মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শরণখোলায় নগ্ন ভিডিও ধারণ করে স্ত্রীকে বর্বর নির্যাতন করে ইয়াসিন! কোষ্টগার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ আটক-৪ পুড়েছে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, একটি বসতঘর শরণখোলায় অগ্নিকান্ডে ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি শরণখোলায় সম্মিলিত সম্প্রীতি উদ্যোগের সভা অনুষ্ঠিত ‘জয়িতা’ শত বাধা পেরিয়ে শরণখোলার তিন নারীর সফলতার গল্প! রামপালে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওশান সরদারের জন্মদিন পালন খুলনার মেধাবী মীম এর পাশে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় মোরেলগঞ্জের পিআইও অফিসে পাঁচ দফা দাবীতে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন শরণখোলা উপজেলা স্কাউটসের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত বঙ্গোপসাগর উত্তাল, নিরাপদ আশ্রয়ে শত শত ট্রলার!

সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০২২
  • ১ Time View
সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

সেই কলেজশিক্ষিকার মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী আদালতে
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট

Sundabon Academy

নাটোরে কলেজশিক্ষিকা খায়রুন নাহারের মৃত্যুর ঘটনায় আটক স্বামী কলেজছাত্র মামুন হোসেনকে আদালতে তোলা হয়েছে।
সোমবার বিকেল ৫টার দিকে তাকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোসলেম উদ্দীনের আদালতে তোলা হয়। এর আগে মামুনকে ৫৪ ধারায় আটক দেখানো হয়।
ধফাবৎঃরংবসবহঃ

এদিকে রোববার এশার নামাজের আগে বাবার বাড়ি এলাকায় আবু বকর সিদ্দিকী কওমি মাদ্রাসা মাঠে জানাজা শেষে খামার নাচকৈড় কবরস্থানে খায়রুন নাহারকে দাফন করা হয়।

এর আগে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক (আরএমও) সামিউল ইসলাম শান্ত জানিয়েছিলেন, শিক্ষক খায়রুন নাহারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। মরদেহে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। শ্বাসরোধ হওয়ার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। তারপরও ভিসেরা রিপোর্ট এলে আরও বিস্তারিত জানা যাবে। বিষয়টি নিয়ে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে ময়নাতদন্ত করা হয়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসিম আহম্মেদ জানান, খাইরুন নাহারের মৃত্যুর ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী মামুন হোসেনকে আটক করা হয়। পরে তাকে কোর্ট হাজতে রাখা হয়। বিকেলে তাকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোসলেম উদ্দীনের আদালতে তোলা হয়।

ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ২০২১ সালের ২৪ জুন তাদের প্রথম পরিচয়। তারপর গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। তারপর ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।

শোক দিবসে সংঘর্ষ, ছাত্রলীগ কর্মীদের পেটাল পুলিশ
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট
বরগুনায় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে বরগুনা জেলা শিল্পকলা একাডেমির সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষের ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যায়, সংঘর্ষের একপর্যায়ে ছাত্রলীগের একটি পক্ষ বরগুনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি ভবনের ভেতরে ঢুকে যায়। এ সময় পুলিশ সেখানে ভবনে ঢুকে ছাত্রলীগ কর্মীদের পিটিয়ে বের বের করে দেয়। দৌড়ে বের হওয়ার সময় একাডেমির সড়কে লাঠি নিয়ে দাঁড়িয়ে পুলিশ সদস্যরাও তাদের পেটাতে থাকে। পিটুনি খেয়ে অনেকে সড়কে পড়ে যান। সেখানেও তাদের পেটাতে থাকে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, সকালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে জেলা আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা জেলা শিল্পকলা একাডেমির আলোচনা সভায় যোগ দেন। সভাপতি পদবঞ্চিত জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সবুজ মোল্লাসহ সমর্থকরা ওই সভায় যান। বেলা ১১টার দিকে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রেজাউল কবির রেজা নেতাকর্মীদের নিয়ে শিল্পকলায় আসলে দুই পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়।

এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা করে। পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। এ সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে বরগুনা নদী বন্দরের একটি কক্ষ থেকে কিছু দেশিয় অস্ত্র উদ্ধার করে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম তারেক রহমান বলেন, শিল্পকলা একাডেমির সামনে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে পুলিশ গিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় একটি গ্রুপ শিল্পকলা একাডেমির ভিতরে ঢুকে পড়ে। শিল্পকলা একাডেমির দ্বিতীয় তলা থেকে পুলিশের গাড়িতে ইট ছুড়ে মারলে বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রেজাউল কবির রেজা জানান, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শিল্পকলায় প্রবেশের সময় ছাদ থেকে তাদের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে অজ্ঞাতরা। তাদের ইট-পাটকেলে পুলিশের একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নদীবন্দর থেকে দেশিয় অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, ছাত্রলীগের কোনো নেতাকর্মী নদীবন্দরে যায়নি। আর উদ্ধার হওয়া দেশিয় অস্ত্র ছাত্রলীগের নয়।

সভাপতি পদবঞ্চিত জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সবুজ মোল্লার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলেও তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে এড়িয়ে যান।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ আট বছর পর গত ১৭ জুলাই বরগুনা শহরের সিরাজ উদ্দীন টাউন হল মিলানায়তনে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২৪ জুলাই রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির অনুমোদন দেন। এতে জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৩৩ সদস্যের নাম প্রকাশ করা হয়। এরপর থেকেই সদ্য ঘোষিত এ কমিটি প্রত্যাখ্যান করে বরগুনা শহরে পদবঞ্চিতরা।

খুলনায় অস্ত্রসহ যুবক আটক
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় ওয়ান শুটারগানসহ রাজু শেখ (৩২) নামে এক যুবককে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। রোববার গভীর রাতে জেলার তেরখাদা উপজেলার দক্ষিণপাড়া নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

র্যাব-৬ এর স্পেশাল কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সরোয়ার হুসাইন জানান, রাজু শেখের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র আইনসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে তেরখাদা থানায় হস্তান্তর ও তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

খানজাহান আলী থানার বিভিন্ন এলাকায় শোক দিবস পালন
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
“জাতীয় শোক দিবস” পালন উপলক্ষে ৩৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ওয়ার্ডের সকল মসজিদে বাদ জোহর দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেলা ২ টায় গাফফারফুড মোড়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শের উপর আলোচনা ও ১৫ আগষ্ট নিহত সকল শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ ও রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।৩৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ¦ খান হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি বেগ লিয়াকত আলী, প্রধান বক্তা ছিলেন খানজাহান আলী থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ আবিদ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শেখ আনিসুর রহমান। ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ আঃ হকের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন রিপন ফকির, কবির গাজী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্বারী আসহাব উদ্দিন, শেখ আমিরুল ইসলাম , আশুতোষ বিশ^াস, আলী আকবার খান, মহাসিন মোল্লা, আরিফুল ইসলাম (তুহিন) ,সাইফুদ্দিন ডলার , হান্নান গাজী প্রমুখ।
।।মাদরাসা মারকাজুল মুসলিমিন ।।
মাদরসা মারকাজুল মুসলিমিন শিরোমণি শাখার উদ্যোগে “জাতীয় শোক দিবস” পালন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শের উপর আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠান গতকাল সকাল ১১ টায় মাদ্রাসা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসার পরিচালক মুফতি রিয়াজ উদ্দিন খান এর সভাপতিত্বে ও মাদ্রাসার শিক্ষক আবু হুরাইরার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিরোমনি বাজার জামে মসজিদের খতিব মুফতি আব্দুল জব্বার আজমী। বিশেষ অতিথি ছিলেন পিটিসি জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ আঃ শাকুর, কওমি উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর সদস্য মুফতি শিহাবউদ্দিন আহম্মেদ, মাওঃ আঃ কুদ্দুস, হাফেজ ইব্রাহিম খলিল, মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মাওলানা তানজিল ইসলাম, হাফেজ গোলাম মোস্তফা প্রমুখ। এ সময় মাদ্রাসার অভিভাবক সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। দোয়া অনুষ্ঠান শেষে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে উন্নতমানের খাবার বিতরন করা হয়।
।। ১নং আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন ।।
“জাতীয় শোক দিবস” পালন উপলক্ষে ১নং আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল গতকাল সকাল ১১ টায় ইউনিয়ন পরিষদ অডিটরিয়মে অনুষ্ঠিত হয়। ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শেখ মনিরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি বেগ লিয়াকত আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন খানজাহান আলী থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শেখ আনিছুর রহমান, খানজাহান আলী থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার স.ম রেজওয়ান আলী ও শিরোমনি বাজার বনিক সমিতির সভাপতি শেখ আকতার হোসেন। জেলা তাঁতীলীগের সদস্য সচিব কাজী আজাদুর রহমান হিরোকের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন শেখ ইবাদাত হোসেন , ওমর ফারুক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আজাদ হোসেন, হাবিবুর রহমান, আলেক শেখ, আবুল কালাম আজাদ, মোঃ বিপ্লব হোসেন, ইউপি সদস্য বক্তিয়ার পারভেজ, এস এম রাসেল, শাহানাজ আক্তার প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন শিরোমনি বাজার জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা আতাউর রহমান।
।। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।।
“জাতীয় শোক দিবস” পালন উপলক্ষে খানজাহান আলী থানা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর আয়োজনে গতকাল বিকাল ৫ টায় ফুলবাড়ীগেটস্থ নিজস্ব কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার স.ম. রেজওয়ান আলীর সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ মোল্লা মুজিবুর রহমান, আলেক শেখ, আঃ মান্নান, শেখ আঃ কুদ্দুস, মোঃ আজগার আকুজ্ঞী, মল্লিক মাহাতাব উদ্দিন প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন ক্বারী আসহাব উদ্দীন।
।। আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।।
“জাতীয় শোক দিবস” পালন উপলক্ষে ফুলবাড়ী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সকাল ১০ টায় বিদ্যালয়ের অডিটরিয়মে অনুষ্ঠিত হয় । বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাষ্টার মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যালয়ের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ মোল্লা মজিবর রহমান। সহকারি শিক্ষক তন্ময় মৃধার পরিচালনায় বক্তৃতা করেন চৈতন্য কুমার কুন্ডু, লায়লা কারিশমা, খন্দকার সাবিয়া সুলতানা , এস এম জুয়েল চৌধুরী, শারমিন ফারজানা, মোসাঃ লিপিয়া খাতুন, রঘুনাথ সরকার, শিক্ষার্থী আরজু আকতার মাবিয়া প্রমুখ।
।। আফিলগেটে র্যালী।।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আফিলগেট ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্যদান ও এক শোক র্যালী সকালে অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন আটরা গিলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শেখ মনিরুল ইসলাম, দুলাল চন্দ্র সরকার, ইউপি সদস্য বখতিয়ার পারভেজ, গোলাম জিলানী মুন, সাবেক ইউপি সদস্য হুমায়ুন কবির , মাহমুদ হাসান ,মনিরুজ্জামান বাবুল, আশরাফুল কবির তালাশ, রিপন খান, রোমান ফকির, রতন সোহেল ,কমল পাল, কাজি জাফর খান, শিমুল ,রিয়াজ উদ্দিন প্রমুখ।
।। লিন্ডা ক্লিনিকের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ।।
১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শিরোমণি লিন্ডা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্সে ডাঃ নুসরাত জাহান লিন্ডা’র পরিচালনায় দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয় । ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করেন ফুলতলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ শেখ আকরাম হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ডাঃ এন জাহান সাবিয়া, মোঃ জমিরুল ইসলাম, মো.ওহিদুর রহমান, স্বপন কুমার রায় , মর্জিনা বেগম, মিনু , রাবেয়া বেগম, পরিনিতা, মোঃ ইয়াসিন প্রমুখ।
।। শিরোমণি বাজার বনিক সমিতি।।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শিরোমনি বাজার বনিক সমিতির উদ্যোগে বাদ জোহর শিরোমণি বাজার জামে মসজিদে দোয়ার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাজার বনিক সমিতির সভাপতি আলহাজ¦ শেখ আকতার হোসেন, সাধারন সম্পাদক শেখ ওমর ফারুক হোসেন, জাকির হোসেন, কাজী আজাদুর রহমান হিরোক, আঃ হামিদ , বিপ্লব হোসেন, মোঃ জলিল, মোঃ আরিফুল ইসলাম সহ বনিক সমিতির সকল সদস্য বৃন্দ। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন শিরোমনি বাজার জামে মসজিদের খতিব মুফতি আঃ জব্বার আজমী।
।। মহিলা আওয়ামী লীগ।।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ৩৫ নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান আছরবাদ গিলাতলা গাজী মেছের আহম্মেদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আটরা গিলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শেখ মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক গাজী মোফাজ্জেল হোসেন, ইউপি সদস্য শাহনাজ পারভিন, গাজী আশরাফ হোসেন, আজিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, গাজী আবুল কালাম আজাদ, গাজী নাজির হোসেন,গাজী রিপন হোসেন, মাহমুদা সুলতানা, রিনা, রুনা, লিমন,আসমা, আমেনা প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন ইউপি সদস্য হাফেজ গোলাম মোস্তাফা।
।। ৩৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আফিলগেট ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের উদ্যোগে সকাল ৮টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্যদান এবং আছরবাদ দোয়ার অনুষ্ঠন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি বেগ লিয়াকত আলী । খানজাহান আলী থানা সভাপতি শেখ আবিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিসুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী জাফর, সরদার আব্দুল হামিদ, সৈয়দ কিসমত আলী, মুন্সি মনিরুজ্জামান মুকুল, খম লিয়াকত আলী, ইকবাল হোসেন, কাজী জাকারিয়া রিপন, মোড়ল হাবিবুর রহমান, রেজওয়ান আকুঞ্জী রাজা, মনিরুল ইসলাম ছোট, ইমদাদুল হোসেন প্রমুখ। দোয়া পরিচাণা করেন আফিলগেট জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাও. আব্দুলাহ।

