থেকে ১টি কুমির, ২টি চিত্রা হরিণ, ৫টি বানর, ২টি কচ্ছপ, ৭টি বক ও ২টি মাছমুড়াল পাখি শনিবার দুপুরে করমজলে অবমুক্ত করা হয়। এ সময় খুলনার বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনার র‌্যাব-০৬, বাগেরহাট জেলা প্রশাসক কার্যালয় ও বনবিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া চন্দ্রমহল ইকোপার্ক থেকে জব্দ হওয়া ১টি হনুমান যশোরের কেশবপুরে, ১টি ময়ুর, ৫টি অস্ট্রেলিয়ান ঘুঘু ও ২টি উট পাখি সাফারি পার্কে অবমুক্ত এবং ১টি তিমির কংকাল, ৬টি হরিণের শিং, ৬টি হরিণের চামড়া, ১টি ভাল্লুকের চামড়া ও ১টি ক্যাঙ্গারুর চামড়া বনভিাগের বিভাগীয় দপ্তরে সংরক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছেন এ বন কর্মকর্তা। উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর বাগেরহাটের চন্দ্রমহল ইকোপার্কে অভিযান চালিয়ে ১১ প্রজাতির ২৪টি বন্যপ্রাণী ও ১৫টি ট্রফি (কংকাল, চামড়া, শিং) উদ্ধার কওে যৌথ বাহিনী।

খুলনা প্রেসক্লাবের বার্ষিক নির্বাচন আগামী ৩০ ডিসেম্বর

খবর বিজ্ঞপ্তি
শনিবার বেলা ১১টায় প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ পরিষদের দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন এবং সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা। সভায় খুলনা প্রেসক্লাবের বার্ষিক নির্বাচন-২০২২ এর তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন ও অডিটর নিয়োগ করা হয়।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩০ নভেম্বর-’২১ সন্ধ্যা ৭টা, সংশোধিত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩ ডিসেম্বর বিকাল ৪টা, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টা, মনোনয়নপত্র বিলি ৫ ডিসেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর (প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত), মনোনয়নপত্র দাখিল ৮ ডিসেম্বর বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এবং পরপর বাছাই, খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা, খসড়া প্রার্থী তালিকা সম্পর্কে আপত্তি গ্রহণ ১০ ডিসেম্বর বিকাল ৫টা পর্যন্ত, একই দিনে খসড়া প্রার্থী তালিকা সম্পর্কে শুনানী ও নিষ্পত্তি সন্ধ্যা ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ১১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত, চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ১২ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা, বার্ষিক সাধারণ সভা ২৯ ডিসেম্বর বেলা ১১টা, বার্ষিক নির্বাচন ৩০ ডিসেম্বর-’২১, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ এবং পরপরই ভোট গণনাশেষে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোন অপশক্তি সামনে আসার সাহস পাবেনা: হাবিবুন নাহার

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার বলেছেন, ধর্মীয় সহিংসতার বিরুদ্ধে সবাইকে যেমন ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, তেমনি সামাজিক সম্প্রীতি গড়ে তুলতে প্রত্যেক ধর্মের মানুষকে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোন অপশক্তি এগিয়ে যাওয়া বা সামনে আসার সাহস পাবেনা। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সহিংস উগ্রবাদ প্রতিরোধ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুন নাহার হাই, পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুর রহমান ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। সভায় বক্তারা আরো বলেন, মোংলায় শান্তি শৃঙ্খলা বিনষ্ট হয় এমন কোনো ঘটনা দীর্ঘকালেও ঘটেনি। তবে আমরা একাত্রিত থাকলে যে কোনো অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা সহজ হবে। আমরা সকল ধর্মের মানুষ একত্রে বসবাস করছি, আগামীতেও সবাই ঐক্যবদ্ধভাবেই থাকবো। এ মতবিনিময় সভায় উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে অফিসার্স ক্লাবে উপমন্ত্রী ঐচ্ছিক তহবিলের চেক, ভূমি হুকুম দখল ক্ষতি পূরণের চেক, স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতির অনুদানের চেক, ক্ষুদ্র ঋণ, বাইসাইকেল ও কৃষকদের মাঝে বিনা মূল্যে বীজ বিতরণ করেন।

সাংবাদিক মনিরুল হুদা’র ৮৫ বছর পদার্পনে অনুষ্ঠান

খবর বিজ্ঞপ্তি
ওস্তাদ রাশেদ উদ্দিন তালুকদার স্মৃতি পরিষদ, খুলনা উদ্যোগে ও মোঃ আমিন উদ্দিন স্মৃতি পরিষদ, খুলনার সহযোগিতায় টুটপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে আজ শনিবার খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি, বিশিষ্ট আয়কর আইনজীবী ও সমাজসেবী মনিরুল হুদা’র ৮৫ বছর পদার্পনে কেক কাটা ও আলোচনা সভা পরিষদের সভাপতি সমাজসেবী মাসুদ মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে তাকে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ হতে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। জীবনের বিভিন্ন স্তর তুলে ধরে বক্তৃতা করেন মনিরুল হুদা। এ অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন অধ্যাপক অসিতবরণ ঘোষ, সমাজসেবী শ্যামল সিংহ রায়, প্রধান শিক্ষক সুলতানা শামসী, ইতিহাসবিদ এস.এম তৈয়াবুর রহমান, পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিধান চন্দ্র রায় প্রমূখ।
প্রবন্ধ পাঠ করেন গণমাধ্যম কর্মী কাজী মোতাহার রহমান বাবু। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন কবি এস. এম হুসাইন বিল্লাহ। পরিষদের পক্ষ থেকে মনিরুল হুদাকে ক্রেস্ট প্রদান করেন সভার সভাপতি মাসুদ মাহমুদ। অতিথিরা কেক কেটে অনুষ্ঠানকে বরণীয় করে তোলেন।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী মাজেদ জাহাঙ্গির, সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেন, কবি শেখ ওলিউর রহমান, লেখক এল. কে টফি ।

