শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বাজার বেসামাল: খুলনায় দিশাহারা মানুষ নিউইয়র্কে বক্তৃতাকালে সালমান রুশদির ওপর ছুরি হামলা টিকিট বিক্রির রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বার্সালোনা – স্পোর্টস প্রতিদিন শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের প্রকল্পটি বাস্তবায়নের শেষ ধাপে – মোস্তাফা জব্বার – টেক শহর ডিম, মুরগি ও বাচ্চার আজকের (১২ আগস্ট) বাজারদর | Adhunik Krishi Khamar স্কুল ড্রেস পরে দুর্দান্ত ড্যান্স দিয়ে তাক লাগালো এই ছাত্রী ছাগলের বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের চাহিদা | Adhunik Krishi Khamar অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষ বেহেস্তে আছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী একাধিক নারীর সঙ্গে প্রেম, কথা কাটাকাটিতেই হত্যা নথির খোঁজে ট্রাম্পের বাসায় এফবিআইয়ের তল্লাশি

স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সরকারের ১৪ সিদ্ধান্ত – টেক শহর

  • আপডেট সময় রবিবার, ১২ জুন, ২০২২
স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সরকারের ১৪ সিদ্ধান্ত - টেক শহর

প্রতীকী ছবি।

আল-আমীন দেওয়ান : সরকারের পরবর্তী ভিশন ‘স্মার্ট বাংলাদেশ-২০৪১’ বাস্তবায়নে ১৪টি কর্ম-পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আর এসব সিদ্ধান্ত এসেছে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্স’-এর তৃতীয় সভা হতে । এতে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যেখানে ডিজিটাল বাংলাদেশের পর ভবিষ্যত বাংলাদেশের রূপরেখা দেন প্রধানমন্ত্রী।

ইতোমধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে ১৪টি সিদ্ধান্তসহ সভার কার্যপত্রে স্বাক্ষর করেছেন প্রধানমন্ত্রী। 

Techshohor Youtube

ওই সভায় ‘স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন-২০৪১ উপস্থাপন করেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। যেখানে তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ ২০২১ ‍রূপকল্পের আওতায় যেমন ডিজিটাল শিক্ষা, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা, ডিজিটাল কৃষি ইত্যাদির বাস্তাবায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে তেমনি ‘স্মার্ট বাংলাদেশ-২০৪১’ এর আওতায় প্রধান অঙ্গ হবে স্মার্ট শিক্ষা, স্মার্ট স্বাস্থ্যসেবা, স্মার্ট কৃষি , স্মার্ট বাণিজ্য, স্মার্ট পরিবহন ইত্যাদি।

পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনার পর স্মার্ট বাংলাদেশ-২০৪১ বাস্তবায়নে এই সিদ্ধান্তগুলো নেয়া হয় :

বাংলাদেশকে একটি জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি এবং উদ্ভাবনী জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠায় স্মার্ট বাংলাদেশ-২০৪১ ভিশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই ‘স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স’ গঠিত হবে। এটি বাস্তবায়ন করবে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ।

অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল সমাজ গড়ে তোলা এবং পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূল ধারায় নিয়ে আসতে ডিজিটাল ইনক্লুশন ফর ভারনারেবল এক্সেপশন (ডাইভ) উদ্যোগের আওতায় আত্মকর্মসংস্থানভিত্তিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ। বাস্তবায়নের দায়িত্ব তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের।

শিক্ষার্থীদের অনলাইন কার্যক্রম নিশ্চিতে ‘ওয়ান স্টুডেন্ট, ওয়ান ল্যাপটপ, ওয়ান ড্রিম’ এর আওতায় শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ সহায়তা কার্যক্রম অব্যহত রাখা। যা বাস্তবায়ন করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ।

স্মার্ট ও সবত্র বিরাজমান সরকার গড়ে তুলেতে ডিজিটাল লিডারশিপ অ্যাকাডেমি স্থাপন। বাস্তবায়ন করবে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ।

ক্ষুদ্র, কুটির, ছোট, মাঝারি ব্যবসাগুলোর জিডিপিতে অবদান বাড়াতে এন্টারপ্রাইজভিত্তিক ব্যবসাগুলোকে বিনিয়োগ উপযোগী স্টার্টআপ হিসেবে প্রস্তুত করা। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে রয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও তথ্যপ্রযুক্ত বিভাগ।

অন্টারনেটিভ স্কুল ফর স্টার্টআপ এডুকেটরস অব টুমোরো (এসেট) প্রতিষ্ঠা। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এটি বাস্তবায়ন করবে।

বাংলাদেশ নলেজ ডেভেলপমেন্ট পার্ক নির্মাণ ও পরিচালনা। এটি বাস্তবায়নে থাকছে হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ।

সেন্টার ফর লার্নিং ইনোভেশন অ্যান্ড ক্রিয়েশন অব নলেজ (ক্লিক) স্থাপন। বাস্তবায়নে থাকছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল।

এজেন্সি ফর নলেজ অন অ্যারোনটিক্যাল অ্যান্ড স্পেস হরাইজন (আকাশ) প্রতিষ্ঠা। বাস্তবায়নে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ।

সেলফ অ্যামপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড এন্টরপ্রেইনরশিপ ডেভেলপমেন্ট (সিড) প্লাটফর্ম স্থাপন। এটি বাস্তবায়ন করবে হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ।

কটেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড লিংকেজ ল্যাব (সেল) স্থাপন। তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তর এটি বাস্তবায়ন করবে।

সার্ভিস এগ্রিগ্রেটর ট্রেইনিং (স্যাট) মডেলে সরকারি সেবা ও অবকাঠামো নির্ভর উদ্যোক্তা তৈরি করা। বাস্তবায়নে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ।

সকল ডিজিটাল সেবাকে কেন্দ্রিয়ভাবে সমন্বিত ক্লাউডে নিয়ে আসা। এটি বাস্তবায়নে থাকবে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ।

ডেটা নিরাপত্তা আইন, ডিজিটাল সার্ভিস আইন, শেখ হাসিনা ইন্সটিটিউট অব ফন্ট্রিয়ার টেকনোলজি (শিফট) আইন, ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনিওরশিপ অ্যাকাডেমি (আইডিয়া ) আইন, এজেন্সি ফর নলেজ অন অ্যারোনটিক্যাল অ্যান্ড স্পেস হরাইজন (আকাশ) আইন, ডিজিটাল লিডারশিপ অ্যাকাডেমি আইন ও জাতীয় স্টার্টআপ পলিসি প্রণয়ন। এ বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করবে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ।

এরআগে এই ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের’ তৃতীয় সভার বিষয়ে জুনাইদ আহমেদ পলক টেকশহর ডটকমকে জানিয়েছিলেন, ‘গত ২০ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় স্মার্ট বাংলাদেশের একটি কৌশলপত্র বা রূপরেখা তৈরি করতে বলেছিলেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের বৈঠকে ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টার পরামর্শ এবং নির্দেশনায় স্মার্ট বাংলাদেশের কনসেপ্ট পেপারটা উপস্থাপন করা হয়েছে। যা প্রধানমন্ত্রী পছন্দ করেছেন।’




Source by [author_name]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102