হাজারো নেতাকর্মির অশ্রুসিক্ত ভালোবাসায় কালীগঞ্জের বিএনপি নেতা আয়নাল হাসানের শেষ বিদায় অনুষ্ঠিত
সাবজাল হোসেন,বিশেষ প্রতিনিধি ॥
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ থানা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক আয়নাল হাসানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তিনি রোববার দুপুর দেড়টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের আড়পাড়াস্থ নিজ বাসভবনে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। সোমবার সকাল ৯ টায় কালীগঞ্জ শহরের আড়পাড়া জঙ্গিশাহ দরগায় প্রথম ও বেলা ১১ টায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তার জন্মস্থান ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের ছোট ঘিঘাটি গ্রামে মরহুমের পারিবারিক কবরাস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।
মরহুমের নামাজে জানাজায়, ধর্মপ্রান মুসল্লী,দলীয় নেতাকর্মি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। দাফন শেষে জেলা ও স্থানীয় বিএনপি’র পক্ষ থেকে মরহুমকে ফুলেল বিদায় জানানো হয়।
এ সময় জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রিয় খুলনা বিভাগীয় সাংগাঠনিক সম্পাদক অনিন্দ ইসলাম অমিত বলেন, মরহুম আয়নাল হাসান দলের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ছিলেন দুর্দিনের নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ দেশের সকল গনতান্ত্রিক আন্দোলনে আগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার দেশোত্ববোধ ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সব সময় নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। তাইতো আয়নাল হাসানকে অনেকবার কারাবরন করতে হয়েছে। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির সভাপতি এম এ মজিদ, সাধারন সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, কেন্দ্রিয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক আলহাজ¦ মাহাবুবার রহমান, যুগ্ম আহবায়ক তবিবুর রহমান মিনি, শহিদুল ইসলাম, হামিদুল ইসলাম হামিদ ,ইলিয়াস রহমান মিঠু, হারুর অর রশিদসহ ঝিনাইদহ জেলা ও কালীগঞ্জ থানা বিএনপি ও তার অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও হাজার হাজার নেতাকর্মি ভক্ত উপস্থিত হয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
রাজনৈতিক জীবনে মরহুম আয়নাল হাসান অত্যন্ত সদালাপি একজন নেতা ছিলেন। বিএনপি’র প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে নেতৃত্ব প্রদান করেছেন। রাজনৈতিক জীবনে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে তিনি ১৯৮৪ সালে প্রথম ও ১৯৯২ সালে দ্বিতীয় বারের মত কালীগঞ্জ উপজেলার ৬নং ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
মরহুম আয়নাল হাসান নেতৃত্ব প্রদানের জন্য প্রায় সর্ব মহলে কালীগঞ্জে আয়নাল গুরু নামে অধিক পরিচিত ছিলেন। তিনি রাজনৈতিক জীবনে অনেক ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত শহীদ জিয়ার আদর্শকে আকড়িয়ে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন। মরহুম আয়নাল হাসান দলটির দুর্দিনের নেতা হওয়ায় তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কেন্দ্রিয় নেতৃবৃন্দের কাছেও তিনি পরিচিত মুখ ছিলেন।

কয়রায় সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু
বঙ্গবন্ধু “১টি তর্জনী, ১টি মানচিত্র, ১টি বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু বিশ্বের অহংকার”
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনার কয়রায় হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উদযাপিত হয়েছে। ১৫ আগস্ট (সোমবার) কয়রায় উপকূল বন্ধুখ্যাত খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের এমপি আলহাজ্ব মো: আখতারুজ্জামান বাবু’র দিক-নির্দেশনায় ও সরব উপস্থিতে দিনব্যাপী কোরআন তেলাওয়াত,বঙ্গবন্ধু’র ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার,বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ,কালো ব্যাজ ধারণ, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা, মোনাজাত ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে এমপি বাবু দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।উপজেলা প্রশাসন ও আওয়ামীলীগ জাতীয় শোক দিবসে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে। সকাল সাড়ে ৮টায় বঙ্গবন্ধু’র প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এমপি আলহাজ্ব মো: আখতারুজ্জামান বাবু। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, কয়রা রিপোটার্স ইউনিটি, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রী সহ সর্বস্তরের মানুষ জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদের হল রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।কয়রা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠন উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ডের দলীয় কার্যালয়ে শোক দিবসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত, দলীয় এবং কালো পতাকা উত্তোলন করেন।দুপুরে কয়রা সুন্দরবন বালিকা বিদ্যালয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম মোহসিন রেজার সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নিশীত রঞ্জন মিস্ত্রীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। শোক সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন এমপি আলহাজ্ব মো: আক্তারুজ্জামান বাবু। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু বলেন, বাংলার মহানায়ক শহীদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব, শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু রাসেল সহ নিহত বঙ্গবন্ধু পরিবারের অন্য সদস্য, নিকটাত্মীয় ও নিরাপত্তা দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত এবং শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।তিনি বক্তব্যে বলেন, বেদনাবিধূর জাতীয় শোকের দিনে অর্ধনমিত জাতির পিতার সোনার বাংলার পতাকা। বেদনাসক্ত আমাদের হৃদয়। বঙ্গবন্ধু জন্মেছিলো বলে আমরা স্বাধীন সোনার বাংলা পেয়েছি। দুর্দশাগ্রস্থ বাঙালি জাতিকে পরাধীনতার গানি মুছে দিতে একটা তর্জনী, একটা মানচিত্র, একটা বাংলাদেশ উপহার দিলেন জাতির অহংকার এবং জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মহাপুরুষ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা পেয়েছি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ, পেয়েছি লাল-সবুজে মহিমান্বিত পতাকা। পাকিস্তানের দোসর ও বিপথগামী নরপশুরা মনে করেছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেই সব শেষ। কিন্তু তারা জানে না,”১টি তর্জনী, ১টি মানচিত্র, ১টি বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু বিশ্বের অহংকার” বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ। শোক দিবসে জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারকে হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও সাবেক জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. কেরামত আলী, জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মাহবুব আলম, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীগের সহ -সভাপতি মাস্টার কফিল উদ্দিন, খগেন্দ্রনাথ মন্ডল, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাফরুল ইসলাম পাড়, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. মোশাররফ হোসেন, যুবলীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এস এম শফিকুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাড. কমলেশ কুমার সানা, জেলা যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবু, আওয়ামীলীগ নেতা ফজর আলী, এস এম জিয়াদ আলি, মাস্টার খয়রুল আলম, নির্মল কুমার দাষ, শ্রমিকলীগ নেতা আব্দুল হালিম, আমিরুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু,এ্যাড. আরাফাত হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজি, সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, জিয়াউর রহমান জুয়েল, শাহ নেওয়াজ শিকারী, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইমদাদুল হক টিটু, মেজবাহ উদ্দিন মাছুম, ইখতিয়ার উদ্দিন হিরো, কয়রা ছাত্রলীগ সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকু, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক বাদল, সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম,স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জি এম আব্দুর রকিব,জেড এম হুমায়ুন কবির, নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে কেসিআরএ’র শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেছেন খুলনা ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (কেসিআরএ) নেতৃবৃন্দ। এসময় নেতৃবৃন্দ ’৭৫ এর ১৫ আগস্টে নিহত বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন এসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আহমদ মুসা রঞ্জু, কোষাধ্যক্ষ কামরুল হোসেন মনি, দপ্তর সম্পাদক জয়নাল ফরাজী, কার্যনির্বাহী সদস্য সোহাগ দেওয়ান, সাংবাদিক আওয়াল শেখসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

“জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে”
বাগেরহাটের শিকদার বাড়ীতে ১৫শ’ পরিবারের মাঝে বস্ত্র বিতরণ
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাট সদর উপজেলা খাঁনপুর ইউনিয়নের হাকিমপুর শিকদার বাড়ীতে ১৫ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদৎ বার্ষিকী পালন উপলক্ষে ১৫শ’ গরীব অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে বস্ত্র স্বরুপ শাড়ী ও লুঙ্গি বিতরন করা হয়েছে। সোমবার সকালে শিকদার বাড়ীর দুর্গা মন্দির চত্তরে জাতীয় শোক দিবসের এক অনুষ্ঠানে বাগেরহাটের কৃর্তি সন্তান ও বিশিষ্ট শিল্পপতি লিটন শিকদার এর সহধর্মিনী এবং এলপি ফ্যাশানের (সিও) চেয়ারম্যান পূজা শিকদার এর পক্ষ হতে এই বস্ত্র বিতরন করা হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চুলকাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি ইন্সপেক্টর নিশিকান্ত সরকার, দীপ্ত টাইমস এর প্রকাশক ও সম্পাদক দেব প্রসাদ রায়, শিক্ষানুরাগী শিশির শিকদার, মোঃ মোস্তফা কামাল, ইউপি সদস্য প্রদীপ কুমার সাহা (বাপ্পি), শেখ জিয়াউল হাসান বাদল, বিপুল আচার্য,সহ বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ। পূজা শিকদার বলেন, জাতির পিতার শাহাদৎ বার্ষিকীতে অসহায় গরীব ও দরিদ্র পরিবার গুলির মাঝে এক বেলা খাবারের পরিবর্তে পরিধেয় বস্ত্র বিতরণ করলে তারা জাতির পিতার জন্য দোয়া করবেন। আর একারনেই তিনি ১৫শত পরিবারের মাঝে বস্ত্র স্বরুপ শাড়ী ও লুঙ্গি করেছেন।

বঙ্গবন্ধু এদেশ কে একটি স্বাধীন মানচিত্র দিয়ে গেছে: আব্দুস সালাম মূর্শেদী এমপি
দিঘলিয়া প্রতিনিধিঃ
বঙ্গবন্ধু এদেশ কে একটি স্বাধীন মানচিত্র দিয়ে গেছে কিন্তু অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য যে সময়ের প্রয়োজন ছিল সে সময় তিনি পাননি, তার মেয়ে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ অর্থনৈতিক ভাবে বাংলাদেশের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এ কথাগুলো বলেন খুলনা-০৪ আসনের সাংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী এমপি। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের মধ্যে বিভিন্ন দেশে যারা পালাতক রয়েছে তাদেরকে অবিলম্বে দেশে ফিরিয়ে এনে ফাসির রায় কার্যকর করতে হবে।

দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খান নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা ফিরোজ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক লোকমান হোসেন, সহ-প্রচার সম্পাদক মোঃ মকবুল হোসনে, সদস্য কে এম আসাদুজ্জামান, দিঘলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আনসার আলী, সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর হোসেন, সদস্য এনামুল হক, সেনহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শাহআলম, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিসুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আল-আমীন, সহ সম্পাদক শেখ সাইদুর রহমান, রুবেল হাওলাদার ও হাসান মাহমুদ রাকিব, সদস্য হাবিবুর রহমান তারেক, ছাত্রলীগের সভাপতি মোল্লা নাহিদ, সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত, দিঘলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সৈয়দ জামিল মোরশেদ মাসুম, সাধারণ সম্পাদক কে এম তহিদুজ্জামান, চন্দনীমহল সংগঠনিক ইউনিয়ন এর সভাপতি ইমরান, সাধারণ সম্পাদক মিরাজ, সেনহাটি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়া, খান মতিউর রহমান সহ প্রমুখ।

এদিকে সকাল ৯ টায় দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ উপজেলা চত্বরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

আশাশুনিতে জাতীয় শোক দিবস পালন
আশাশুনি প্রতিনিধি ঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আশাশুনিতে উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন, ইউনিয়ন পরিষদ ও ক্লাবের উদ্যোগে দিনভর কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সোমবার (১৫ আগষ্ট) সকাল থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত এসব কর্মসূচি পালন করা হয়।
উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন ঃ বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী ও শোক দিবস উপলক্ষে জাতীয় পতাকা অর্ধনদিত করে উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুস্পস্ত¡ক অর্পন, আলোচনা সভা, মসজিদে বিশেষ দোয়া, মন্দির ও গীর্জায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করে। উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম ও ইউএনও ইয়ানুর রহমানের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়। ইউএনও ইয়ানুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম চক্রবর্ত্তী, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মমিনুল ইসলামসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আশাশুনি উপজেলা আওয়ামীলীগ ঃ উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে ও সহযোগী সংগঠনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও শোক পতাকা উত্তোলন, কালোব্যাচ ধারন, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পমাল্য অর্পন, শোক র্যালী ও সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শম্ভুজিৎ মন্ডলের পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম মোল্যা, সাবেক চেয়ারম্যান আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক স ম সেলিম রেজা মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসলেমা খাতুন মিলি, বুদ্ধদেব সরকার, রনজিৎ কুমার বৈদ্য, আহসান উল্লাহ আছু, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি এনএমবি রাশেদ সরোয়ার শেলী, শ্রমিকলীগ সভাপতি ঢালী মোঃ সামছুল আলম, যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক সাবেক জেলা পরিষদের সদস্য মহিতুর রহমান, সেচ্ছাসেবক লীগ সাবেক সভাপতি এসএম সাহেব আলী, কৃষকলীগ সহ সভাপতি বদরুদ্দোজা সানা, সেক্রেটারী মতিলাল সরকার, শ্রমিকলীগ সাবেক সহ সভাপতি মনিরুজ্জামান বিপুল, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আসমাউল হুসাইন প্রমুখ।
আশাশুনি প্রেস ক্লাব ঃ জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুস্পস্তবক অর্পন, আলোচনা সভা ও দোয়ানুষ্ঠান করা হয়। প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, আশাশুনি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর হোসেন। সাধারণ সম্পাদক এস কে হাসানের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান, সাবেক সভাপতি জি এম আল ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক আকাশ হোসেন, বাহবুল হাসনাইন, জগদীশ চন্দ্র সানা, হাবিবুল্লাহ বিলালী প্রমুখ। সবশেষে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন, ইসলামিক ফাইন্ডেশনের ফিল।ড সুপার ভারইজার মুহাঃ আসাদুল্লাহ।
বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ ঃ জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করণ, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুস্পস্তবক অর্পন, আলোচনা সভা ও গণভোজের আয়োজন করা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান জগদীশ চন্দ্র সানার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, বড়দল কলেজিয়েট স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক তরুন কান্তি সানা, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি মহসিন আলী লিটন, ইউপি সদস্য সত্যরঞ্জন বৈরাগী, চন্দ্র কান্ড মন্ডল, জুলফিকর আলি, মহিলা মেম্বার শ্রাবন্তি বৈরাগী, হাফিজা খাতুন তমা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আকের আলি, বেলাল হোসেন প্রমুখ। সবশেষে গণভোজ বিতরণ করা হয়।
আশাশুনি উপজেলা কৃষকলীগ ঃ বঙ্গবন্ধুর ম্যুররালে পুস্পস্তবক অর্পন, মৌন র্যালী ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি এনএমবি রাশেদ সরোয়ার শেলীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সহ-সভাপতি বদরুদ্দোজা সানা, ফজল মাহমুদ দুহিন, আয়ুব আলি, সাধারণ সম্পাদক মতিলাল সরকার, উপদেষ্টা সমরেশ মন্ডল প্রমুখ।
কাদাকাটি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও ইউনিয়ন পরিষদ ঃ জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, দোয়ানুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও গণভোজের আয়োজন করা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান দিপংকার কুমার সরকার দিপের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলী সানা, কুমোদ রঞ্জন সরকার, শাহ গোলাম মোস্তফা, সুভাষ মন্ডল, নজরুল সরদার, সন্তোষ সানা, আয়ুব আলি মালী, হারান মন্ডল, আয়ুব আলি সরদার, রমজান মোড়ল, হিমাদ্রী সরকার, মহিলা মেম্বার তাপসী রানী অধিকারী, আলো রানী, গীতারানী রায়, মেম্বার উত্তম সরকার, জাহাঙ্গীর মোড়ল, উজ্জল মত্রি, ইয়াকুব আলি বেগ, হাসান সরদার, গোপাল চন্দ্র সানা, গোলক চন্দ্র গাইন, বিপ্লব রায় প্রমুখ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঃ খতমে কোরআন, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান করা হয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন ফিল্ড সুপার ভাইজার মুহাঃ আসাদুল্লাহ’র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, আশাশুনি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর হোসেন। মডেল কেয়ার টেকার মোঃ মহিউদ্দিনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, আশাশুনি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস কে হাসান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, মোঃ রবিউল ইসলাম। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা জামে মসজিদের খতিব ও ইমাম হাফেজ মাওঃ আব্দুল গফফার। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জামালনগর জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মোঃ মুহিব্বুল্লাহ।
আনুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ঃ জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, শোক র্যালী, দোয়ানুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও গণভোজের আয়োজন করা হয়। আনুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হল রুমে সভায় সভাপতিত্ব করেন, ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মুক্তার হোসেন মোড়ল। প্রধান অতিথি ছিলেন, আনুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন সানা। সভায় ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুকুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কর সিদ্দিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ হাকিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা কার্ত্তিক চন্দ্র অধিকারী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী আঃ হাকিম সানা, ৪নং ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি হরেন্দ্র দেবনাথসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সেক্রেটারীবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। এছাড়া প্রধান অতিথির উদ্যোগে ইউনিয়নের ভোলানাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একসররা বাজার, নাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও শোক দিবস পালন করা হয়।
শ্রীউলা ইউনিয়ন যুবলীগ ঃ বুড়াখারাটি সাহেব পার্কে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, পুস্পমাল্য অর্পন, কোরান তেলাওয়াত, মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা ও তাবারক বিতরণ করা হয়। উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিঃ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অবঃ অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএমএ ওয়াহেদ। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক স ম মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আঃ সামাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন,ম আ’লীগ নেতা আবু সাইদ, ে রজাউল করিম, যুবলীগ সভাাপতি সৌরভ রায়হান সাদ, সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, যুবলীগ নেতা রাসেল, শরিফুল, মাসুদ, নিজামুদ্দিন সানা প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন, বুড়াখারাটি জমে মসজিদের ইমাম মাওঃ আবু ঈসা।
বড়দল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ঃ জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করণ, পুস্পমাল্য অর্পন, গণভোজ, দোয়া ও আলোচনা সভা করা হয়। ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি সুরঞ্জন কুমার ঢালী। বক্তব্য রাখেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আঃ আলিম মোল্যা, সেক্রেটারী আঃ রহমান ফকির, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসবেকলীগ, শ্রমিকলীগ ও তরুনলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ। ৭নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক উপজেলা ডেপুটি কমান্ডার লিয়াকত আলির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ আঃ ওহাব মাষ্টার, জবেদ আলি, সিরাজ উদ্দিন সানা, শামছুর রহমান গাজী, আফছার আলি গাজী, ইউসুফ আলি খা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সাতক্ষীরায় নিয়োগ বোর্ড নিয়ে প্রার্থীদের চাপ সৃষ্টি: বিপাকে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি
খান নাজমুল হুসাইন
সাতক্ষীরা কলারোয়া জয়নগর ইউনিয়নের ধানদিয়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর তিনটি সৃষ্ট পদে নিয়োগ বোর্ড নিয়ে বিপাকে পড়েছেন প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি। জানা গেছে, ধানদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তিনটি সৃষ্ট পদ নিরাপত্তা কর্মী, আয়া এবং অফিস সহায়ক পদে গত ইং ২৯/০৭/২২ তারিখে বিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবনে নিয়োগ বোর্ড বসার কথা থাকলেও উৎকোচ কেলেঙ্কারিতে তা ভেস্তে যায়। নাম প্কশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, নাম মাত্র উল্লেখিত তারিখে নিয়োগ বোর্ড বসার কথা থাকলেও সত্যিকার অর্থে সে দিন প্রধান শিক্ষক এবং সভাপতি একটি পুুর্ব পরিকল্পিত পাতানো বোর্ডের ছক কষেছিলেন। তারা আরও জানান, পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পুর্বে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুর রহমান এবং বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রওশন আলীর যোগসাজশে চতুর্থ শ্রেণীর তিনটি সৃষ্ট পদের বিপরীতে তিনজন কে মনোনীত করেন। তারা হলেন, যশোর জেআলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাড়ি ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের আবু মুছার ছেলে তারেক হোসেন কে নিরাপত্তা কর্মী, একই উপজেলার বেনজির হোসেন এর স্ত্রী রুমি আক্তার কে আয়া, সাতক্ষীরা পাটকেলঘাটা থানার সেনেরগাতি গ্রামের হোসেন মল্লিকের ছেলে আশিকুর রহমান চঞ্চল কে অফিস সহায়ক। মনোনীত করা তিন জনের নিকট থেকে নিয়োগের পুর্বে ৩৫ লক্ষ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং সভাপতি এ দাবি স্থানীয়দের। উৎকোচ নেওয়ার বিষয়ে কলারোয়া ধানদিয়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং সভাপতির নিকট মুঠোফোনে আলাপকালে জানতে চাইলে তারা অস্বীকার করেন। এদিকে নিয়োগ বোর্ড বসার পুর্বে প্রধান শিক্ষক, সভাপতি কর্তৃক উৎকোচ কেলেঙ্কারির ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হয়। এর প্রেক্ষিতে সাংবাদিক মোঃ ইব্রাহিম খলিল, খান নাজমুল হুসাইন এবং কামরুল ইসলাম সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির বরাবর পৃথক তিনটি লিখিত অভিযোগ দেন। ঘটনার এক পর্যায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির এর নির্দেশে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাস গত ইংরেজি ২৯/০৭/২২ তারিখ শুক্রবার সকাল ১০ ঘটিকার ধানদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তিনটি সৃষ্ট পদে নিয়োগ বোর্ড বসার পুর্বে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করেন। ধানদিয়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিয়োগ বোর্ড স্থগিত হওয়ায় প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির মধ্যে গাত্রদাহ শুরু হয়েছে। তারা ইতিমধ্যে বিভিন্ন দপ্তরে তদবিরে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে একাধিক সুত্র দাবি করেছে। সুত্রটি আরও দাবি করে বলেন, একজন কর্মকর্তা নাকি প্রধান শিক্ষক কে দ্রুত নিয়োগ বোর্ড বসানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এ দিকে নিয়োগ বোর্ড সুদুরপ্রসারি হওয়ায় প্রধান শিক্ষক এবং সভাপতিকে উআল্লেখিত তিন জন প্রার্থী প্রতিনিয়ত চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছেন চাকরির জন্য। একটি নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি তাদের মনোনীত তিন জন প্রার্থীদের নিকট প্রতিনিয়ত দারস্থ হচ্ছেন এবং রীতিমতো তারা ঐ প্রার্থীদের কাছ থেকে নিয়োগ কেন্দ্রিক উৎকোচ নেওয়ার বিষয়টি জনসম্মুখে প্রকাশ করতে নিষেধ করছেন। সুত্রটি আরও দাবি করে বলেন, প্রধান শিক্ষক ঐসব প্রার্থীদের বলে বেড়াচ্ছেন তারা যদি উৎকোচের ব্যাপারটি প্রকাশ করেন তা হলে প্রধান শিক্ষকের নামে মামলা হবে এমনকি তার নাকি চাকরি থাকবে না। এ বিষয় কলারোয়া ধানদিয়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রওশন আলীর সাথে মুঠো ফোনে আলাপকালে নিয়োগ বোর্ড কেন্দ্রিক প্রার্থীরা কোন চাপ সৃষ্টি করছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রার্থীরা চাপ সৃষ্টি করছে কিনা সেটা প্রধান শিক্ষক ভালো বলতে পারবে। আমাকে কোন প্রার্থী চাপ সৃষ্টি করেনি। কয়টি পদের বিপরীতে নিয়োগ বোর্ড বসার কথা ছিলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনটি পদের বিপরীতে নিয়োগ বোর্ড বসার কথা ছিলো। এ বিষয় কলারোয়া ধানদিয়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুর রহমান এর সাথে মুঠো ফোনে আলাপকালে নিয়োগ বোর্ড স্থগিত হওয়ায় প্রার্থীরা কোন চাপ সৃষ্টি করছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রার্থীরা কোন চাপ সৃষ্টি করছে না। কয়টি পদের বিপরীতে নিয়োগ বোর্ড বসার কথা ছিলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, ডিসি অফিসে তিন জন সাংবাদিক কেচ করেছে তাই আপনাকে কোন তথ্য দেওয়া যাবে না। চতুর্থ শ্রেণীর তিনটি সৃষ্ট পদ নিরাপত্তা কর্মী, আয়া, অফিস সহায়ক পদে কত জন আবেদন করেছিলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, সে তথ্য আপনাকে দেওয়া যাবে না বলে তিনি কৌশলে এড়িয়ে যান।

জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ
বঙ্গবন্ধু শুধু বাঙালির নেতা ছিলেন না ছিলেন সারাবিশ্বের অবিসংবাদিত নেতা
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টায় দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের শ্রম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি। সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক।
এসময়ে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, নুর ইসলাম বন্দ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক শেখ মো. আনোয়ার হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক শেখ ফারুক হাসান হিটলু, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শেখ জাহাঙ্গীর আলম খান, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা।
আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাঙালি জাতি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙ্গে আমাদের মহান স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলো। সদ্য স্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্থ দেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যখন সমগ্র জাতিকে নিয়ে সোনার বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামে নিয়োজিত, তখনই স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধী চক্র তাকে পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যসহ হত্যা করে। এই হত্যার মধ্য দিয়ে তারা বাঙালি জাতির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করার অপপ্রয়াস চালায়। ঘাতকদের উদ্দেশ্যই ছিল অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামোকে ভেঙে আমাদের কষ্টার্জিত স্বাধীনতাকে ভূলুণ্ঠিত করা। এই জঘন্য হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত স্বাধীনতাবিরোধী চক্র ‘৭৫-এর ১৫ আগস্টের পর থেকেই হত্যা, কু ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করে। তারা ইনডেমনিটি অর্ডিনেন্স জারি করে। জাতির পিতার হত্যার বিচারের পথকে বন্ধ করে দেয়। জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে মার্শাল ল’ জারির মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করে; সংবিধানকে ক্ষত-বিক্ষত করে; হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করে; বিদেশে দূতাবাসে চাকুরি দেয়। স্বাধীনতাবিরোধী-যুদ্ধাপরাধীদের নাগরিকত্ব দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতার অংশীদার করে। রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে পুনর্বাসিত করে। পরবর্তী অবৈধ সামরিক সরকার এবং বিএনপি-জামাত সরকারও একই পথ অনুসরণ করে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে জাতির পিতার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জয়লাভ করে জাতির পিতার হত্যার বিচার শুরু করে। কিন্তু বিএনপি-জামাত জোট ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ২০০১ সালে ক্ষমতায় বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার কাজ বন্ধ করে দেয়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পুনরায় বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে পূর্ববর্তী সরকারগুলোর রেখে যাওয়া অচলাবস্থা এবং বিশ্বমন্দা কাটিয়ে দেশকে দৃঢ় অর্থনৈতিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করার কাজ শুরু করে। গত সাড়ে ১৩ বছরে দেশের প্রতিটি সেক্টরে কাঙ্খিত অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। এই সময়ে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে। আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করার লক্ষ্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শুধু বাঙালির নেতা ছিলেন না তিনি ছিলেন সারাবিশ্বের অবিসংবাদিত নেতা। ঘাতকচক্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যা করলেও তাঁর স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং গণতন্ত্র বিরোধী চক্র এখনও নানাভাবে চক্রান্ত-ষডযন্ত্র¿ করে যাচ্ছে। এই অপশক্তির যে কোনো অপতৎপরতা ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করে দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ। জাতির পিতা হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করতে হবে। তাঁর আত্মত্যাগের মহিমা এবং দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনাদর্শ আমাদের কর্মের মাধ্যমে প্রতিফলিত করে সকলে মিলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগের পরিচালনায় এসময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা কাজী এনায়েত হোসেন, মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, বীর মুুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, এ্যাড. রজব আলী সরদার, এ্যাড. আইয়ুব আলী শেখ, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, আবুল কালাম আজাদ কামাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যা. আলমগীর কবির, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, মো. শাহজাদা, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, কামরুল ইসলাম বাবলু, বিরেন্দ্র নাথ ঘোষ, হাফেজ মো. শামীম, শেখ নুর মোহাম্মদ, অধ্যা. রুনু ইকবাল বিথার, মাহবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান, কাউন্সিলর গাউসুল আযম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতালেব হোসেন, রনজিত কুমার ঘোষ, এ্যাড. এ কে এম শাহজাহান কচি, সুলতানা রহমান শিল্পী, পারভিন ইলিয়াছ, মো. শফিকুর রহমান পলাশ, এম এ নাসিম, অধ্যা. এ বি এম আদেল মুকুল, শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন, এ্যাড. রাবেয়া ওয়ালী করবী, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, আইরিন চৌধুরী নীপা, কাউন্সিলর মাহফুজুর রহমান লিটন, কাউন্সিলর ইমাম হাসান চৌধুরী ময়না, কাউন্সিলর মাহমুদা বেগম, কাউন্সিলর কণিকা সাহা, কাউন্সিলর রেকসোনা কালাম লিলি, মো. আমির হোসেন, নূরিনা রহমান বিউটি, নূর জাহান রুমি, শেখ আবিদ উল্লাহ, মঈনুল ইসলাম খান নাসির, শেখ আব্দুল আজিজ, আব্দুল হাই পলাশ, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, মো. মোতালেব মিয়া, ওহিদুল ইসলাম পলাশ, মো. ফয়েজুল ইসলাম টিটো, মো. সেলিম মুন্সি, এস এম হাফিজুর রহমান, জেসমিন সুলতানা শম্পা, হাবিবুর রহমান দুলাল, আব্দুল কাদের শেখ, এ্যাড. আল আমিন, শওকত হোসেন, অভিজিত চক্রবর্তী দেবু, কবির পাঠান, ইয়াসিন আরাফাত, নাসরিন সুলতানা, নাসরিন ইসলাম তন্দ্রা, রুমা খাতুন, আঞ্জুমানা আরা, সাবিহা ইসলাম আঙ্গুর, মনোয়ারা বেগম, রেজওয়ানা প্রধান, রওশন আরা রিমা, ফেরদৌস আলম রিতা, মো. জিলহজ¦ হাওলাদার, মো. শহীদুল হাসান, শেখ হারুন মানু, আবু বক্কর সিদ্দিকী বাবুল, মো. শামছুজ্জোহা বাঙালী, মো. আশরাফ আলী হাওলাদার শিপন, মাসুদ হাসান সোহান, জহির আব্বাস, জব্বার আলী হীরা, ঝলক বিশ্বাস, মাহমুদুর রহমান রাজেস, সংকর কুন্ডু, বায়েজিদ সিনা, ওমর কামালসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
স্মরণ সভার শুরুতেই বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্টে সকল শহীদের প্রতি সম্মান জানিয়ে দাড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। সভা শেষে মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে সকাল সাড়ে ৭টায় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত করন, কালো পতাকা উত্তোলণ, কালো ব্যাজ ধারণ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, সকাল ৮টায় জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনে নবনির্মিত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে শ্রদ্ধা নিবেদন, সকাল সাড়ে ৯টায় মহানগর কার্যালয় সহ সকল ইউনিট কার্যালয়ে কোরান খানি, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ প্রচার, বাদ জোহর প্রত্যেক মসজিদে দোয়া মাহফিল ও মন্দির, গীর্জা এবং প্যাগোডায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানা অনুরুপ কর্মসূচি পালন করেন।

জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় বাবুল রানা
বঙ্গবন্ধু আজীবন শোষিত ও মুক্তিকামী মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে গেছেন
খবর বিজ্ঞপ্তি
মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ অনেক আগেই উন্নয়নের দ্বার প্রান্তে পৌঁছে যেত। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা তা হতে দেয়নি। আজ বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ এখন স্বল্প উন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু আজীবন শোষিত ও মুক্তিকামী মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে গেছেন। তাই আজ তাঁর আদর্শ ও দর্শন শুধু আমাদের জন্য আধুনিক চিন্তাধারা তৈরির ক্ষেত্রে অমূল্য সম্পদে পরিণত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করতে পারলেই বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
গতকাল সোমবার নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে, জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা এবং ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের অয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক শেখ ফারুক হাসান হিটলু, নির্বাহী সদস্য অধ্যা. রুনু ইকবাল বিথার, এস এম আকিল উদ্দিনসহ থানা, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের খাবার বিরতণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) এর ব্যবস্থাপনায় স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে গরীব দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান প্রসংগে।
১৫ আগস্ট ২০২২ তারিখ স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় এবং ভাবগম্ভীর পরিবেশে দেশব্যাপী জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে সেক্টর সদর দপ্তর, খুলনা এবং খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বিএ-৫২৯৫ কর্ণেল মামুনূর রশীদ, পিএসসি, সেক্টর কমান্ডার, সেক্টর সদর দপ্তর, খুলনা এর উপস্থিতিতে গরীব দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। খুলনা এলাকায় প্রায় ২০০০ (দুই হাজার) জনের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এরই সাথে দুস্থ ৫০ জন এর মাঝে নগদ অর্থ সাহায্য প্রদান করা হয় ৷ উক্ত সময়ে খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) এর অধিনায়ক বিএ-৬৫০৭ মোহাম্মদ তানভীর রহমান, পিএসসি, ইঞ্জিনিয়ার্স এবং অন্যান্য অফিসার্সবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের দাবি ইসলামী আন্দোলনের
খবর বিজ্ঞপ্তি
রাজধানীর চকবাজার পলিথিন কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের ঘটনায় গভীর শোক ও নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও আহতদের উন্নত চিকিৎসার দাবি জানিয়েছে বিবৃতি দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা শাখা। নেতৃবৃন্দ বলেন দেশে অগ্নিকান্ডে বার বার মানুষের মৃত্যু অত্যান্ত বেদনাদয়ক। অগ্নিকান্ডে উদ্ধার কাজে সহযোগিতার জন্য ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবী টিমকে ধন্যবাদ জানান নেতৃবৃন্দ। এবংনিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবার বর্গ, আত্মীয় স্বজনদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সমবেদনা জানিয়েয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল্লাহ ইমরান, সহঃসভাপতি মাওলানা মুজিবুর রহমান, মাওলানা আবু সাইদ, সেক্রেটারী হাফেজ আসাদুল্লাহ আল গালিব, আলহাজ্ব জাহিদুল ইসলাম, মাওলানা সাইখুল ইসলাম বিন হাসান , মাওলানা মাহবুবুল আলম, হাফেজ মাওলানা মুফতি আশরাফুল ইসলাম,মাওলানা হারুনুর রশিদ, মাওলানা মোঃ আঃ সত্তার, এস কে নাজমুল হাসাান, মোঃ হুমায়ুন কবির,মাওলানা তাওহীদুল ইসলাম মামুন,মোঃ হায়দার আলী, মোঃ মেহেদী হাসান, হাফেজ মঈনউদ্দিন, আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, সেখ রওশন আলী, ইঞ্জিনিয়ার সারোয়ার হোসাইন, শেখ হাসান ওবায়দুল করিম,মোঃ শফিকুল ইসলাম,প্রমুখ।
খুলনা মহানগর ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদে জাতীয় শোক দিবস পালন।
আজ দুপুর ২ টায় ৭১,খানজাহান আলী রোডস্থ খুলনা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্স ভবনে খুলনা মহানগর ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে ৪৭ তম জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও গণভোজের আযয়োজন করা হয় উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতি করেন খুলনা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আলহাজ্ব সরদার মাহবুবার রহমান এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন খুলনা মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার অধ্যাপক মোঃ আলমগীর কবির। উক্ত দোয়া অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক জনাব মনিরুজ্জামান তালুকদার, এডিসি জেনারেল জনাব সাদিকুর রহমান খান, এডিসি শিক্ষা বাবু মুকুল কুমার বৈদ্য মৈত্র, এটিএম পুলক চন্দ্রƒ মন্ডল, এডিসি এন এম মনির লিংকন রাজস্ব, জনাব আল আমিন, ওয়াসার এমডি জনাব আব্দুল্লাহ ইঞ্জিনিয়ার, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্ধ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুন্সী আইয়ুব আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আলমগীর হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস মোল্লা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার শেখ আব্দুল জব্বার, বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আবুল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন আর রশিদ বন্ধ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাক আবেদীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোশারফ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন।