ভরা মৌসুমেও পর্যটক নেই সুন্দরবনে

মোঃ শামীম হোসেন- বাজুয়া (দাকোপ)
ভরা মৌসুমেও পর্যটক নেই সুন্দরবনে। পর্যটক না থাকায় লোকসানের মুখে পড়েছেন পর্যটনশিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সুন্দরবন শুধু দেশে নয়, বিশ্বের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম। শীত মৌসুম এলে সৌন্দর্য দেখতে প্রতি বছর লাখো পর্যটক সুন্দরবনে ঘুরতে যান। কিন্তু এ বছরের চিত্র ভিন্ন। পর্যটনের ভরা মৌসুমেও সুন্দরবনের দর্শনীয় স্থানগুলো এখন প্রায় পর্যটকশূন্য। এতে লোকসানের মুখে পড়েছেন পর্যটনশিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এ অবস্থা চলতে থাকলে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের। পাশাপাশি এবার পর্যটন খাত থেকে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। পর্যটন স্পটের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।
পর্যটনশিল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পর্যটনের ভরা মৌসুম। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা সুন্দরবনে ঘুরতে আসেন। কিন্তু গত দুই মাসে তেমন পর্যটকের দেখা মেলেনি সুন্দরবনে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, করোনার সংক্রমণরোধে কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর পর্যটন কেন্দ্রেগুলো খোলা হয়। এরই মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয়। এতে দেশি-বিদেশি দর্শনার্থীশূন্য হয়ে পড়ে সুন্দরবন। পরিবহন ধর্মঘট থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত নৌযানে ভাড়া না পেয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটছে লঞ্চ ও জালিবোর্ড কর্মচারীদের। তবে পর্যটন খাতের বিকাশ ধরে রাখতে ক্ষতিপূরণ দিয়ে হলেও এটি রাখতে চান ব্যবসায়ীরা।
ট্যুর ব্যবসায়ী গোলাম রহমান বিটু ও জাহিদ মোল্লা জানান, পর্যটনশিল্প আগের চেয়ে বিকাশিত হয়েছে। গত দুই বছর করোনাকালীন ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এই খাতে। তারপরও পর্যটনশিল্প সচল রাখতে ক্ষতিপূরণ দিয়ে এটি নিচ্ছেন তারা। তবে বর্তমানে তেল-গ্যাসের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় মানুষের আয়ের তুলনায় খরচ বেড়েছে। তাদের আসা-যাওয়ায় পরিবহন খরচ বেড়ে গেছে। তাই পর্যটনশিল্প কিছুটা হুমকির মুখে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই খাতে নজর দিলে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব বলেও জানান তারা। তেল-গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে পরিবহন ভাড়া বেড়েছে। পর্যটকরা আগে লঞ্চ ও বোট বুকিং দিলেও এখন বাতিল করেছেন। ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) সুন্দরবন দেখতে রাজশাহী থেকে আসা শাজ্জাদুর রহমান নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, প্রতিবছর পরিবার নিয়ে সুন্দরবনে ঘুরতে আসি। করোনার কারণে গত দুই বছরে আসা হয়নি। এ বছর তিনগুণ বাস এবং বোট ভাড়া দিয়ে এসেছি। করোনা মহামারির আগে শীত মৌসুমে পূর্ব সুন্দরবনের করমজল পর্যটন কেন্দ্র থেকে ৩৫-৪০ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। কিন্তু এ বছর গত দুই মাসে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৬৫ হাজার টাকা। পূর্ব সুন্দরবনের বন কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, প্রতি বছর শীত মৌসুমে পর্যটকের আনাগোনা বাড়ে বনের করমজল, কটকা, কচিখালী, হারবাড়িয়াসহ অন্তত ১০টি পর্যটন স্পটে। সম্প্রতি পরিবহন ধর্মঘটের পর তেল-গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবহন ভাড়া বেড়েছে। খরচ বেশি হওয়ায় দূর-দূরন্ত থেকে সুন্দরবনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসছেন না দর্শনার্থীরা। এ অবস্থায় রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে না বলে জানান এই বন কর্মকর্তা। পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, একদিকে করোনা অন্যদিকে তেলের দাম বৃদ্ধি। এই দুটির প্রভাব পড়েছে পর্যটক খাতে। এবছর রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে বলে মনে হয় না। তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনে প্রতিবছর গড়ে প্রায় এক থেকে দেড় লাখ পর্যটক ভ্রমণ করেন। এর সংখ্যা বৃদ্ধি করতে নানা রকম উদ্যোগ নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। আমরা সেভাবেই কাজ করছি।

ইশা ছাত্র আন্দোলন খুলনা জেলার শূরা অধিবেশন অনুষ্ঠিত

খবর বিজ্ঞপ্তি
শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় আইএবি মিলনায়তনে জেলা সভাপতি মোঃ নাজমুস সাকিবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এইচ এম এনামুল হাসান সাঈদ এর সঞ্চালনায় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন খুলনা জেলা শাখার মজলিসে শূরা অধিবেশন ও থানা প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য এইচ এম খালিদ সাইফুল্লাহ।
প্রধান অতিথি তার আলোচনায় বলেন, ইসলাম দেশ জাতি ও মানবতার কল্যাণে দেশের সর্বত্রই ইশা ছাত্র আন্দোলনের কর্মী বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শূরা অধিবেশনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা সহ-সভাপতি মাহমুদুল হাসান, ফরহাদ মোল্লা, আবু রায়হান, সাইদুল ইসলাম, নাইমুল ইসলাম, রাসেল বিন জামাল, শফিকুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, খান মোহাম্মদ বিপ্লব ,ইউসুফ মল্লিক, আলিমুল ইসলাম, কাবির হোসাইন, মোসাদ্দেক বিল্লাহ সহ খুলনা জেলাধীন সকল থানা শাখার উর্দ্ধতন নেতৃবৃন্দ।

মিথ্যা মামলায় জেলহাজতে ও পুলিশি হামলায় আহতদের বাসায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ

