সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন

প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশের শেয়ার বাজার পর্ব ২

  • Update Time : শনিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২
প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশের শেয়ার বাজার পর্ব ২ প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশের শেয়ার বাজার সিরিজের ২য় পর্বে আমরা আলোচনা করব বিও একাউন্ট সম্পর্কে। এটা আমরা প্রায় সবাই জানি, বিও একাউন্ট হচ্ছে এমন একটা একাউন্ট যার মাধ্যমে শেয়ার কেনা বেচা করা হয়। ব্যাংক একাউন্ট যেমন টাকা লেনদেন করে, বিও একাউন্ট শেয়ার লেনদেন করে। বিও একাউন্ট এর পূর্ণ নাম হচ্ছে- Beneficiary Owners একাউন্ট। সাধারনত দুই ধরনের বিও একাউন্ট হয়ে থাকে। একটি সাধারন বিও একাউন্ট অন্যটি, NRB বিও একাউন্ট বা (নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশী) একাউন্ট। আগে চলুন সাধারন বিও একাউন্ট কি তা জানি। আমরা যারা বাংলাদেশে বসবাস করি, যাদের বয়স ১৮+, তারা এই একাউন্ট খুলতে পারবে। এই সাধারন একাউন্ট আবার ৩ ধরনের হয়। যেমন একক একাউন্ট, যৌথ একাউন্ট এবং কোম্পানি নামে বিও একাউন্ট। আর NRB একাউন্ট বাংলাদেশী প্রবাসীদের এবং বিদেশী নাগরিকদের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও আরেকটি একাউন্ট রয়েছে যা লিংক বিও একাউন্ট নামে পরিচিত। কেউ যদি তার ব্রকার হাউস পরিবর্তন করতে চায় তবে এই লিংক বিও একাউন্ট খুলে শেয়ার বিক্রি না করে ট্রান্সফার করতে পারবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপনি একজন প্রবাসী হিসাবে কোন একাউন্ট খুলবেন? এর উত্তর, আপনি সাধারন বিও একাউন্ট কিংবা NRB BO account এই দুইটার মধ্যে যে কোনো একটা একাউন্ট খুলতে পারবেন। আপনি বিদেশ থাকেন তাই NRB BO account খুলতেই হবে এমন কোনো ধরাবাঁধা আইন নেই। আসুন এবার জানি বিও একাউন্ট খুলতে কি কি লাগে। #১। আপনার ও নমীনীর পাসপোর্ট সাইজ ছবি। #২। আপনার ও নমীনীর NID অথবা Passport এর কপি। #৩। আপনার একটি ব্যাংক একাউন্ট আছে তা প্রমান স্বরূপ, চেকের খালী পাতার কপি অথবা ব্যাংক এসটেন্টমেন্ট অথবা ব্যাংক সার্টিফিকেট। #৪। আপনার ও নমীনির উভয়ের সাক্ষর। #৫। আপনার মোবাইল নাম্বার ও Email address. এছাড়া আপনি যাকে নমিনি দিবেন তিনি যদি নাবালক হয়ে থাকে তাহলে তার অভিভাবক হিসাবে আরেকজন প্রাপ্তবয়স্কের তথ্য দিতে হবে। এই হচ্ছে সাধারন বিও একাউন্ট খোলার তথ্য সমূহ। এবার আসি NRB BO account খুলতে কি কি লাগে। সাধারন বিও একাউন্ট খুলতে যা লাগবে তা তো লাগবেই এর সাথে আপনি বিদেশে যেখানে কাজ করছেন তার প্রমান স্বরূপ work permit কিংবা Pay slip, কিংবা trade license এর কপি লাগবে। এছাড়া একজন Power of Attorney দিতে হবে, অর্থাৎ আপনার বিও একাউন্ট আপনার অবর্তমানে শেয়ার কেনা/বেচা করতে পারবে। এখন একটা প্রশ্ন আসতেই পারে, এই দুই রকম একাউন্টের মধ্যে কোনটা আমার জন্য ভালো হবে? এর উত্তম হচ্ছে, work permit কিংবা Pay slip, কিংবা trade license যদি দিতে পারেন তাহলে NRB account খোলা যেতে পারে, তবে এই একাউন্ট এর সাথে সাধারন একাউন্টের মধ্যে বিশেষ কোনো পার্থক্য নেই। শধু আইপিও জন্য একটা কোঠা থাকে। যেমন সাধারন একটা বিও একাউন্টে যদি ২০টি আইপিও শেয়ার পাওয়া যায় তবে NRB BO account ২৫/২৬টি পাওয়া যাবে। যখন আইপিও জন্য লটারি সিন্টেম বাদ হয়ে যায় তখন থেকে এই NRB bo account এর চাহিদাও কমতে থাকে। তাই আপনার সুবিধা মত একটা বিও একাউন্ট খুলে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে একটা ইনকামের পথ বানাতে পারেন। শেষ কথা, শেয়ার বাজারে লাভ ও লস উভয়ই হতে পারে, তা জেনে বুঝে বিনিয়োগ করবেন।