ইন্দুরকানীতে শোক দিবসে আ,লীগের দুই গ্রুপের পৃথক কর্মসূচী পালন
ইন্দুরকানী(পিরোজপুর) সংবাদদাতা ঃ
ইন্দুরকানী উপজেলা আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি শোক দিবস পালন করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ হল রুমে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড.এম মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে ও আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান সেলিম এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা আওমালীগের সভাপতি সাবেক সংসদ আলহাজ¦ এ.কে.এম আউয়াল। এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মহিউদ্দীন মহারাজ, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক কানাই লাল বিশ^াস, সাংগাঠনিক সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী প্রমুখ।
এছাড়া সকালে বিদ্রহী গ্রুপ উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ- সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ হাওলাদারের নেতৃত্বে র্যালী ও আলোচনা সভা করা হয়।আওয়ামীলীগ অফিসের সামনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মৃধা মনিরুজ্জামান, যুগ্ন সম্পাদক সাঈদুর রহমান সাঈদ, সাবেক যুবলীগ সাধারন সম্পাদক হেলাল উদ্দিন আকন প্রমুখ। পরে দুঃস্থ লোকদের মাঝে খাবার বিতরন করে।

পাটকেলঘাটায় ১৫ আগষ্ট শোক দিবস পালিত
পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার এ্যসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি, বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদের সদস্য, তালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন’র পাটকেলঘাটা নিজস্ব কার্যালয়ে ১৫ আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকিতে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান ও গণভোজের আয়োজন করা হয়।
এদিকে পাটকেলঘাটা ৩নং সরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাষ্টার শেখ আব্দুল হাই’র নেতৃত্বে জাতির পিতার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সরুলিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার শেখ জামসেদ আলী জাতির পিতা সহ তার পরিবারের সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠাত ও গণভোজের আয়োজন করা হয়। এদিকে পাটকেলঘাটা বলফিল্ড বাসস্টান্ডে জাতীয় শ্রমিক লীগ থানা শাখার উদ্যোগে দোয়া অনুষ্ঠাত ও গণভোজের আয়োজন করা হয়।

বাগেরহাটে শোক-শ্রদ্ধায় জাতির জনককে স্মরন
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
জাতীয় শোক দিবসে গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করেছে বাগেরহাটবাসী। দিনটি উপলক্ষে সোমবার (১৫ আগস্ট) সকালে বাগেরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন বঙ্গবন্ধুর মুরালের সামনে জেলার সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে।
প্রথমেই ১৫ আগস্টে শহীদদের রুহের মাগফেরাতের উদ্দেশ্যে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন বাগেরহাট কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। পরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের পক্ষে বঙ্গবন্ধুর মুরালে পুস্পস্তবক অর্পন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট হাফিজ আল আসাদ। এর পরে জেলা পুলিশের পক্ষে পুস্পস্তবক অর্পন করেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক।
এরপর একে একে বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগ, জেলা পরিষদ, সদর উপজেলা পরিষদ, সরকারি পিসি কলেজ, পিটিআই, ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি, সড়ক বিভাগ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, বাগেরহাট প্রেসক্লাব, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, জেলা মৎস্য অফিস, জেলা প্রানি সম্পদ অফিস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, জাতীয় মহিলা সংস্থা, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ,শ্রমিকলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ,তাতীলীগসহ বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থার পক্ষ থেকে জাতির জনকের মুরালে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়। এছাড়াও বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন এবং বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়ের পক্ষে দলীয় নেতাকর্মীরা পুস্পস্তবক অর্পন করেন।
পুস্পস্তবক অর্পন শেষে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি র্যাতলী বের করা হয়। র্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে বাগেরহাট জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এসে শেষ হয়। র্যালীতে বিভিন্ন শ্রেনি পেশার পাঁচ সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহন করেন।
এর আগে সকাল ৮ টায় রেল রোডস্হ জেলা আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয়, দলীয় ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। বঙ্গবন্ধুর মুরাল ও প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পন করেন দলীয় নেতাকর্মীরা।
এছাড়া দিনটি উপলক্ষে বাগেরহাট জেলা কারাগার, সরকারি-বেসরকারি এতিমখানা, শিশু সদন ও হাসপাতালে বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। মাদরাসা ও মসজিদে কোরআন খানি, মসজিদ-মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা, আলোচনা সভা, মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপনের আয়োজন করা হয়েছে।

বাগেরহাটে ৮৭৫পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটে ৮৭৫ পিস ইয়াবাসহ তাপস দাস(৫৩) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যা পিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যা ব)। রবিবার (১৪ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগেরহাট সদর উপজেলার চুলকাঠি বাজার এলাকা থেকে তাপসকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ৮৭৫ পিস ইয়াবা, তার ব্যবহৃত একটি মুঠোফোন ও নগদ এক হাজার ২৬০ টাকা জব্দ করে র্যা ব-৬ এর সদস্যরা।
আটক তাপস দাস রামপাল উপজেলার বাসিন্দা। সোমবার (১৫ আগস্ট) সকালে আটক তাপসের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের পূর্বক বাগেরহাট মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যা ব-৬ খুলনার সহকারি পরিচালক (মিডিয়া) বজলুর রশীদ বলেন, তাপস একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন ধরে সে পালাতক ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিয়ান চালিয়ে ৮৭৫ পিস ইয়াবাসহ তাপসকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের পূল্বক বাগেরহাট মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানান র্যাহবের এই কর্মকর্তা।

বাগেরহাটে চিংড়ি ব্যবসায়ীর হামলায় ছাত্রলীগকর্মী আহতের অভিযোগ
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা এলাকার চিংড়ি ব্যবসায়ী শেখ আজিজুল ইসলামের মারধরে নিয়ামুল খান (১৮) নামের এক ছাত্রলীগ কর্মী আহতের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (১৫) সন্ধ্যায় ডেমা এলাকার ব্রাক এনজিও অফিসের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানায় আহতের পরিবার। পরে আহত নিয়ামুল খানকে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে তার স্বজনরা।
আহত নিয়ামুল খান ডেমা ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ মিজান খানের ছেলে এবং ডেমা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য। হামলাকারী শেখ আজিজুল ইসলাম ডেমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে।
নিয়ামুল খানের বাবা ইউপি সদস্য মোঃ মিজান খান বলেন, ১৫ আগস্টের জন্য টাকা নিয়ে এসে পিসি ডেমা এলাকার ব্রাক অফিসের সামনে দাড়িয়ে ছিল আমার ছেলে নিয়ামুল খান। হঠাৎ করে ডেমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে শেখ আজিজুল ইসলাম আমার ছেলের উপর হামলা করে। আজিজুলের কিলঘুষি মারে এবং লোহার চেয়ার পিটুনিতে আমার ছেলে গুরুত্বর আহত হয়। আহত অবস্থায় আমার ছেলেকে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করি। আমি এই ন্যাক্কার জনক হামলার কঠিন বিচার চাই।
এদিকে এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ডেমা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ন আহবায়ক খান খালিদ।
মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে চিংড়ি ব্যবসায়ী শেখ আজিজুল ইসলাম বলেন, নিয়ামুল খান একটি বখাটে ছেলে। বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালিয়ে এলাকায় ভীতির সৃষ্টি করে। সন্ধ্যায় বারাকপুর থেকে মাছ বিক্রি করে মোটরসাইকেলযোগে আসার পথে নিয়ামুল খান আমাকে মোটরসাইকেল দিয়ে চাপ দেয়। যার ফলে আমি প্রায় পরে যাচ্ছিলাম। চাপ দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে নিয়ামুল খানের সাথে আমার বাক বিতন্ডা হয়। এবং স্থানীয়রা আমাদের থামিয়ে দেয়। যার কারণে কোন মারামারি বা হাতাহাতির ঘটনা ঘটেনি। তর্কবিতর্কের পরে নিয়ামুল নিজে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাগেরহাটে গেছে। ডেমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, তর্কবিতর্কের সময় আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। প্রতক্ষদর্শীদের কাছে জেনেছি আমার ছেলে শুধু বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর কারণ জানতে চেয়েছে নিয়ামুল খানের কাছে, এর থেকে বেশিকিছু হয়নি। আমি রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত করার জন্য এই মারধরের নাটক করছে।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজিজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। কিন্তু এখনও কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বাগেরহাটে শোক দিবসে জেলা তাতী লীগের উদ্দোগে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জেলা তাতী লীগের উদ্দোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ আগষ্ট) জোহরবাদ জেলা তাতী লীগের কার্যালয়ে এটি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও জেলা তাতী লীগ সভাপতি আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল বাকী, সাধারন সম্পাদক ইফতেখারুল ইসলাম রানা,সাবেক সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সরদার মাসুদুল হক,তাতী লীগ নেতা মুকুল শেখ, জাহিদুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মিঠু, লিটু, মৃদুল শিকদার, সজিব শিকদার, মানিকসহতাতী লীগের নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন। এসময় বঙ্গবন্ধুশেখ মজিবুর রহমান ও ১৫ আগষ্ট সকল শহিদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত ও পরে উপস্থিত সকলের মাঝে তাবারক বিতরন করা হয়।

ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকার তিনদিন পর প্রাণে রক্ষা পেলো ১৩ জেলে
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শ্যালা চর এলাকায় ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা ট্রলার থেকে ১৩ জেলেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড।
কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরের (মোংলা) কর্মকর্তা লেঃ কমান্ডার এম মামুনুর রহমান জানান, ইঞ্জিন বিকল হয়ে শ্যালার চরে ভাসতে থাকা এফ,বি ‘ছোট হুজুরের দোয়া’ ট্রলারের জেলেরা রবিবার রাত ১১টার দিকে ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে তাদের বিপদের কথা জানান। এরপর ৯৯৯ নম্বর থেকে বার্তা আসে উপকূলরক্ষী বাহিনী কোস্ট গার্ডের কাছে। কোস্ট গার্ড এ বার্তা পাওয়ার পর সোমবার সকাল ৮টা ৫ মিনিটের সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ট্রলার থাকা ১৩ জেলে-মাঝিমাল্লাকে উদ্ধার করেন।
উদ্ধার হওয়া জেলেদের উদ্ধৃতি দিয়ে কোস্ট গার্ড আরো জানান, ‘ছোট হুজুররে দোয়া’ নামের এ ফিশিং ট্রলারটি গত ১২ আগস্ট পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজলো থেকে ১৩ জন জেলে নিয়ে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে সমুদ্রে আসেন। এরপর ১৩ আগস্ট সকাল ৯টার দিকে তাদের ফিশিং ট্রলারটির ইঞ্জনি বিকল হয়ে পড়ে। এরপর ওই ট্রলারটি ভাসতে ভাসতে শ্যালার চর এলাকায় চলে আসে। তখনই তারা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে তাদরে ইঞ্জনি নষ্ট হয়ে ভাসমান অবস্থায় আছেন বলে জানান। তারপর খবর পেয়ে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের পর সোমবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটের সময় অপর আরেকটি ট্রলারের সহায়হায় তাদেরকে শরণখোলায় পাঠানো হয়েছে। ওই ট্রলারের সকল জেলেরা সুস্থ রয়েছেন বলেও জানান কোস্ট গার্ডের এ কর্মকর্তা।

