রবিবার, ২৬ জুন ২০২২, ০৯:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মোরেলগঞ্জে এক ঘের ব্যবসায়ীর হাত-পা ভেঙে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা পদ্মা সেতুতে প্রথম মূত্র নিঃসরণ করে ইতিহাসে নাম লেখালেন বরিশালের তারেক মানুষের মন পড়তে পারে যে ছবি গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক পদ্মা সেতু উদ্বোধন: মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ’র বর্ণাঢ্য র‍্যালী কারণে-অকারণে অনেকেই সেতু দিয়ে দিচ্ছেন পদ্মা পাড়ি একদিনেই বদলে গেছে শিমুলিয়া-ফেরিঘাট, যাত্রী সংকটে লঞ্চ-ফেরি দ্বিগুন বেতন দাবী সালাহর, বিক্রি করতে চায় লিভারপুল – স্পোর্টস প্রতিদিন খুলনায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে কেএমপির বর্ণাঢ্য র‌্যালি পদ্মা সেতুতে বাগেরহাটের পর্যটন বিকাশের সম্ভাবনা

বঙ্গোপসাগরে ২০মে থেকে ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধ, নেই বিকল্প কার্মসংস্থান, ভারতীয়রা ধরবে মাছ!

  • আপডেট সময় বুধবার, ১৮ মে, ২০২২

সুন্দরবন ডেক্স: মৎস্য সম্পদ রক্ষায় আগামী ২০ মে থেকে ৬৫ দিনের জন্য বঙ্গোপসাগরে সকল ধরনের মাছ ধরা বন্ধ হচ্ছে। এটি বাস্তবায়নে প্রতিবছরের ন্যায় ইতিমধ্যে সরকারি ভাবে প্রচার প্রচারনা ও সভা করে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। তবে একই সময় ভারতের জলসীমানায় মাছ ধরা বন্ধ না হওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে জেলেদের মধ্যে। তাদের অভিযোগ এ সুযোগে ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমানায় প্রবেশ করে অবাধে মাছ ধরে নিয়ে যায়।

এদিকে জেলেদের জন্য সরকারি খাদ্য সহায়তা হিসাবে শরণখোলা উপজেলার চার হাজার সমুদ্রগামী জেলেদের মধ্যে মাত্র ৩৭৪ জনের চাল বরাদ্দ এসেছে। এনিয়ে বিপাকে পরেছেন ইউপি চেয়ারম্যানরা। গত মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সংক্রান্ত এক সভায় তারা চাহিদার তুলনায় এতো কম বরাদ্দ নিতে অনিহা প্রকাশ করেন।

সাউথখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোজাম্মেল হোসেন জানান, তার ইউনিয়নে জেলে রয়েছে ১৪৪০ জন অথচ বরাদ্দ পাওয়া গেছে মাত্র ১১০ জনের। এখন এ চাল আমি কিভাবে বিতরন করবো। একই অবস্থা রায়েন্দা ইনিয়নে ১২০০ জেলের মধ্যে চাল এসেছে ১১০ জনের, খোন্তাকাটায় ৯০০ জেলের মধ্যে ১০৪ জন এবং ধানসাগরে ৫৮০ জনের মধ্যে মাত্র ৫০ জন জেলের চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এনিয়ে তারা এখন বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন বলে তারা জানান।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, শরণখোলায় মোট জেলের সংখ্যা ৬৭৪৪ জন। এরমধ্যে সমুদ্রগামী জেলে হচ্ছে চার হাজার। ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধের জন্য প্রতি জেলে ৮৬ কেজি করে চাল পাবেন। সে হিসাবে মাত্র ৩৭৪ জন জেলের চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে এখানে আমার কিছু করার নেই।
বাংলাদেশ ফিসিং ট্রলার মালিক সমিতির সহ-সভাপতি এম সাইফুল ইসলাম খোকন বলেন,

বঙ্গোপসাগরে আমাদের নিষেধাজ্ঞার সময় ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের জনসীমানায় প্রবেশ করে অবাধে মাছ ধরে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমাদের জেলেরা আর মাছ পায় না। যে কারনে গত বছর আমার ৫০ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। আমার মত এই মৎস্য সম্পদের নির্ভরশীল বহু ব্যবসায়ী লোকসানে পরে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। তাই ৬৫ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশ ও ভারতের একই সময় দেওয়ার দাবী তার।

শরণখোলা উপজেলা ফিসিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ আবুল হোসেন জানান, বাংলাদেশে নিষেধাজ্ঞার সময় আমাদের জেলেরা না খেয়ে থাকে আর ভরতীয় জেলেরা মাছ ধরে নিয়ে যায়। আমরা তা দেখলেও কিছু করার নেই।

শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুর ই আলম সিদ্দিকী বলেন, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ খুবই কম পাওয়া গেছে। তবে সব জেলেরা যাতে পায় সেজন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পত্র দেয়া হবে।এব্যপারে কোষ্টগার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন কমান্ডার (নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক) বলেন, বিষয়টি আমাদের নলেজে রয়েছে।

দুই একটি ট্রলার হয়তো ডুকতে পারে। তবে আমরা সব সময় সচেষ্ট থাকি যাতে ভারতীয় জেলেরা আমাদের সাীমানায় প্রবেশ করে মাছ ধরতে না পারে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102