খবর বিজ্ঞপ্তি
বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে গত ২২ নভেম্বর খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির সমাবেশে পুলিশি হামলায় আহত ও মিথ্যা মামলায় জেলহাজতে আটক নেতাকর্মিদের পরিবারের সাথে দেখা করেন মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি।
শনিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেল জেলহাজতে আটক ১৬নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল ও ১৭নং ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সোহাগ
পরিবারের সাথে দেখা করেন এবং পুলিশি নির্যাতনে গুরুতর আহত ৭নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি কাজী আব্দুল লতিফকে দেখতে যান মঞ্জু ও মনি। এসময় সাথে ছিলেন এড. ফজলে হালিম লিটন, আসাদুজ্জামান মুরাদ, সাদিকুর রহমান সবুজ, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, কাজী শফিকুল ইসলাম শফি, শেখ ফারুক হোসেন, এইচ এম আবু সালেক, মোস্তফা কামাল, শামসুর রহমান, ইমতিয়াজ আলম বাবু, আশরাফ হোসেন, মিজানুর রহমান খোকন, শেখ জামিরুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল গফ্ফার, আমিরুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, তরিকুল আলম তুষার, হুমায়ুন কবির, মীর মোকছেদ আলী, এস এম জসিম উদ্দিন, সেলিম কাজী, আবু দাউদ খাঁন, আব্দুল হাকিম, রাজু মোল্যা, আমীর হোসেন বাচ্চু, মারুফ খান, মিজানুর রহমান মিজু, ফারুক খান, ইয়াসিন আরাফাত রুবেল, পারভেজ মোড়ল, কাজী সোহেল, আনিচ গাজী, হারুন মোল্যা, খান আনিচ, ইসমাইল হোসেন, রাজু, মেহেদী, ইয়াসিন হোসেন প্রমুখ।

খুলনায় শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন-এর ৩১তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

খবর বিজ্ঞপ্তি
৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নিহত কেন্দ্রীয় বিএমএ’র যুগ্ম-সম্পাদক শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলনের ৩১তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা বিএমএ’র ভবনের সম্মূখে শহীদ ডা. মিলন এর প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ), খুলনা জেলা শাখার সভাপতি ডা. এস. এম. সামছুল আহসান মাসুম এবং স্বাচিপ, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. মো: মেহেদী নেওয়াজ।
এছাড়া শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলনের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন স্বাচিপ, খুলনা জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. মোল্লা হারুন অর রশিদ, ডা. মো: সালাহউদ্দিন রহমতুল্ল্যা, কোষাধ্যক্ষ ডা. বিষ্ণু পদ সাহা, যুগ্ম-সম্পাদক ডা. নিয়াজ মুস্তাফি চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মো: ইউনুস-উজ-জামান খাঁন তারিম, দপ্তর সম্পাদক ডা. এস. এম. তুষার আলম, প্রচার সম্পাদক ডা. মো: জিল্লুর রহমান তরুন, বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক ডা. এস. এম. মাহমুদুর রহমান রিজভী, গ্রন্থাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ^াস, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ডা. অনল রায়, ক্রীড়া সম্পাদক ডা. কাজী করিম নেওয়াজ, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ডা. সুদীপ পাল। স্বাচিপ, খুলনা জেলা শাখার কার্যকরী পরিষদের সম্মানিত সিনিয়র সদস্যবৃন্দ হলেন প্রফেসর ডা. কাজী হামিদ আসগর, ডা. আনোয়ারুল আজাদ, প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ মহসীন, প্রফেসর ডা. পরিতোষ কুমার চৌধুরী, ডা. গোলাম সারোয়ার ফারুক, ডা. মো: তোজাম্মেল হোসেন জোয়ার্দ্দার, ডা. শেখ ফরিদউদ্দিন আহমেদ, ডা. এ.টি.এম. মঞ্জুর মোর্শেদ, ডা. এস. এম. দিদারুল আলম শাহীন, ডা. উৎপল কুমার চন্দ, ডা. শ. ম. জুলকার নাইম, ডা. মোসা: ডালিয়া আখতার, ডা. শেখ শহীদুর রহমান, ডা. এস. এম. খালিদুজ্জামান, ডা. মো: কুতুব উদ্দীন মল্লিক, ডা. শীতেষ চন্দ্র ব্যানার্জী, ডা. ডলি হালদার, ডা. বিপ্লব বিশ^াস, ডা. পার্থ প্রতিম দেবনাথ, ডা. বাপ্পা রাজ দত্ত, ডা. খালেদ মাহমুদ, ডা. পলাশ কুমার দে, ডা. উপানন্দ্য রায়, ডা. মো: মেহেদী হাসান, ডা. মো: ফিরোজ হাসান, ডা. হিমেল সাহা, ডা. শাহীন আকতার শেখ, ডা. শিমুল চক্রবর্তী, ডা. অনিক দেউড়ি, ডা. মোহাম্মদ হাসান, ডা. শাহেদ মাহমুদ খান, ডা. নাজিমুল ইসলাম লিটন, ডা. মো: রফিকুল ইসলাম, ডা. ফিরোজ আহমেদ, ডা. সাইফুল্লাহ মানসুর, ডা. সাফাত আল দ্বীন ও ডা. সরদার তানভীর আহমেদ সহ কার্যকরী পরিষদের সম্মানিত সকল চিকিৎসক নেতৃবৃন্দ।

আবরার হত্যার রায় আজ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার দুই বছর দুই মাস পর রায় ঘোষণা হতে যাচ্ছে। রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর আদালতে এ রায় ঘোষণা করা হবে। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর দিনগত রাতে বুয়েটের শেরে বাংলা হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে পিটিয়ে হত্যা করেন। আলোচিত এই হত্যা মামলার সব আসামির ফাঁসি চান আবরারের পরিবার।
এদিকে রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত থাকবেন- আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ ও ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ। শনিবার দুপুরে বাসযোগে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন তারা। তবে খুনিদের চেহারা সহ্য করতে পারবেন না বলে সঙ্গে যাচ্ছেন না মা রোকেয়া খাতুন।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরে বাংলা হলে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে পরের দিন ৭ অক্টোবর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ।

ওই বছরের ১৩ নভেম্বর ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক ওয়াহেদুজ্জামান।

এই মামলার তদন্ত চলাকালে অভিযুক্ত ২৫ আসামির মধ্যে ২১ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

তারা হলেন- বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, সহসভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিওন, উপ সমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপ আইন সম্পাদক অমিত সাহা, শাখা ছাত্রলীগ সদস্য মুনতাসির আল জেমি, মুজাহিদুর রহমান মুজাহিদ, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির ও ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, আবরারের রুমমেট মিজানুর রহমান মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত এবং এস এম মাহমুদ সেতু।

পরে হত্যাকা-ে সম্পৃক্তদের সংগঠন থেকে তাদের বহিষ্কার করে ছাত্রলীগ। গ্রেফতার ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মিজানুর রহমান মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত ও এস এম মাহমুদ সেতু ছাড়া বাকি সবাই এজাহারভুক্ত আসামি।