কেসিসির উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদায় স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০২২ পালিত হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষে মহানগরী এলাকাকে ‘ক’ (১৬ থেকে ৩১নং ওয়ার্ড) ও ‘খ’ অঞ্চলে (১ থেকে ১৫নং ওয়ার্ড) বিভক্ত করে পৃথক পৃথকভাবে গৃহীত কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন, শিশুদের চিত্রাঙ্কন, নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বিষয়ভিত্তিক রচনা প্রতিযোগিতা, বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রমাণ্য চিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল। সোমবার সকালে ‘ক’ অঞ্চলে এবং বিকেলে ‘খ’ অঞ্চলে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।

নগর ভবনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিটি মেয়র স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পনেরই আগস্ট নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, শিশু-কিশোরদের নিকট সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে শোকের এই দিনে কেসিসি’র পক্ষ থেকে চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে আজকের শিশু-কিশোররা আমাদের বঙ্গবন্ধুকে সঠিকভাবে জানতে পারবে। শিশু-কিশোরদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু এমন একজন নেতা যার জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না। অথচ বিপথগামী কিছু সেনা সদস্য এবং আন্তর্জাতিক চক্র মহান এ নেতাকে স্বপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে। আজ তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিচ্ছেন। দেশের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ থেকে বর্তমান সরকারের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান।

কেসিসি’র কাউন্সিলর ফকির মো: সাইফুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) লস্কার তাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন মেয়র প্যানেলের সদস্য মো: আলী আকবর টিপু, কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ আলী, শেখ শামসুদ্দিন আহম্মেদ প্রিন্স, মো: সুলতান আহমেদ পিন্টু, মো: ডালিম হাওলাদার, মো: মাহফুজুর রহমান লিটন, মো: মনিরুজ্জামান, ইমাম হাসান চৌধুরী ময়না, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর মনিরা আক্তার, মাহমুদা বেগম, কনিকা সাহা ও রেকসনা কালাম লিলি। অন্যান্যের মধ্যে সচিব মো: আজমুল হক, প্রধান প্রকৌশলী মো: মনজুরুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. স্বপন কুমার হালদার, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, নির্বাহী প্রকৌশলী মো: সাহাবুল আলম, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা এসকেএম তাছাদুজ্জামানসহ সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও কেসিসি পরিচালত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় ‘ক’ বিভাগে (প্লে থেকে নার্সারী) তানিমা জান্নাতি রুহমা ১ম স্থান, কাজী সাওদা জাহান ২য় ও আলিফ আল ইমরান ৩য়; ‘খ’ বিভাগে (১ম ও ২য় শ্রেণি) উচ্ছাস সেন স্বপ্ন ১ম, ম্যাহেক বিনতে সাকিব ২য় ও কাকন মন্ডল ৩য় এবং ‘গ’ বিভাগে (৩য় থেকে ৫ম শ্রেণি) রোদোসী মাহজাবিন ঐশ্বর্য্য ১ম, ইসরাত ইসলাম রাফা ২য় ও সিয়াম শেখ ৩য় স্থান অধিকার করে। এছাড়া ‘ঘ’ বিভাগে (৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণি) ‘রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় কাজী রুকাইয়া জাহান ১ম, সামিহা রহমান ২য় ও নুসরাত জাহান ৩য় এবং ‘ঙ’ বিভাগে (৯ম ও ১০ম শ্রেণি) ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় জিহা আহমেদ ১ম, সাকিনা পারভীন পূর্ণিমা ২য় ও দীপন দেবনাথ ৩য় স্থান অধিকার করে। সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক চিত্রাঙ্কণ ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

শেষ পর্বে বঙ্গবন্ধুসহ ১৫আগস্টে শাহাদাত বরণকারীদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাওলানা নাসির উদ্দিন কাশেমী।

বিকেলে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক কেসিসি পরিচালিত খালিশপুর কলেজিয়েট গার্লস স্কুলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ‘ক’ অঞ্চলের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। কেসিসি’র মেয়র প্যানেলের সদস্য মো: আমিনুল ইসলাম মুন্না’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) লস্কার তাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো: সাইফুল ইসলাম, মো: ডালিম হাওলাদার, এমডি মাহফুজুর রহমান লিটন, মো: মনিরুজ্জামান, মুন্সী আব্দুল ওয়াদুদ, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর মনিরা আক্তার, সাহিদা বেগম, পারভীন আক্তার ও সচিব আজমুল হক। অন্যান্যের মধ্যে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় ‘ক’ বিভাগে জাহান ১ম স্থান, মাহিয়া ইসলাম ২য় ও মুশফিকা ইসলাম তোবা ৩য়; ‘খ’ বিভাগে সুমাইয়া ১ম, ফাইয়ারা জাহান ২য় ও মাসফিকুর রহমান ৩য় এবং ‘গ’ বিভাগে আদফিয়া নাবিবা সিলভি ১ম, আদ্রিতা ২য় ও সুমাইয়া জাহান ৩য় স্থান অধিকার করে। এছাড়া ‘ঘ’ বিভাগে ‘রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় রুকু ১ম, মিথিলা ২য় ও লামিয়া ইসলাম মমতা ৩য় এবং ‘ঙ’ বিভাগে ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় হাবিবা তাবাচ্ছুম মীম ১ম, আফরিন মৌ ২য় ও নাবিলা বিনতে ঐশী ৩য় স্থান অধিকার করে।

মোংলায় বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে গ্রাম প্লাবিত ঘের ও বীজতলা: ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিসংখ্যান নেই
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়েছে মোংলার কানাইনগর গ্রাম। এছাড়া বাঁধ না থাকায় অস্বাভাবিক জোয়ারে পশুর নদীর পানি উপচে পড়ে তলিয়ে গেছে চিলা ইউনিয়নের চিলা, সুন্দরতলা, জয়মনিসহ কয়েকটি গ্রাম। এছাড়াও বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের কয়েক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তবে জ্বলোচ্ছাসে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চাঁদপাই ইউনিয়নের কানাইনগর, কালিকাবাড়ী ও মালগাজী গ্রামের বাসিন্দারা।
চাঁদপাই ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা তারিকুল ইসলাম বলেন, বাঁধ ভেঙ্গে বসতবাড়ীর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কানাইনগর গ্রামের। সেখানে লোকজনের ঘরের মধ্যে পানি। লোকজনে কেউ ঘরের খাটের উপর আবার কেউ কেউ রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন। ভাটা হলে পানি নেমে গেলে তারা ঘরে ঢুকবেন। আর পানি তলিয়ে ঘের ও ধানের বীজতলা ডুবে ক্ষতি হয়েছে মালগাজী ও কালিকাবাড়ী গ্রামের। তিনি আরো বলেন, চাঁদপাই, চিলা ও বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন নদীর পাড়ে হওয়াতে এ তিন ইউনিয়নেই জ্বলোচ্ছাসে ক্ষতি বেশি হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার বলেন, কয়েকদিনের দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি তো একটু হয়েছেই, তবে সেটি পরে জানাবো হবে বলেন তিনি।
এদিকে চিংড়ি ঘের ও বাড়ীঘরসহ অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ জাফর রানা ও উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল ইসলামকে বার বার ফোন দিলে গত কয়েকদিন ধরেই (দুর্যোগকালে) তারা ফোন রিসিভ করছেন না।
এদিকে সোমবারও প্লাবিত হয়েছে সুন্দরবন। বনবিভাগের দুবলার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিলীপ মজুমদার ও করমজলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আজাদ কবির বলেন, সোমবারের জোয়ারেও সুন্দরবন প্লাবিত হয়েছে, তবে গত কয়েকদিনের তুলনায় পানি কিছুটা কমেছে।
মোংলা আবহাওয়া অফিস ইনচার্জ অমরেশ চন্দ্র ঢালী বলেন, লঘুচাপটি ওড়িষ্যা উপকূলে স্থল নিম্নচাপে রুপ নিয়েছে। এর ফলে সোমবারও মোংলাসহ উপকূলীয় এলাকায় তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি রয়েছে। সোমবারও উপকূল জুড়ে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হবে। সেই সাথে অস্বাবাবিক জোয়ারের চাপও থাকবে। আশা করা যাচ্ছে মঙ্গলবার থেকে আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে জানান তিনি।

মোংলায় বঙ্গবন্ধুর ভাগিনা খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু পরিবারের জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
১৫ আগস্ট রাতে বঙ্গবন্ধুসহ আলাদা বাসভবনে খুন হন তার ভগ্নিপতি আঃ রব সেরনিয়াবাতও। সে সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণে বেঁচে যান আঃ রব সেরনিয়াবাতের মেজো ছেলে ও বঙ্গবন্ধুর ভাগিনা আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত। সেই আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতের উদ্যোগে মোংলার বহুমুখী মাদ্রাসায় বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবার ও সকল আত্মীয়স্বজনের রুহের মাগফিরাত কামনায় মোংলায় কোরআন খতম, মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। মোংলা বন্দর শ্রমিক-কর্মচারী সংঘের পরিচালনায় ও বঙ্গবন্ধুর ভাগিনা মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটর এসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত সহযোগিতায় এ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আঃ রহমান, মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটর এসোসিয়েশন সদস্য ও সাংবাদিক এইচ এম দুলাল, বন্দর ব্যবহারকারী মশউর রহমান এবং মোংলা বন্দর শ্রমিক কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক সেন্টুসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বিপুল সংখ্যক লোকজন। দোয়া অনুষ্ঠান শেষে মাদ্রাসার এতিমসহ সকল শিক্ষার্থী এবং উপস্থিত লোকজনের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।

বেনাপোল বন্দরে পণ্য পরিবহনে অচলাবস্থা: ভারত থেকে আসা দুর পাল্লার যাত্রীরা বিপাকে
বেনাপোল প্রতিনিধি
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে বেনাপোল বন্দরে পণ্য পরিবহনে অস্বাভাবিক ট্রাক ভাড়া এবং বাস ভাড়াও বেড়েছে সমান তালে। ফলে সংকট দেখা দিয়েছে পরিবহনের । পণ্য পরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির কারণে ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্য দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে গিয়ে আমদানিকারক, পরিবহন এজেন্ট ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। এতে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে এখন অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে বেনাপোল থেকে ছেড়ে যাওয়া দুরপাল্লার বাস গুলিও আসন প্রতি ভাড়ার রেট বাড়িয়ে দিয়েছে যাত্রীদের উপর। যার কারনে ভারত থেকে আসা যাত্রীরা পড়েছে বিপাকে।

আমদানিকারকরা জানান, তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে ট্রাক মালিকরা ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন। এতে ব্যবসায়ীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। আগে বেনাপোল থেকে ঢাকা পর্যন্ত পণ্যবাহী ট্রাকের ভাড়া ছিল ১৫ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২১ হাজার টাকা। তা বাড়িয়ে এখন ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ২৫ থেকে ২৮ হাজার টাকা। বর্তমানে ট্রাক সংকটে অনেকে আমদানি পণ্যের শুল্ক পরিশোধ করেও বন্দর থেকে পণ্য খালাস করতে পারছেন না। আর বাস ভাড়া আসন প্রতি বাড়ানো হয়েছে ২শত টাকা থেকে ৪শত টাকা পর্যন্ত আর এসি বাসের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে আসন প্রতি ৬ থেকে ৭ শত টাকা পর্যন্ত।

