শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন

গরুর খামারিদের লোকসান থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় | Adhunik Krishi Khamar

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


গরুর খামারিদের লোকসান থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়গুলো কি কি সেগুলো খামারিদের জানা উচিত। বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে লাভের আশায় অনেকেই গরুর খামার করে থাকেন। সঠিক পরিকল্পনা ও অব্যবস্থাপনার কারণে অনেকেই খামারে লোকসান করে থাকেন। আসুন আজকের এই লেখাতে আমরা জেনে নিব গরুর খামারিদের লোকসান থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় সম্পর্কে-

গরুর খামারে লোকসান হওয়ার কারণ ও করণীয়ঃ 


লোকসানের কারণঃ 


  • সঠিক স্থান নির্বাচন না করা।
  • বর্ষা মৌসুমের জন্য পূর্বে খাবারের মজুদ না রাখা।
  • খামারের পরিকল্পিত প্ল্যান না থাকা।
  • প্রথম ৬ মাসের খরচের জন্য একটা ফান্ড না রাখা।
  • চিকিৎসা নিশ্চিত না করা হলে।
  • গরু / ছাগল খামারে, গরু/ছাগল বাহিরে যেতে না পারে সেটা নিশ্চিত করা।
  • খামারে আসা যাওয়া, পন্য বেচাকেনার যোগাযোগ ব্যবস্হা ভালো না থাকা।
  • পার্টনারদের সততার অভাব।
  • উন্নত জাতের সুস্থ পশু সংগ্রহ না করা।

লোকসান থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়ঃ


১। অভিজ্ঞতা আছে এমন কোন ব্যক্তির সহায়তা নিয়ে খামারের জন্য পরিকল্পিত প্ল্যান তৈরি করতে হবে। এমন জায়গা নির্বাচন করতে হবে যেখানে বর্ষা মৌসুমে পানি উঠবেনা। শুকনো খাবার ও মালামাল রাখার ঘর কোথায় করবেন তা ভাবুন। দিনের বেলা ঘরের বাইরে বের করলে সেই স্থান কোথায় হবে তাও চিন্তা করতে হবে।

২। এমন স্থান নির্বাচন করতে হবে যেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো বাতাস ও রোদ পড়ে, বর্ষা মৌসুমে পানি জমবেনা বা উঠবেনা।

৩। প্রথম ৬ মাস আয়ের তেমন সুযোগ থাকেনা তাই মাথায় রাখতে হবে, এই সময় টা কিভাবে যাবতীয় সকল খরচ চালাবেন তার জন্য আগে থেকে বাজেট রাখা।

৩। এমন জায়গা নির্বচন করতে হবে যেখানে যাতায়াত ব্যাবস্হা ভালো। শুকনা খাবার,খড় ও মালামাল আনা নেয়া দুধ বিক্রি করা বা গরু/ছাগল আনা নেয়ার সুব্যাবস্হা নিশ্চিত করা। না থাকলে বিক্রি করতে ও মালামাল আনা নেয় করতে অতিরিক্ত খরচ ও লসের সম্ভাবনা থাকে।

৪। বর্ষা মৌসুমে সব জায়গায় পানি উঠে তাই কাচা ঘাসের সংকট থাকে। সেই কথা মাথায় রেখে শুকনো দানাদার খাবার ও খড় মজুদের ব্যবস্হা রাখা। নাহলে খাদ্য সংকট দেখা দিবে।

৫। গরুর খামারের বাহিরে আসা যাওয়া করতে দেয়া যাবেনা কারণ, বাইরে থেকে আসা প্রাণির মাধ্যমে রোগ-জীবাণু ছড়ানোর সুযোগ থাকে। অনেক সময় মহামারী লেগে আক্রান্ত সকল গরু মারা যেতে পারে।

৬। উন্নত জাতের পশু সংগ্রহ করলে দুধ বেশি পাওয়া যাবে। ভালো জাতের বাচ্চা ও মাংস উৎপাদন হবে।

৭।  চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জন্য আগে থেকে যুব উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে রাখা সবচেয়ে ভালো। কারণ প্রাথমিক চিকিৎসা নিজে দেয়া যায়, বড় কোন সমস্যা হবে বিশেষজ্ঞ ডাক্তরের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী চিকিৎসা নিজেই করতে পারবেন।


আরো পড়ুনঃ বিশ্বের সবচেয়ে ছোট্ট গরু ‘চারু’ পালিত হচ্ছে সাভারে


ডেইরি প্রতিবেদন / আধুনিক কৃষি খামার



Source by [সুন্দরবন]]

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Recent Posts

© 2022 sundarbon24.com|| All rights reserved.
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102