মামলার আট আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তারা হলেন- ইফতি মোশাররফ সকাল, মেফতাহুল ইসলাম জিওন, অনিক সরকার, মুজাহিদুর রহমান, মেহেদি হাসান রবিন, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর, মনিরুজ্জামান মনির ও এএসএম নাজমুস সাদাত। মোর্শেদ অমত্য ইসলাম নামের পলাতক এক আসামি পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান। তাই এখন পলাতক রয়েছেন আর তিনজন আসামি।

তারা হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। এর মধ্যে মোস্তবা রাফিদের নাম এজাহারে ছিল না। চার্জশিট দাখিলের পর ২০২০ সালের ১৫ মার্চ মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এ স্থানান্তরের আদেশ দিয়ে গেজেট প্রকাশ করে আইন মন্ত্রণালয়।

এরপর ১৮ মার্চ ওই আদালতে মামলাটি বদলির আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ। করোনায় প্রথম দফা ছুটি শেষে ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ২৫ আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। এরপর মামলাটিতে ৬০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

গত ১৪ মার্চ এ মামলায় কারাগারে থাকা ২২ আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। অপর তিন আসামি পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি করতে পারেনি। এরপর কয়েকজন আসামি নিজেদের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্যও দেন। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ ২৮ নভেম্বর এ মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করা হয়।

‘দরজার ফাঁক দিয়ে দেখি দুজন আব্বুকে ধরে রেখেছে, সারা শরীরে রক্ত’

কালীগঞ্জ প্রতিনিধি
রাতে মায়ের কাছে দুই ভাই ঘুমিয়ে ছিলাম। রাত ৩টার দিকে আব্বুর চিৎকার শুনে ঘুম ভেঙে যায়। প্রথমে মা উঠে চলে যায়। এরপর উঠে দরজার ফাঁক দিয়ে দেখি সাদা পাঞ্জাবি পরা দুজন আব্বুকে ধরে রেখেছে। সারা শরীর দিয়ে রক্ত ঝরছে। এরপর আব্বুকে ছাদে উঠানোর চেষ্টা করা হয়। তারপর তারা চলে যায়। এরপর শুনি আব্বু মারা গেছেন।

শনিবার সকালে এভাবেই বাবাকে হত্যার ঘটনার বর্ণনা দেয় নিহত রেজাউল ইসলামের ৯ বছরের ছেলে আপন ইসলাম।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার দীঘারপাড়া গ্রামে গভীর রাতে ঘরে ঢুকে রেজাউল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহত রেজাউল ইসলাম উপজেলার দীঘারপাড়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি পেশায় দিনমজুর। নিহত রেজাউলের আপন ও জীবন নামের দুটি শিশু সন্তান রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে গ্রামের একটি দোকান থেকে বাড়ি ফিরে আসে রেজাউল। এরপর রাত সাড়ে ৩টার দিকে চিৎকার শুনে তার বাড়িতে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। এ সময় রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রেজাউল ইসলামের মা আমেনা খাতুন বলেন, আমার সোনার কোনো শত্রু ছিল না। কেন তাকে হত্যা করা হলো। কাজ ছাড়া সে কিছু বুঝতো না। আমার সোনা কি আর ফিরে আসবে? বলতে বলতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি।

নিহতের ভাই আনোয়ার হোসেন জানান, রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে ঘুমিয়ে ছিলেন। এরপর রাত সাড়ে ৩টার দিকে চিৎকার শুনে ছুটে এসে দেখি রেজাউলের গলা দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে। তার গলায় ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। এরপর তাকে উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রতিবেশী ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম জানান, রেজাউল কোনো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মাঠে কাজ করা ছাড়া সে কিছু বুঝতো না। কিন্তু তাকে কেন হত্যা করা হলো সেটা তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না।

কালীগঞ্জ থানার ওসি মুহা. মাহফুজুর রহমান মিয়া জানান, দিনমজুর রেজাউলকে হত্যার কারণ জানা যায়নি। তবে তদন্তের পর হত্যার কারণ জানা যাবে। পুলিশ হত্যার কারণ খুঁজে বের করতে কাজ শুরু করেছে।