ঢাকার কয়েকজন আমদানী কারক এ প্রতিবেদক জানান বেনাপোল কাস্টমস বন্দরের সব কার্যক্রম শেষ করেও। অতিরিক্ত ট্রাকভাড়ার কারণে তারা পণ্য বেনাপোল বন্দর থেকে ফ্যাক্টরিতে নিতে পারছেন না।
যশোরের আমদানিকারক আনোয়ার আলী আনু বলেন, গত মাসেও আমরা বেনাপোল থেকে যশোর পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকায় ট্রাকে করে পণ্য এনেছি। কিন্তু এখন সেই ট্রাক ভাড়া চাওয়া হচ্ছে ১১ হাজার টাকা। এতে করে লোকসানের শিকার হতে হবে। কেননা প্রতিযোগিতার বাজারে পণ্যের দাম বাড়ানো যায় না।

বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজিম উদ্দিন গাজী বলেন, তেলের দাম বাড়লেতো ট্রাকভাড়া বাড়বেই। বর্তমান বাড়তি দামে কমপক্ষে একটি ট্রাকে ১০ হাজার টাকা বেশি লাগবে। সে কারণে বেনাপোল বন্দর থেকে সারা দেশে পণ্য পরিবহনের ভাড়া বেড়েছে।

বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি আতিকুজ্জামান সনি বলেন, আগে বেনাপোল থেকে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে পণ্য পরিবহনে প্রতি ট্রাকের ভাড়া ছিল সর্বনিম্ন ১৮ হাজার ও সর্বোচ্চ ২৩ হাজার টাকা। একই ট্রাকের ভাড়া এখন বেড়ে হয়েছে ২৭ থেকে ৩৩ হাজার টাকা। একইভাবে কাভার্ডভ্যানের ভাড়া ৩০ হাজার থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৭ হাজার টাকা। এত বেশি ভাড়া দেওয়া সত্ত্বেও ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মিলছে না। ফলে পণ্য পরিবহন কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

বেনাপোল আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সভাপতি মহসিন মিলন বলেন, পরিবহন সংকটের জন্য ট্রাক ভাড়া এখন স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। কাঁচাপণ্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে পণ্য খালাস করে নিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এদিকে মার্কিন ডলারের মুল্য বদ্ধি ও টাকার মান কমে যাওয়ায় আমদানী কারকরা ব্যাংকে এলসি খুলতে পারছেন না। ফলে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানী ও অনেক কমে গেছে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ¦ শামছুর রহমান জানান, বেনাপোল দিয়ে প্রতিদিন স্বাভাবিক সময়ে সাড়ে ৪শ ট্রাক পণ্য আমদানি ও আড়াইশ ট্রাক পণ্য রফতানি হয়ে থাকে। গেল ২০২১-২২ অর্থবছরে পণ্য আমদানি হয়েছে ২১ লাখ ১৪ হাজার মেট্রিক টন। এসব পণ্য ট্রাক বা কার্ভাডভ্যানে পরিবহন করা হয়। তেলের দাম বাড়ায় বেনাপোল থেকে ট্রাক ভাড়া ১২ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা বেড়েছে। এতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

মহেশপুরে শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদৎ বার্ষিকি ও জাতীয় শোক দিবস পালিত
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি,
নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে ঝিনাইদহের মহেশপুরে আওয়ামীলীগ ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শেখ মুজিবর রহমানের ৪৭ তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে।
গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন শেষে মহেশপুর জনতা ব্যাংক চত্বর থেকে একটি বিশাল শোক র্যালী বের হয়।
অপরদিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্তর থেকে একটি শোক র্যালী বের করা হয়। র্যালী সহকারে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফিকুল আজম খান চঞ্চল ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নয়ন কুমার রাজবংশী উপজেলা পরিষদ চত্তরে নব-নির্মিত শেখ মুজিবুর রহমানের মুড়ালে পুষ্পমাল্য অর্পন করেন। পরে অডিটরিয়ামে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম সাজ্জাদের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফিকুল আজম খান চঞ্চল,উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ময়জদ্দীন হামিদ,সাধারণ সম্পাদক মীর সুলতানুজ্জামান লিটন,পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ খান,পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি অমল কুমার কুন্ডু,সাধারণ সম্পাদক শেখ এমদাদুল হক বুলু,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক মুক্তার হোসেন,দপ্তর সম্পাদক ও পৌর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আব্দুস সাত্তার,ডেপুটি কমান্ডার রবিউল আওয়াল,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আজিজুল হক আজা প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সবশেষে দুপুরে এলাকার গরীব ও দুস্তদের মধ্যে খিচুরি বিতরণ করেন ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফিকুল আজম খান চঞ্চল।

খুবিতে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে জাতীয় শোক দিবস পালিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫ই আগস্ট (সোমবার) হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে শোক দিবসের কর্মসূচির শুরুতে সকাল ৯টায় শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসন ভবনের সামনে কালোব্যাজ ধারণ, জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়।
সকাল ৯.১০ মিনিটে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের প্রাক্কালে উপাচার্যের নেতৃত্বে শোকর্যালি শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে হাদী চত্ত্বর ঘরে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে স্থাপিত কালজয়ী মুজিব চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এসময় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ডিনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) উপস্থিত ছিলেন। এরপরপরই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল, বিভিন্ন স্কুল (অনুষদ), বিভিন্ন ডিসিপ্লিন (বিভাগ), বিভিন্ন হল, শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স কল্যাণ পরিষদ ও বিভিন্ন সংগঠন এবং কর্মচারীবৃন্দের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষ্যে সকাল ৯.৩০ মিনিটে ক্যাম্পাসে অদম্য বাংলার অদূরে খননকৃত নতুন পুকুরের পাড়ে সোনালু, বনসোনালু, ম্যানগ্রোভ লাল কাঁকড়া প্রজাতি এবং তালের চারা রোপণ করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে উপাচার্য এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য যৌথভাবে সোনালু গাছের চারা রোপণ করেন। এরপরে খানজাহান আলী হলেও একটি বকুলের চারা রোপণ করেন উপাচার্য।
এছাড়া বেলা ১১টায় আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড নিছকই একটি হত্যাকাণ্ড নয়; এই হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে একটি জাতিকে হত্যা করা হয়। বাঙালি জাতির আশা, আকাক্সক্ষা ও স্বপ্নকে হত্যা করা হয়। বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ ছাপিয়ে বিশ্বে একটি সম্মানজনক অবস্থান তৈরি করে নিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু থেকে তিনি বিশ্ববন্ধুতে পরিণত হয়েছিলেন। কিন্তু এই বিশ্ববন্ধু হওয়া অনেকেই পছন্দ করেননি। যার কারণে দেশ ছাপিয়ে বিদেশেও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অপপ্রচার শুরু হয়েছে। বঙ্গবন্ধু থেকে তাঁকে বন্ধুহীন করার অপ্রচেষ্টা করা হয়। জনপ্রিয় নেতা থেকে অপ্রিয় নেতায় পরিণত করার ষড়যন্ত্র চলতে থাকে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পূর্বে দেশে নানা রকম ষড়যন্ত্র শুরু হয়। বাকশাল ও ব্যাংক সেক্টর নিয়ে নানা রকম প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়। যার অংশ হিসেবে গুপ্ত হত্যা করা হয়। ঈদের নামাজের মধ্যে এমপিকে হত্যা করা হয়।
উপাচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা গেলেও তাঁর চেতনাকে হত্যা করা সম্ভব হয়নি। আজও তার আদর্শ কোটি মানুষ হৃদয়ে ধারণ করে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু যেভাবে দেশের মানুষের জন্য ভেবেছেন, কাজ করেছেন; আমাদেরও সেভাবে দেশ ও মানুষের জন্য ভাবতে হবে, দেশের জন্য কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনার প্রতিফলন ঘটিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। বঙ্গবন্ধু দেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার যে স্বপ্ন আমাদের দেখিয়েছেন; সেই স্বপ্ন পূরণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের কাজ করে যেতে হবে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু একটি অনুভূতির নাম। যা কখনোই মুছে ফেলা যাবে না। বঙ্গবন্ধুর সাথে কারো তুলনা করাই চলে না।
সভা মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক, প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান। আলোচনাকালে তিনি ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ এর সুদীর্ঘ ইতিহাস, ৭৫ এর পূর্ব ও পরবর্তী প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বঙ্গবন্ধুকে ছাড়া বাংলাদেশ অচল। তিনি চিন্তা করেছেন স্বাধীন দেশ গড়বেন, দারিদ্র্যমুক্ত করবেন; তা তিনি করে দেখিয়েছেন। তিনি খোকা থেকে মুজিবুর, মুজিব ভাই, বঙ্গবন্ধু, জাতির পিতা পর্যন্ত উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। তিনি কর্মী থেকে নেতা হয়েছে। প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ইতিহাসের সাথে বঙ্গবন্ধুর নাম জড়িত। ভাষা আন্দোলনের প্রথম কারাবন্দীও তিনি। চাইলেই কেউ তার নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে পারবে না। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু নামের ওপর মুকিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু না থাকলে ৯ মাসে স্বাধীনতা অর্জন করা সম্ভব হতো না। ৯ মাসের মধ্যে দেশের সংবিধান রচিত হতো না। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠনের কাজে অগ্রগতি হতো না। শক্তিশালী অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে উঠতো না।
মুখ্য আলোচক বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পূর্বে দেশে হত্যার প্রেক্ষাপট তৈরি করা হয়। ধর্ম নিরপেক্ষা নিয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার করা হয়। জাতীয় ঐক্যের জন্য তৈরি করা বাকশাল নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। সেনাবাহিনীর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খুনিরা নিম্ন পর্যায়ের সেনা কর্মকর্তা হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তারা ক্ষমতা গ্রহণ করেনি। খন্দকার মোশতাক স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও অন্যান্য মাধ্যম থেকে তাকে অপ্রত্যাশিতভাবে সমর্থন জানানো হয়। শুরু হয়ে যায় রাষ্ট্রীয় কাজে ধর্মের অপব্যবহার। পরবর্তীকে মোশতাককে ক্ষমতাচ্যুত করে তারা ক্ষমতা গ্রহণ করেন। জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করেই হা না ভোটের মাধ্যমে মসনদে বসেন। তিনি ক্ষমতা গ্রহণের পর স্বাধীনতা বিরোধীদের পুনর্বাসিত করেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভুলুণ্ঠিত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর সেনাবাহিনী, পুলিশ, রাজনৈতিক ও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিরোধ গড়ে তোলা, প্রতিবাদ না করা ছিলো দেশ ও জাতির জন্য সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত, প্রহসনমূলক। এটা মেনে নেওয়া যায় না। জাতি হিসেবে এখানেও আমাদের কলঙ্ক রয়েছে।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা। সূচনা বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। সভাপতিত্ব করেন শোক দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি এবং কলা ও মানবিক স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. রুবেল আনছার। আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. তরুণ কান্তি বোস ও অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দীপক চন্দ্র মন্ডল।
আলোচনা সভার শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্ট রাতে নিহত শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব কর্মসূচিতে বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে সেখানে আইন ডিসিপ্লিন কর্তৃক প্রকাশিত স্মরণিকা ‘অগ্নিগিরির অস্তাচল’ এর ৫ম সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করেন উপাচার্য। এসময় উপ-উপাচার্য, মুখ্য আলোচক, আইন স্কুলের ডিন ও ডিসিপ্লিন প্রধান, স্মরণিকা প্রকাশনার সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এরপর সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবনের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘হাসিনা: এ ডটার্স টেল’ প্রদর্শিত হয়। এছাড়া বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সকাল ৯.৫০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় মন্দিরে প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।
অপরদিকে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে প্রভোস্ট প্রফেসর ড. তানজিল সওগাতের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। এছাড়া কোরআনখানি অনুষ্ঠিত এবং এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- রাতে হলে ৫ মিনিট নিষ্প্রদীপকরণ কর্মসূচি পালন করা হবে।

