শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চালের বস্তায় নিষিদ্ধ পলিব্যাগের ব্যাবহার ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ব্যবসায়ীকে ৩০হাজার টাকা জরিমানা মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশন পুশ করায় রোগীর শরীরে জ্বালাযন্ত্রনা ফার্মেসী সিলগালা:পলাতক গ্রাম্য চিকিৎসক বাংলাদেশকে জানতে হলে আগে বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে ….এমপি মিলন সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে মোংলায় বিক্ষোভ মিছিল সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর নদীর পাড়ে শাড়ি পরে দুর্দান্ত ড্যান্স দিলো সুন্দরী যুবতী যুদ্ধের ধ্বংসস্তুপের উপর দাঁড়িয়েও বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি কাঠামো দাঁড় করিয়েছেন – মোস্তাফা জব্বার – টেক শহর বিশ্বকাপে পর্তুগালকে ফেবারিট মানছেন আর্জেন্টাইন তারকা – স্পোর্টস প্রতিদিন বিশ্ববাজারে আবারও কমল জ্বালানি তেলের দাম গর্তে লুকিয়ে থাকা ইঁদুরটি দেখলো চাষী ও তার স্ত্রী দুজনে মিলে

শরণখোলায় থেকে হতদ্ররিদ্রদের ৩৪ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ টাকা ফেরৎ যাচ্ছে!

  • আপডেট সময় শনিবার, ১১ জুন, ২০২২

সুন্দরবন ডেক্স: বাগেরহাটের শরণখোলায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ করাতে না পারায় হতদ্ররিদ্রদের ৩৪ লক্ষাধিক টাকা ফেরৎ যাচ্ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে বিলম্বে বরাদ্দ আসার কারনে এ অস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে, শরণখোলায় গত ৫ মে ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) প্রকল্পের ২য় পর্যায়ের ৭২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা বরাদ্দ আসে। উপজেলার চারটি ইউনিয়নের ৪৫৩ জন হতদরিদ্র ব্যক্তি দৈনিক চারশত টাকা মজুরিতে গত ১০ মে থেকে ৮ জুন পর্যন্ত কাজ করেন। সরকারি ছুটি বাদে তারা ২১ দিনের বিল পাবেন।

কিন্তু কাজের মেয়াদ ৬ জুন শেষ হয়ে যাওয়ায় বাকি ১৯ দিন কাজ করতে পারছেন না তারা। যার কারনে তাদের অনুকুলে বরাদ্দ আসা ৩৪ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ টাকা ফেরৎ পাঠানো হচ্ছে।

এব্যাপারে শরণখোলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল আলিম জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে আমাদের এখানে বিলম্বে বরাদ্দ আসে। এছাড়া ৮জুনের মধ্যে কাজ শেষ করে বিল না পাঠালে শ্রমিকরা টাকা পাবে নাই। তাই ১৯ দিন কাজ করানো যাচ্ছে না বলে ৩৪ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ টাকা ফেরৎ পাঠাতে হচ্ছে।

উপজেলার খাদা গ্রামের খলিল হাওলাদার, জাফর হাওলাদার, লাল মিয়া জোমাদ্দর জানান, এমনিতেই এ মৌসুমে এলাকায় কোন কাজ নেই। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি। ৪০ দিন কাজ করতে পারলে কোনমতে চলা যেত। কিন্তু আমাদের টাকা ফেরৎ যাচ্ছে শুনে হতাশ হয়ে পড়ছেন তারা।

সাউথখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোজাম্মেল হোসেন জানান, তার এলাকায় খেটে খাওয়া মানুষের সংখ্যা বেশী। বর্তমানে সুন্দরবন ও সাগরে মাছ ধরা বন্ধ। এ অবস্থায় ৪০দিন কাজ করতে পারলে হতদরিদ্রদের অনেক উপকার হতো। খোন্তাকাটা ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন বলেন,

বর্তমান সময়ে এলাকার মানুষের হাতে কাজ নেই। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে এক মাস আগে বরাদ্দ আসলে এই মুহুর্তে আমাদের দরিদ্র মানুষগুলোর টাকা ফেরৎ দিতে হতো না। শরনখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুর ই আলম সিদ্দিকী জানান, বিষয়টি খোজ খবর নিয়ে দেখা হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102