বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ১১:০৫ অপরাহ্ন

শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের দায়িত্বও রাষ্ট্রকেই নিতে হবে – মোস্তাফা জব্বার – টেক শহর

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ জুন, ২০২২
শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের দায়িত্বও রাষ্ট্রকেই নিতে হবে - মোস্তাফা জব্বার - টেক শহর

টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, শিক্ষা মৌলিক অধিকার এবং এটি প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। ডিজিটাল যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের দায়িত্বও রাষ্ট্রকেই নিতে হবে। শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরে ডিজিটাল সংযোগ ও মানসম্মত কনটেন্ট অপরিহার্য। ডিজিটাল কনটেন্ট মানে পাঠ্যসূচির পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করা নয়, কনটেন্ট অবশ্যই মানসম্মত হতে হবে। প্রচলিত শিক্ষা শ্রেণিকক্ষ থেকে ডিজিটাল রূপান্তরের কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক বলা ।

মন্ত্রী মঙ্গলবার ঢাকায় হোটেল সোনারগাঁয়ে বিটিআরসি, এটুআই এবং এলায়েন্স ফর এফোর্ডেবল ইন্টারনেটের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কানেক্টিভিটি ফর এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন্স ফর ব্লেন্ডেড এডুকেশন বাংলাদেশ ব্রডব্যান্ড পলিসি ২০২০ শীর্ষক দিনব্যাপি কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী ডিজিটাল সংযোগ স্থাপনের মহাসড়ক তৈরিতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিযে আসার আহ্বান জানান। তিনি ফাইভ-জি প্রযুক্তি সম্প্রসারণে মোবাইল অপারেটরসমূহ যাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে সে জন্য বিটিআরসিকে উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দেন।

Techshohor Youtube

বিটিআরসি‘র চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো: আবু বকর সিদ্দিক, এটুআই-এর সিনিয়র পলিসি এডভাইসার আনীর চৌধুরী এবং এলায়েন্স ফর এফোর্ডেবল ইন্টারনেটের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান অঞ্জু মঙ্গল ব্ক্তৃতা করেন।

মন্ত্রী তৃণমূল থেকে শুরু করে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দ্রুতগতির ইন্টারনেটের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ডিজিটাল শিক্ষার জন্য শিক্ষকদেরও ডিজিটাল উপযোগী দক্ষতা প্রদান করতে হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ডিজিটাল শিক্ষা প্রদানের উপযোগী করতে না পারলে শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তর বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। ডিজিটাল শিক্ষা ছাড়া ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ হবে না।

মোস্তাফা জব্বার বলেন , ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর জন্য ডিজিটাল সংযুক্তির মহাসড়ক তৈরি করে দিবে। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে তার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিতে হবে তবে আমরা কারিগরি দিকটি দেখবো বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। মন্ত্রী করোনাকালে ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষা প্রদানের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে বলেন, টেলিভিশনের মাধ‌্যমে যে পাঠদান দেয়া হয় তা ওয়ানওয়ে। এ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষকদের কাছে প্রশ্ন করার সুযোগ থাকে না। দেশে মিশ্র শিক্ষা প্রচলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশেষ করে শিক্ষা মন্ত্রীর ভূমিকার প্রশংসা করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী।

তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা‘র গৃহীত কর্মসূচিকে সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমরা দেশের প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইভার সংযোগ স্থাপন ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করেছি। দেশের দুর্গম অঞ্চলে অপটিক্যাল ফাইভার নেটওয়ার্ক স্থাপন সম্ভব না হওয়ায় আমরা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -১ এর মাধ্যমে দুর্গম অঞ্চলে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করছি।

বিটিআরসি‘র চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী বিশেষ করে নারী ও প্রতিবন্ধীসহ সকলের জন্য উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্রডব্যান্ড নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি ফাইভ-জি প্রযুক্তি সম্প্রসারণে মোবাইল অপারেটরসমূহ যাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে এ বিষয়ক মাননীয় মন্ত্রীর নির্দেশ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে বলে আশ্বস্ত করে বলেন এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ফাইভ জি সম্প্রসারণ শুরু হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ আবু বকর সিদ্দিক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি, ডিজিটাল সংযোগ স্থাপনসহ শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিটিআরসি‘র মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ। এলায়েন্স ফর এফোর্ডেবল ইন্টারনেটের ন্যাশনাল কোঅর্ডিনেটর শহিদ উদ্দিন আকবর অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

সুত্র – প্রেস বিজ্ঞপ্তি




Source by [author_name]

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Recent Posts

© 2022 sundarbon24.com|| All rights reserved.
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102