হাত-পা অকেজো হওয়া কৌশিকের আয় এখন ৬৫ লাখ

স্টাফ রিপোর্টার
কারও করুণা নয়, নিজের উদ্যোগ আর মনোবল নিয়ে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ভান্ডারপাড়া ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামের প্রতিবন্ধী কৌশিক বাগচী (৩৯) মাছ চাষে নিজের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। এখন তিনি সফল একজন মাছচাষি। শুধু তাই নয়, প্রতিবন্ধী কৌশিক খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মাছচাষি হিসেবে পুরস্কারও পেয়েছেন।
কৌশিক বাগচী ডুমুরিয়া উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের কৃষক নিরালা বাগচীর দুই ছেলের মধ্যে বড়। ১৯৮৭ সালে মাত্র ছয় বছর বয়সে গরুর আক্রমণে দারুণ আহত হয়ে তার ডান হাত ও পা অকেজো হয়ে যায়। দেশে ও বিদেশে বহু চিকিৎসার পরও হাত-পা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। পরে একটু সুস্থ হয়ে দেড় বছর পর স্থানীয় গ্রামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। লেখাপড়ার ওই ধারাবাহিকতায় তিনি ২০০২ সালে এইচএসসি পাস করেন। এরপর পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ার কারণে তার লেখাপড়া বন্ধ হওয়ায় বেকারে পরিণত হন।
অবশেষে কোনো কাজ না পেয়ে, উপজেলা মৎস্য বিভাগের অনুপ্রেরণায় নিজের উদ্যোগ আর মনোবল নিয়ে ১৯৯৭ সালে ধারদেনা করে ২০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে নিজ পরিবারের এক বিঘা জমিতে গলদা ও সাদা কার্প (মিশ্র) জাতীয় মাছের চাষ শুরু করেন। প্রথম বছরই মাছ চাষে বেশ লাভবান হন। ওই লাভের টাকা দিয়ে ২০০৬ সালে অন্যের আরও ২০ বিঘা জমি লিজ নিয়ে সেখানে তিনি পৃথক পৃথকভাবে গলদা ও কার্প জাতীয় মাছ ও অন্য একটি ঘেরে পাঙাশ মাছের চাষসহ দুটি মাছের খামার গড়ে তোলেন।
২০১২ সালে নতুন আঙ্গিকে (উন্নত প্রযুক্তি) ওই জমিতে আধা-নিবিড় পদ্ধতিতে বাগদা চাষ শুরু করেন। ২০১৪ সালে হালকা লবণ পানিতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেখানে বাগদা চিংড়ির চাষ শুরু করেন। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০১৪ সালে মাছ চাষের ওপর তিনি একবার খুলনা বিভাগীয় পুরস্কার (একটি ক্রেস্ট) পান। এখন মাছ চাষের রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ এবং অন্য মাছচাষিদের প্রশিক্ষণ দেওয়াসহ মাছ চাষে সব ক্ষেত্রে পারদর্শী হয়ে উঠেছেন বলে তিনি জানান।
গত ২৪ বছর মাছ চাষ করে কৌশিক সব দেনা পরিশোধ করে ৬০ লাখ টাকা দিয়ে ৬ বিঘা জমি ক্রয় এবং ৮ লাখ টাকা খরচ করে একটি পাকা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। তাছাড়া প্রায় দেড় লাখ টাকা দিয়ে বিদেশি জাতের দুটি গাভী কিনেছেন এবং এক লাখ টাকা দিয়ে স্ত্রীর স্বর্ণের গহনা ও বাড়ির বেশ কিছু মূল্যবান আসবাব ক্রয় করেছেন। দুই ভাইয়ের দুই ছেলের লেখাপড়ার খরচ জোগাতেও কোনো সমস্যা হচ্ছে না। সব খরচ বাদ দিয়ে বর্তমানে কৌশিকের ৬৫ লাখ টাকা পুঁজি রয়েছে; যা দিয়ে এখন পুরোদমে মাছ চাষ চলছে। গ্রামের মানুষ এখন কৌশিককে একজন সফল মৎস্যচাষি হিসেবে জানেন। এলাকার অনেক মাছচাষি কৌশিকের কাছে পরামর্শ নিতে আসেন।
কৌশিক বাগচী বলেন, ‘শারীরিক অক্ষমতার কারণে কখনও নিজেকে ছোট মনে হয়নি। দৃঢ় বিশ্বাস ছিল আমি সাধারণ সুস্থ মানুষের মতোই কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারব। সৃষ্টিকর্তা আমাকে সেই সুযোগ দিয়েছেন। মাছ চাষ করে আজ আমি সফল।’ তার স্ত্রী মিঠু রানী ম-ল মাছের ঘেরে খাবার দেওয়া, ঘেরে পাহারা দেওয়াসহ বিভিন্ন কাজে তাকে সহযোগিতা করে থাকেন। কাকন বাগচী নামে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে এই দম্পতির, সে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে।

খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য কেন বিদেশ নেওয়া দরকার, জানালেন মির্জা ফখরুল

ঢাকা অফিস
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কেন উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে হবে, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘কেন আমরা দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে দেশের বাইরে নিয়ে চিকিৎসার কথা বলছি, তা আমাদের সবার জানা উচিত। তার যে অসুখ, তা প্রধানত পরিপাকতন্ত্রের। কোন জায়গায় তার রক্তপাত হচ্ছে, এটাকে বের করার জন্য আমাদের দেশের শ্রেষ্ঠ ডাক্তাররা কয়েকদিন ধরে চিকিৎসার যে পদ্ধতি আছে, সে অনুযায়ী বিভিন্ন রকম কাজ করেছেন। কিন্তু একটা জায়গায় এসে তারা আর এগোতে পারছেন না।’ শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে শহীদ ডা. মিলন দিবস উপলক্ষে ’৯০–এর ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ ব্যাখ্যা দেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘সে ধরনের কোনো টেকনোলজি দেশে নেই, যে টেকনোলজি দিয়ে চিকিৎসকরা সেখানে পৌঁছাতে পারেন। যে কারণে চিকিৎসকরা বারবার বলছেন, দেশনেত্রীকে একটি অ্যাডভান্স সেন্টারে নেওয়া দরকার, যেখানে এ ডিভাইসগুলো আছে, টেকনোলজি আছে, যন্ত্রপাতিগুলো আছে। যেখানে গেলে তার সঠিক যে রোগ, সেই রোগের জায়গাটা তারা ধরতে পারবেন। দেশনেত্রী অনেক অসুস্থ। এখন তার জীবনকে হুমকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে পরিপাকতন্ত্র। যেখান থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে, সেটা বন্ধ করা দরকার।’

শহীদ ডা. মিলনের কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ডা. মিলন একজন সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন। তিনি কাজের মধ্য দিয়ে, সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বছরের পর বছর, যুগ যুগ ধরে আমাদের মধ্যে বেঁচে আছেন। তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে পরিবর্তনের একটি স্ফুলিঙ্গের সূচনা হয়েছিল। এই স্ফুলিঙ্গটাই সমগ্র বাংলাদেশকে জাগিয়ে তুলেছিল। ডা. মিলনের মৃত্যুর মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের পতন হয়েছিল।’

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘ক্ষমতাসীনরা বলেন, গণতন্ত্রের মাতা খালেদা জিয়াকে ক্ষমা চাইতে হবে।’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, ক্ষমা চাওয়ার লোকটা কে? বর্তমানে জীবিতদের মধ্যে এ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ও জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনে খালেদা জিয়ার চেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার কে করেছেন? খালেদা জিয়া ক্ষমা চাইবেন কার কাছে? যারা নিজেরা অপরাধী, যারা বৈধ নয় এবং আইনসিদ্ধ নয়, তাদের কাছে?

গয়েশ্বর রায় বলেন, ‘আইনমন্ত্রী কি জানেন না, রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইতে হলে সর্বোচ্চ আদালত থেকে চূড়ান্ত রায় হতে হয়। আইনমন্ত্রী কি জানেন না, পেন্ডিং মামলায় রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়া যায় না? খালেদা জিয়া লড়তে জানেন, ভাঙতে পারেন, কিন্তু দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপস করতে জানেন না। মাথা নত করার জন্য খালেদা জিয়ার জন্ম হয়নি।’

ডাকসুর সাবেক ভিপি আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে ও ফজলুল হক মিলনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন ’৯০–এর ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান, খায়রুল কবির খোকন, জহির উদ্দিন স্বপন, নাজিম উদ্দিন আলম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল প্রমুখ।

ওমিক্রন ধরন কতটা ভয়ংকর?