প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশের শেয়ার বাজার পর্ব ২

প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশের শেয়ার বাজার পর্ব ২

প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশের শেয়ার বাজার সিরিজের ২য় পর্বে আমরা আলোচনা করব বিও একাউন্ট সম্পর্কে। আপনি যদি প্রথম পর্ব মিস করে ফেলেন তবে তা আগে পড়ে নিন। শেয়ার বাজার প্রবাসীদের জন্য পর্ব ১ 

এটা আমরা প্রায় সবাই জানি, বিও একাউন্ট হচ্ছে এমন একটা একাউন্ট যার মাধ্যমে শেয়ার কেনা বেচা করা হয়। ব্যাংক একাউন্ট যেমন টাকা লেনদেন করে, বিও একাউন্ট শেয়ার লেনদেন করে।

বিও একাউন্ট এর পূর্ণ নাম হচ্ছে- Beneficiary Owners একাউন্ট।

সাধারনত দুই ধরনের বিও একাউন্ট হয়ে থাকে। একটি সাধারন বিও একাউন্ট অন্যটি, NRB বিও একাউন্ট বা (নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশী) একাউন্ট।

আগে চলুন সাধারন বিও একাউন্ট কি তা জানি। আমরা যারা বাংলাদেশে বসবাস করি, যাদের বয়স ১৮+, তারা এই একাউন্ট খুলতে পারবে। এই সাধারন একাউন্ট আবার ৩ ধরনের হয়। যেমন একক একাউন্ট, যৌথ একাউন্ট এবং কোম্পানি নামে বিও একাউন্ট।

আর NRB একাউন্ট বাংলাদেশী প্রবাসীদের এবং বিদেশী নাগরিকদের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও আরেকটি একাউন্ট রয়েছে যা লিংক বিও একাউন্ট নামে পরিচিত।

কেউ যদি তার ব্রকার হাউস পরিবর্তন করতে চায় তবে এই লিংক বিও একাউন্ট খুলে শেয়ার বিক্রি না করে ট্রান্সফার করতে পারবে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপনি একজন প্রবাসী হিসাবে কোন একাউন্ট খুলবেন? এর উত্তর, আপনি সাধারন বিও একাউন্ট কিংবা NRB BO account এই দুইটার মধ্যে যে কোনো একটা একাউন্ট খুলতে পারবেন।

আপনি বিদেশ থাকেন তাই NRB BO account খুলতেই হবে এমন কোনো ধরাবাঁধা আইন নেই।

আসুন এবার জানি বিও একাউন্ট খুলতে কি কি লাগে।

#১। আপনার ও নমীনীর পাসপোর্ট সাইজ ছবি।

#২। আপনার ও নমীনীর  NID অথবা Passport এর কপি।

#৩। আপনার একটি ব্যাংক একাউন্ট আছে তা প্রমান স্বরূপ, চেকের খালী পাতার কপি অথবা ব্যাংক এসটেন্টমেন্ট অথবা ব্যাংক সার্টিফিকেট।

#৪। আপনার ও নমীনির উভয়ের সাক্ষর।

#৫। আপনার মোবাইল নাম্বার ও Email address.

এছাড়া আপনি যাকে নমিনি দিবেন তিনি যদি নাবালক হয়ে থাকে তাহলে তার অভিভাবক হিসাবে আরেকজন প্রাপ্তবয়স্কের তথ্য দিতে হবে।

এই হচ্ছে সাধারন বিও একাউন্ট খোলার তথ্য সমূহ। এবার আসি NRB BO account খুলতে কি কি লাগে।

সাধারন বিও একাউন্ট খুলতে যা লাগবে তা তো লাগবেই এর সাথে আপনি বিদেশে যেখানে কাজ করছেন তার প্রমান স্বরূপ work permit কিংবা Pay slip, কিংবা trade license এর কপি লাগবে।

এছাড়া একজন Power of Attorney দিতে হবে, অর্থাৎ আপনার বিও একাউন্ট আপনার অবর্তমানে শেয়ার কেনা/বেচা করতে পারবে।

এখন একটা প্রশ্ন আসতেই পারে, এই দুই রকম একাউন্টের মধ্যে কোনটা আমার জন্য ভালো হবে? এর উত্তম হচ্ছে, work permit কিংবা Pay slip, কিংবা trade license যদি দিতে পারেন তাহলে NRB account খোলা যেতে পারে, তবে এই একাউন্ট এর সাথে সাধারন একাউন্টের মধ্যে বিশেষ কোনো পার্থক্য নেই।

শধু আইপিও জন্য একটা কোঠা থাকে। যেমন সাধারন একটা বিও একাউন্টে যদি ২০টি আইপিও শেয়ার পাওয়া যায় তবে NRB BO account ২৫/২৬টি পাওয়া যাবে।

যখন আইপিও জন্য লটারি সিন্টেম বাদ হয়ে যায় তখন থেকে এই NRB bo account এর চাহিদাও কমতে থাকে। তাই আপনার সুবিধা মত একটা বিও একাউন্ট খুলে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে একটা ইনকামের পথ বানাতে পারেন।

শেষ কথা, শেয়ার বাজারে লাভ ও লস উভয়ই হতে পারে, তা জেনে বুঝে বিনিয়োগ করবেন। শেয়ার বাজার নিয়ে ভিডিও দেখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে – বাংলা প্রিনিউর 



Source by [সুন্দরবন]]

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Recent Posts

© 2022 sundarbon24.com|| All rights reserved.
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102