কুয়েটে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা প্রকৌশল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০২২ যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। ১৫ আগস্ট সোমবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসনিক ভবন, ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের বাসভবন ও হলসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ০৮.৪৫টায় বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের সন্তানদের অংশগ্রহণে স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারে “বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা” শীর্ষক শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯.১৫টায় ক্যাম্পাসস্থ বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষে বিভিন্ন অনুষদের ডীনবৃন্দ ও রেজিস্ট্রার শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর শিক্ষক সমিতি, পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ), অফিসার্স এসোসিয়েশন, ফজলুল হক হল, লালন শাহ হল, খানজাহান আলী হল, ড. এম. এ. রশীদ হল, রোকেয়া হল, অমর একুশে হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কুয়েট শাখা, কর্মকর্তা সমিতি (আপগ্রেডেশন), কর্মচারী সমিতি, গৌরব’ ৭১, খুলনা ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সকাল ১০ টায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) প্রফেসর ড. ইসমাঈল সাইফুল্যাহ এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ সাইফুল ইসলাম, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ শাহজাহান, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোঃ আরিফুল ইসলাম ও রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মোঃ আনিছুর রহমান ভূঞা। অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ হেলাল-আন-নাহিয়ান, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল হাসিব, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. শিবেন্দ্র শেখর শিকদার, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মিহির রঞ্জন হালদার, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. সোবহান মিয়া, আরবান এন্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তফা সারোয়ার, অফিসার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মোঃ রুহুল আমিন, কর্মকর্তা সমিতির (আপগ্রেডেশন) সভাপতি এস এম সাজ্জাদ হোসেন, কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসিব সরদার। আলোচনা সভা শেষে বিশ^বিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ওয়েল ফেয়ার সেন্টারে “বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা” শীর্ষক শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। এছাড়া, বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় ।

খুলনায় জাতীয় শোক দিবস পালিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি ও স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।

এদিন সকাল আটটায় খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে স্থাপিত জাতির পিতার ম্যুরালে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ১৫ আগস্টে শাহাদত বরণকারী জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। জেলা ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ জিল্লুর রহমান চৌধুরী, কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোঃ মাসুদুর রহমান ভূঞা, রেঞ্জ ডিআইজি ড. খঃ মহিদ উদ্দিন, জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান, মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সংগঠন, সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এসময় পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের স্বাধীন পতাকা ও স্বাধীন ভূখন্ড দিয়েছেন। স্বাধীন দেশে আমরা মাথা গোঁজার ঠাঁই, পরনের কাপড় ও তিন বেলা খাবারের নিশ্চয়তা পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুর আগেও অনেকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখেছেন কিন্তু বঙ্গবন্ধুই স্বাধীনতার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পেরেছেন। শেখ মুজিব কখনও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। তিনি বাঙালি জাতিকে অর্থনৈতিক মুক্তি দিতে চেয়েছিলেন, যা বাস্তবায়নের আগেই তিনি দুষ্কৃতিকারীদের হাতে নিহত হন। আজ তাঁরই কন্যা শেখ হাসিনার ঐকান্তিক চেষ্টায় আমরা উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি। বাংলাদেশ আজ বিশে^র বুকে উন্নয়নের রোল মডেল।

অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার জিনাত আরা আহমেদের সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম বিষয়ক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। খুলনায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে গরীব দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ এবং অসুস্থ্য অসহায় ব্যক্তিদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

কেসিসি’র উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা ও মহানগরীর সকল মসজিদে দোয়া মাহফিলসহ বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। সকল সরকারি, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় শোক দিবসের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ আলোচনা সভা, আবৃত্তি, রচনা, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, চিত্র প্রদর্শনী, হামদ ও নাত প্রতিযোগিতা এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। খুলনা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সড়ক দ্বীপসমূহ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। হাসপাতাল, জেলখানা, বৃদ্ধাশ্রম, এতিমখানা, শিশু পরিবার ও ভবঘুরে আশ্রয় কেন্দ্রসমূহে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।
জাতীয় শোক দিবসে স্থানীয় সংবাদপত্রগুলো বিশেষ সংখ্যা ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে এবং বাংলাদেশ বেতারের খুলনা কেন্দ্র বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করে।
খুলনার উপজেলাসমূহেও অনুরূপ কর্মসুচি পালিত হয়।

জীবিত বঙ্গবন্ধুর চেয়ে মৃত বঙ্গবন্ধু বেশি শক্তিশালী
-সিটি মেয়র
তথ্য বিবরনী
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, জীবিত বঙ্গবন্ধুর চেয়ে মৃত বঙ্গবন্ধু বেশি শক্তিশালী। তাঁর জন্য আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। জাতির পিতা ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা ও মহান স্বাধীনতার রূপকার। মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধিকারের প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু ছিলেন আপসহীন।

তিনি সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্র প্রাঙ্গণে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি ও স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

মেয়র আরও বলেন, ফাঁসির মঞ্চেও জাতির পিতা বাংলা ও বাঙালির জয়গান গেয়েছেন। বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে সারাজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠাই ছিল তাঁর স্বপ্ন। বঙ্গবন্ধু সবসময় জনগণের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রাখতেন। বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথেই তাঁর কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন রূপকল্প ২০৪১।

বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্রের আঞ্চলিক পরিচালক নিতাই কুমার ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক প্রকৌশলী তাজুন নাহার আক্তার ও উপবার্তা নিয়ন্ত্রক মোঃ নূরুল ইসলাম বক্তৃতা করেন। এসময় বেতারের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিল্পী-কলাকুশলীরা উপস্থিত ছিলেন।

সকালে বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্রে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে বেতারের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিল্পী-কলাকুশলীরা পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে বেতার থেকে এক শোক র্যালি শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। শোক র্যালিতে বেতারের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিল্পী-কলাকুশলী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

যথাযোগ্য মর্যাদায় খুলনা প্রেস ক্লাবে জাতীয় শোক দিবস পালিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য্যরে মধ্য দিয়ে সোমবার স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়নু কবীর বালু মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম। পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে এদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধংসের চেষ্টা করা হয়েছিলো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পর মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস বাঙালী জাতির সামনে তুলে ধরেন। বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধকে কেউ কখনো বাঙালী জাতির হৃদয় থেকে মুছে ফেলতে পারবে না।
আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, শেখ আবু হাসান, এস এম জাহিদ হোসেন ও ফারুক আহমেদ, ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাহেব আলী ও মল্লিক সুধাংশু, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক প্রচার সম্পাদক ও ভোরের কাগজের জেষ্ঠ প্রতিবেদক আছাদুজ্জামান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী সদস্য মোঃ হুমায়ুন কবীর, খুলনা প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ এস এম কামাল হোসেন, সহকারী সম্পাদক সুনীল কুমার দাস, নির্বাহী সদস্য মোঃ শাহ আলম. মোঃ আব্দুল হালিম ও শেখ মো: সেলিম, ক্লাব সদস্য ও খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আসাদ্জ্জুামান রিয়াজ, দিলীপ বর্মন, অস্থায়ী সদস্য নেয়ামুল হোসেন কচি, বাবুল আক্তার, সাংবাদিক অভিজিৎ পাল প্রমুখ।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সহকারী সম্পাদক এ এইচ এম শামিমুজ্জামান ও আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, নির্বাহী সদস্য মো: তরিকুল ইসলাম, আলমগীর হান্নান, বাপ্পী খান, দেবনাথ রনজিৎ কুমার, দেবব্রত রায়, এস এম নূর হাসান জনি, নাজমা আক্তার, আব্দুল মালেক, আবু নুরাইন খোন্দকার, শেখ আব্দুল হামিদ, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অস্থায়ী সদস্য আল মাহমুদ প্রিন্স, রীতা রানী দাস, প্রবীর কুমার বিশ্বাস, তিতাস চক্রবর্তী, মোঃ হেলাল মোল্লা, মিলন হোসেনসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

আলোচনা সভার শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টে নিহত সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এরপর দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন খুলনা প্রেস ক্লাবের ইমাম মোঃ ইউসুফ হাবিব।
এর আগে ক্লাবের নেতৃবৃন্দ ক্লাবের অভ্যন্তরে অবস্থিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

গাড়ির ওপর থেকে সরানো হলো গার্ডার, ৫ জনের লাশ উদ্ধার
ঢাকা অফিস
রাজধানীর উত্তরায় জসীমউদ্দীন এলাকায় দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ির ওপর থেকে গার্ডারটি সরানো হয়েছে। দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া প্রাইভেটকার থেকে ৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।

সোমবার (১৫ আগস্ট) রাতে ফায়ার সার্ভিস এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে বিকালে উত্তরার জসিমউদ্দিন এলাকায় আড়ং শো-রুমের সামনে বাস র্যাপিড ট্রানজিট সিস্টেম’র (বিআরটি) একটি গার্ডার ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেট কারের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো-গ-২২-৬০০৮।

ঘটনাস্থলে গাড়ির মধ্যেই নিহতরা হলেন মো. রুবেল (৫০), ফাহিমা (৪০), ঝরণা (২৮), জান্নাত (৬) ও জাকারিয়া (২)। আহতরা হলেন হৃদয় (২৬) ও রিয়া মনি (২১)।

পুলিশ জানায়, বিকেলের দিকে গার্ডারটি ভেঙে একটি প্রাইভেট কারের ওপর পড়ে। গাড়ির মধ্য থেকে আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জন্মনিবন্ধনে প্রয়োজন নেই মা-বাবার জন্ম সনদ
ঢাকা অফিস
এখন থেকে সন্তানের জন্মনিবন্ধন করার ক্ষেত্রে মা-বাবার জন্ম সনদ প্রয়োজন পড়বে না। হাসপাতালে জন্ম নেয়ার পর দেয়া ছাড়পত্র বা ইপিআই টিকার কার্ড যেকোনো একটি প্রমাণ দেখিয়ে শিশুর জন্মনিবন্ধন করা যাবে বলে জানিয়েছে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন)।

সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে রেজিস্ট্রার জেনারেল (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মির্জা তারিক হিকমত গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ২৭ জুলাই থেকে অনলাইনে জন্মনিবন্ধনের আবেদন নেওয়ার সফটওয়্যারে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন যারা শিশুর জন্মনিবন্ধনের জন্য আবেদন করবেন, তাদের কাছে আগের মতো মা-বাবার জন্মসনদ চাওয়া হবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত এভাবে নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে। তবে আগের নিয়মের যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, জন্মনিবন্ধনের আন্তর্জাতিক ব্যবহার সম্পর্কে জানার কারণে ভবিষ্যতের কথা ভেবে মা-বাবার জন্মসনদ চাওয়া হতো। এভাবে ৩০ লাখ শিশুর একক পরিচয়পত্র (ইউনিক আইডি) করা হয়েছে। এটা মা–বাবার সঙ্গে সন্তানের পরিচিতির একটি পদ্ধতি ছিল। মা-বাবার জন্মসনদের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়ায় সে সুযোগটি নষ্ট হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে জন্মনিবন্ধনের নিয়ম পরিবর্তন করে বলা হয়েছিল, ২০০১ সালের পর জন্ম নেয়া ব্যক্তিদের জন্মনিবন্ধন করতে হলে তার বাবা-মায়ের জন্মনিবন্ধন সনদ অবশ্যই প্রয়োজন হবে। ওই সময় জন্মনিবন্ধন করতে গিয়ে নানা ভোগান্তি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিভাবকরা।

নতুন শিক্ষাক্রমে সপ্তাহে পাঁচদিনে ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী
ঢাকা অফিস
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, নতুন শিক্ষাক্রমে সপ্তাহে পাঁচদিনে ক্লাস হবে। এতে শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি যেন না হয় তা পুষিয়ে নেওয়ার জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুর সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে যে জ্বালানি সংকট বিশ্বে চলছে এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে সেজন্য এখন থেকেই আমাদের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যদি সপ্তাহে পাঁচদিন ক্লাস নেওয়া হয় তাহলে বিশেষ করে শহরে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে যে পরিমাণ যানবাহন চলে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় তা সাশ্রয় হবে। যেজন্য আমাদের একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তবে আমরা এই পাঁচদিনের মধ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাস পুনর্বিন্যাস করতে চাই। যাতে শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের সমস্যা না হয়।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বশির আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারীসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতারা। পরে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।


Post Views:
18



নিউজের উৎস by [সুন্দরবন]]

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Sundabon Academy

Recent Posts

© 2022 sundarbon24.com|| All rights reserved.
Designer:Shimul Hossain
themesba-lates1749691102