খুলনাঞ্চল ডেস্ক
আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন মারাত্মক হুমকি তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভ্যারিয়েন্টটি ব্যাপকভাবে মিউটেট (আচরণ পরিবর্তন) করেছে। এই ভ্যারিয়েন্টের নাম দেয়া হয়েছে বি.১.১.৫২৯। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটির নাম দিয়েছে ওমিক্রন।
এখনও পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকটি প্রদেশে কিছু মানুষ এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে বাস্তবে এটি আরও ছড়িয়ে গেছে।
এই ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ ঠেকাতে যুক্তরাজ্য এরই মধ্যে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের ছয়টি দেশ – দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, বতসোয়ানা, জিম্বাবুয়ে, লেসোথো, এসওয়াতিনি – থেকে সব ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করেছে।
এই ভ্যারিয়েন্টটি কতটা দ্রুত ছড়াতে পারে, প্রচলিত টিকার মাধ্যমে এই ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ থেকে কতটা রক্ষা পাওয়া সম্ভব এবং এই ভ্যারিয়েন্ট থেকে সুরক্ষা পেতে কী করা যেতে পারে – তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।
কী জানা যাচ্ছে নতুন ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে?
যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের সংক্রামক রোগ বিষয়ক সংস্থা ইমপেরিয়াল ডিপার্টমেন্ট অব ইনফেকশাস ডিজিজের একজন ভাইরোলজিস্ট নতুন এই ভ্যারিয়েন্টকে ‘ভয়াবহ’ ও ‘এখন পর্যন্ত পাওয়া সবচেয়ে খারাপ ধরন’ বলে বর্ণনা করেছেন। এখন পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসোয়ানা ও হংকংয়ে মোট ৫৯ জন নুতন ভ্যারিয়েন্ট বি.১.১.৫২৯ দ্বারা সংক্রমিত হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার সেন্টার ফর এপিডেমিক রেসপন্স অ্যান্ড ইনোভেশনের পরিচালক টুলিও ডি অলিভিয়েরা বলেছেন, এই ভ্যারিয়েন্টের ‘মিউটেশনের ধারা অস্বাভাবিক’ এবং অন্যান্য ভ্যারিয়েন্ট থেকে এটি ‘অনেক ভিন্ন।’ ই ভ্যারিয়েন্ট আমাদের অবাক করেছে। বিবর্তনের হিসেবে এবং পরবর্তী মিউটেশনের হিসেব করলে এটি কয়েক ধাপ লাফ দিয়েছে।
অধ্যাপক অলিভিয়েরা বলেন, সব মিলিয়ে ৫০টি মিউটেশন রয়েছে যার মধ্যে ৩০টি মিউটেশেনই স্পাইক প্রোটিনে। অধিকাংশ টিকাই স্পাইক প্রোটিনের এই ভ্যারিয়েন্টগুলোকে আক্রমণ করে।
আরও পড়ুন: এবার আফ্রিকানদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের
ভাইরাসের যে অংশটি- রিসিপটর বাইন্ডিং ডোমেইন- আমাদের শরীরের কোষের সাথে প্রথম সংযোগ ঘটায়, নতুন ভ্যারিয়েন্টে সেটির ১০টি মিউটেশন রয়েছে। ভয়াবহ ক্ষতিকর হিসেবে আলোড়ন তৈরি করা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে এই মিউটেশন ছিল মাত্র দুটি।
অনেকগুলো মিউটেশন থাকা মানেই যে তা ক্ষতিকর, তা নয়। কিন্তু মিউটেশনগুলো আসলে কী ক্ষতি করছে- তা জানা জরুরি। চিন্তার বিষয় হলো, চীনের উহানে উদ্ভূত ধরনের চেয়ে এটি অনেক ভিন্ন।
এর অর্থ হলো, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে তৈরি হওয়া টিকা- যেগুলো মূল ধরণটি ব্যবহার করে বানানো হয়েছিল- নতুন ধরনের জন্য সমানভাবে কার্যকর নাও হতে পারে।
অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টের সাথে এর কতটা পার্থক্য?
এই ভ্যারিয়েন্টটিতে দেখা যাওয়া কয়েকটি মিউটেশনের আগে অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে। যেমন, এন৫০১ওয়াই করোনাভাইরাসকে সহজে সংক্রমিত হতে সহায়তা করে বলে ধারণা করা হয়। নতুন ভ্যারিয়েন্টে আরো কিছু মিউটেশন রয়েছে যার ফলে শরীরের অ্যান্টিবডি ভাইরাসকে শনাক্ত করতে পারে না এবং ভ্যাকসিনকে অপেক্ষাকৃত কম কার্যকর করতে পারে।
দক্ষিণ আফ্রিকার কোয়াজুলু-নাটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রিচার্ড লেসেলস বলেন, মিউটেশনগুলো ভাইরাসকে সংক্রমণে, এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তিতে ছড়িয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে শক্তিশালী করেছে বলে আশঙ্কা করছি আমরা। ইমিউন সিস্টেমের বিভিন্ন অংশকে পাশ কাটিয়ে শরীরে প্রবেশ করার সক্ষমতাও থাকতে পারে এগুলোর।
এর আগেও করোনাভাইরাসের নতুন আবিষ্কৃত হওয়া ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তবে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে আতঙ্ক শুধু কাগজ কলমেই সীমাবদ্ধ ছিল।
এ বছরের শুরুতে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আতঙ্ক তৈরি করেছিল বেটা ভ্যারিয়েন্ট, কারণ ইমিউন সিস্টেমকে পাশ কাটিয়ে শরীরে প্রবেশ করার সক্ষমতা সবচেয়ে বেশি ছিল ঐ ভ্যারিয়েন্টের। কিন্তু পরবর্তীতে দ্রুত সংক্রমিত হওয়া ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টই বেশি ভয়াবহ হিসেবে প্রতীয়মান হয়।
ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাভি গুপ্তা বলেন, বেটা শুধু ইমিউন সিস্টেমকে ফাঁকি দিতো, আর কিছু না। ডেল্টার সংক্রমণের ক্ষমতা ছিল বেশি। নতুন ভ্যারিয়ন্টের এই দুই ধরণের ক্ষতি করারই সামর্থ্য রয়েছে।
ল্যাবরেটরিতে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় গবেষণার মাধ্যমে নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে আরো পরিষ্কার তথ্য পাওয়া যাবে কিন্তু প্রকৃতিতে এই ভাইরাস কেমন আচরণ করে, তা পর্যবেক্ষণ করলে আরো দ্রুত প্রশ্নের উত্তর পাওয়া সম্ভব। দক্ষিণ আফ্রিকার গওতেং প্রদেশে এখন পর্যন্ত ৭৭ জনের মধ্যে নিশ্চিতভাবে এই ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এছাড়া বতসোয়ানায় চার জন এবং হংকংয়ে একজন এই ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমিত হয়েছেন।
পরীক্ষায় এই ভ্যারিয়েন্টটি কিছুটা অদ্ভুত ফল দেয় (এস-জিন ড্রপ আউট নামে পরিচিত) এবং তার মাধ্যমে এই ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণের ধারা অনুসরণ করা সম্ভব।
তাই ধারণা করা হচ্ছে, গওতেং প্রদেশের ৯০ শতাংশ কেসই আসলে এই ভ্যারিয়েন্ট এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ‘অধিকাংশ প্রদেশেই এর উপস্থিতি রয়েছে’ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে এই পরিসংখ্যানের মাধ্যমে এখনো ধারণা দেয়া যাচ্ছে না যে ভ্যারিয়েন্টটি ডেল্টার চেয়ে দ্রুতগতিতে ছড়াবে কিনা বা এটি ভ্যাকসিনের মাধ্যমে পাওয়া প্রতিরোধ ক্ষমতার বিরুদ্ধে কার্যকর কিনা।
সূত্র: বিবিসি বাংলা।

