বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর মোংলায় ওমিক্রণ ভ্যারিয়েন্টের বিস্তাররােধে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য মাইকিং শুরু বাগেরহাটে করোনার ভয়াবহতা রোধে জনসচেতনতার কার্যক্রম শুরু টিআই’র দুর্নীতি প্রতিবেদন পক্ষপাতদুষ্ট : ড. হাছান মাহমুদ প্রতারণার অভিযোগে মামলার মুখে গুগল প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সমাজের বোঝা নয়- ইউএনও কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তীতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীকে পুতিনের শুভেচ্ছা বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ নেইমারের বিপক্ষে খেলা বিশেষ কিছুঃ রোদ্রিগো – স্পোর্টস প্রতিদিন ইকুয়েডরের বিপক্ষে একাদশে থাকবে ভিনিসিয়াস কৌতিনহো – স্পোর্টস প্রতিদিন

শরণখোলায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে

  • আপডেট সময় বুধবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৮৪

মাসুম বিল্লাহ: বাগেরহাটের শরণখোলায় তাফালবাড়ী স্কুল এন্ড কলেজে পরীক্ষার সব ধরনের ফি পরিশোধ করেও প্রবেশ পত্র না পেয়ে পরীক্ষা দিতে পারছেনা তিন শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার তাফালবাড়ী স্কুল এন্ড কলেজের এস.এস.সি (ভোকেশনাল) শাখার নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী শরণখোলা গ্রামের জাহাঙ্গীর মুন্সীর পুত্র মোঃ হাফিজুল রহমান, জামাল হাওলাদারের পুত্র মোঃ  আব্দুল্লাহ ও মনু মিয়া হাওলাদারের পুত্র মোঃ ইয়াসিন ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে নবম শ্রেণীতে ভর্তি হন

এবং ওই কলেজের অফিস সহকারী ওমেশ চন্দ্র বালার নিকট রেজিষ্ট্রেশন ফি বাবদ জনপ্রতি এক হাজার টাকা জমা দিলেও তিনি হাফিজুল ও আব্দুল্লাহর রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করলেও ইয়াসিনের নাম রেজিষ্ট্রেশন করেননি।

এছাড়া হাফিজুল ও আব্দুল্লাহ আগামী ডিসেম্বর মাসের ৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য নবম শ্রেনীর (ভোকঃ) বোর্ড ফাইনাল পরিক্ষায় অংশগ্রহন করার জন্য ফরম ফিলাপে জনপ্রতি দুই হাজার টাকা দিলেও অফিস সহকারী ওমেশ চন্দ্র বালা উক্ত টাকা আত্মসাৎ করেন।

সম্প্রতি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য অন্যান্য সহপাঠীদের প্রবেশপত্র আসলেও হাফিজুল ও আব্দুল্লাহর প্রবেশপত্র আসেনি। বিষয়টি তাফালবাড়ী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মানিক চাঁদ রায়কে অবহিত করলে তিনি ওই শিক্ষার্থীদের আগামী বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহন করার কথা বলেন। অধ্যক্ষের কথা শুনে অভিবাবক ও শিক্ষার্থীরা হতাশ হয়ে পড়েন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাফালবাড়ী স্কুল এন্ড কলেজের অফিস সহকারী ওমেশ চন্দ্র বালা বলেন, স্কুল কর্তৃপক্ষ ছাত্র-ছাত্রীদের তালিকা না দেয়ায় এধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তিন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তিনি কোন অর্থ গ্রহণ করেননি। বিষয়টি সিনিয়র শিক্ষিকা হাফিজা খানম (হেলেনা) দেখাশুনা করেন।

তাফালবাড়ী স্কুল এন্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক হাফিজা খানম (হেলেনা) বলেন, ভোকেশনাল শাখার আয়-ব্যয় দীর্ঘদিন ধরে ওমেশ চন্দ্র বালা পরিচালনা করে আসছে। অভিযোগকারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তিনি কোন অর্থ গ্রহণ করেননি।

তাফালবাড়ী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মানিক চাঁদ রায় বলেন, এ ঘটনায়  অফিস সহকারী ওমেশ চন্দ্র বালাকে ইতিমধ্যে শোকজ করা হয়েছে এবং তাকে ভোকেশনাল শাখার দাপ্তরিক কার্যক্রম থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ নুরুজ্জামান খাঁন জানান, বিষয়টি তদন্ত পূর্বক বিধিগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাতুনে জান্নাত জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer: Shimulツ
themesba-lates1749691102