শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বাজার বেসামাল: খুলনায় দিশাহারা মানুষ ধর্ষণের অভিযোগে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র গ্রেফতার নিউইয়র্কে বক্তৃতাকালে সালমান রুশদির ওপর ছুরি হামলা টিকিট বিক্রির রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বার্সালোনা – স্পোর্টস প্রতিদিন শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের প্রকল্পটি বাস্তবায়নের শেষ ধাপে – মোস্তাফা জব্বার – টেক শহর ডিম, মুরগি ও বাচ্চার আজকের (১২ আগস্ট) বাজারদর | Adhunik Krishi Khamar স্কুল ড্রেস পরে দুর্দান্ত ড্যান্স দিয়ে তাক লাগালো এই ছাত্রী ছাগলের বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের চাহিদা | Adhunik Krishi Khamar অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষ বেহেস্তে আছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী একাধিক নারীর সঙ্গে প্রেম, কথা কাটাকাটিতেই হত্যা

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গ্রীষ্মকালীন সবজির বাম্পার ফল! | Adhunik Krishi Khamar

  • আপডেট সময় রবিবার, ১৯ জুন, ২০২২
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গ্রীষ্মকালীন সবজির বাম্পার ফল!

ফাইল ছবি


মাগুরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলায় গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষে সফল চাষিরা। বাজারে সরবরাহ ভালো থাকার পাশাপাশি ভালো দাম পেয়ে খুশি চাষিরা। তাছাড়া জেলার উৎপাদিত গ্রীস্মকালীন সবজি যাচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায়।

জানা যায়, চলতি মৌসুমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলা- মাগুরা, যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে ৪৯ হাজার ৯৬৬ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩২ মেট্রিক টন।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে খুচরা বাজারে ১ কেজি বেগুন ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, ধুন্দল প্রতিকেজি ২৫ টাকা, লাল শাক ও সবুজ শাক প্রতিকেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি শিম প্রতিকেজি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ঝিঙ্গে প্রতিকেজি ৪০ টাকা, উচ্ছে প্রতিকেজি ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতিকেজি ৪০ টাকা, ক্ষিরে প্রতিকেজি ৪০ টাকা, পটল প্রতিকেজি ৫০টাকা, কচু সাইজভেদে ২০ থেকে ২০ টাকা, ডাটা প্রতি আটি ২০ টাকা এবং লাউ সাইজভেদে ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাগুরার লক্ষীকান্দরের সবজি চাষি বলেন, বিঘা প্রতি জমিতে বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষে আমাদের খরচ হয় ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকার মতো। ১ বিঘা জমিতে কমপক্ষে ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকার সবজি বিক্রি করতে পারছি।

সবজি চাষি আলম বলেন, গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষে আমাদে খরচ কম হয়। কিন্তু গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষে ঝুঁকিপূর্ণ। তারপরও সকল খরচ বাদ দিয়ে ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকা আয় হয়।

সবজি ব্যবসায়ীরা বলেন, আমাদের এলাকার গ্রীষ্মকালীন সবজির রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকার পাঠানো হয়। তাছাড়া এ অঞ্চলের সবজির চাহিদা রয়েছে। চাহিদার ভালো থাকায় ভালো টাকা ব্যবসা হয় আমাদের।

মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর বলেন, মাগুরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলার জমি সবজি উৎপাদনের জন্য উর্বর। এখানকার উৎপাদিত সবজির চাহিদা সর্বত্র রয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন সবজির বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে তারা জানান।



Source by [সুন্দরবন]]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ এই ক্যাটাগরি

Recent Posts

সুন্দরবন টোয়েন্টিফোর ডট কম, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - ২০১৯-২০২২
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102