পেয়ারার পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা

মিলি রহমান
নানা পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য পেয়ারা ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত। বর্ষা মৌসুমের ফল হলেও এখন সারাবছর বাজারে পাওয়া যায়। অন্যান্য ফলের চেয়ে পেয়ারার পুষ্টিগুণ বেশি। বিশেষ করে ভিটামিন ‘সি’ এর পরিমাণ এত বেশি যে আমলকী বাদে অন্য কোনো ফলে এত ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া যায় না। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক পেয়ারার পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে।
১. পেয়ারাতে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ আছে। ১০০ গ্রাম পেয়ারায় ১৮০ মি.গ্রাম ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। ফলটি ঠা-া কাশির পথ্য। তাছাড়া শ্বাসতন্ত্র, গলা ও ফুসফুসকে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে সুরক্ষা করে। রক্তসঞ্চালন ঠিক রাখে তাই হার্টের রোগীরা পেয়ারা খেতে পারেন।
২. পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে। যা দৃষ্টি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা রয়েছে তারা পাকা পেয়ারা খেতে পারেন।
৩. পেয়ারায় যে পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ থাকে তা শরীরে গেলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।
৪. যেকোনো ব্যকটেরিয়া সংক্রমণ বা পেটের গোলযোগে কার্যকরী। এই ফলটিতে অ্যাস্ট্রিজেন্ট ও অ্যান্টি-মাইক্রোবাল উপাদান থাকে যা পাকস্থলির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া ত্বক ভালো রাখার সঙ্গে সঙ্গে ত্বককে টানটান রাখে।
৫. পেয়ারা ডায়বেটিস, ক্যানসার, প্রস্টেট ক্যানসার মতো রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। পেয়ারা ডায়রিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে পারে। তাই নিয়মিত পেয়ারা খেলে ডায়রিয়া হওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে অনেকটা। পেয়ারার আছে ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা।

আমি এখন জাজের নায়িকা: সামিনা বাশার

বিনোদন ডেস্ক
সামিনা বাশার। শোবিজের পরিচিত মুখ। ছোটপর্দার মাধ্যমে অভিষেক। কাজ করেছেন ‘অপারেশন সুন্দরবন’ সিনেমাতেও।
সম্প্রতি চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন জাজ মাল্টিমিডিয়ার একটি ওয়েব ফিল্মে। নাম ‘মোনা’। পরিচালনা করবেন কামরুজ্জামান রোমান। নাম ভূমিকায় অভিনয় করবেন সুপ্রভা। আরও অভিনয় করবেন তারিক আনাম খান, শহিদুল আলম সাচ্চু, মুনিরা মিঠু, সাহেদ আলী, দীপা খন্দকার প্রমুখ।
‘মোনা’ সিনেমায় ‘তিথি’ চরিত্রে দেখা যাবে সামিনা বাশারকে। কাজটি প্রসঙ্গে সময় নিউজকে তিনি বলেন, ‘ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে আমাদের শুটিংয়ের পরিকল্পনা চলছে। আমার বিপরীতে আছেন সাজ্জাদ। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়ার চরিত্রে দেখা যাবে আমাকে। ‘জ্বিন’ সিনেমার সিক্যুয়ালই হচ্ছে ‘মোনা’। এটি মূলত একটি হরর সিনেমা।’
সামিনা বাশার জানান, এই মুহূর্তে বেশি করে ‘মোনা’ সিনেমার স্ক্রিপ্ট পড়ছেন তিনি। তার ভাষায়, ‘যেহেতু হরর সিনেমা সে জন্য আমাকে একটু প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে। বেশি করে স্ক্রিপ্ট পড়ছি। কিছু রেফারেন্স সিনেমা দেখছি।’
‘প্রেম ও পরীর গল্প’ নাটকে অভিনয় করে পা চলা শুরু সামিনার। যদিও নাটকটি এখনো মুক্তি পায়নি। আরও অভিনয় করেছেন বেশ কয়েকটি নাটকে। সম্প্রতি একটি ধারাবাহিকে যুক্তে হয়েছেন।
সিনেমায় আসা প্রসঙ্গে সামিনা বলেন, ‘সিনেমায় আমি আগেও কাজ করেছি। কিন্তু নায়িকা হিসেবে এটা আমার প্রথম কাজ। আমার অন্যান্য কাজগুলো দেখে জাজ আমাকে সুযোগটি দিয়েছে। আমি এখন জাজের নায়িকা।’
সামিনা বাশার স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন ভারতের পাঞ্জাবের চ-িগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। পরিবার তাকে চাকরিতে দেখতে চায়। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই তার ইচ্ছা অভিনেত্রী হওয়া। তাই শোবিজে আসা। ভালো গল্প এবং চরিত্র পেলে দুই পর্দাতেই কাজ করতে চান তিনি।

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উদীয়মান যুব সমাজের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

খবর বিজ্ঞপ্তি
স্বেচ্ছাসেবামূলক সংগঠন উদীয়মান যুব সমাজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে কেক কাটেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। আজ শনিবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে কেক কাটার আয়োজন করা হয়।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ রবিউল গাজী উজ্জলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা দৈনিক সময়ের খবর’র সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম, বিশ্বাস প্রপার্টিজ’র সিইও আজগর বিশ্বাস তারা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ সামসুল আলম লিপনসহ সংগঠনের সকল সদস্যবৃন্দ।

কিংবদন্তী সাংবাদিক আলহাজ্ব লিয়াকত আলীর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

স্টাফ রিপোর্টার
দৈনিক পূর্বাঞ্চলের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা আধুনিক রেল ষ্টেশনসহ অনেক উন্নয়ন কর্মকান্ডের স্বপ্নদ্রষ্টা, কিংবদন্তী সাংবাদিক আলহাজ্ব লিয়াকত আলীর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার।
২০১৫ সালের ২৮ নভেম্বর রাতে তিনি ঢাকাস্থ হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।
আলহাজ্ব লিয়াকত আলীর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পূর্বাঞ্চল-ট্রিবিউন পরিবারের পক্ষ থেকে নগরীর বিভিন্ন ইয়াতিমখানায় খাবার বিতরণ ও বাদ আসর ইকবালনগর জামে মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া আজ বাদ এশা পূর্বাঞ্চলের বার্তা বিভাগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটায় খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন খুলনা জেলা শাখা।
উল্লেখ্য, আলহাজ্ব লিয়াকত আলী ১৯৪৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার(বর্তমানে জেলা) মুকসুদপুর উপজেলার(তৎকালীন থানা) লওখ-া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম আইনুল হক মিনা ও মাতার নাম রাবেয়া বেগম। ৮ ভাই-বোনের মধ্যে লিয়াকত আলী সবার বড়। পিতার চাকরির বদলিজনিত কারণে আলহাজ্ব লিয়াকত আলী সাতক্ষীরার কলারোয়া, খুলনার ফুলতলা এবং খুলনায় লেখাপড়া করেন। ছাত্র জীবনে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। ষাটের দশক থেকে আলহাজ্ব লিয়াকত আলীর সাংবাদিকতা জীবন শুরু হয়। তিনি ছিলেন দৈনিক পূর্বাঞ্চলের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি পূর্বাঞ্চলের সম্পাদক-প্রকাশকের দায়িত্ব পালন করেন। তার মৃত্যুর পর তার সহধর্মিনী বেগম ফেরদৌসী আলী ও একমাত্র পুত্র মোহাম্মদ আলী সনি পত্রিকাটির হাল ধরেন। বর্তমানে বেগম ফেরদৌসী আলী পূর্বাঞ্চলের সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি এবং মোহাম্মদ আলী সনি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ঢাকাসহ সারাদেশে আবারও ভূমিকম্প

ঢাকা অফিস
ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও ভূমিকম্প হয়েছে। আজ শনিবার (২৬ নভেম্বর) বেলা ৩টা ৪৭ মিনিট ১৬ সেকেন্ডে এই কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ২।
ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে। এ কারণে কম্পন বেশি অনুভূত হয় চট্টগ্রামে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর এই তথ্য জানায়। এখন পর্যন্ত কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। এর আগে শুক্রবার ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৮। কেন্দ্র ছিল মিয়ানমারের হাখা শহর। কেন্দ্রটি ছিল ঢাকা থেকে পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্বদিকে প্রায় ৩৪৭ কিলোমিটার দূরে। এ ঘটনায় চট্টগ্রামের একটি ভবন হেলে পড়ে। এ ছাড়া আর কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

২ ডিসেম্বর থেকে চলবে ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি
ঢাকা থেকে যশোরের বেনাপোল রুটে চলাচলকারী ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি ফের চালু হতে যাচ্ছে। আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে চাকা গড়াবে ট্রেনটির।
শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) বেনাপোল স্টেশন মাস্টার সাইদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২ ডিসেম্বর থেকে ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি চলবে বলে বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের সহকারী চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট আব্দুল আওয়াল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে করোনার আগে প্রতিদিন ঢাকাসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ৫-৬ হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী ভারতে যাতায়াত করতেন। করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সব ট্রেন চলাচল বন্ধ হলে ৫ এপ্রিল থেকে ঢাকা-বেনাপোল রুটে আন্তঃনগর এ ট্রেনটিও বন্ধ করে দেয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল ভারতে যাতায়াতকারীদের, বিশেষ করে চিকিৎসার জন্য যাতায়াতকারী যাত্রীদের। পরে সরকার সব ধরনের যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’ ট্রেনটিও চালুর দাবি জানানো হয়।
প্রতিদিন বেনাপোল-পেট্রাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যাতায়াত করেন দেড় হাজারেরও বেশি যাত্রী। তাদের মধ্যে ৯০ শতাংশই যান চিকিৎসার জন্য।

কেএমপির অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার ৩

স্টাফ রিপোর্টার
মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকা হতে ১০০ পিস ইয়াবা ও ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন নগরীর মহেশ্বরপাশা পশ্চিম পাড়ার নুর ইসলামের ছেলে মো. আলাউদ্দিন (২০), করিমনগর এর মো. কাওসার আকনের ছেলে মো. আলামিন আকন (২৬) ও দৌলতপুর হেলালের বাগান এলাকার মো. সিদ্দিক মোল্লার ছেলে মো. আরিফ মোল্লা (৩৮)।
কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শাহ্ জাহান শেখ জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় ১০০ পিস ইয়াবা ও ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নগরীতে ডিবির অভিযানে ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১

স্টাফ রিপোর্টার
হরিণটানা থানাধীন গল্লামারী ব্রীজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ২৬ নভেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ী হলেন সোনাডাঙ্গা দারুস সালাম মহল্লার সলেমান হাওলাদার এর ছেলে জুয়েল হাওলাদার ওরফে কালু (২২)।
ডিবি জানায়, ২৬ নভেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে হরিণটানা থানাধীন গল্লামারী ব্রীজ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ টিম। এসময়
ব্রীজ সংলগ্ন মেসার্স হাইব্রীড শোভা নার্সারীর সামনে থেকে ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে হরিণটানা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।


Post Views:
36



নিউজের উৎস by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি
সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer: Shimulツ
themesba-lates1749691102